Shibli-H-vai

কিভাবে প্রোডাকটিভ হবেনঃ

আমরা সবাই চাই অনেক কম সময়ে একটা কাজ খুব ভালোভাবে করতে এবং একদিনে অনেক কাজ করতে।অনেক সময়ে এটাও মনে হয় “ইশ!দিন যদি ৩০ ঘন্টার হতো!কত বেশি কাজ করা যেতো!কিন্তু সেটা আপনার ভুল ধারণা। কারণ যার সময় ব্যবহারে কৌশলগত সমস্যা থাকে তার জন্য প্রোডাকটিভ হওয়া আসলেই কঠিন।যাই হোক।আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে আসি কিভাবে আপনিও কাজের প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে পারবেন সহজেই।
আমেরিকার বিখ্যাত প্রোডাকটিভিটি কন্সাল্টেন্ট “আইভি লি” কাজের গুণগতমান ও প্রোডাকটিভিটি বৃদ্ধির ব্যাপারে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।চলুন জেনে নিই সেগুলোঃ
১.আগামীকালের জন্য ৬টি কাজের তালিকা তৈরি করুন ঃ
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর সময় আগামীকাল করতে হবে এমন ৬ টি কাজের লিস্ট তৈরি করুন।কমও না বেশিও না ৬ টি ; এবং কাজগুলোকে প্রায়োরিটি অনুযায়ী ভাগ করে রাখুন।
২.গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি অবলম্বন করুনঃ
আপনার কাজের প্রায়োরিটি অনুযায়ী কাজ শুরু করুন তবে একটা কাজ শেষ না করে আরেকটাতে হাত দেবেন না। যেভাবেই হোক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা সবার আগে শুরু করুন এবং যেভাবেই হোক তা পরিপূর্ণ ভাবে শেষ করুন।এক কাজের ভেতরে আরেক কাজ ঢোকাবেন না।এটা আপনার কাজের ছন্দ আর গতিকেই নস্ট করবে।এই গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি নিয়ে আরেকদিন বিস্তারিত বলবো ইংশা আল্লাহ।
৩.শেষ যদি না হয় তবেঃ
এমন হতেই পারে যে তালিকার যেকোনো কাজ করা হয়ে ওঠেনি
অর্থাৎ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।এমন কাজগুলোকে পরের দিনের ৬টি কাজের লিস্টের প্রথম দিকে রাখতে হবে।
৪.পুনরাবৃত্তি ঃ
সবশেষে আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুনরাবৃত্তি। এই প্রক্রিয়াটিকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে সর্বোচ্চ সফলতা আসার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে।এমনকি আমেরিকার কোম্পানিগুলোতে এর প্রয়োগ ঈর্ষণীয় সফলতার কারণ হয়েছে। তাই, প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে চাইলে আইভি লি মেথডটি নিশ্চিন্তে আয়ত্তে আনুন।আপনার কাজের গতি আর মান বাড়বে নিঃসন্দেহে। আর সফলতা তো আসবেই।
Written by: Mahtab Abdullah Monjur

14

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্নওয়ার্ডপ্রেসঃকি ও কেন???
বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেকোনো তথ্য পেতেই আমরা সে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারি। ওয়েবসাইট বলতে বোঝায় ডোমেইন এর মাধ্যমে দর্শন যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। আর বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৩৫% ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি।নেটক্র্যাফটের জরিপমতে সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪৫৫ মিলিয়ন।সেলফহোস্ট করা ওয়েবসাইটের ২০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করছে। ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেস শুরুর দিকে বিনা মূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, যা পরবর্তী সময়ে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনা মূল্যে তা ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কোনো ধরনের পিএইচপি, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি সম্ভব।সহজভাবে বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS)ওয়েবসাইটে ছবি,লেখা,যাবতীয় তথ্য দেখায় সবই কনটেন্ট। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়।
ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭ শে মে সর্বপ্রথম ওয়ার্ডপ্রেস প্রকাশ করেন।সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৫.৩ সাত মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে।এ সংস্করণটি বাংলা সহ ৫২ টি ভাষায় লেখা যায়।এতে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায় দেখে বর্তমানে ১২০ টির ও বেশি ভাষাভাষীর মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।
ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে দুই ধরনের সেবা প্রদান করে।
১।হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.com )
২।সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.org)
wordpress.com ফ্রি সাবডোমেইন,নির্দিষ্ট কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম,প্রায় ২ জিবির মতো হোস্টিং সুবিধা পাওয়া যায়।এতে খোলা ওয়েবসাইট বা ব্লগের ঠিকানা হয় www.####.wordpress.com ফরম্যাটে। wordpress.org এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়।এভাবে তৈরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হয় www.#####.com ফরম্যাটে।
সারা পৃথিবীতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।কোডিং দক্ষতা ছাড়াই এতে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।বর্তমানে কোনো ব্র্যান্ড বা প্রচারের জন্য ওয়েবসাইট খুবই কার্যকরী মাধ্যম। এসইওবান্ধব হওয়াতে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বেশিরভাগ ওয়েবডেভ্লেপআর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
Presentation slide, Presentation software, Presentation speech, How to start a presentation, Presentation topics, প্রেজেন্টেশন কিভাবে শুরু করতে হয়, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কি, প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে কি বলে, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার এর গুরুত্ব, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডাউনলোড, Prezi, Canva,

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার হিসেবে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কর্মক্ষেত্রে নিজের ভাবনা, গবেষণা বা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করি।বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত প্রেজেন্টেশন সফটওয়ারের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ।প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করেন। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশনমূলক স্লাইড তৈরি করা যায়।যা পরবর্তীতে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্দায় প্রদর্শন করা যায়।
১৯৮৭ সালে ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য Presenter নামক একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম তৈরি করেন।ট্রেডমার্কজনিত কারণে রবার্ট গাস্কিন্স এর পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় Powerpoint. সে বছরেই মাইক্রোসফট এটিকে কিনে নেয়। ১৯৯০ সালের ২২ মে মাইক্রোসফট পাওয়াপয়েন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয়ে ১২ টিরও বেশি সংস্করণ এসেছে। উইন্ডোজ,এপলের সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্টের এন্ড্রয়েড ভার্সনও বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে চাইলে অফিস 365 থেকে নেওয়া যেতে পারে অথবা মাইক্রোসফট স্টোর থেকে সরাসরি মাইক্রোসফট অফিস স্যুট কিনে ব্যবহার করা যায়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোনো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।স্টাডি অনুসারে প্রতিটি প্রেজেন্টেশন তৈরিতে গড়ে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রির্পোট স্লাইডের মাধ্যমে উপস্থাপন করে অতি সহজে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, কর্মীদের প্রোগ্রেস রিপোর্ট বা কোনো প্রজেক্ট আইডিয়া বোঝানো সম্ভব হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য আকর্ষণীয় স্লাইডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী করা যায়। এ করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকের অনলাইনে ক্লাসের কোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে পারছেন সহজেই।পাওয়ার পয়েন্টের বিশেষত্ব হলো- এর মাধ্যমে টেক্সটের সাথে যে কোন ধরনের চলমান ছবি, শব্দ যুক্ত করা যায়।পরবর্তীতে উক্ত ছবি বা শব্দসমূদ্ধ টেক্সটগুলোকে এনিমেশন আকারে দেখানো যায়।পাওয়ার পয়েন্টে দেড়শর অধিক টেমপ্লেট বা ছাঁচ রয়েছে যার সাহায্যে দৃশ্যগত উপস্থাপনা বা স্লাইড নির্মাণ করা হয়।স্লাইডের উপস্থাপনা সুন্দর করার জন্য এতে থাকা। বহু রঙের প্যালেট ব্যবহার করা যায়।পাওয়ার পয়েন্টে একই সঙ্গে লেখা, সারণি, নকশা ও ছবির ব্যবহার করা যায়।পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন পরিমার্জন,সংশোধন ও সংরক্ষণ করা যায়।প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্টও করা যায়। প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব থেকে সরাসরি যেকোনো ভিডিও ওয়েবসাইট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উপাস্থাপন করা যায়।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
    কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম