যৌথব্যাবসার পরিকল্পনা ২০১৯-২০২০ | Joint business plan 2019 -2020

কন্টেন্ট মারকেটিংঃ আজকের ব্যবসায়ের অস্ত্র

ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি টার্ম হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। কন্টেন্ট মার্কেটিং বলতে মূলত বোঝায় আপনার পণ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে তাকে সম্পৃক্ত করা।এক্ষেত্রে কন্টেন্ট পরিবেশনের ক্ষেত্রে অডিও,ভিডিও,ছবি ,আর্টিকেল যেকোনো মাধ্যমকেই বেছে নেওয়া যেতে পারে।
কন্টেন্ট মার্কেটিং শতবছর ধরে চলে আসলেও প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এতে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।শুরুর দিকে শুধু গল্প বলার মাধ্যমেই পাঠকের সাথে সংযোগ স্থাপন করা হলেও এখন অডিও, ভিডিও,ইমেজ সকল মাধ্যম ব্যবহার করেই কন্টেন্ট পাঠকের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে ব্রান্ডকে আকর্ষণীয়রূপে উপস্থাপন করা হয়।এভাবে ক্রেতা তার প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়ার মাধ্যমে ক্রেতা ও ব্র্যান্ডের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠে।

আগে মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের ব্যাবহার খুবই জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু বর্তমানে ওয়েব দুনিয়া টিভি রেডিওর জায়গাটা দখল করে নিয়েছে।অনলাইনেও এডব্লকিং সফটওয়ারের ব্যবহার বাড়ছে দিনে দিনে।বিজ্ঞাপন কাজের মধ্যেই চলে আসে দেখে অনেকক্ষেত্রেই বিরক্তির উদ্রেক ঘটায়।কিন্তু কনটেন্টের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সব একসাথে পাওয়া যায় দেখে ক্রেতা আগ্রহী হন।কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো পণ্য কেনার কথা বলা হয় না।গ্রাহকের চাহিদা বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার চাওয়া সম্পর্কে তাকে সচেতন করবেন।কোন ধরনের পণ্য সে চাওয়া পূরণ করতে সক্ষম তা তাকে জানাবেন।আপনার পণ্য সেসব চাওয়া পূরণ করতে কতটা উপযুক্ত তা উপস্থাপন করবেন।এরপর গ্রাহক নিজ সিদ্ধান্তগুনে আপনার পণ্য বা সেবা নিতে উৎসাহী হবে।একারণেই কন্টেন্ট তথ্যসমৃদ্ধ, মানসম্পন্ন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কন্টেন্ট ভালো হলে সে ব্র্যান্ডের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ব্লেন্ডটেক কোম্পানির কথা।তাদের ব্লেন্ডার খুবই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ছিল।কিন্তু তবু তাদের ব্যবসা যখন লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছিল তখন তারা তাদের প্রচারের জন্য ভিন্ন কৌশলে নিজেদের হাজির করেন। তারা ইউটিউবে ‘উইল ইট ব্লেন্ড?’ নামে একটি সিরিজ ভিডিও আপলোড করা শুরু করেন। এতে তারা দেখান তাদের ব্লেন্ডারে তারা গলফ বল, মার্বেল,আইফোন যেকোনোকিছুই ব্লেন্ড করে ফেলতে সক্ষম।এতে করে গ্রাহক বুঝতে পারেন তাদের ব্লেন্ডারের মান সম্পর্কে।অন্য ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের চেয়ে ব্লেন্ডটেকের ব্লেন্ডার কেন এগিয়ে তা তাদের আর বলে বোঝানোর প্রয়োজন হয় নি। গ্রাহক নিজেই তা বিচার করতে পেরেছেন।এ প্রচারণার ফলে তাদের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

বহুআগে থেকেই গল্পের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির কৌশল চলে আসলেও তা আজও বেশ জনপ্রিয়।গল্প সহজেই মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম।মানুষ তার নিজের আবেগের মাধ্যমে গল্পকে অনুভব করতে পারেন। কন্টেন্ট মার্কেটিং এর এ গুরুত্বপূর্ণ কৌশল কাজে লাগাতে দেখা যায় ইকমার্স কোম্পানি ফ্লিপকারট কে। তাদের ওয়েবসাইটে ‘Flipkart Stories’ সেকশনে ক্রেতা বিক্রেতা দুজনেই পণ্য নিয়ে তাদের গল্প,অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।এতে করে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এছাড়া ওয়েবসাইটে নানান ব্লগে ফ্লিপকারট সম্পর্কিত নানা প্রশ্নোত্তর,শপিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা,তাদের উদ্যোগ সম্পর্কিত সকল তথ্য সাজানো আছে।এটি গ্রাহককে তাদের পণ্য কিনতে আগ্রহী করে তোলে।

ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হওয়া যেহেতু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।এ মার্কেটিং কৌশলও বেশ সময়সাপেক্ষ। তাই সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে আমাদের সৃষ্টিশীল ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্পন্ন কন্টেন্ট বানাতে হবে।

6

A glance at Digital Marketing Strategy

Do you know what a digital marketing strategy is? How are you connected to it?

According to Google, a digital marketing strategy is a plan that helps your business achieve specific digital goals through carefully selected online marketing channels such as paid, earned, and owned media. now, you may question, ‘What are digital goals?’ Well, some digital goals are given below:

  • Increasing problem and solution awareness
  • Acquiring new leads and customers
  • Activating leads and customers
  • Monetizing existing leads and customers
  • Onboarding new leads and customers
  • Building community and advocacy

Are you confused? Let us get dug into an example. Suppose company A and Company B are renowned organizations in a society. Both are harming the environment at the time of their production. Company A has started investing in the ground for awareness, but company B is not doing anything. Here, when company A is supporting its assets on the environment, not reducing its responsibility. As we know, being a company, A’s responsibility and duty are earning profit and enhancing assets. You may question, ‘How will it work for digital marketing?’
As you can see, at a time, A is making two objectives – earning profit and performing towards the environment. So, here A is marketing itself more efficiently. When A’s logo is being posted in every place, more and more people are getting attached to A’s contribution. Thus A is involved in digital marketing.

Not enough? Want another example? Okay! Being a student at the Faculty of Business Studies, University of Dhaka, I am directly connected to E-library. Robi established this library. There is a logo of Robi at the entrance of the gate. And also, there is written “Robi E-Library.” How does it work? The students of this faculty will be influenced by Robi, and many of them may want to set robi as their future goal. Thus, more and more leadership will be grown up, which will benefit Robi. This is how digital marketing turns a contribution to profit.
জোহারি উইন্ডো

কোনো ব্যক্তির মধ্যে আত্নসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম স্বীকৃত কৌশল হলো জোহারি উইন্ডো।এ মডেল ব্যক্তির নিজের সাথে নিজের এবং অন্যদের সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে। ১৯৫৫ সালে মনোবিজ্ঞানী জোসেফ লাফ্ট ও হেরিংটন ইংঘাম মানুষের সচেতনতা ও জ্ঞানের স্তরবিন্যাস করতে এ মডেল প্রবর্তন করেন। তাঁদের দুজনের নামের প্রথমঅংশ মিলিয়ে এ মডেলের নামকরণ করা হয় জোহারি উইন্ডো। জোহারি উইন্ডো মডেল দুটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়- নিজের সম্পর্কিত তথ্য অন্যদের জানানো এবং তাঁদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে নিজের লুকায়িত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারা। এবং এর ফলে পারস্পরিক বিশ্বাস গভীর হয়ে উঠে। কমিউনিকেশন স্কিল বাড়াতে চাইলে এটি বেশ কার্যকরী কৌশল।
এ মডেলে ৫৬ টি বিশেষণের একটি তালিকা দেওয়া হয় যা থেকে ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিত্বকে প্রতিনিধিত্ব করে এমন ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন।একইভাবে অন্যরাও তাকে নিয়ে যে ধারণা পোষণ করে তার ভিত্তিতে ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন। উভয়ের বেছে নেওয়া বিশেষণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এদের ৪ টি এলাকায় ভাগ করে রাখা হয়।
মুক্ত এলাকাঃ(Open Area) ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে এবং অন্যরা জানে তা এ এলাকায় থাকবে।এ এলাকায় সকল যোগাযোগ দ্বিমুখী প্রক্রিয়ায় হয় অর্থাৎ ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে অন্যদের জানান এবং অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পান। ফলস্বরূপ এ এলাকা ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য বেশ কার্যকর এবং এতে সম্পর্কগুলো গতিশীল হয়ে উঠে।
গোপন এলাকাঃ (Hidden Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে জানে কিন্তু অন্যদের কাছে গোপন করতে চায় সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। এ এলাকাকে ছোট করতে চাইলে ব্যক্তির নিজে উদ্যোগী হয়ে তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে সেসব তথ্যকে মুক্ত এলাকায় নিয়ে যেতে হবে। এতে ব্যক্তি নিজের ভয়,সংকোচ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
অন্ধ এলাকাঃ (Blind Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে না জানা স্বত্বেও অন্যরা জানেন সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা যায়। কার্যকরী যোগাযোগের জন্য এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা জরুরী। নাহয় অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাবছে তা সে বুঝতে পারবে না।
অজ্ঞাত এলাকাঃ (Unknown area)ব্যক্তির যেসব তথ্য যা তার নিজের কাছে এবং একই সাথে অন্যের কাছেও অজানা সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়।উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমেই এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা সম্ভব।এর ফলে ব্যক্তি তার সম্পর্কিত গোপন অনুভূতি বা তার নিজের গোপন প্রতিভা সম্পর্কে জানতে পারেন।
ব্যক্তি জীবনে সফল হয়ে উঠতে হলে নিজের গুণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তাই আমাদের উদ্দেশ্য হবে কার্যকরী যোগাযোগের মাধ্যমে মুক্ত এলাকার পরিধি বৃদ্ধি করা।
এলিভেটর পিচঃকি কেন কিভাবেঃ

ধরুন আপনাকে নিজের সম্পর্কে, আপনার অর্জন আর প্যাশন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো।সময় দেয়া হলো ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট।কল্পনা করুন আপনি কীভাবে বলবেন।

আমার এক বন্ধুর গল্প বলি।ওর নাম রাকিব।একদিন সে বসুন্ধরা সিটির লিফটে উঠছে।উঠেই দেখে ইগলুর সিইও স্যার ওর সামনে দাড়ানো।ওনাকে আগেও রাকিব ভার্সিটির কনফারেন্সে দেখেছে।লিফট উপরে উঠতে শুরু করেছে।রাকিব ভাবছিলো কীভাবে পরিচিত হওয়া যায় তার সাথে……

এই যে লিফটের ভেতরে অল্প সময়ে কারো সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য নিজের যে ভাষণ,এটাই এলিভেটর পিচ।ইন্ট্রোডাকশন এর সাথে এর মূল পার্থক্য হলো এলিভেটর পিচ শেষ করতে হয় খুবই কম সময়ের ভেতর, ত্রিশ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট এবং এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটা ইম্প্রেশন তৈরি করতে হয়।

রাকিবের মাথায় একটা আইডিয়া খেলে গেল।সে বলতে শুরু করলো,
“আসসালামু আলাইকুম, স্যার।আমি রাকিব আল হাসান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি ইউনিটে ৩য় বর্ষে পড়ছি স্যার।আমি আন্তর্জাতিক ব্যবসায় ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্টাডি করছি স্যার।আমার মনে হয় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর অনেক বেশি সম্ভাবনা আছে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে যাওয়ার।

স্যার,আমার মনে হয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আরো কাজ হতে পারে।আমাদের যেভাবে দেশ ও জাতিকে দেওয়া উচিত আমরা সেভাবে দিতে পারছিনা স্যার।

স্যার,কেস কম্পিটিশন করছি আর কিছু পুরস্কারও পেয়েছি।তার পাশাপাশি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সংগঠনে কাজ করছি আর আমার শক্তির দিক হচ্ছে লেখালেখি।স্যার বেশ কয়েকটা ক্লাব আমি লিটারেচার,বিজনেস কন্টেন্ট আর দক্ষতা বিষয়ক লেখালেখি করি স্যার।

স্যার,আপনাকে আমার ক্যাম্পাসে গত অনুষ্টানে দেখেছি স্যার।আপনার কথাগুলো খুব ভালো লেগেছে আমার।ভবিষ্যতেও এভাবেই অনুপ্রানিত করবেন স্যার।

স্যার,আপনার একটা কার্ড পেতে পারি?”””

এলিভেটর পিচ দেওয়ার সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখবেন।আপনি যার সাথে পরিচিত হচ্ছেন সে আপনাকে নাও চিনতে পারে অথবা পাত্তা নাও দিতে পারে।তবে আপনাকে থেমে গেলে চলবে না।নিজের পরিচয়,প্যাশন আর অর্জনগুলো চমৎকারভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে পাত্তা আদায় করে নিতে হবে।

এই এলিভেটর পিচে কিছু জিনিস আমি মাথায় রেখেছিলাম।সেগুলো হলোঃ
১.আই কন্টাক:যার সাথে কথা বলছেন।
২.বডি ল্যাংগুয়েজ:ইতিবাচক।
৩.পজিটিভিটি:প্যাশন বর্ণনায় পজিটিভ থাকতে হবে।
৪.হাসিমুখ:আপনার হাসিমুখ আপনার আত্মবিশ্বাস ফুটিয়ে তোলে।
৫.আগ্রহ:পরিচিত হওয়ার ক্ষেত্রে আপনার আগ্রহ অপর ব্যক্তিকে মুগ্ধ করবে।

আর দেরি কেন,বিষয়গুলো মাথায় রেখে আজই বানিয়ে ফেলুন নিজের এলিভেটর পিচ।প্র‍্যাকটিস করুন এবং তৈরি করুন নিজের শক্ত একটা জায়গা।
শুভকামনা।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর
▪▪এইচ আর ট্রাবলস্▪▪

5

A split of Strategic Situation Analysis

Are we all connected to strategic situation analysis? Do we make ourselves a doll of it? Or, do we make it our doll?

To know about the concept, first we need to go through what is it?. Let us go through a simple example. Suppose, you have bought a water bottle. Now, it is a matter for the company that whether you are satisfied or not after drinking it. Do you know why? Because if we become satisfied, we will want to buy that bottle again.

But you may have a question – How it is connected to the strategic situation analysis, Isn’t it?This mentality of buying is related to making more profit. It will help that organization :
1)To defeat the competitors in the market.
2) To increase the Earning Per Share (EPS)
3)To have fund for new investments to meet up the weakness that will further help in generating profit.
4)To contribute in Corporate Social Responsibility (CSR)

So,you can see in aforementioned issues,they can satisfy their both stockholders and stakeholders.

Now we have learnt that we all are related to strategic situation analysis sometime as a buyer, sometime as a stockholder, sometime as a worker, sometime as a consumer or sometime as a well-wisher.

affiliate_marketing

“Touch of Affiliate Marketing”

If Opportunity doesn’t knock, build a door.
Affiliate marketing is like a door for companies to promote their products.
Let’s start with an example, suppose I have a fashion house. I have pursued general marketing strategies but it’s not reaching a large scale. On the other hand, you have a popular YouTube channel.
The affiliation will occur when I will contact you to promote my products through your YouTube channel and in exchange for I will pay you a percentage of my sale revenue, as simple as that.
Now the question is if only YouTubers can do affiliate marketing and earn money? The answer is ‘no’. You might be a blogger and earn through affiliate marketing.

Some e-commerce websites in Bangladesh offers affiliate marketing. For example, I can name Daraz, BDSHOP, BAGDOOM.com, etc.

Affiliate Marketing is a popular tactic to drive sales and generate online revenue. It’s highly beneficial for both brands and affiliate marketers. Many of us are aware that, in Bangladesh YouTube channels generally make money via Google add scenes, which doesn’t borrow in a good amount. In contrast to that, in most countries, Affiliate marketing is the main income stream for YouTubers.
“Affiliate marketing has made business millions and ordinary people millionaires.”

  • Bo Bennet

There is a 10.1% increase in affiliate marketing spending in the United States each year, meaning that by 2020, that number will reach $6.8 billion. But in Bangladesh, we can’t observe that much focus on this incredible marketing approach.
Special note:
Hope you have a basic understanding of Affiliate marketing now. If want to know further please let me know.

-Moriom Binta Azad Bijoyee
Executive
Content Development Team

e

E-commerce industry in Bangladesh

Future of E-commerce in Bangladesh E-commerce is nowadays a trendy growing sector. Still, the stability and expansion of the business or industry is just a matter of time. After some years, the existing companies will grow bigger than now. Seeing the success, more will be encouraged to start in the future. So there will be a decent number of companies in a certain amount of period. This type of company is now going through the embryonic stage; they create and expand the target market and be familiar with the market. Precisely, people will accept it more willingly after some years for the mobility of the entire process. This can be the panacea considering the situation of high traffic jams in Dhaka city. This will also penetrate the global platform and compete with international companies by expanding the international market. So the growth of the E-commerce sector in Bangladesh is expected to increase exponentially in the next following years. The blessing of technology has created a buzzword called “E-commerce,” which recently inspired people to be self-employed in the e-commerce sector.

Some types of e-commerce businesses as “online shopping”, “online cosmetics”, “online electronics” have been favored to start their business. According to research, “electronics and groceries will reach 25% growth in online sales”. The food business is also the most popular in Dhaka city, with a 25% growth. In this sector, “Foodpanda” “Hungrynaki,” has become prominent by their service. Even in Quarantine, people are getting more connected to e-commerce. For example, many people are losing jobs, along with getting locked in the house. In this situation, they, to earn money, get attached to social business. They use social platforms for disturbing their products. It is quite an easy way to do business and gain profit.

df

ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার অর্থনীতি

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে বাংলায় গোড়াপত্তন হয় ব্রিটিশ শাসনামলের। ১৮৫৮ সালের ১লা নভেম্বর রাণী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করার মাধ্যমে শুরু হয় ইংরেজদের মুল রাজত্ব এবং ভারতবর্ষ হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উপনিবেশ। ব্রিটিশরা আসার পূর্বে এদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি ছিল কৃষি। কিন্তু, ব্রিটিশরা আসার পর আমাদের অর্থনীতি কেমন ছিল তা নিয়েই আজকের এই লেখটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রিটিশ আমলের অর্থনীতি সম্পর্কে-
ঔপনিবেশিক শাসনকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করে প্রাচীন শাসনকাঠামো ভেঙ্গে ঔপনিবেশিক শাসকগণ নিজেদের শাসন ও শোষণের অনুকূল এক নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সৃষ্টি করেন। যার মূল লক্ষ্য ছিল সম্পদ লুণ্ঠন ও রাজস্ব সংগ্রহ। ব্রিটিশদের প্রবর্তিত ভূমি বন্দোবস্ত প্রথা, চিরস্থায়ী ব্যবস্থা, ভূমির মালিকানা স্বত্ব প্রদান, কর আদায় ও কর ধার্যের নতুন নতুন রীতি-নীতি বাংলার অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। মোটা অঙ্কের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থা পাল্টিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করে। এ ব্যবস্থা এক শ্রেণীর নতুন জমিদারের সৃষ্টি করে। রাজস্ব ও কর আদায়ের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণীর জন্ম হয়। ব্রিটিশ শাসক, জমিদার আর মধ্যস্বত্বভোগী এই তিন শ্রেণীর শোষণ-নিপীড়ন বাংলার কৃষককে পঙ্গু করে ফেলে। এরপরও ব্রিটিশরা তাদের শিল্প বিপ−বের স্বার্থে চালু করে জবরদস্তিমূলক নীল চাষ। নীল চাষ একদিকে জমির উৎপাদন হ্রাস করেছে অন্যদিকে কৃষককে তার দীর্ঘদিনের স্ব-উপার্জিত অর্থনীতি থেকে উৎখাত করেছে। ব্রিটিশদের প্রবর্তিত কৃষি নীতির ফলে বাংলার স্বয়ং সম্পূর্ণ গ্রাম্য অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়ে। কৃষক বাজার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে। ব্রিটিশ প্রবর্তিত অর্থনীতি বাংলায় এক শ্রেণীর পুঁজিপতিরও সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এই পুঁজিপতি শ্রেণীই বাংলার ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে বাংলার স্থানীয় শিল্প কলকারখানার ধ্বংস অনিবার্য হয়ে ওঠে। কেননা ব্রিটিশ শাসকগণ বাংলাকে শিল্পের কাঁচামালের যোগানদাতা হিসাবে ব্যবহার করেছে। আবার বাংলার কাঁচামাল থেকে তৈরি পোশাক বিক্রির বাজার হিসাবেও ঔপনিবেশিক শাসকগণ বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশকেই বেছে নিয়েছে। এর ফলে বাংলার তাঁত শিল্প ধ্বংস হয়েছে। ঢাকাই মসলনিরে শিল্প ধ্বংস হয়ছে। শিল্প বিপ্লবের পর বৃটেনে যেসব বড় বড় শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে তার বেশিরভাগই কাঁচামালের যোগানদাতা ছিল ভারতবর্ষ। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলায় ব্রিটিশদের লুণ্ঠনের ফলেই ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সম্ভব হয়েছে। শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রয়োজনীয় ৬০ ভাগ কাঁচামাল বাংলা থেকে সরবরাহ হয়েছে। ব্যাপক হারে লুণ্ঠন বাংলার কৃষি ও শিল্প সমাজকে পঙ্গু করে ফেলে। ব্যাপক এই লুণ্ঠনে মাত্র ১৩ বছরের মাথায় ১৭৭০ সালে বাংলায় স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। যার ফলে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বাঙ্গালি মারা যায়। এক কথায়, ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার কৃষক সমাজ রিক্ত ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। ভেঙ্গে পড়ে অথবা বন্ধ হয়ে যায় তাঁত কলগুলো। তবে একথা ঠিক ব্রিটিশ শাসনের ফলেই ভারতবর্ষ তথা বাংলায় পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে জোরদার করে।

ব্রিটিশরা চলে গেলেও তাদের ধ্বংস করে যাওয়া অর্থনীতি এখন ঘুরে দাড়াতে পারেনি। ব্রিটিশদের অর্থনীতি শিল্প নির্ভর হলেও আমদের অর্থনীতি এখনও কৃষি নির্ভর। এই কৃষি নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হলে আমদের প্রয়োজন সুশিক্ষায় শিক্ষিত দক্ষ যুবসমাজ। তাই, এখনি সময় নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার এবং দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করার।

87

মার্কেটিং কড়চাঃ কিছু কথা

মার্কেটিং বলতে বোঝায় কোনো পণ্য বা সেবাকে প্রচার-প্রচারনাসহ বাজার বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিক্রি করা।বাজার বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পণ্য বা সেবার গ্রাহক খুঁজে বের করা।গ্রাহকের কাছে পৌছাতে প্রচারের জন্য আগে টিভি,রেডিও,সংবাদপত্র,লীফলেট ইত্যাদি উপায় বেছে নেওয়া হতো। আধুনিকায়নের এ যুগে আগের সে ধারাতে এসেছে পরিবর্তন।বর্তমানে ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমেও পণ্য বা সেবার প্রচার-প্রচারণা করা হয়।ডিজিটাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এভাবে পণ্যের প্রচারকে বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং।
ডিজিটাল মার্কেটিং গত বছর দশক ধরে জনপ্রিয়তা পেলেও এর উত্থান মূলত শুরু হয়েছে যখন থেকে কোনো কিছু সম্পর্কে তথ্য জানতে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা শুরু করেছিল।এতে করে মার্কেটারর বুঝতে শুরু করেছিল সার্চ ইঞ্জিনে কোনো সার্চের ফলাফল যদি গ্রাহকদের চাহিদামতো উপাস্থাপন করা যায় তাহলে তাদের ওয়েবসাইটের ভিজিট বাড়ার মাধ্যমে তাদের বিক্রিও বাড়বে।সার্চইঞ্জিন মার্কেটিং এর সাথে সাথে মোবাইল মার্কেটিং,ইমেইল মার্কেটিং,ভিডিও মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে যুক্ত হয়। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বাড়ার পরে তাও পণ্যের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।অনলাইন ইউজার বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দ্রুত সময়েই নতুন গ্রাহক তৈরি করা যাচ্ছে।ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং এর তুলনায় খরচ কম হওয়ায় মার্কেটে অন্যান্য প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাও এখন তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে উঠেছে।
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে পেইড,ওঊনড এবং আরনড এ তিন ধরনের মিডিয়া ব্যবহৃত হয়।পেইড মিডিয়ায় অর্থের বিনিময়ে মার্কেটিং কনটেন্ট গুলো প্রচার করার মাধ্যমে পণ্যের প্রচার করতে হয়।Owned মিডিয়া বলতে বোঝায় কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট,ব্লগসাইট,সোশ্যাল মিডিয়া পেজের অর্গানিক ফলোয়ার যাতে খরচ ছাড়াই পণ্যের প্রচার করা যায়।সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার পণ্য সম্পর্কিত কোনো পোস্ট ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়া বা ব্যবসা সম্পর্কিত কোনো আর্টিকেল খবরে ছাপানো এসব হলো আরনড মিডিয়ার অংশ।সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা যায় , সামাজিক মাধ্যম, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা অ্যামাজনের অ্যালেক্সার মতো ভয়েস অ্যাকটিভেটেড অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তাদের লক্ষ্য করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুযোগ দিচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং বা‘মারটেক’। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যতম সম্ভবনাময় খাত।২০২০ সালে এসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মার্কেট সাইজ প্রায় ৩৬০-৩৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।যুগোপযোগী ও গতিশীল হওয়ায় এ মার্কেট প্রতিনিয়ত বৃদ্ধিই পাচ্ছে।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
    কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
1

Artificial Intelligence has come in Business!

Rather than serving as a replacement for human intelligence and ingenuity, artificial intelligence is generally seen as a supporting tool. Although artificial intelligence currently has a difficult time completing commonsense tasks in the real world, it is adept at processing and analyzing troves of data far more quickly than a human brain could. Artificial intelligence software can then return with synthesized courses of action and present them to the human user. In this way, humans can use artificial intelligence to help game out possible consequences of each action and streamline the decision-making process.
“Artificial intelligence is kind of the second coming of software,” said Amir Husain, founder and CEO of machine learning company SparkCognition. “It’s a form of software that makes decisions on its own, that’s able to act even in situations not foreseen by the programmers. Artificial intelligence has a wider latitude of decision-making ability as opposed to traditional software.”
Those traits make artificial intelligence highly valuable throughout many industries, whether it’s simply helping visitors and staff make their way around a corporate campus efficiently or performing a task as complex as monitoring a wind turbine to predict when it will need repairs.
Machine learning is used often in systems that capture vast amounts of data. For example, smart energy management systems collect data from sensors affixed to various assets. The troves of data are then contextualized by machine learning algorithms and delivered to human decision-makers to better understand energy usage and maintenance demands.
An example of artificial intelligence’s versatility is within the financial sector. Dr. Hossein Rahnama, founder and CEO of artificial intelligence concierge company Flybits and visiting professor at the Massachusetts Institute of Technology, worked with TD Bank to integrate artificial intelligence into regular banking operations, such as mortgage loans.
“Using this technology, if you have a mortgage with the bank and it’s up for renewal in 90 days or less … if you’re walking by a branch, you get a personalized message inviting you to go to the branch and renew purchase,” Rahnama said. “If you’re looking at a property for sale and you spend more than 10 minutes there, it will send you a possible mortgage offer.
“We’re no longer expecting the user to constantly be on a search box Googling what they need,” he added. “The paradigm is shifting as to how the right information finds the right user at the right time.”

7

Understanding the view of Market share

Companies increase market share through innovation, strengthening customer relationships, smart hiring practices, and acquiring competitors. A company’s market share is the percentage it controls the total market for its products and services.
Understanding Market Share
It’s obvious to start with thinking and understanding in order to grab the market. And there’s a mathematical way to make you understood. Market share is calculated by measuring the percentage of sales or percentage of units a company has in the overall market. Well, it’s the basic formula! Let’s take an example out. Using the percentage of sales method, if a company has $1 million in annual sales and the total sales for the year in its industry are $100 million, the company’s market share is 1%. Under the percentage of units method, a company that sells 50,000 units annually in an industry where 5 million units are sold per year also has a market share of 1%.
Increasing Market Share
There’s one way to increase market share. If a company wants to do so it has to bring a new product or maybe technology in the market which may competitors have offered. Consumers will come to busy as they did business with the other competitors. In this case, loyalty matters a lot.
By strengthening customer relationships, companies protect their existing market share by preventing current customers from jumping ship when a competitor rolls out a hot new offer. Better still, companies can grow market share using the same simple tactic, as satisfied customers frequently speak of their positive experience to friends and relatives who then become new customers. Gaining market share via word of mouth increases a company’s revenues without concomitant increases in marketing expenses.

— Nusrat Afrin
Executive of Content Development Team

2

ডিজিটাল মার্কেটিং: বিস্তারিত দেখা

বর্তমানে পৃথিবীর ৫৯ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট প্রযুক্তির সাথে যুক্ত।সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪.৬৬ বিলিয়নে,এ সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।যার ফলশ্রুতিতে যেকোনো পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংএর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বল্পব্যায়ে ,দ্রুত সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো যায় দেখে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন বেশ জনপ্রিয় পদ্ধতি। মার্কেটিংয়ের চ্যানেল ও কন্টেন্টের ধরনের ভিত্তিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর রয়েছে নানা প্রকারভেদ।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হলো কয়েকটি বিষয়ের সমন্বয়ে তৈরি এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি যার মাধ্যমে যেকোনো ই- কমার্স ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় তুলে আনা যায়। অনলাইনে ট্রাফিক বৃদ্ধির এ প্রক্রিয়াকে এসইও বলে। সাধারণত আমরা সার্চ ইঞ্জিনে কোনো কিছু খুঁজতে গেলে প্রথম এক-দুই পেজের রেজাল্টই দেখি। তাই এসইও এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে সামনে নিয়ে আসা গেলে পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধির সম্ভবনা বাড়ে।এজন্য ওয়েব সাইট ডেভলপ করার সময় বেশ কিছু কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনকে পে করার মাধ্যমেও ওয়েবসাইটকে পেজের শুরুর দিকে নিয়ে আসা যায়। প্রচারণার এ পেইড উপায়কে বলে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী এটি স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার হতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষার জন্য আমাদের ব্যবহৃত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের মাধ্যমে যখন কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারণা করা হয় তা হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ ব্যবহার করেন বিধায় এতে অল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে বহু সংখ্যক গ্রাহকের কাছে সহজে পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণা চালানো সম্ভব হয়।
কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ কনটেন্ট মার্কেটিং হলো কোনো পণ্য বা সেবাকে কেন্দ্র করে ব্লগ ,ছবি ,ভিডিওচিত্র ইত্যাদির মাধ্যমে আকর্ষণীয়ভাবে তার প্রচারণা চালানো।কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি চলমান প্রক্রিয়া। গ্রাহকের প্রত্যাশা বুঝে সে অনুযায়ী মানসম্পন্ন কন্টেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে বিক্রি ও গ্রাহকের আস্থা বাড়ানো যায়।প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে সহজেই ব্র্যান্ডের চাহিদা ও পরিচিতি বাড়ানো যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ কোনো পণ্য বা সেবার সরাসরি বিক্রয়ে সাহায্য করে অর্থ উপার্জনের জন্য যে প্রচারণা চালানো হয় তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।যিনি প্রচারণা চালান তাকে অ্যাফিলিয়েট বলা হয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এতে সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়।গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে এটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কার্যকরী উপায়।

-ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম