1

ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কিছু কথা:জীবন থেকে নেয়া

The End!
কি ভাবছেন? সব শেষ?
না! এটা সবে শুরু!
সাধারণত কোন কিছু শেষ হলেই আমরা বলে থাকি “The End” বা “শেষ”।
কিন্তু, শেষ মানেই কি সব শেষ? আপনার কি মনে হয়?
আমার কাছে কিন্তু মনে হয় শেষ মানেই শেষ না!
আমরা যদি একটু অন্য ভাবে চিন্তা করি তাহলেই পাওয়া যাবে এর উত্তর।
প্রকৃত অর্থে, কোন কিছুই শেষ হয় না বরং শুরু হয় নতুন ভাবে। যেমন ধরুন একটি বছর শেষে অন্য একটি বছর শুরু হয়। আবার, একটি ঋতুর শেষে শুরু হয় অন্য আরেকটি ঋতু।
এবার‌ আপনার-আমার জীবন নিয়ে চিন্তা করি। আমাদের জন্মের পর সময়ের সাথে সাথে আমারা বড় হতে থাকি। শৈশব পেরিয়ে কৈশোর, কৈশোর পেরিয়ে যৌবন আর যৌবন পার করে পদার্পণ করি বার্ধক্যে। এভাবেই একদিন আমাদের মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর পর কিন্তু সব শেষ হয়ে যায় না বরং শুরু হয় নতুন নতুন এক জীবন!
কিন্তু এসব কথার মানে কি?
আসলে আপনি যদি উপরের উদাহরণ গুলো নিয়ে একটু ভিন্ন ভাবে চিন্তা করেন তাহলে পেয়ে যাবেন এর মানে।
আমরা অনেক সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হতাশ হয়ে যাই, ভেঙ্গে পরি। আমরা ভাবি যে সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের ঘিরে ধরে বিফলতার গ্লাণি। জীবনটা হয়ে যায় বিসাদময়।
এই পরিস্থিতি গুলোকে সামাল দিতে পারে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স!
একজন ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্ট মানুষ সহজেই নিজেকে সামলে নিতে পারেন এসকল সমস্যা থেকে।
কিন্তু তারা কিভাবে এই কঠিন পরিস্থিতিকে সামাল দেন?
আসুন জেনে নেই এ সম্পর্কে। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এর ৫ টি কম্পোনেন্ট আছে। এগুলো হলোঃ
১. আত্ম-সচেতনতা
২. স্ব-নিয়ন্ত্রণ
৩. সামাজিক দক্ষতা
৪. সহানুভূতি
৫. প্রেরণা
এই পাঁচটি বিষয়কে কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই নিজেকে সামলে নিতে পারবেন যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি থেকে।
সর্বপ্রথম আপনাকে হতে হবে আত্ম-সচেতন একজন ব্যক্তি। এজন্য প্রয়োজন নিজেকে জানা। নিজেকে না জানলে কখনোই আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আর নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাই হলো স্ব-নিয়ন্ত্রণ। পরবর্তীতে আসে সামাজিক দক্ষতা। মানুষ একটি সামাজিক জীব। আপনার ব্যক্তিগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও আপনাকে অবশ্যই সামাজিকতা রক্ষা করে চলতে হবে। আর সমাজের সাথে মানিয়ে চলার জন্য যে দক্ষতা প্রয়োজন তাই হলো সামাজিক দক্ষতা। আপনাকে অবশ্যই সহানুভূতিশীল হতে হবে। কারণ যদি অন্য কারো প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন তাহলে সেও আপনার বিপদে আপনার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করবে যা আপনাকে হতাশা হতে কিছুটা হলেও মুক্তি দিবে। সবশেষে যেটা খুবই প্রয়োজন সেটা হলো প্রেরণা। আপনি যদি কোন বিষয় নিয়ে হতাশ হয়ে যান, বিফলতা যদি আপনাকে গ্রাস করে ফেলে তাহলে আপনি ফিরে তাকান আপনার পূর্বের সফলতা গুলোর দিকে যা আপনাকে প্রেরণা যোগাবে। আপনাকে নতুন ভাবে সব কিছু শুরু করার অনুপ্রেরণা যোগাবে।
তাহলে, আজ থেকে আর হতাশা নয়। যেকোনো কিছুকে দেখুন ভিন্ন ভাবে। সবকিছু শেষ হয়ে গেছে এটা না ভেবে ভাবুন নতুন করে কোন কিছু শুরু হতে যাচ্ছে। তাহলেই দেখবেন জীবনটা সহজ হয় যাচ্ছে, খুলে যাচ্ছে সম্ভাবনার দুয়ার।

মোঃ জাওয়াদ উদ্দিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

9

Importance of EQ in professional life:

In 1990, Peter Salovey and John D. Mayer described emotional intelligence as “a form of social intelligence that involves the ability to monitor one’s own and others’ feelings and emotions, to discriminate among them, and to use this information to guide one’s thinking and action”. Though it’s a relatively new concept, it became popular so fast. Leaders, professionals all quickly concluded that high EQ can lead to personal, professional, and business success.
In business, high-EQ people have become desirable to employers due to the service they enjoy. A study involving over 2,600 hiring managers reports that 71% of managers value high EQ over high IQ. A high EQ helps in decision-making and stress management. It helps individuals to understand their emotional state, the emotions of others and they must be able to selectively utilize that understanding to make proper decisions.
Suppose A leader noticed that one of his team member’s performance is not getting as expected. Then he tried to correct the team member. The member became defensive and reacted in inappropriate ways. The leader needs to invoke his EQ to defuse the anger and frustration of his team member. He also has to ensure that the subordinate understands what he asked of them. For handling a situation like this needs to be emotionally intelligent. Cause people having higher EQ keep their emotions in check and can discuss sensitive issues thoughtfully and maturely. They are empathetic to teammates and react accordingly. They are capable of resolve conflict effectively.
Emotional intelligence is that remaining puzzle piece without which ONE may never reach his fullest potential. Statistics show that 90% of high performers are high in EQ. We need to keep in mind that EQ is not something we get genetically. Emotional Intelligence can be learned and taught. So, ONE can develop this skill to be successful in his life

Israt Haque Zarin
Junior Executive,
Content Development Team

4

The relation between OC and CSR

As a student of the Faculty of Business Studies at the University of Dhaka, I, like other students have noticed and visited the E-library. This is undoubtedly a marvelous initiative for Robi. I am not marketing here! Like others, Robi contributes a part to students under CSR (Corporate Social Responsibility). Because Robi is taking part in philanthropic causes and providing positive social value. Again, as we all are sitting inside the house and contributing more and more time in front of social media, television, or even newspaper, we are getting updated news continuously. So, we might know that, during this pandemic, many corporate sectors or many business icons are giving something, especially money, to the poor or adverse people to make a shelter over them. By doing this, they are doing CSR. What if at least a decade pupil of the whole faculty get influenced and become attached to the Robi? If they want to work with Robi? If they get influenced to use Robi sim card? Isn’t it like magic? The name of this performance is OC (Organizational Commitment). Now, let’s see the other side of this game. Suppose there is any current worker of Robi who was a student of the University of Dhaka once upon a time. In that case, Robi’s investment will work on him or her psychologically. He or she, definitely, will feel an attachment to Robi. Or, if we move towards the second example, we can get a message. And that id the adverse ones who are being helped by the commanding individuals, they would get influenced psychologically. They will try to help or pray for those helping hands. Can’t it be taken as OC? Maybe, many of you will say, ‘No.’ hence, I will go on the debate. Because if we change our looking style, we will see that those among of the helped ones are privileged a little bit who are nearer to the helping hands. Those organizations are tagging their name in the goods. Thus, they are earning a profit, which is distributed among the workers. Again, companies are always there for their workers. Even during this pandemic, we can see, companies or organizations are trying their best to make sure of their workers’ security. Isn’t it playing an excellent role for both CSR and OC?
Let’s see another example. Two days ago on Independent Television, many of us maybe had watched the news of Walton. Walton is providing exchange offer for running or non-running pc or laptop. Thus, Walton is playing a vital role in CSR and OC. How? First, Walton is taking those running or non-running pc or laptops by which people of different areas can get relief from their old -junk- devices. They can get a new laptop or any part of the pc through the exchange offer. It is a part of CSR. Next, OC’s role must be shown. Walton is getting various kinds of running and non-running laptops or pcs. It can modify those parts or devices by sending them to the factories. It is a profitable chance for Walton. And a big part of the profit will definitely go for the workers’ team which is a part of OC. Now, we can measure a nice shape of the relationship between OC and CSR by overviewing the above given details. OC and CSR both are in the same direction. If any organization wants to do something for society or workers or nation, it will reflect in the inner side of the organization automatically.
Now a question may be arised around it-how it would be done. CSR which has been done by the organization, it will make the worker enthusiastic psychologically. They will become homosapiens by living in those organizations who are involved in social activities, companies, or organizations gain reputation throughout the land. When a person will work in any reputated institution, he or she will free enthusiastic or proud to work. Thus, OC and CSR are related to each other.

FB_IMG_1610299673610

Bangladesh Small Business Opportunities, Ideas, and Trends for 2021.

The entire world is eagerly awaiting the New Year with hope, peace, and ample aspirations. Just like life, the New Year is a gift of God. Now that 2020 has encouraged us to embrace the fact that so many things are out of our control, we’re able to see more clearly what has been working in the world, and what hasn’t. We also have more time to put our energy toward areas of our lives that are within our control.
If this is the year you’re going to start your own business, you’ll want to know about these Bangladeshi business opportunities

  1. Fashion House
  2. Toy shop
  3. Baby and Mother’s product business
  4. Stationary Shop for students
  5. Fast food shop business
  6. Cosmetic shop for girls
  7. Coffee shop business
  8. Ice-cream shop business
  9. Photography business
  10. Mobile sales repair business

If those opportunities can be utilized well, we are seeing the light of hope towards.


Nusrat Afrin Payel
Executive of Content Development Team

FB_IMG_1606822708232

The Top Skills Companies Need Most in 2020

রিজ্যুমেতে নিয়োগকারীরা হার্ড স্কিল ও সফট স্কিল দুই ধরনের দক্ষতাই খোঁজেন। এ দুই ধরনের দক্ষতার মিলে যে কোনো ব্যক্তিই কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।কর্মক্ষেত্রের ধরনভেদে হার্ডস্কিল ও সফটস্কিলের চাহিদা নির্ধারিত হয়।রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন হার্ডস্কিল হলো ব্লকচেইন।এবং সফট স্কিলের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে সৃজনশীলতা।
সফট স্কিল বলতে বোঝায় মানুষের এমন কিছু চারিত্রিক ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, যা অন্যের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ভালোভাবে কাজ করতে শেখায়। এ দক্ষতাগুলোর সাহায্যে ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে, আস্থা বাড়াতে এবং দলগতভাবে কাজ করতে পারদর্শী হয়ে ওঠে।
হার্ড স্কিল বলতে বোঝায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ যা ব্যক্তি তার কর্মজীবন বা শিক্ষাসহ যে কোনও জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করেন।এ ধরনের দক্ষতা কোনো সুনির্দিষ্টকাজে প্রয়োগ করা যায় এবং মূল্যায়নও করা যায়।
নিয়োগকারীরা কর্মীদের কাছে কি ধরনের দক্ষতা প্রত্যাশা করেন সারা বিশ্বেস প্রেক্ষিতে লিঙ্কডইন তালিকা তৈরি করে। ২০২০ এর এ তালিকায় দেখা যায়ঃ

হার্ডস্কিলঃ

১। ব্লকচেইন
২। ক্লাউড কম্পিউটিং
৩। বিশ্লেষণী দক্ষতা
৪।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
৫। UX (ইউজার এক্সপেরিয়েন্স) ডিজাইন
৬।ব্যাবসায়িক বিশ্লেষণ
৭। অ্যাফিলিয়েট বিপণন
৮। সেলস
৯। সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং
১০। ভিডিও প্রযোজনা

সফটস্কিলঃ

১।সৃজনশীলতা
২।প্রত্যয়ী
৩। সহযোগিতা
৪। অভিযোজনযোগ্যতা
৫। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স

সর্বাধিক চাহিদায় থাকা দক্ষতার তালিকা তাদের সরবরাহের তুলনায় উচ্চচাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।তাই আমাদের ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকতে হলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ারে \ প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে জেনে তাতে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। হার্ড স্কিল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শেখা গেলেও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন ও অনুশীলনের মাধ্যমে সফট স্কিলে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম

জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি,

জীবনের কঠিন বাস্তবতা? জীবন খুব কষ্টের? জীবনটা অনেক কঠিন? জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই?

জীবনের কঠিন বাস্তবতা? জীবন খুব কষ্টের? জীবনটা অনেক কঠিন? জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই? আপনি আমার বর্তমান অর্জন দেখছেন। কিন্তু আমার জীবনের কঠিন কস্টগুলো দেখেননি।

.

.

দেখেননি বছরের পর বছর অর্থের অভাবে দিনে শুধু আধপেটা ভাত খেয়ে কাটিয়েছি, অনেকগুলো বছর পার করেছি বছরে ২ সেট জামা পরে,

.

অপারেশনের ৩ দিন পর মাস্টার্স এর পরিক্ষা দিতে লোকাল বাসে করে যেতে যেয়ে মানুষের চাপে অপারেশনের জায়গা থেকে দরদর করে রক্ত ঝরতে দেখেননি।

.

.

সারাদিন ক্লাস করার পর পার্টটাইম/ফুলটাইম চাকুরি করে রাতভর পড়ে পরিক্ষা দিয়েছি একের পর এক,

.

.

দেখেননি পরিবারের জন্য খাবার না কিনতে পারা বা বাসা ভাড়া না দিতে পারার কষ্টক্লিষ্ট মুখ, কয়েকবার ডাক্তারের ছুরি-কাচির তলে পড়েছি এটাও দেখেননি,

.

.

দেখেননি বছরের পর বছর অর্থের অভাবে দিনে শুধু আধপেটা ভাত খেয়ে কাটিয়েছি, অনেকগুলো বছর পার করেছি বছরে ২ সেট জামা পরে,

.

.

.

.

.

জীবনের কঠিন বাস্তবতা

.

দেখেননি স্বাভাবিক জীবন থেকে আমার ছিটকে পড়া,

.

দেখেননি কতটা অমানুষিক কস্ট করে এতগুলো একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করেছি নিজের অর্থে,

.

দেখেননি বছরের পর বছর দিনে কিভাবে ১৭/১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেছি, পুরো পরিবারকে নিয়ে রোগ আর অভাবের সাথে লড়াই করতে অবিরত

.

দেখেননি ভয়ংকর বাস্তবতার সাথে প্রতিনিয়ত লড়ে যাবার চিত্র…

.

দেখেননি এক বিপদ থেকে উঠে দাড়াবার আগেই আর এক বিপদে পড়ার অসহ্য যন্ত্রনা..
.
আপনি আমার হাসি মাখা মুখ দেখে হয়তো হিংসা করছেন, কিন্তু হাসির পিছনের কান্নাগুলো কখনও দেখেননি।

.

তাই আমি হাসতে ভালবাসি, মানুষের হাসি দেখতে ভালবাসি, আমি আমার কাজকে ভালবাসি, আমি আপনাকেও ভালবাসি।

.

সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি আপদমস্তক কৃতজ্ঞ।

ভাল থাকবেন, ভাল মানুষেরা৷।।

Shibli H. Ahmad

CODP, CToT, GGA
Founder and Chief Patron
Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (BAHRN)

Presentation slide, Presentation software, Presentation speech, How to start a presentation, Presentation topics, প্রেজেন্টেশন কিভাবে শুরু করতে হয়, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কি, প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে কি বলে, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার এর গুরুত্ব, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডাউনলোড, Prezi, Canva,

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারঃমাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কর্মক্ষেত্রে নিজের ভাবনা, গবেষণা বা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করি।বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত প্রেজেন্টেশন সফটওয়ারের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ।প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করেন। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশনমূলক স্লাইড তৈরি করা যায়।যা পরবর্তীতে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্দায় প্রদর্শন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।


১৯৮৭ সালে ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য Presenter নামক একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম তৈরি করেন।ট্রেডমার্কজনিত কারণে রবার্ট গাস্কিন্স এর পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় Powerpoint. সে বছরেই মাইক্রোসফট এটিকে কিনে নেয়। ১৯৯০ সালের ২২ মে মাইক্রোসফট পাওয়াপয়েন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয়ে ১২ টিরও বেশি সংস্করণ এসেছে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। উইন্ডোজ,এপলের সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্টের এন্ড্রয়েড ভার্সনও বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে চাইলে অফিস 365 থেকে নেওয়া যেতে পারে অথবা মাইক্রোসফট স্টোর থেকে সরাসরি মাইক্রোসফট অফিস স্যুট কিনে ব্যবহার করা যায়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোনো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।স্টাডি অনুসারে প্রতিটি প্রেজেন্টেশন তৈরিতে গড়ে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রির্পোট স্লাইডের মাধ্যমে উপস্থাপন করে অতি সহজে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, কর্মীদের প্রোগ্রেস রিপোর্ট বা কোনো প্রজেক্ট আইডিয়া বোঝানো সম্ভব হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য আকর্ষণীয় স্লাইডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী করা যায়। এ করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকের অনলাইনে ক্লাসের কোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে পারছেন সহজেই।পাওয়ার পয়েন্টের বিশেষত্ব হলো- এর মাধ্যমে টেক্সটের সাথে যে কোন ধরনের চলমান ছবি, শব্দ যুক্ত করা যায়।পরবর্তীতে উক্ত ছবি বা শব্দসমূদ্ধ টেক্সটগুলোকে এনিমেশন আকারে দেখানো যায়।পাওয়ার পয়েন্টে দেড়শর অধিক টেমপ্লেট বা ছাঁচ রয়েছে যার সাহায্যে দৃশ্যগত উপস্থাপনা বা স্লাইড নির্মাণ করা হয়।স্লাইডের উপস্থাপনা সুন্দর করার জন্য এতে থাকা। বহু রঙের প্যালেট ব্যবহার করা যায়।পাওয়ার পয়েন্টে একই সঙ্গে লেখা, সারণি, নকশা ও ছবির ব্যবহার করা যায়।পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন পরিমার্জন,সংশোধন ও সংরক্ষণ করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্টও করা যায়। প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব থেকে সরাসরি যেকোনো ভিডিও ওয়েবসাইট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উপাস্থাপন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম

celestine chua wikipedia, personal excellence pdf, personal excellence book, personal excellence water fast, personal excellence ppt, personal excellence podcast, personal excellence topics, identifying long-term choices and goals, personal excellence quotes, why is excellence important in a workplace, beliefs of excellence nlp, personal excellence synonyms, personal excellence essay, excellence in career, career excellence meaning, personal excellence program, area of excellence examples, building competencies for personal excellence, personal excellence, self leadership the definitive guide to personal excellence, personal excellence program, self leadership the definitive guide to personal excellence pdf, personal excellence definition, personal excellence quotes, what is personal excellence, self leadership the definitive guide to personal excellence sparknotes, self leadership the definitive guide to personal excellence, personal excellence program navy,

Personal Excellence and Communication Mastery

Personal Excellence and Communication Mastery “The quality of a person’s life is in direct proportion to their commitment to excellence, regardless of their chosen field of endeavor.”Some people always try to do their best in their respective sectors.

Again, at work, some people are not fond of their work but do an outstanding job, while others, who are happy with their work do a mediocre job. Why does this happen?This dissimilation of traits occurs due to a thirst for excellence. Being the best is easy to think but not to do. A healthy dose of this trait needs to be continued to pursue excellence.“To effectively communicate, we must realize that we are all different in the way we perceive the world and use this understanding as a guide to our communication with others.” – Anthony RobbinsIndividuals need to be aware of their personal excellence and communication efficiency.

“Personal excellence and good communication in work is mandatory to be succeed in your life.”

The excellent personnel must have a strong capture on communication skills.

Keeping in mind that BAHRN is going to present you an hour long training on “Personal Excellence and Communication Mastery”.

This training session will be facilitated by the renowned soft skill trainer–
Rushdina Khan
CEO, Training with Rushdina.

Date: November 12, 2020
Time: 7:30 PM
Via: Zoom Cloud Meeting

The session is open for All but Seat is limited.
So, do hurry to be registered and present yourself in time.
Session link will be sent to the registered people only.

*** Certificate of Participation will be provided.

Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (BAHRN) is going to organize a free session on “Personal Excellence and Communication Mastery” for students and professionals. Date: November 12, 2020Time: 7.30 pmAre you ready to grab this incredible opportunity?Apply here: https://forms.gle/rZfoCcvuhKc3yoJ96

e commerce companies advantages of e commerce ecommerce or e-commerce e commerce in india features of e commerce what is e commerce pdf e commerce advantages and disadvantages e business meaning m-commerce meaning e commerce essay in english e commerce courses what is e commerce presence e-commerce course e-commerce indonesia what is e-commerce and how does it work e-commerce examples m-commerce definition functions of e commerce e business definition importance of e commerce e commerce business ideas e-commerce business for sale e commerce business models ecommerce business product research e commerce business in india ecommerce business plan magento open source magento commerce cloud demo magento hosted solutions magento vs shopify magento for smb magento commerce licence types of e-commerce scope of e commerce

Walmart Online Shopping? Costco online shopping?

Walmart Online Shopping? Future of E-commerce in Bangladesh E-commerce is nowadays a trendy growing sector. Still, the stability and expansion of the business or industry is just a matter of time. After some years, the existing companies will grow bigger than now. Seeing the success, more will be encouraged to start in the future. So there will be a decent number of companies in a certain amount of period. This type of company is now going through the embryonic stage; they create and expand the target market and be familiar with the market.

Precisely, people will accept it more willingly after some years for the mobility of the entire process. This can be the panacea considering the situation of high traffic jams in Dhaka city. This will also penetrate the global platform and compete with international companies by expanding the international market. So the growth of the E-commerce sector in Bangladesh is expected to increase exponentially in the next following years. The blessing of technology has created a buzzword called Walmart Online Shopping “E-commerce,” which recently inspired people to be self-employed in the e-commerce sector.


Some types of e-commerce businesses as “online shopping”, “online cosmetics”, “online electronics” have been favored to start their business. According to research, “electronics and groceries will reach 25% growth in online sales”. The food business is also the most popular in Dhaka city, with a 25% growth. In this sector, “Foodpanda” “Hungrynaki,” has become prominent by their service.

Even in Quarantine, people are getting more connected to e-commerce. For example, many people are losing jobs, along with getting locked in the house. In this situation, they, to earn money, get attached to social business. They use social platforms for disturbing their products. It is quite an easy way to do business and gain profit.

keep happineswss

সুখ কিভাবে ধরে রাখি? সুখের খোঁজে : পর্ব ০১

সুখ কিভাবে ধরে রাখি? সুখের খোঁজে : পর্ব ০১
সুখের খোঁজে – নাম দিয়েই বুঝা যাচ্ছে আমরা সুখ খোজার চেষ্টা করবো। আমরা প্রতিনিয়তই সুখ খুজছি, তাই নয় কি? এতো পরিশ্রম, পড়াশুনা, অনলাইন লার্নিং সেশন, ট্রেনিং, সেমিনার – এত্তোকিছু আমরা কি জন্য করি?
সুখের জন্য!


এই আশায় যে, আমরা এখন কস্ট করলে ভবিষ্যতে ভালো থাকবো, ভালো চাকরি হবে; ভালো চাকরি হলে, ভালো বেতন; ভালো বেতন হলে ভালো বাড়ি-গাড়ি, আর এসব মানেই শান্তি, সুখ?
আসলেই কি তাই?
আজকে তেমনই কিছু বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।


আমরা প্রতিনিয়ত নানা রকম নতুন নতুন জিনিসের পিছনে ছুটি। নির্দিষ্টভাবে বললে, নতুন, এবং আগের চেয়ে ভালো জিনিস।
জব কেনো পাল্টায় মানুষ? আগের চেয়ে ভালো সুযোগ-সুবিধা বেতনের জন্য! আমরা নতুন ফোন কিনি কেন? আগের চেয়ে ভালো অবস্থার জন্য? হয়তো, আমার ফোন নস্ট -তাই; কিংবা নতুন ফোনটা আগের চেয়ে ভালো – দুটোর একটা কারণেই তো কিনি, তাইনা?
কিন্তু, একটা সময়ে গিয়ে আমরা সেটায় অভ্যস্ত হয়ে যাই। নতুন গাড়িতে যেমন যত্ন নেই, ক’মাস পর আমাদের যত্নের পরিমাণ কি আগের মতো থাকে? থাকে না। আস্তে আস্তে কমে। নতুন ফোন কিনলেও তাই হয়। বাড়িয়ে নতুন রঙ করলে ১ সপ্তাহ কোনো দাগ লাগতে দেইনা, তারপর কি আর খবর রাখি আসলে? কক্সবাজার ঘুরে আসলাম। ৪-৫ দিন মনে আলাদা একটা উত্তেজনা থাকে, যাবার আগে – আসার পরে। কিন্তু, ৫-৬ দিন পর কি আর তেমন উত্তেজনা থাকে? ১ মাস পর? ৩ মাস পর? বাড়িতে মা-বাবা রেখে ভার্সিটিতে গেলাম, খারাপ লাগে অনেক প্রথমে। কিন্তু, ১ মাস পর? ৩ মাস পর? ১ বছর পর? আস্তে আস্তে খারাপ লাগাটা মিলিয়ে যায়। তাইনা?
আসলে কি হয়? আমরা মানিয়ে নেই। আমাদের মন ও শরীর পরিবেশের সাথে নিজেকে প্রতিনিয়ত মানিয়ে নেয়। খারাপের বেলা মানিয়ে নেয়াটা বেশ উপকারী হলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা মনে একধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নতুন ফোন টা, নতুন গাড়িটা, ১ সপ্তাহ আগে দিয়ে আসা ট্যুর টা আমাদেরকে কদিন পর আর আনন্দ দেয় না।সুখ কিভাবে ধরে রাখি? বা, আনন্দের প্রভাবটা থাকে না।
কিন্তু, এমন নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন জিনিস কি আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত আসে?
একজন এক বছরে কটা ফোন কিনে? ধরলাম , দুটো! ১ টা ফোনের আনন্দ ১ মাস থাকলে বাকি ১০ মাস সে কী করবে? বছরে কদিন আমরা ট্যুরে থাকি?
এসব খুব আনন্দের মুহূর্ত আমাদের লাইফে খুবই কম। বছরের বেশিরভাহ সময়ই আমাদের বোরিং, পুরনো জিনিস নিয়ে।
তাই, সুখে থাকতে হলে, আমাদেরকে এ পুরনো জিনিসগুলোকেই নতুন ভাবে বুঝতে, দেখতে, অনুভব করতে শিখতে হবে।
কথা হচ্ছে, এটা কি আসলেই কাজে দেয়?
বিজ্ঞানী লুবোমিরস্কি ও তার সহকর্মীরা ২০০৬ সালে একটা গবেষণা করেন। সেখানে একদল শিক্ষার্থীকে তাদের লাস্ট কোথাও দেয়া ট্যুর নিয়ে দিনে ৮ মিনিট করে ভাবতে দেয়া হয়, ৩ দিন! মোট ২৪ মিনিট! কি মনে হয়, কেমন প্রভাব ফেলবে?
৩ দিন পর দেখা যায়, তাদের হ্যাপিনেস লেভেল অন্যদের চেয়ে ০.৬-১ (১০ এ) এর মতো বেশি! আর, এভাবে ৩ মাস কাটানোর পর? ১.২-১.৩ লেভেল বেশি। এবং, তাদের সেমিস্টার রেজাল্টে সিজিপিএ এর গড় উন্নতি আগের চেয়ে ০.৩!! ভাবা যায়??
তাহলে, বোঝা গেলো – প্রতিদিন আগের সুখস্মৃতি নিয়ে ভাবলে হ্যাপিনেস বাড়ে। মন ফ্রেশ থাকে, প্রোডাক্টিভিটি বাড়ে!


এটা টিপস নাম্বার ০১!

তবে, কোন মোমেন্ট গুলো ভাববেন সেটা নিয়েও আপনাকে দেখতে হবে!
স্দ্য প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে ভাবলে আনন্দ পাবেন? নাকি, আপনার গ্র্যাজুয়েশনের দিন নিয়ে ভাবলে আনন্দ পাবেন, নাকি, লাইফে প্রথম কাপ্তাই লেকে গিয়ে কায়াক চালানোর অভিজ্ঞতা কল্পনা করলে খুশি হবেন – সেটা আপনিই ভালো বুঝবেন!
একটা ট্যুরে গেলে দুই ধরনের মানুষ দেখা যায় – কেউ ক্যামেরায় ব্যস্ত, কেউ প্রকৃতিকে দেখায়! এদিকে দুটো জিনিস আছে, যারা প্রকৃতিকে যত আপন করে নিতে পারে, তাদের মনও ততদিন সেটাকে মনে রাখে। আপনি যদি ক্যামেরার মাঝেও নিজেকে প্রকৃতিতে ডুবিয়ে রাখতে পারেন, তাহলে আরো ভালো।
আবার, কোনো ট্যুরে যাবার আগেও আমাদের মধ্যে অনেক আনন্দ-উত্তেজনা কাজ করে। শেষেও করে। এভাবে আমরা যদি পুরো সময়টা উপভোগ করি, তাহলে আমরা ৩-৪ মাস পরেও চোখ বন্ধ করে সেদিনটা অনুভব করতে পারবো। সেদিনটা আমাদের জীবনে দেয়ার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ হবো। আর, এভাবেই, একটা ট্যুর আমাদেরকে ১ বছর খুশি রাখবে। দুমাস পরেই “আবার কবে ট্যুর দিবো!” বলে চিল্লাবোনা!
রেস্টুরেস্টে গেলেই চেক-ইন দিতে হয়না। খাবার আসলেই ছবি তুলতে হয়না। সেটা তোলা যে ভুল, তাও না; উত্তেজনাটা যেন খাবার খাওয়ার আনন্দটাকে ছাড়িয়ে না যায়। আমি বার্গার নিলাম, বন্ধু চকলেট কেক নিলো – বন্ধুর চকলেট কেক খাওয়ার আনন্দ/অনুভূতি দেখে আমার যেন এমন মনে না হয়, যে, “ইশ! আমি কেন নিলাম না। আমি কেন বার্গার নিলাম!” এমন হলে বার্গার খাবার আনন্দটাও আপনি হারিয়ে ফেলবেন। এবং, আমাদের অবচেতন মনে এটা খুব সাধারণ। তাই, আমরা আমাদের ফোকাস আমাদের নিজের উপর রাখবো। নিজে উপভোগ করায় মন দিবো।
তাহলে এ পার্টে আমাদের শিক্ষা কি? আমরা কোনো কাজ করার সময় তা মন দিয়ে করবো। ট্যুরে গেলে প্রকৃতিকে আপন করে নিবো! কোথাও খেতে গেলে গেলে খাবারের স্বাদ-দেখার সৌন্দর্য্য এসব উপভোগ করবো। সবকিছু হবে নিজের জন্য, ইন্সটাগ্রাম আর ফেসবুকের জন্য না!


এটা টিপস নাম্বার ০২!

তারপর, আসে- ফাইটিং নেগেটিভিটি। নিজের মনে আসা নেগেটিভ ইমোশনের সাথে ফাইট করা। আমরা অনেক সময়ই ভালোকে হারানোর ভয়ে এমনভাবে ভীত থাকি যে, আমরা ভালোটা ঠিকভাবে এনজয়ই করতে পারিনা! সুখ কিভাবে ধরে রাখি? ভার্সিটির গ্রাজুয়েশন, ট্যুরের লাস্ট দিন, বন্ধের শেষদিন – আমরা পাওার আনন্দের চেয়ে হারানোর ভয়ে বেশি থাকি।


এ নিয়ে একটা গবেষণা করা হয়, ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায় গবেষক কার্টজ এর অধীনে ১ম বর্ষ, ৩য় বর্ষ, ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে। তাদেরকে বলা হয়, তারা গ্র্যাজুয়েশনের পর তাদের মনের অবস্থা নিয়ে লিখতে। ১ম বর্ষ ও ৩য় বর্ষের বেলায় তেমন পার্থক্য পাওয়া না গেলেও , গ্র্যাজুয়েশনের শিক্ষার্থীদেরকে বেশ মন খারাপ করতে দেখা যায়, যে এতোদিনের বন্ধু-ক্যাম্পাস অনেক মিস করবে – এসব। তাদের অর্ধেককে নিয়ে একটা সেশন করা যায়, যেখানে তাদেরকে কৃজ্ঞতাবোধ বিষয়টি বুঝানো হয়, বরং, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে ১ ঘন্টা লিখতে দেয়া হয়। তারপর, আবার তাদের হ্যাপিনেস মার্কিং করা হয়। যেখানে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উন্নতি দেখা যায় হ্যাপিনেস সূচকে, যেটা অনুমিত। কিন্তু, গ্র্যাজুয়েশনের ৩ মাস পর, যখন তাদের আবার হ্যাপিনেস সূচক মাপা হয়, তখন মিরাকলটা দেখা যায়। যারা অই সেশনে ছিলো, তাদের জীবন অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি সুখী ও সফল। তারা তাদের বন্ধুদের হারিয়েছিল বলে দুঃখী হয়নি, বরং, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে যে, এমন একটা জায়গায় আমি পড়তে পেরেছি, এতো ভালো বন্ধু ও শিক্ষক পেয়েছি! তাহলে আমরা কি শিখলাম? ছোট দেড় ঘন্টায় হওয়া কৃতজ্ঞতাবোধের অভিজ্ঞতা ৩ মাস পরেও আপনাকে সুখি রাখতে পারে!
কোথাও ট্যুরে গেলেও এমন হতে পারে। আমরা অনেকে এমন ভাবি যে, “ইশ! কদিন পরই আবার প্যারা!” বা “আজ রাতেই চলে যাবো!!! আবার কবে যে আসবো!”— এমন নেগেটিভ বিষয়গুলো আমাদের সেখানের আনন্দ তো নস্ট করেই, বরঞ্চ, আমাদেরকে আনন্দটা দ্রুত ভুলিয়ে দেয়। ফলে, বাসায় ফিরে দ্রুতই আমরা আবার তাড়াতাড়ি বিস্বাদ রেগুলার জীবনে চলে যাই। মনের সে আনন্দ, উচ্ছ্বলতাটা হারিয়ে যায়। নিজেকে আবার অসুখী মনে হয়।


একটা গাড়ি কিনলাম। আস্তে আস্তে প্রতিদিন চালাতে চালাতে নতুনের ফিল টা চলে যায়! এভাবে চলতে চলতে, একসময়, আমরা গাড়ি থাকা আর না থাকার পার্থক্যটা ধরতে পারিনা।
এরকম পরিস্থিতিতে আমরা কি করতে পারি? কীভাবে আমরা এ নেতিবাচক ইমোশনটাকে দূরে ঠেলে আরো বেশি আনন্দ নিতে পারি, একইসাথে সে আনন্দটাকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করতে পারি?
এখানের মজার বিষয়টা হলো – আমরা চাইলেই কাটা দিয়েই কাটা তুলতে পারি।
কীভাবে??
আমরা তখন মনকে বলবো – যদি না আসতাম? তাহলে, কি করতাম? বাসায় বসে ঘাস কাটতাম? নাকি, বন্ধুদের ঘুরাঘুরির পোস্টে রিএক্ট দিতাম বসে বসে? এখানে নিজে আনন্দ করতে পারছি। এতো সুন্দর জায়গায় এতো সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে আমার! তাহলে, আমার কি আরো এনজয় করা উচিত না? এমন সুযোগ ক’বার পাবো আমি লাইফে?
নতুন ফোন কিনেছি? সেটার বেলায়ও। আগে যখন ফোন ছিলোনা, তখন কি করতাম? বাটন ফোনে কাজ করা যায় কিছু??সুখ কিভাবে ধরে রাখি? আগের চেয়ে তো ভালো আছি, তাইনা? আইফোন নেই আমার। ঠিক আছে, জাদুঘরে রাখা নোকিয়া তো চালাই না! মোটামুটি ভালো ফোন-ই চালাই!


আরেকটা উদাহরন দেই। বিজ্ঞানী কো এট আল ২০০৮ সালে এ নিয়ে পরীক্ষা করেন, যেখানে তিনি একদল শিক্ষার্থীকে দু’ভাগ করে একটা পছন্দের জিনিস “না পেলে কি হতো” আর “পাওয়ার পর কী হয়েছে” এটা লিখতে দেন। ফলাফলে দেখা যায়, না পেলে কি হতো – যারা লিখেছিলো, তাদের হ্যাপিনেস ২য় গ্রুপের চেয়ে ১.৫ লেভেল বেশি ছিলো!
এভাবে নিজেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। নেগেটিভ ইমোশোনকেই পজেটিভভাবে ব্যবহার করতে হবে। তাহলে যেমন আনন্দ বাড়বে, মনেও তার রেশ থাকবে অনেকদিন।


এটা টিপস নাম্বার ০৩!

এখানে বর্ণিত সবগুলো ট্রিকস মিলেই একটা সুন্দর অবস্থায় আসবো। লাইফে আসা নতুন কিছুর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো, সেটা হারানোর ভয়কে জয় করবো ও তা হতে পাওয়া সুখের স্মৃতিগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে ভাববো।


এভাবে আমরা আমাদেরকে আরেকটু সুখি করতে পারি ও জীবনে সুখকে স্থায়ী করতে পারি। বর্ণিত ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই আমাদের অবচেতন মনে ঘটে। তাই, সবকিছু খেয়াল রাখা একটু কঠিন। কিন্তু, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে আমাদেরই। তাহলেই সুখ নামক অধরা বস্তুর (পড়ুন অনুভুতির) দেখা পাবো ও তাকে নিজের জালে বন্দি করতে পারবো। আর, সুখের নেশায়ই তো আমাদের এতো পরিশ্রম, তাইনা? তাহলে, সামান্য কাজের ও মানসিকতার পরিবর্তনের অভাবে এ পরিশ্রমকে কেন পণ্ডশ্রমে রূপ দিবো আমরা?
আজকের পর্বে এ পর্যন্তই!
ধন্যবাদ!
আজমাইন তৌসিক ওয়াসি,
CEO, Xioxostic Creations
Junior Executive of Digital and Creative Team, BAHRN