nickey-kolev-544018-unsplash.jpg

যার প্রভাব গিয়ে পড়ছে ব্র‍্যান্ডিং এন্ড প্রমোশনের উপর

সংগঠন “ক” এর কন্টেন্ট টিম এবং গ্রাফিক্স টিম বেশ কিছু দিন হলো কাজে তাল মেলাতে পারছে না, ।

ঠিক এমনই কিছু সমস্যা একজন এইচ আর প্রফেশনালকে প্রায়ই ফেস করতে হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং কর্মপরিবেশ কেমন হবে তা অনেকটাই প্রতিষ্ঠানের এইচ আর ডিপার্টমেন্টের উপর নির্ভর করে। তো চলুন আজ একজন এইচ আর প্রফেশনাল এর চ্যালেঞ্জ গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

▪ডাইন্যামিক বিজনেস ওয়ার্ল্ডঃ OneDrive, GoTo Meeting, Google Calendar, Evernote ইত্যাদি, বেশ কিছু বছর আগেও কিন্তু এই অফিস টুল গুলোর এত ব্যাবহার ছিল না। আবার এমন অনেক পন্য যা কয়েক বছর আগে ছিলো কিন্তু এখন নেই। এর কারণ কি?

গ্লোবালাইজেশনের কারণে বিজনেস ওয়ার্ল্ডে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন হচ্ছে এবং তার সাথে তাল মিলিয়ে একজন এইচ আর প্রফেশনালকে চলতে হয়। সময়ের সাথে সাথে বিজনেসে অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যেমন- টেকনোলজি, প্রডাক্ট, কম্পিটিশন এই সব কিছুর সাথেই একজন এইচ আরকে কোপ আপ করতে হয়। এই জন্য একজন দক্ষ এইচ আরকে সব সময় এ্যাডাপটিবল এবং প্রোএ্যাকটিভ হতে হয়।

▪ভিশনারিঃ আজকের দিনে বসে ৫ বছর পরের বিজনেস ওয়ার্ল্ড কেমন হবে, তখন মার্কেটের পরিস্থিতি কেমন হবে এবং এমপ্লয়িদের কেমন দক্ষতার প্রয়োজন হবে এটা বুঝতে পারা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ আর এর জন্য তাদের প্রচুর স্টাডি করতে হয় মার্কেট এনভায়রনমেন্ট নিয়ে।

▪দক্ষ কর্মী নিয়োগঃ একটা কোম্পানির সুনাম যেমন তাদের কাজের উপর নির্ভর করে, ঠিক তেমনি কোম্পানির কাজের ধরন, মান নির্ভর করে কোম্পানির এমপ্লয়িদের উপর আর এই এমপ্লয়ি কে কোম্পানিতে নিয়ে আসার গুরু দায়িত্ব পালন করেন এইচ আর প্রফেশনালস। হাজার হাজার এপ্লিকেন্টস এর মধ্যে থেকে কোম্পানির জন্য ডেডিকেটেড এবং দক্ষ এমপ্লয়ি বাছাই করা অবশ্যই সহজ কাজ নয়।

▪এমপ্লয়ি নিয়োগে বৈচিত্র্য রাখাঃ একজন এইচ আর প্রফেশনাল কে লক্ষ রাখতে হয় যেন কোম্পানির এমপ্লয়িদের মধ্যে ডাইভার্সিটি থাকে। বিভিন্ন জাতি, ধর্ম এবং সংস্কৃতির মানুষ তাদের নিজস্বতার মাধ্যমে কোম্পানির কাজগুলোকেও বৈচিত্রময় করে। কিন্তু অনেক সময় এই বৈচিত্র্যময় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এইচ আর প্রফেশনালদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে যদি এমপ্লয়িরা নিজেদের মধ্যে খাপ খাইয়ে না চলতে পারে।

▪লেজিস্লেশন মেইন্টেনেন্সঃ কোম্পানি আইনের বেশ কিছু রুলস আছে যেগুলো এইচ আর ডিপার্টমেন্টকে ফলো করতে হয়। আবার এই নিয়ম কানুন গুলো অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে সেই দিকেও একজন এইচ আরকে খেয়াল রাখতে হয়। এটা এইচ আর দের কন্ট্রোলের বাহিরের একটা বিষয়।

▪ব্যয় নিয়ন্ত্রণঃ কোম্পানি যে সেক্টরগুলো তে সবথেকে বেশি কস্ট কনজিউম করে তার মধ্যে একটা হলো হিউম্যান রিসোর্স। একটা কোম্পানির যখন লস হওয়া শুরু হয় তখন কোম্পানি তার কর্মীদের আগে ছাঁটাই করা শুরু করে। তাই এইচ আর টিমকে সব সময় বুঝে শুনে কর্মী নিতে হয়। কারণ কর্মী সংখ্যা বেশি হয়ে গেলে তা কোম্পানির জন্য ব্যয়বহুল আবার কম হয়ে গেলে তা কোম্পানির কাজকে ব্যাহত করবে।

▪এক্সপার্টস নিয়োগঃ এখানে এক্সপার্ট বলতে বোঝানো হচ্ছে স্বতন্ত্র দক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদের বিন্যাস ঘটানো। যেমন ইম্পলয়িদের মধ্যে কাউকে মার্কেটিং এ, কাউকে ফাইন্যান্স এ, কাউকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে ইত্যাদি সেক্টর গুলোতে এক্সপার্ট হতে হবে। একটা কোম্পানিতে অবশ্যই সবাই সম স্কিল সম্পন্ন মানুষ থাকতে পারে না। এই পুরো ব্যপারটা এইচ আর টিমের উপর নির্ভরশীল।

▪কর্মীদের মোটিভেটেড রাখাঃ ক্যাম্পাসের একজন সিনিয়র ভাইয়া বেশ কিছু দিন হলো জবে জয়েন করেছেন। উনার মাইডেতে একবার দেখলাম কোম্পানি থেকে ফোন গিফট করেছে, আবার দেখলাম ইয়ার বাটস গিফট করেছে। আমি ভাবতাম কোম্পানির কি টাকা বেশি হয়ে গেলো নাকি! আসোলে এগুলো ইম্পলয়িদের মোটিভেট করার এক একটা পন্থা। ইম্পলয়িরা কোম্পানির প্রতি যত ডেডিকেটেড থাকবে ততো কোম্পানির লাভ আর এই ইম্পয়িদের চাঙ্গা রাখা, মোটিভেটেড রাখা, ডেডিকেটেড রাখা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ।

▪কাউন্টার প্রোডাক্টিভিটি কন্ট্রোলঃ কোম্পানিতে সময়ের সাথে সাথে এমন কিছু মানুষের উৎপাত শুরু হয় যারা নিজেরাও প্রোডাক্টিভ না আবার অন্যদের ও প্রোডাক্টিভ হওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে। এইচ আর টিমকে এই ব্যপারগুলো খেয়াল রাখতে হয় যাতে কোম্পানিতে কাউন্টার প্রোডাক্টিভ বিহেভিয়ার চর্চা কোনো ভাবেই না হয়।

একজন এইচ আর এর লাইফে চ্যালেঞ্জেস এর শেষ নাই। কোম্পানিতে কর্মী নিয়োগের প্লান থেকে শুরু করে, নিয়ন্ত্রণ এবং ছাঁটাই সবই ঐ কোম্পানির এইচ আর টিম নির্ধারণ করেন। তবুও বলার অপেক্ষা রাখে না যে যেখানে কষ্ট বেশি সেখানে মূল্যায়নও বেশি।

একজন এইচ আর প্রফেশনালের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি নেতৃত্বগুণ, ধৈর্য্য, সদালাপ, সমস্যা সমাধানে পারদর্শিতা এবং দেশের শ্রম আইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হয়।

আপনি এইচ আরে ক্যারিয়ার গড়তে চান? এই চ্যালেঞ্জগুলো নিতে প্রস্তুত তো?

মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক্সিকিউটিভ অব কন্টেন্ট রাইটিং টিম

1

5 A’s in Tourism:


The tourism industry as a whole survives because of various tourism products and services. The tourism industry is flexible. The products of tourism cannot be easily standardized as they are created for the customers of varied interests and demands. That’s making the marketing strategy of companies very difficult, but the tourism products very strong. As tourism products are mainly the tourists’ experience, they can be stored only in the tourists’ memories. Yet, souvenir products can keep some parts of the memories in them! Shaping the value offerings for tourism, we need to consider -apart from the marketing strategy- the 5 A’s of tourism: These are: Attraction: It includes all those factors which attract a tourist. It could be a place, nature, lakes, beaches, monuments, etc. Accessibility: It is how to access or reach that place of attraction. Ways to reach. Accommodation: Place to stay or accommodate while traveling for rest or overnight stays. Amenities: All the other services which we require while traveling for good and comfortable living while traveling, such as food, drinking water, sanitary, etc. Activities: It includes actions which a place or attraction holds such as nature walks, history & architecture, boating, views, health, etc. All the above are significant components that are taken into account in setting the branding strategy for the services and products of tourism

আমরা কোন কিছুকে যতটা সহজ ভাবি সেটা যেমন অতটা সহজ নয়,তেমনি কোন কিছুকে যতটা কঠিন ভাবি সেটা অতটা কঠিনও নয়।
.
আসলে সবকিছুই মনের ব্যাপার।
.
চেষ্টা আর কৌশলে কঠিনকে যেমন সহজ করা যায় তেমনি ভয় ও চিন্তা সহজকে কঠিন করে দেয়।

জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

er

Corona Pandemic rise in Unemployment Problem

Are you looking for unemployment problem in COVID or you are already experiencing it?
The most widely used measure is the unemployment rate. It counts how many people who are able to work and want a job, but can’t find one. The unemployment rate is rising and the coming end of government support schemes could see it rise even further. How high could the unemployment rate go?

Bangladesh’s Unemployment Rate dropped to 4.15 % in Dec 2020, from the previously reported number of 4.19 % in Dec 2019. The data is reported by World Bank. In the latest reports, Bangladesh’s Population reached 167.56 million people in Jun 2020. The country’s Labour Force Participation Rate increased to 59.01 % in Dec 2020.

Around 1.7 million youths in Bangladesh may lose jobs this year due to the Covid-19 pandemic if the virus containment measures continue to be in force for six months, predicts an international study.
The report, jointly published by the Asian Development Bank (ADB) and the International Labour Organisation (ILO) on Tuesday, also shows the pandemic might cause job losses to about 1.18 million youths in the three-month virus containment. The rise in the unemployment rate will be more than double the last year’s figure (11.9%) if the containment is extended to six months in Bangladesh. However, Bangladesh’s gross domestic product growth may be 4.5 percent, the study also reckons. Youths aged between 15 and 24 years are especially vulnerable as the Covid-19 crisis disrupts economic activities, with the youth being deemed as the first option for the cut-offs given the lack of professional experiences, according to the report.

Aggregate job losses may occur in seven sectors of Bangladesh: agriculture, retail trade, hotels and restaurants, inland transport, construction, textiles and textile products, and other services. These seven sectors may account for 76 percent of total youth job losses in the country. The agriculture sector will suffer most job losses followed by textile and textile products, construction and retail trade.

Around 1.7 million youths in Bangladesh may lose jobs this year due to the Covid-19 pandemic if the virus containment measures continue to be in force for six months, predicts an international study. The report, jointly published by the Asian Development Bank (ADB) and the International Labor Organization (ILO). Youth unemployment in Bangladesh may more than double in 2020 if the country takes six months to contain the coronavirus pandemic, which has caused economic output and demand to fall drastically, according to Daily Star. The jobs losses are for the whole of 2020 and are full-time equivalents. The report said 11.17 lakh youth would lose jobs in Bangladesh in case of a short containment. The number would go up to 16.75 lakh if the country takes six months to curb the deadly virus. Agriculture, retail trade, hotels and restaurants, inland transport, other services, construction and textiles sectors would account for 75.9 per cent of the job losses in Bangladesh.

Website and Visualization

সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে কিছু কথাঃ

বর্তমানে আমরা দ্রুত সময়ে কোনো তথ্য পেতে চাইলে সার্চ ইঞ্জিনে সে সম্পর্কিত কিছু শব্দ দিয়ে অনুসন্ধান করি।তখন আমাদের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত অনেকগুলো তথ্য আমাদের সামনে চলে আসে।বেশিরভাগ ব্যাবহারকারীই সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পাতায় যে ওয়েবসাইটগুলো দেখায় সেখানেই ক্লিক করে। তাই আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে সামনে নিয়ে আসতে চান তাহলে আপনার এসইও প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। এসইও এর পূর্ণরূপ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বলতে বোঝায় বিভিন্ন আভ্যন্তরীণ প্যারামিটার ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজকে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের সার্চ বা অনুসন্ধান ফলাফলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখানোর চেষ্টা করা যাতে এটি অনুসন্ধান করলে ফলাফলে প্রায়শই দেখা যায়।
সাধারণত অনপেজ এবং অফপেজ দুই ধরনের এসইও দেখা যায়। অনপেজ এসইও হলো ওয়েবসাইটের আভ্যন্তরীণ দিকগুলো সার্চইঞ্জিনের নিয়ম অনুসারে সাজানো যাতে করে ওয়েবসাইটটি ব্যবহারকারীর পছন্দসই হয়।এবং পরবর্তীতেও ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে সে ওয়েবসাইট ভিজিট করে। অফপেইজ এসইও হলো সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজের ভালো র‍্যাঙ্কিং পেতে ওয়েবসাইটের বাইরে যেই কাজগুলো করা হয়। অফপেজে এসইও হলো ওয়েবসাইট এর প্রচারণা অথবা মার্কেটিং করার একটা কৌশল।

সার্চইঞ্জিন তৈরি হয়েছে ব্যবহারকারীদের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে উপযুক্ত তথ্য প্রদানের জন্য।এক্ষেত্রে এসইও সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তোলে। সার্চ ইঞ্জিন বটের সাহায্যে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের ডাটাবেজে সে তথ্য সংরক্ষণ করে। গুণগত মান,অনুসন্ধানের সাথে সংশ্লিষ্টতাসহ বিভিন্ন ফ্যাক্টরের ভিত্তিতে সংরক্ষিত তথ্যগুলোকে বিশ্লেষণ করে র‍্যাঙ্ক অনুসারে সাজিয়ে ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করা হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এসইও বর্তমানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।গ্রাহকেরা এখন বছরে ট্রিলিয়ন বারের বেশি বিভিন্ন পণ্য,সেবা সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান করছে। আমরা জানি প্রচারেই প্রসার।কোম্পানি বা ব্র‍্যান্ডের ওয়েবসাইট তৈরির উদ্দেশ্যই থাকে তাদের পণ্যের প্রসার।যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে তত বেশি মানুষ আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে।যখন একটি ওয়েবসাইট সার্চ রেজাল্টের উপরের দিকে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। সার্চ ইঞ্জিনের সাজেশনই ওয়েবসাইটের বেশিরভাগ ভিজিটরের যোগান দেয়।কেননা বেশিরভাগ মানুষই জানেন না তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।তাই তারা তাদের দেওয়া কীওয়ার্ডের ভিত্তিতে সার্চ ইঞ্জিন যে ওয়েবসাইট সাজেশন প্রদান করে তা অনুসরণ করে। ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারী বাড়ানোর জন্য যদিও পেইড এডভারটাইজিং, সোশ্যাল মিডিয়া ‍এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহৃত হলেও বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে আসে সার্চ ইঞ্জিন সাজেশন থেকে। তাই গ্রাহকের কাছে সর্বোচচ পরিমাণে পৌছাতে এসইও প্রযুক্তিকৌশলের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।


ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টীম ।

13

Why should we invest in stockmarket- part Two!

It’s easy
If inconvenience and lack of knowledge were deterrents for you, let me tell you that with the advent of digital platforms the onboarding process has become extremely fast and hassle-free. You can complete your KYC and identity authentication within minutes, from the comfort of your homes as opposed to age-old methods of standing in lines with physical copies of share certificates.
Power of compounding
When it comes to investing and understanding how wealth multiplies, the concept of compounding has a huge role to play.
Here’s an example to understand the power of compounding:
Year 1:
Investment made in a stock: Tk 100
Interest earned: 10%
Money at the end of year 1: Tk 110
Here you have invested Tk 100 in year 1 and at the rate of 10%, your return on investment is Tk 10 and the final amount is Rs 110.
Year 2:
Scenario 1: You redeem a part of your investment, say Rs 10
Your investment at the end of year 1 was Tk 110. Say you redeem Tk 10. Then the amount you will be investing in year 2 is Tk 100.
Amount invested: Tk 100
Interest from stock: 10%
Money at the end of year 1: 10% of 100= Tk 110
Scenario 2: You do not touch your investment and let the power of compounding do its job
In this case, your interest from last year gets carried forward. Hence the amount invested at the beginning of year 2 is Tk 110.
Amount invested at the beginning of year 2: Tk 110
Interest from stock: 10%
Money at the end of year 2= (10% of 110 )+110 =Tk 121
Hence, if you let the power of compounding work on your investments, your money will grow at a rapid pace. Do not disturb your stock investments during its tenure. Let it stay invested for a long time to get the true value of the stock’s growth story.
Win The Race Against Inflation
Inflation is a definite hurdle when it comes to wealth creation and hence, choosing avenues that beat inflation is the only way to grow rich in the long run. Say an investment gets you 3-4% returns every year but the inflation rate itself is 3.5% or so.
Your Tk 100 investment can get you Tk 104 after returns but due to 3.5% inflation, the value of money reduces and what you can actually afford is just Rs 100.5 approximately.
The inflation rate can even be higher. The returns you earn from your investment will either cancel out or be minimal. Your returns might be Tk 104 in year 2 but because things have gotten expensive due to inflation, what you can actually afford is probably just Rs 100 worth goods.
If your returns are not higher than the inflation rate, effectively your returns from investment become minimal, zero or maybe negative and stock investments can fetch you high returns over a long period.
Fixed Returns are Boring
If you are wondering why to invest in stock markets at all, the answer is that fixed returns can get boring as there are other places where you can get a better value for your money. Traditional products like fixed deposits or recurring deposits are safe instruments but also give fixed returns for the investment tenure. While stocks are aligned with the markets and can give you double-digit returns in its good days as well, traditional products will give you a set fixed number on all days. So dividing a portion of your assets into accelerated wealth-creating instruments like stocks can help you reach your goals faster with the same investment amount.

65

বর্তমান অফিস সফটওয়্যার হিসেবে হলো গুগল ডক্স

গুগল ডক্স হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম যা ওয়েব ব্রাউজারে ব্যবহার করা যায়।অর্থাৎ গুগল ডক্স ব্যবহার করে কোনো ওয়ার্ড ডকুমেন্ট তৈরি,সম্পাদনা,সংরক্ষণ করা যায়।প্রোগ্রামটি ব্রাউজার ভিত্তিক হওয়ায় একে কম্পিউটারে ইন্সটল করার করার প্রয়োজন নেই।ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যেকোনো স্থানে বসেই গুগল ডক্স এক্সেস করা যায়। যে কারো গুগল একাউন্ট থাকলেই সে গুগল ডক্স ব্যবহার করতে পারে।

ডকুমেন্ট শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ডক্স।২০০৬ সালের মার্চের ৯ তারিখে গুগলের ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম গুগল ডক্সের যাত্রা শুরু হয়।।গুগলের অন্যান্য অনেক সার্ভিসের মতো এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।শুরুতে গুগল ডক্স শুধু কম্পিউটারে ব্যবহার করা গেলেও ২০১৪ সালে গুগল এর মোবাইল ব্যবহার উপযোগী সংস্করণ নিয়ে আসে।এন্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা স্টোর থেকে Google Docs এপ্স ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারে।

ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ২০১৯ সালে গুগল ডক্সে অটোগ্রামার সাজেশন,স্পেলিং চেকারের মতো বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়।এ প্রোগ্রামের অন্যতম সুবিধা হলো এতে একই ডকুমেন্টে ৫০ জন পর্যন্ত একসাথে কাজ করতে পারে!গুগল ডকে একই স্ক্রিনে কে কবে কি পরিবর্তন করলো রিভিশন হিস্ট্রি দেখে তা সহজেই বুঝতে পারা যায় দেখে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করলেও কোনো সমস্যা হয় না।অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় গুগল ডক্স সবসময় আপডেটেড থাকে।গুগল ডক্সে লেখা কোনো লেখার কোনো অংশ নির্বাচন করলেই কমেন্ট আইকন আসে।এতে লেখা নিয়ে যে কোনো কমেন্ট বা নোটস সহজেই যুক্ত করা যায়।

ওয়ার্ডপ্রসেসিং এর কাজের পাশাপাশি হিসাব-নিকাশ বা স্প্রেডশিটের কাজের জন্য এতে রয়েছে Sheet.প্রেজেন্টশন তৈরি ,সম্পদনা এসব কাজের জন্য রয়েছে Slides.সার্ভের জন্য রয়েছে Forms. জরিপের কাজে গুগল ফর্ম ব্যবহার করলে সহজেই তথ্য গ্রহণ,ফলাফল প্রদান,ট্র্যাক রাখার কাজ সহজেই করা যায়।গুগল ডক্স এর ওয়েবসাইটে এ চারটি এপ্লিকেশন প্যাকেজ আকারে পাওয়া যায়।

-ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

13

Why Should We Invest In Stock market!

Stocks are but one of many possible ways to invest your hard-earned money. Why choose stocks instead of other options, such as bonds, rare coins, or antique sports cars? Quite simply, the reason that savvy investors invest in stocks is that they provide the highest potential returns. And over the long term, no other type of investment tends to perform better.

On the downside, stocks tend to be the most volatile investments. This means that the value of stocks can drop in the short term. Sometimes stock prices may even fall for a protracted period. For instance, the 10-year return for the S&P 500 was slightly negative as recently as late 2010, largely due to the 2008 financial crisis and the early 2000s tech bubble bursting. Bad luck or bad timing can easily sink your returns, but you can minimize this by taking a long-term investing approach.
There’s also no guarantee you will actually realize any sort of positive return. If you have the misfortune of consistently picking stocks that decline in value, you can lose money, even over the long term!

Of course, we think that by educating yourself and using the knowledge in this Investing Classroom, you can make the risk acceptable relative to your expected reward. We will help you pick the right businesses to own and help you spot the ones to avoid. Again, this effort is well worth it, because over the long haul, your money can work harder for you in equities than in just about any other investment.

It is safe to invest in the Indian stock markets; however, as with all investments, one must research and plan accordingly. Without proper research and planning, investors tend to make unwise decisions that eventually lead to losses.

g

পন্যের জীবন চক্রঃ কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন

মানুষের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই কি তাহলে “product life cycle” বা পণ্যের জীবন চক্র ।
যারা মার্কেটিং বা এর সাথে সংযুক্ত পণ্যের জীবন চক্র সম্পর্কে জানেন তাদের বিরক্ত করার জন্য কোনো ইতিহাস টানবো না। শুধু যারা জানেন না, তাদের জন্য এটাই বলবো, পণ্যের জীবন চক্র হল একটি পণ্য কোন কোন অবস্থার মধ্যে মার্কেটে আসে এবং বিলুপ্ত হয় সেটার একটা ছক। এই চক্রের প্রথমেই আসে,

Introduction বা পরিচয়:
এই ধাপে একটি product বা পণ্য মার্কেটের সাথে পরিচয় করে দেওয়া হয়। আমাদের জীবনের জন্মের পর প্রথম ৫/৬ বছর ও কিন্তু আমরা নতুন এই পৃথিবীর সাথে পরিচিতই হয়ে থাকি।
Growth বা বেড়ে উঠা:
এই ধাপে একটি মানুষ যেভাবে বড় হয় একটি পণ্য ঠিক একই ভাবে বেড়ে উঠে। এই ধাপটি মানুষের জীবনে খুব গুরুত্ব বহন করে। কারণ স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সময় টাই পরবর্তী সাফল্য নির্দেশ করে। একটি পণ্যের থেকে কি পরিমাণ লাভ হবে একটি কোম্পানির তার নির্দেশ এই ধাপ।

Maturity বা পরিপক্কতা:
পড়াশুনার জীবন পার করার পর একজন মানুষ তার দক্ষতা আর জ্ঞান দিয়ে যে কাওকে বা যে কোনো প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ অর্জন দেয়। একটি পণ্যের থেকে প্রস্তুতকারক এই ধাপে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করে।

Decline বা শেষ সময়:
যে কোনো একটি পণ্য এই সময়ে মুনাফা অর্জন কমিয়ে দেয় ঠিক সেই ভাবে যে ভাবে একটি মানুষ তার জীবনের শেষ সময় কাটায়। এই সময়টা তার কাছ থেকে পূর্বের ধাপের মত অধিক কাজ আশা রাখা কঠিন। তবে মানুষের এই ধাপে একটা মজার জিনিস থাকে আর টা হল অভিজ্ঞতা। যেটা অন্যদের কাজে আস্তে পারে।

হয়তো যে product life cycle বানিয়েছেন সে এভাবে কল্পনা করেছেন অথবা লিখেছেন তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে। একটি পণ্যের জীবন চক্রের প্রতিটি ধাপই মানুষের জীবনের থেকে আলাদা করা যাবে না । একটি পণ্যের জীবনে যেভাবে বেড়ে উঠা আর পরিচয় এর সময় টাতে বেশি বিনিয়োগ করতে হয় আমাদের জীবনের এই দুইটি সময় ও বেশি বিনিয়োগ করতে হয়। যেমন: শিক্ষা, দক্ষতা ইত্যাদি এই সময়ের বিনিয়োগ। তবে আপনি সময়গুলোকে কম বেশি করতে পারেন। আর মানুষের জীবনের ম্যাজিক বস্তু ব্যবহার করতে ভুলবেন না। আর সেটা হল অভিজ্ঞতা।

রেজোআন আহমেদ সাজিদ
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

1

A glimpse on GDP of Bangladesh

In recent days we have seen people are discussing that our GDP growth overtook India’. It means that the per capita income of an average Bangladeshi citizen would be more than the per capita income of an average Indian citizen. In October 2020 The International Monetary Fund’s released a report which estimates that GDP per capita in current prices for 2020, which stands at $1887.97 for Bangladesh and $1876.53 for India. India will have a GDP per capita of $1,877 in 2020. These changes in the respective economies will be due to a 3.8% increase in Bangladesh’s GDP and a 10.3% decline in India’s GDP in 2020.

Though modern economists think GDP does not reflect the actual economic growth of any country. But countries are compared on GDP growth rate or absolute GDP. Gross domestic product (GDP) measures the total value of all the finished goods and services produced within a country’s borders in a specific period. GDP ignores the negative effects of economic growth on society, such as climate change, income inequality, and unpaid work. Still, Investors consider a country’s GDP to find their best opportunities. GDP affects personal finance, investments, and job growth.
In 2018, Bangladesh emerged as one of the fastest-growing economies in the world. It arises the question of what has driven this economic growth. According to Selim Raihan, a professor at the University of Dhaka, there are four major and one minor factor:
(a) exports of readymade garments (RMG)
(b) inward remittances
(c) sustained agriculture growth
(d) growth in microfinance and
(e) public investment in big infrastructure projects.
Other expert lists involving women in the labour force as an important factor. A key driver of growth was the RMG sector where women workers gave advantages to Bangladesh in the global export markets. Prof Raihan says Bangladesh has emerged as the second-largest exporter of garments after China and constitutes about 45% of its manufacturing GDP and 7% of total GDP. It is also the largest labour-intensive manufacturing sector employing 5 million people, 80% of whom are women, and the fastest-growing sector. Bangladesh’s manufacturing contributes nearly a quarter to its GDP. This sector also creating a lot of job opportunities. Another key to Bangladesh’s success is its adaptability after facing a decrease in cultivable land, population growth, natural calamities to improve its agricultural output. According to the World Bank, Bangladesh is now one of the largest recipients of remittance. Bangladesh has received more than $18 billion in remittances this year, which has helped stabilize the lockdown condition.

Israt Haque Zarin
Junior Executive,
Content Development Team

2

জাদুর লেখা!

কী! জাদুর কথা শুনে লেখা পড়তে চলে এসেছেন তাইনা? যে জাদুর কথা বলছি সেটা কিন্তু আপনার ভেতরেও আছে।অবাক লাগছে!
যদি প্রশ্ন করি আপনার পরিবারের মানুষগুলোর সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন অথবা পেশাগত জীবনে আপনার আচার-ব্যবহার কেমন? কিংবা আপনি কি সব পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন? আপনি কি চাপ নিতে পারেন? আপনার দৃষ্টিভঙ্গী কি ইতিবাচক?
শেষ প্রশ্ন,আপনি কি উপরের বিষয়গুলো অর্জন করে একটা সুন্দর জীবন চান? তাহলে,এই সবগুলো প্রশ্নের একটাই উত্তর।
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স।
বাংলায় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সকে আবেগিক বুদ্ধিমত্তাও বলা যেতে পারে।অর্থাৎ আপনি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আপনার চারপাশের পরিস্থিতিকে কিভাবে দেখছেন আর সামলাচ্ছেন।নিজকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিভাবে পজিটিভ রাখছেন এবং নিজের মেজাজ কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখছেন।
আপনি ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট হলে শত চাপের ভেতরেও মাথা ঠান্ডা রাখতে পারবেন আর নিজের সাথে বোঝাপড়াটাও সুন্দর হবে।
এখন প্রশ্ন হলো,এসব গুণ অর্জন করতে হলে কি করতে হবে?নিচে কয়েকটি টিপস দিচ্ছি।
১.সবসময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন।যাই ঘটুক তার ভেতর ভালো দিকটা খুজুন এবং ঘটনার ত্রুটি না খুজে কারণ খুজুন।
২.মানুষের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বুঝতে চেষ্টা করুন।তাহলে তার নেতিবাচক আচরণগুলো অতো খারাপ লাগবে না।
৩.নিজকে সময় দিন।সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হোন। নিজকে দক্ষ করে তুলুন।
৪.যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন।এটা আপনাকে শক্তিশালী করবে।
৫.কাছের মানুষ আর কলিগদের সাথে যতোটা পারা যায় সুন্দর ব্যবহার করুন।এর ফলাফল দীর্ঘমেয়াদি।
আর সবশেষে আত্মসচেতন হোন।তাহলেই প্রত্যেকটা মুহুর্তে সুন্দর মানুষ হওয়া আপনার জন্যে অনেক অনেক সহজ হয়ে যাবে।

জীবন সুন্দর হোক।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর