ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট
প্রাচীন গ্রীসের একটি ঘটনা। একদিন একজন লোক বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিসের কাছে এসে বললো, “সক্রেটিস, এই মাত্র তোমার এক বন্ধু তোমাকে নিয়ে কিছু কথা বলেছে। আমার খুব খারাপ লেগেছে। এখন আমি তোমাকে সেগুলো বলতে চাই।” সক্রেটিস বললো, “এক মিনিট দাঁড়াও, তুমি ঘটনাটি বলার আগে আমি তোমাকে তিনটি প্রশ্ন করবো। আমি এর নাম দিয়েছি ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট।” সেই লোকটি বলল, “ঠিক আছে।”

প্রথম প্রশ্নটি সত্য মিথ্যা নিয়ে.. ‘তুমি কি শিওর তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা নির্ভেজাল সত্য?’ লোকটি উত্তর দিল, ‘না, আমি জানি না এটা সত্য কিনা, আসলে আমি শুধু শুনেছি এটা।

সক্রেটিস আবার বললো,’ তাহলে তুমি শিওর না যে তুমি যা বলবে তা সত্য। এখন আমার দ্বিতীয় ফিল্টার। “তুমি যা বলবে সেটা কি ভালো কিছু?” লোকটা “উম, নাহ, খারাপ কিছু…!” সক্রেটিস বললো, “তাহলে তুমি যা বলতে চাইছো সেটি সত্য না, আবার ভালো কিছুও না।”

এখনো তৃতীয় প্রশ্ন বাকি, “তুমি তৃতীয় পরীক্ষায় পাশ করলে আমাকে কথাটি বলতে পারো।’ তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা কি আমার জন্য উপকারী বা আমার কোনো কাজে লাগবে?” সেই লোকটি বলল, “না,আসলে তোমার জন্য তা উপকারী নয়।”

এবার সক্রেটিস শেষ কথাটি বললো, “তুমি আমাকে যা বলতে চাইছো সেটা সত্য নয়, ভালো কিছু নয়, এমনকি আমার কোনো উপকারে লাগবে না, তাহলে এসব শুনে আমার লাভ কী? আর এসব বলে তোমারই বা কী লাভ?

এই গল্প থেকে আমরা কী কী শিখতে পারি এবং আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি?

১. কখনও কিছু শুনে বিশ্বাস করাটা উচিত নয়। আগে যাচাই করা উচিত যে ঘটনা বা কথাটি সত্য কিনা

২. যার সম্পর্কে সে কথাগুলো বলবে তার কাছে অবশ্যই নেতিবাচক হিসেবে নয়,বরং ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করতে হবে। যদি রা না পারে তবে পারতঃপক্ষে যেন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

৩. কখনও কেউ যদি অভিযোগমূলক কিছু বলতে আসে তবে ধরে নিতে হবে যে সে নেতিবাচক কিছু উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে তার সেই উপস্থাপনা করার আগে থেমে দেয়া উচিত যেন তা নিতে কোন বিতর্ক বা ঝগড়া সৃষ্টি না হয়।

এ.এস.এম.জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম
পড়ার সময় ঘুম লাগা এবং তার প্রতিকার

66

ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে

আমরা অনেকেই খেয়াল করব, যখন আমরা পড়তে বসি তখন আমাদের ঘুম ঘুম অনুভব হয়। আমরা অনেক সময় এই ঘুম কাটানোর জন্য তখন পড়া বাদ দিয়ে লিখতে বসি। কারণ ছোটবেলায় আমাদেরকে বাবা-মা বলেন যে পড়ার সময় ঘুম ধরলে লিখতে বসতে হয়।কারণ লিখতে লিখতে নাকি একসময় ঘুম ছেড়ে যায়। ঘুম ছাড়ুক বা না ছাড়ুক,আমাদের ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কারণ গুলো হলো-

১. শারীরিক পরিশ্রম
২. ভারী বা তেলজাতীয় খাবার
৩. আগ্রহের কমতি( কোন বিষয় পড়তে ভাল না লাগলে যদি তা বাধ্য হয়ে পড়তে হয় তখন ঘুম লাগে)
৪. পড়ার সময় আমাদের মস্তিস্কের কোষগুলোর অলস হয়ে থাকা

অনেক ক্ষেত্রে লিখার চর্চার মাধ্যমে ঘুম তাড়ানো গেলেও কিছু কিছু কাজের মাধ্যমে আমরা ঘুম বা নিদ্রাচ্ছন্ন ভাব কাটাতে পারি-

১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের “ওয়াটার ট্রিটমেন্ট”। অর্থাত চোখে ঘুম লাগলে আমরা চোখে,মুখে পানি দিয়ে, হাত-পা ধুয়ে এসে পড়তে বসলে ঘুম চলে যায়।

২.পড়ার সময় যদি আমরা হাটতে হাটতে পড়ি তখন ঘুম কেটে যায়

৩. জোরে জোরে পড়া

৪. পড়ার সময় সাথে সাথে নোটস করা।

৫. কখনও একটানা পড়তে পড়তে ঘুম লাগতে পারে,তখন ১৫-২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিয়ে আবার পড়া শুরু করা।

এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

1

দীর্ঘসূত্রীতা বা গড়িমসি থেকে মুক্তি পেতে চাও?

আমি গত কয়েক দিন ধরে একটা কাজ করবো বলে ভাবছি।কিন্তু কাজটা কোনোভাবে করাই হচ্ছেনা।কী এক যন্ত্রনা! শেষে খাতা-

কলম নিয়ে বসে পড়লাম।মাথায় কিছু আইডিয়া আসছে।কীভাবে এই গড়িমসি ভাবটা দূর করা যায় খাতায় লিখে ফেললাম সেগুলো।

আমার আইডিয়াগুলো ছিলো-

১.যে কাজটা করছি সেটাকে বিশ্লেষণ করবো।আগে বুঝতে হবে কাজটা আমি কেন করছি,কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে করছি আর আমার জীবনে এর প্রভাব কী। যেমনঃ আমি পড়ছি কারণ আমি বড় একটা চাকরি পেতে চাই।এক চাকরি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে।

২.খেয়াল করবো যে কাজে গড়িমসি করছি তা আমার জীবন আর সন্তুষ্টির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?সেটার প্রতি কি আমার

আবেগ জড়িত?

সেটাকে কি সত্যিই আমি মনেপ্রাণে চাই?

সেটা কি আমার মূল্যবোধের সাথে যায়?

এই বড় চাকরি এই সবগুলো প্রশ্নেরই পজিটিভ উত্তর দেয়।তাই বড় চাকরি পেতে আমি পড়াশোনা করছি।

৩. আমাকে মাঝমধ্যেই বিমর্ষতা আর অনাগ্রহীতা ঘিরে ধরে।সেক্ষেত্রে আমি তা দূর করার জন্যে যা যা লাগে সব করবো।

যেমনঃব্যায়াম,ঘুম বা শখের কাজ করবো তাতে আমার মন ভালো হবে আর সঙ্গে সঙ্গেই কাজের কাজটা করা শুরু করে দেবো।

৪.অপ্রয়োজনীয় ও মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসগুলো দূরে রাখবো।যেমনঃ মোবাইল। আর যা পড়ছি তার বাইরে চোখের সামনে আর কোনো বই রাখবো না।

৫.যে কাজ বা পড়া করবো তার একটা সামগ্রিক আউটলাইন তৈরি করবো।সিলেবাস যাকে বলে। আর পড়তে বসে আগামী ৩-৪ ঘন্টায় কী কী পড়বো তার একটা তালিকা করবো।

৬.টু-ডু লিস্ট তৈরী করবো এবং এই লিস্টকে ৩ টা করে কাজে ভাগ করে নেব।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ টা কাজ সবার আগে,তারপর পরের ৩ টা এভাবে রাখুন। ৭.প্রোমোডোমো কৌশলে কাজ করবো।এ কৌশলে একটানা ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট রেস্ট আবার ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট বিশ্রাম নেবো।তাতে মনোযোগও থাকবে আবার কাজের মানও বাড়বে।

আর কোনো কাজ শেষ করতে পারলে নিজকে পুরস্কৃত করবো আমার প্রিয় খাবার চকোলেট দিয়ে।

৮.গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি অনুসরণ করবো।এ পদ্ধতিতে একটা কাজ পুরোপুরি শেষ না করে অন্য কাজ করা নিষেধ। এই পদ্ধতি মনোযোগ বাড়ায়।

৯. সব কাজে পারফেক্ট হওয়ার চিন্তা করবোনা।কারণ এটা অতিরিক্ত চাপের সৃস্টি করে। আর কাজে অনীহা আর ভীতির সৃস্টিকরে।

১০. কাউকে আমার উপর নজর রাখতে বলবো।এটা খুবই কার্যকরী একটা পদ্ধতি।কারণ অনেক সময় আমার কাজ করতে ইচ্ছা

করবেনা।এক্ষেত্রে কেউ আমার কাজে নজর রাখলে জোর করে হলেও কাজটা আমাকে করতে হবে।

১১.নিজকে অতীতের জন্যে ক্ষমা করে দেবো।কারণ আমার অতীত আমাকে দুঃখ দেবে আর তা নতুন উদ্যম সৃস্টির অন্তরায়।

১২. দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে সময় ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দেবো। একটা বেঁধে দেওয়া সময়ের পর ঐ কাজটা আর করবো না।

১৩. আউটসাইড দ্যা বক্সে চিন্তা করবো।আত্মবিশ্বাস থাকলে কাজ অনেক দ্রুত করা যায়।তাই সবকিছুতে জেতার মানসিকতা

তৈরি করতে হবে।

এভাবে ৩ সপ্তাহ কাজ করার পর দেখা গেলো আমার আর প্রক্রাস্টিনেশনের সমস্যা হচ্ছেনা।তাই শেয়ার করে ফেললাম আপনাদেরসাথে। আপনারাও কিন্তু এগুলো জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন।পজিটিভ রেজাল্ট পাবেন;সে গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি। শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি,

Being A Thought Leader.

The only way to do that is to bring new ideas and thought leadership to the organization. One of my favorite ways to do this is a concept called “finding the bright spots” from the book by Chip and Dan Heath. The idea is to take big problems and solve them with small solutions. If Learning and Development can identify big organizations problems and look for individuals or solving or achieving them, there is an opportunity to be a thought leader and bring these small bright spots to the masses.
Being An Innovator. Innovation and thought leadership go hand in hand. If you are looking for bright spots and bringing new ideas to the organization, you will then have the ability to introduce innovation that aligns with learner demand. Things such as learning platforms, social learning, microlearning, etc.: There has never been a time in my lifetime with more innovative ideas happening around learning.
Flawless Execution. One simple way to do the opposite of being valuable is taking months, if not years, to bring new programs or new technology to bear. I hear it all too often; “Training isn’t relevant” or “That would have been useful last month”. Being able to identify and execute on a learning opportunity in a timely manner is vital if you want to make Learning and Development the center of your organization. Speed, speed, speed! It’s time to get programs and technology to 80% and perfect it over time. Trying to be perfect prior to an initial roll-out will cause paralysis by analysis and ultimately will drag out timelines and effectiveness.
The world around us is causing your Learning and Development department to be more important than ever. You don’t have to sell anyone on it, but you do have to have the vision and ability to execute it. Make these 3 elements a core part of your daily work life and you will make your Learning and Development department more valuable.

-Mohaiminul Sadat

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ১

এবার আমাদের সামনে নিজের সম্পর্কে বলবেন মি. শুভ।(হাততালি)।সবাই তো হাততালি দিচ্ছে কিন্তু আপনার তো ভেতরে ভেতরে বারোটা বেজে যাচ্ছে।এখন আপনাকে অনেকগুলো লোকের সামনে কথা বলতে হবে।আপনি নিশ্চয়ই জানেন এটাকেই পাবলিক স্পিকিং বলে।দশজন লোকের সামনে তাদের মন মানসিকতা বুঝে তাদের সাথে কথা বলাই পাবলিক স্পিকিং।
মি. শুভ কথা বলতে পারলো না।আমতা-আমতা করতেই করতেই তার সময় শেষ। বাসায় ফিরে সে ভাবলো “আজ থেকে যে করেই হোক পাবলিক স্পিকিংটা শিখেই ছাড়বো”!বিকেলে আসলো আমার কাছে।
পাবলিক স্পিকিংয়ে পারদর্শী হতে হলে কয়েকটা কথা মনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে আওড়াতে হবে।সেগুলো হলোঃ
১.সবাই আমাকে শুনছে,আমাকে ভয় পেলে চলবে না।
২.আমিই এই স্টেজের রাজা।এখানে আমার কথামতো সব হবে।আর রাজারা ভয় পায় না।
৩.আমার প্রস্তুতি আছে কিনা তা দর্শকেরা জানেনা।তাদের একথা বলবো না বরং তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করবো।
৪.দর্শককে আমার সাথে যুক্ত করবো,তাকে কাজে লাগাবো,প্রশ্ন করবো,তাতে আমার কাজ সহজ হয়ে যাবে।
৫.আমার পা কাঁপতে পারে,হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে কিন্তু আমি তা কাউকে বুঝতে দেবোনা।
শুভ মাথা নাড়লো,মানে সে বুঝেছে।সে পাল্টা প্রশ্ন করলো ” আচ্ছা,পাবলিক স্পিকিংটা শুরু করতে আমার ঝামেলা লেগে যায়,কি থেকে কি বলবো জট পাকিয়ে যায়। কি করা যায় বলতো?
অহ আচ্ছা,এই কথা।শোন তাহলে-
বক্তব্য শুরু করার অনেক চমৎকার চমৎকার পদ্ধতি আছে।আর প্রথম ত্রিশ সেকেন্ড কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারণ এই সময়ের মধ্যেই দর্শক সিদ্ধান্ত নেবে বাকি সময়টা সে তোর কথা শুনবে কিনা।তাই শুরুটা করতে হবে যতোটা পারা যায় চমৎকারভাবে।
সেটা কিরকম,শুভর চোখে কৌতুহল।
আচ্ছা শোন,সব স্পিচের খুব সাধারণ শুরু হলো নিজের পরিচয় বলে শুরু করা।এক্ষেত্রে তুই অন্যকিছু দিয়ে শুরু করতে পারিস।আচ্ছা,তোর গ্রামের বাড়ি যেনো কোথায়?
-বাগেরহাট
আচ্ছা,ধর তুই স্টেজে উঠেই প্রশ্ন করলি,”আপনারা বলেন তো ষাট গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত””?
সবাই বলবে “বাগেরহাট”।তখনই তুই বলবি আচ্ছা,আপনারা জানেন ষাট গম্বুজ মসজিদের আসলে গম্বুজ কিন্তু একাশিটা।আমি বাগেরহাট নিয়ে এতো কথা কেন বললাম জানেন?কারণ আমার বাড়ি বাগেরহাট।
এই যে দেখ এই স্টার্টিং কি সাধারণ শুরুর চেয়ে মজার না?
আবার ধর তুই শুরু করলি একটা মজার কথা দিয়ে।এভাবে ”আপনারা জানেন কি, পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ মানুষ পাবলিক স্পিকিংকে ভয় পায়-আমি ছাড়া!আমি মি.শুভ…..
অথবা,এভাবে….একটা মানুষ পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল ও চিন্তাভাবনা করে কাজ করে।সে সবসময় স্বপ্ন দেখে ভালো মানুষ হবার।যে মানুষটার কথা বলছিলাম সে হচ্ছে আমি নিজে,শুভ…..
এভাবে কোনো প্রশ্ন,ফ্যাক্ট বা তথ্য কিংবা মজার কিছু দিয়ে শুরু করতে পারলে সবাই তোর প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠবে।
আর এক্ষেত্রে এবিসিডি মেথড মনে রাখতে পারিস।
A-Attention
B-Benefit
C-credibility
D-direction
আর কি করা যায় পাবলিক স্পিকিংয়ের শুরুতে?
আচ্ছা,শোন,তুই যদি শুরুতেই সবার মধ্যে একটা ভাইবস আনতে পারিস তাহলে তোর কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।এক্ষেত্রে তুই কোরাস/স্লোগান দিয়ে শুরু করতে পারিস যেটা সবাইকে উজ্জীবিত করবে।যেমনঃ
“আমরা সবাই একসাথে
জেগে উঠবো একনিমিষে”।
কিন্তু একটা কথা।প্রোগ্রামের দর্শক কারা সে বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে আর কথা বলার কন্টেন্ট আগে থেকে গুছিয়ে রাখা ভালো।
দর্শকদের এনগেজমেন্ট ধরে রাখবো কিভাবে?
-সে কথা পরের পর্বে বলব।সেই পর্যন্ত এভাবেই প্র‍্যাকটিস করতে থাক।
-ধন্যবাদ বন্ধু
-শুভকামনা

-Mahtab Abdullah Monjur

15

International business: Cover in Ins

International business is a vast term in today’s world. The basis of change and connect the world is international trade or business. It has so many perspective values. International business is important in economical, geopolitical, social perspectives.
International business:
International business refers to the trade of goods, services, technology, capital and/or knowledge across national borders and at a global or transnational scale. It involves cross-border transactions of goods and services between two or more countries. Transactions of economic resources include capital, skills, and people for the purpose of the international production of physical goods and services such as finance, banking, insurance, and construction. International business is also known as “globalization”.
“International business” is also defined as the study of the internationalization process of multinational enterprises. A multinational enterprise (MNE) is a company that has a worldwide approach to markets, production and/or operations in several countries.
Factors:
Multinational enterprises range from any kind of business activity or market, from consumer goods to machinery manufacture. To conduct business overseas, companies should be aware of all the factors that might affect any business activities, including: difference in legal systems, political systems, economic policy, language, accounting standards, labor standards, living standards, environmental standards, local cultures, corporate cultures, foreign-exchange markets, tariffs, import and export regulations, trade agreements, climate, and education. Each of these factors may require changes in how companies operate from one country to another. Each factor makes a difference and a connection.
Operations:
All firms that want to go international have one goal in common; the desire to increase their respective economic values when engaging in international trade transactions. To accomplish this goal, each firm must develop its individual strategy and approach to maximize value, lower costs, and increase profits. A firm’s value creation is the difference between V (the value of the product being sold) and C (the cost of production per each product sold).
Once a firm decides to enter a foreign market, it must decide on a mode of entry. There are six different modes to enter a foreign market. The firm must decide which mode is most appropriately aligned with the company’s goals and objectives. The six different modes of entry are exporting, turnkey projects, licensing, franchising, establishing joint ventures with a host-country firm, or setting up a new wholly owned subsidiary in the host country.
Types of operations:
There are two types of operations. They are-

  1. Export: An export in international trade is a good or service produced in one country that is sold into another country. The seller of such goods and services is an exporter; the foreign buyer is an importer.
  2. Import: An import is a good or service produced in one country that is bought by another country. In international trade, the importation and exportation of goods are limited by import quotas and mandates from the customs authority.
    Merchandise export-import: Merchandise export-import means to export or import physical goods and products. No service is included in merchandise exports-imports.
    Service export-import: Service export-import means to export or import goods and products with service. The majority of the companies create a product that requires services such as installation, repairs, and troubleshooting.

Md. Jawad Uddin
Content Writing Team

14

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্নওয়ার্ডপ্রেসঃকি ও কেন???
বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেকোনো তথ্য পেতেই আমরা সে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারি। ওয়েবসাইট বলতে বোঝায় ডোমেইন এর মাধ্যমে দর্শন যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। আর বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৩৫% ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি।নেটক্র্যাফটের জরিপমতে সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪৫৫ মিলিয়ন।সেলফহোস্ট করা ওয়েবসাইটের ২০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করছে। ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেস শুরুর দিকে বিনা মূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, যা পরবর্তী সময়ে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনা মূল্যে তা ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কোনো ধরনের পিএইচপি, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি সম্ভব।সহজভাবে বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS)ওয়েবসাইটে ছবি,লেখা,যাবতীয় তথ্য দেখায় সবই কনটেন্ট। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়।
ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭ শে মে সর্বপ্রথম ওয়ার্ডপ্রেস প্রকাশ করেন।সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৫.৩ সাত মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে।এ সংস্করণটি বাংলা সহ ৫২ টি ভাষায় লেখা যায়।এতে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায় দেখে বর্তমানে ১২০ টির ও বেশি ভাষাভাষীর মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।
ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে দুই ধরনের সেবা প্রদান করে।
১।হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.com )
২।সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.org)
wordpress.com ফ্রি সাবডোমেইন,নির্দিষ্ট কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম,প্রায় ২ জিবির মতো হোস্টিং সুবিধা পাওয়া যায়।এতে খোলা ওয়েবসাইট বা ব্লগের ঠিকানা হয় www.####.wordpress.com ফরম্যাটে। wordpress.org এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়।এভাবে তৈরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হয় www.#####.com ফরম্যাটে।
সারা পৃথিবীতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।কোডিং দক্ষতা ছাড়াই এতে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।বর্তমানে কোনো ব্র্যান্ড বা প্রচারের জন্য ওয়েবসাইট খুবই কার্যকরী মাধ্যম। এসইওবান্ধব হওয়াতে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বেশিরভাগ ওয়েবডেভ্লেপআর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
12

একজন স্টিফেন হকিং ও তার বিখ্যাত কিছু উক্তি-

স্টিফেন হকিং বিশ্বের সেরা পদার্থবিজ্ঞানীদের একজন। বলা যায় কালোজয়ী বিজ্ঞানী। ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও এই পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন অনেক কিছু। জীবনের ২১ বছরে “মোটর নিউরন” নামক এক জটিল রোগে যখন তার জীবন খুব সন্ধিক্ষণে তখন চিকিৎসক বলেছিলেন, মাত্র ২ বছর তিনি বাঁচবেন। অথচ চিকিৎসকদের ভবিষ্যতবাণীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে,সারা বিশ্বকে অবাক করে ৫৫ বছর পৃথিবীর আলো বাতাস উপভোগ করেছেন তিনি। হয়তো স্বাভাবিক চলাফেরার শক্তি তার ছিল না,তবে ছিল প্রচন্ড মানসিক শক্তি আর যার জোরে তিনি এতটা বছর লড়াই করেছিলেন সেই রোগটির সাথে। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বাকি জীবন কাটে হুইল চেয়ারে বসে,কথা বলেছেন যন্ত্রের সহায়তায় কম্পিউটার স্পিক সিন্থসাই জার অবস্থায়। মনের অফুরন্ত শক্তির জোরে নিজের গবেষণা কাজ চালিয়ে গেছেন আর বাকি সকল বিজ্ঞানীদের মতই। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে একবার তিনি বলেছিলেন, আমার কোন রোগ আছে তা আমি কখনও ভাবি না। চেষ্টা করি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে। আমার কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কোন কিছুকে আমি কখনও পাত্তাই দেই না।আমার যখন ২১ বছর বয়স তখনই আমার প্রত্যাশার সমাপ্তি। বাকি সবকিছুই আমার জন্য বোনাসস্বরূপ। যারা বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গৌরব করেন তারাই জীবনে হেরে গেছেন। গত ৪৯ বছর আমার মৃত্যু নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলেছে। তাই আমি আর মরতে ভয় অয়াই না। তবে এখনই মরতে চাই না। এখনও অনেক কাজ বাকি আমার।

১৯৯৮ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত বই “A Brief History of Time : From the Big Bang to Black Holes” এ তিনি কিছু বিখ্যাত কথা বলে গেছেন-

১. জীবন এমন এক শক্তি যা আপনাকে পরিবর্তন করতে শেখায়

২. আপনার শারীরিক বাধা কখনও ভাল কাজে আপনার বাধা হতে পারে না।শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য কখনও অনুতাপ করবেন না।

৩. মানুষ কথা বলেই সব থেকে বেশি সাফল্য অর্জন করে। তবে মানুষের ব্যর্থতার কারণও এই আলাপ-চারিতা।তাই কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়া উচিত

৪. ক্রোধ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। তাই সফল হতে হলে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী বা নির্মুল করতে হবে।

৫. যদি আপনি সব সময় রাগান্বিত থাকেন এবং অভিযোগ করতে থাকেন, কেউ আপনার জন্য নিজের মূল্যবান সময়টুকু দিতে চাইবে না।

লিখাঃ
এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

1

5 A’s in Tourism:


The tourism industry as a whole survives because of various tourism products and services. The tourism industry is flexible. The products of tourism cannot be easily standardized as they are created for the customers of varied interests and demands. That’s making the marketing strategy of companies very difficult, but the tourism products very strong. As tourism products are mainly the tourists’ experience, they can be stored only in the tourists’ memories. Yet, souvenir products can keep some parts of the memories in them! Shaping the value offerings for tourism, we need to consider -apart from the marketing strategy- the 5 A’s of tourism: These are: Attraction: It includes all those factors which attract a tourist. It could be a place, nature, lakes, beaches, monuments, etc. Accessibility: It is how to access or reach that place of attraction. Ways to reach. Accommodation: Place to stay or accommodate while traveling for rest or overnight stays. Amenities: All the other services which we require while traveling for good and comfortable living while traveling, such as food, drinking water, sanitary, etc. Activities: It includes actions which a place or attraction holds such as nature walks, history & architecture, boating, views, health, etc. All the above are significant components that are taken into account in setting the branding strategy for the services and products of tourism

আমরা কোন কিছুকে যতটা সহজ ভাবি সেটা যেমন অতটা সহজ নয়,তেমনি কোন কিছুকে যতটা কঠিন ভাবি সেটা অতটা কঠিনও নয়।
.
আসলে সবকিছুই মনের ব্যাপার।
.
চেষ্টা আর কৌশলে কঠিনকে যেমন সহজ করা যায় তেমনি ভয় ও চিন্তা সহজকে কঠিন করে দেয়।

জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

13

Why should we invest in stockmarket- part Two!

It’s easy
If inconvenience and lack of knowledge were deterrents for you, let me tell you that with the advent of digital platforms the onboarding process has become extremely fast and hassle-free. You can complete your KYC and identity authentication within minutes, from the comfort of your homes as opposed to age-old methods of standing in lines with physical copies of share certificates.
Power of compounding
When it comes to investing and understanding how wealth multiplies, the concept of compounding has a huge role to play.
Here’s an example to understand the power of compounding:
Year 1:
Investment made in a stock: Tk 100
Interest earned: 10%
Money at the end of year 1: Tk 110
Here you have invested Tk 100 in year 1 and at the rate of 10%, your return on investment is Tk 10 and the final amount is Rs 110.
Year 2:
Scenario 1: You redeem a part of your investment, say Rs 10
Your investment at the end of year 1 was Tk 110. Say you redeem Tk 10. Then the amount you will be investing in year 2 is Tk 100.
Amount invested: Tk 100
Interest from stock: 10%
Money at the end of year 1: 10% of 100= Tk 110
Scenario 2: You do not touch your investment and let the power of compounding do its job
In this case, your interest from last year gets carried forward. Hence the amount invested at the beginning of year 2 is Tk 110.
Amount invested at the beginning of year 2: Tk 110
Interest from stock: 10%
Money at the end of year 2= (10% of 110 )+110 =Tk 121
Hence, if you let the power of compounding work on your investments, your money will grow at a rapid pace. Do not disturb your stock investments during its tenure. Let it stay invested for a long time to get the true value of the stock’s growth story.
Win The Race Against Inflation
Inflation is a definite hurdle when it comes to wealth creation and hence, choosing avenues that beat inflation is the only way to grow rich in the long run. Say an investment gets you 3-4% returns every year but the inflation rate itself is 3.5% or so.
Your Tk 100 investment can get you Tk 104 after returns but due to 3.5% inflation, the value of money reduces and what you can actually afford is just Rs 100.5 approximately.
The inflation rate can even be higher. The returns you earn from your investment will either cancel out or be minimal. Your returns might be Tk 104 in year 2 but because things have gotten expensive due to inflation, what you can actually afford is probably just Rs 100 worth goods.
If your returns are not higher than the inflation rate, effectively your returns from investment become minimal, zero or maybe negative and stock investments can fetch you high returns over a long period.
Fixed Returns are Boring
If you are wondering why to invest in stock markets at all, the answer is that fixed returns can get boring as there are other places where you can get a better value for your money. Traditional products like fixed deposits or recurring deposits are safe instruments but also give fixed returns for the investment tenure. While stocks are aligned with the markets and can give you double-digit returns in its good days as well, traditional products will give you a set fixed number on all days. So dividing a portion of your assets into accelerated wealth-creating instruments like stocks can help you reach your goals faster with the same investment amount.