FB_IMG_1606822708232

The Top Skills Companies Need Most in 2020

রিজ্যুমেতে নিয়োগকারীরা হার্ড স্কিল ও সফট স্কিল দুই ধরনের দক্ষতাই খোঁজেন। এ দুই ধরনের দক্ষতার মিলে যে কোনো ব্যক্তিই কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।কর্মক্ষেত্রের ধরনভেদে হার্ডস্কিল ও সফটস্কিলের চাহিদা নির্ধারিত হয়।রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন হার্ডস্কিল হলো ব্লকচেইন।এবং সফট স্কিলের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে সৃজনশীলতা।
সফট স্কিল বলতে বোঝায় মানুষের এমন কিছু চারিত্রিক ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, যা অন্যের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ভালোভাবে কাজ করতে শেখায়। এ দক্ষতাগুলোর সাহায্যে ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে, আস্থা বাড়াতে এবং দলগতভাবে কাজ করতে পারদর্শী হয়ে ওঠে।
হার্ড স্কিল বলতে বোঝায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ যা ব্যক্তি তার কর্মজীবন বা শিক্ষাসহ যে কোনও জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করেন।এ ধরনের দক্ষতা কোনো সুনির্দিষ্টকাজে প্রয়োগ করা যায় এবং মূল্যায়নও করা যায়।
নিয়োগকারীরা কর্মীদের কাছে কি ধরনের দক্ষতা প্রত্যাশা করেন সারা বিশ্বেস প্রেক্ষিতে লিঙ্কডইন তালিকা তৈরি করে। ২০২০ এর এ তালিকায় দেখা যায়ঃ

হার্ডস্কিলঃ

১। ব্লকচেইন
২। ক্লাউড কম্পিউটিং
৩। বিশ্লেষণী দক্ষতা
৪।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
৫। UX (ইউজার এক্সপেরিয়েন্স) ডিজাইন
৬।ব্যাবসায়িক বিশ্লেষণ
৭। অ্যাফিলিয়েট বিপণন
৮। সেলস
৯। সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং
১০। ভিডিও প্রযোজনা

সফটস্কিলঃ

১।সৃজনশীলতা
২।প্রত্যয়ী
৩। সহযোগিতা
৪। অভিযোজনযোগ্যতা
৫। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স

সর্বাধিক চাহিদায় থাকা দক্ষতার তালিকা তাদের সরবরাহের তুলনায় উচ্চচাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।তাই আমাদের ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকতে হলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ারে \ প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে জেনে তাতে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। হার্ড স্কিল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শেখা গেলেও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন ও অনুশীলনের মাধ্যমে সফট স্কিলে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম

জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি,

জীবনের কঠিন বাস্তবতা? জীবন খুব কষ্টের? জীবনটা অনেক কঠিন? জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই?

জীবনের কঠিন বাস্তবতা? জীবন খুব কষ্টের? জীবনটা অনেক কঠিন? জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই? আপনি আমার বর্তমান অর্জন দেখছেন। কিন্তু আমার জীবনের কঠিন কস্টগুলো দেখেননি।

.

.

দেখেননি বছরের পর বছর অর্থের অভাবে দিনে শুধু আধপেটা ভাত খেয়ে কাটিয়েছি, অনেকগুলো বছর পার করেছি বছরে ২ সেট জামা পরে,

.

অপারেশনের ৩ দিন পর মাস্টার্স এর পরিক্ষা দিতে লোকাল বাসে করে যেতে যেয়ে মানুষের চাপে অপারেশনের জায়গা থেকে দরদর করে রক্ত ঝরতে দেখেননি।

.

.

সারাদিন ক্লাস করার পর পার্টটাইম/ফুলটাইম চাকুরি করে রাতভর পড়ে পরিক্ষা দিয়েছি একের পর এক,

.

.

দেখেননি পরিবারের জন্য খাবার না কিনতে পারা বা বাসা ভাড়া না দিতে পারার কষ্টক্লিষ্ট মুখ, কয়েকবার ডাক্তারের ছুরি-কাচির তলে পড়েছি এটাও দেখেননি,

.

.

দেখেননি বছরের পর বছর অর্থের অভাবে দিনে শুধু আধপেটা ভাত খেয়ে কাটিয়েছি, অনেকগুলো বছর পার করেছি বছরে ২ সেট জামা পরে,

.

.

.

.

.

জীবনের কঠিন বাস্তবতা

.

দেখেননি স্বাভাবিক জীবন থেকে আমার ছিটকে পড়া,

.

দেখেননি কতটা অমানুষিক কস্ট করে এতগুলো একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করেছি নিজের অর্থে,

.

দেখেননি বছরের পর বছর দিনে কিভাবে ১৭/১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেছি, পুরো পরিবারকে নিয়ে রোগ আর অভাবের সাথে লড়াই করতে অবিরত

.

দেখেননি ভয়ংকর বাস্তবতার সাথে প্রতিনিয়ত লড়ে যাবার চিত্র…

.

দেখেননি এক বিপদ থেকে উঠে দাড়াবার আগেই আর এক বিপদে পড়ার অসহ্য যন্ত্রনা..
.
আপনি আমার হাসি মাখা মুখ দেখে হয়তো হিংসা করছেন, কিন্তু হাসির পিছনের কান্নাগুলো কখনও দেখেননি।

.

তাই আমি হাসতে ভালবাসি, মানুষের হাসি দেখতে ভালবাসি, আমি আমার কাজকে ভালবাসি, আমি আপনাকেও ভালবাসি।

.

সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি আপদমস্তক কৃতজ্ঞ।

ভাল থাকবেন, ভাল মানুষেরা৷।।

Shibli H. Ahmad

CODP, CToT, GGA
Founder and Chief Patron
Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (BAHRN)

Presentation slide, Presentation software, Presentation speech, How to start a presentation, Presentation topics, প্রেজেন্টেশন কিভাবে শুরু করতে হয়, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কি, প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে কি বলে, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার এর গুরুত্ব, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডাউনলোড, Prezi, Canva,

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারঃমাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কর্মক্ষেত্রে নিজের ভাবনা, গবেষণা বা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করি।বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত প্রেজেন্টেশন সফটওয়ারের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ।প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করেন। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশনমূলক স্লাইড তৈরি করা যায়।যা পরবর্তীতে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্দায় প্রদর্শন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।


১৯৮৭ সালে ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য Presenter নামক একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম তৈরি করেন।ট্রেডমার্কজনিত কারণে রবার্ট গাস্কিন্স এর পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় Powerpoint. সে বছরেই মাইক্রোসফট এটিকে কিনে নেয়। ১৯৯০ সালের ২২ মে মাইক্রোসফট পাওয়াপয়েন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয়ে ১২ টিরও বেশি সংস্করণ এসেছে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। উইন্ডোজ,এপলের সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্টের এন্ড্রয়েড ভার্সনও বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে চাইলে অফিস 365 থেকে নেওয়া যেতে পারে অথবা মাইক্রোসফট স্টোর থেকে সরাসরি মাইক্রোসফট অফিস স্যুট কিনে ব্যবহার করা যায়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোনো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।স্টাডি অনুসারে প্রতিটি প্রেজেন্টেশন তৈরিতে গড়ে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রির্পোট স্লাইডের মাধ্যমে উপস্থাপন করে অতি সহজে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, কর্মীদের প্রোগ্রেস রিপোর্ট বা কোনো প্রজেক্ট আইডিয়া বোঝানো সম্ভব হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য আকর্ষণীয় স্লাইডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী করা যায়। এ করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকের অনলাইনে ক্লাসের কোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে পারছেন সহজেই।পাওয়ার পয়েন্টের বিশেষত্ব হলো- এর মাধ্যমে টেক্সটের সাথে যে কোন ধরনের চলমান ছবি, শব্দ যুক্ত করা যায়।পরবর্তীতে উক্ত ছবি বা শব্দসমূদ্ধ টেক্সটগুলোকে এনিমেশন আকারে দেখানো যায়।পাওয়ার পয়েন্টে দেড়শর অধিক টেমপ্লেট বা ছাঁচ রয়েছে যার সাহায্যে দৃশ্যগত উপস্থাপনা বা স্লাইড নির্মাণ করা হয়।স্লাইডের উপস্থাপনা সুন্দর করার জন্য এতে থাকা। বহু রঙের প্যালেট ব্যবহার করা যায়।পাওয়ার পয়েন্টে একই সঙ্গে লেখা, সারণি, নকশা ও ছবির ব্যবহার করা যায়।পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন পরিমার্জন,সংশোধন ও সংরক্ষণ করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্টও করা যায়। প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব থেকে সরাসরি যেকোনো ভিডিও ওয়েবসাইট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উপাস্থাপন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম

celestine chua wikipedia, personal excellence pdf, personal excellence book, personal excellence water fast, personal excellence ppt, personal excellence podcast, personal excellence topics, identifying long-term choices and goals, personal excellence quotes, why is excellence important in a workplace, beliefs of excellence nlp, personal excellence synonyms, personal excellence essay, excellence in career, career excellence meaning, personal excellence program, area of excellence examples, building competencies for personal excellence, personal excellence, self leadership the definitive guide to personal excellence, personal excellence program, self leadership the definitive guide to personal excellence pdf, personal excellence definition, personal excellence quotes, what is personal excellence, self leadership the definitive guide to personal excellence sparknotes, self leadership the definitive guide to personal excellence, personal excellence program navy,

Personal Excellence and Communication Mastery

Personal Excellence and Communication Mastery “The quality of a person’s life is in direct proportion to their commitment to excellence, regardless of their chosen field of endeavor.”Some people always try to do their best in their respective sectors.

Again, at work, some people are not fond of their work but do an outstanding job, while others, who are happy with their work do a mediocre job. Why does this happen?This dissimilation of traits occurs due to a thirst for excellence. Being the best is easy to think but not to do. A healthy dose of this trait needs to be continued to pursue excellence.“To effectively communicate, we must realize that we are all different in the way we perceive the world and use this understanding as a guide to our communication with others.” – Anthony RobbinsIndividuals need to be aware of their personal excellence and communication efficiency.

“Personal excellence and good communication in work is mandatory to be succeed in your life.”

The excellent personnel must have a strong capture on communication skills.

Keeping in mind that BAHRN is going to present you an hour long training on “Personal Excellence and Communication Mastery”.

This training session will be facilitated by the renowned soft skill trainer–
Rushdina Khan
CEO, Training with Rushdina.

Date: November 12, 2020
Time: 7:30 PM
Via: Zoom Cloud Meeting

The session is open for All but Seat is limited.
So, do hurry to be registered and present yourself in time.
Session link will be sent to the registered people only.

*** Certificate of Participation will be provided.

Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (BAHRN) is going to organize a free session on “Personal Excellence and Communication Mastery” for students and professionals. Date: November 12, 2020Time: 7.30 pmAre you ready to grab this incredible opportunity?Apply here: https://forms.gle/rZfoCcvuhKc3yoJ96

e commerce companies advantages of e commerce ecommerce or e-commerce e commerce in india features of e commerce what is e commerce pdf e commerce advantages and disadvantages e business meaning m-commerce meaning e commerce essay in english e commerce courses what is e commerce presence e-commerce course e-commerce indonesia what is e-commerce and how does it work e-commerce examples m-commerce definition functions of e commerce e business definition importance of e commerce e commerce business ideas e-commerce business for sale e commerce business models ecommerce business product research e commerce business in india ecommerce business plan magento open source magento commerce cloud demo magento hosted solutions magento vs shopify magento for smb magento commerce licence types of e-commerce scope of e commerce

Walmart Online Shopping? Costco online shopping?

Walmart Online Shopping? Future of E-commerce in Bangladesh E-commerce is nowadays a trendy growing sector. Still, the stability and expansion of the business or industry is just a matter of time. After some years, the existing companies will grow bigger than now. Seeing the success, more will be encouraged to start in the future. So there will be a decent number of companies in a certain amount of period. This type of company is now going through the embryonic stage; they create and expand the target market and be familiar with the market.

Precisely, people will accept it more willingly after some years for the mobility of the entire process. This can be the panacea considering the situation of high traffic jams in Dhaka city. This will also penetrate the global platform and compete with international companies by expanding the international market. So the growth of the E-commerce sector in Bangladesh is expected to increase exponentially in the next following years. The blessing of technology has created a buzzword called Walmart Online Shopping “E-commerce,” which recently inspired people to be self-employed in the e-commerce sector.


Some types of e-commerce businesses as “online shopping”, “online cosmetics”, “online electronics” have been favored to start their business. According to research, “electronics and groceries will reach 25% growth in online sales”. The food business is also the most popular in Dhaka city, with a 25% growth. In this sector, “Foodpanda” “Hungrynaki,” has become prominent by their service.

Even in Quarantine, people are getting more connected to e-commerce. For example, many people are losing jobs, along with getting locked in the house. In this situation, they, to earn money, get attached to social business. They use social platforms for disturbing their products. It is quite an easy way to do business and gain profit.

keep happineswss

সুখ কিভাবে ধরে রাখি? সুখের খোঁজে : পর্ব ০১

সুখ কিভাবে ধরে রাখি? সুখের খোঁজে : পর্ব ০১
সুখের খোঁজে – নাম দিয়েই বুঝা যাচ্ছে আমরা সুখ খোজার চেষ্টা করবো। আমরা প্রতিনিয়তই সুখ খুজছি, তাই নয় কি? এতো পরিশ্রম, পড়াশুনা, অনলাইন লার্নিং সেশন, ট্রেনিং, সেমিনার – এত্তোকিছু আমরা কি জন্য করি?
সুখের জন্য!


এই আশায় যে, আমরা এখন কস্ট করলে ভবিষ্যতে ভালো থাকবো, ভালো চাকরি হবে; ভালো চাকরি হলে, ভালো বেতন; ভালো বেতন হলে ভালো বাড়ি-গাড়ি, আর এসব মানেই শান্তি, সুখ?
আসলেই কি তাই?
আজকে তেমনই কিছু বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।


আমরা প্রতিনিয়ত নানা রকম নতুন নতুন জিনিসের পিছনে ছুটি। নির্দিষ্টভাবে বললে, নতুন, এবং আগের চেয়ে ভালো জিনিস।
জব কেনো পাল্টায় মানুষ? আগের চেয়ে ভালো সুযোগ-সুবিধা বেতনের জন্য! আমরা নতুন ফোন কিনি কেন? আগের চেয়ে ভালো অবস্থার জন্য? হয়তো, আমার ফোন নস্ট -তাই; কিংবা নতুন ফোনটা আগের চেয়ে ভালো – দুটোর একটা কারণেই তো কিনি, তাইনা?
কিন্তু, একটা সময়ে গিয়ে আমরা সেটায় অভ্যস্ত হয়ে যাই। নতুন গাড়িতে যেমন যত্ন নেই, ক’মাস পর আমাদের যত্নের পরিমাণ কি আগের মতো থাকে? থাকে না। আস্তে আস্তে কমে। নতুন ফোন কিনলেও তাই হয়। বাড়িয়ে নতুন রঙ করলে ১ সপ্তাহ কোনো দাগ লাগতে দেইনা, তারপর কি আর খবর রাখি আসলে? কক্সবাজার ঘুরে আসলাম। ৪-৫ দিন মনে আলাদা একটা উত্তেজনা থাকে, যাবার আগে – আসার পরে। কিন্তু, ৫-৬ দিন পর কি আর তেমন উত্তেজনা থাকে? ১ মাস পর? ৩ মাস পর? বাড়িতে মা-বাবা রেখে ভার্সিটিতে গেলাম, খারাপ লাগে অনেক প্রথমে। কিন্তু, ১ মাস পর? ৩ মাস পর? ১ বছর পর? আস্তে আস্তে খারাপ লাগাটা মিলিয়ে যায়। তাইনা?
আসলে কি হয়? আমরা মানিয়ে নেই। আমাদের মন ও শরীর পরিবেশের সাথে নিজেকে প্রতিনিয়ত মানিয়ে নেয়। খারাপের বেলা মানিয়ে নেয়াটা বেশ উপকারী হলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা মনে একধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নতুন ফোন টা, নতুন গাড়িটা, ১ সপ্তাহ আগে দিয়ে আসা ট্যুর টা আমাদেরকে কদিন পর আর আনন্দ দেয় না।সুখ কিভাবে ধরে রাখি? বা, আনন্দের প্রভাবটা থাকে না।
কিন্তু, এমন নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন জিনিস কি আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত আসে?
একজন এক বছরে কটা ফোন কিনে? ধরলাম , দুটো! ১ টা ফোনের আনন্দ ১ মাস থাকলে বাকি ১০ মাস সে কী করবে? বছরে কদিন আমরা ট্যুরে থাকি?
এসব খুব আনন্দের মুহূর্ত আমাদের লাইফে খুবই কম। বছরের বেশিরভাহ সময়ই আমাদের বোরিং, পুরনো জিনিস নিয়ে।
তাই, সুখে থাকতে হলে, আমাদেরকে এ পুরনো জিনিসগুলোকেই নতুন ভাবে বুঝতে, দেখতে, অনুভব করতে শিখতে হবে।
কথা হচ্ছে, এটা কি আসলেই কাজে দেয়?
বিজ্ঞানী লুবোমিরস্কি ও তার সহকর্মীরা ২০০৬ সালে একটা গবেষণা করেন। সেখানে একদল শিক্ষার্থীকে তাদের লাস্ট কোথাও দেয়া ট্যুর নিয়ে দিনে ৮ মিনিট করে ভাবতে দেয়া হয়, ৩ দিন! মোট ২৪ মিনিট! কি মনে হয়, কেমন প্রভাব ফেলবে?
৩ দিন পর দেখা যায়, তাদের হ্যাপিনেস লেভেল অন্যদের চেয়ে ০.৬-১ (১০ এ) এর মতো বেশি! আর, এভাবে ৩ মাস কাটানোর পর? ১.২-১.৩ লেভেল বেশি। এবং, তাদের সেমিস্টার রেজাল্টে সিজিপিএ এর গড় উন্নতি আগের চেয়ে ০.৩!! ভাবা যায়??
তাহলে, বোঝা গেলো – প্রতিদিন আগের সুখস্মৃতি নিয়ে ভাবলে হ্যাপিনেস বাড়ে। মন ফ্রেশ থাকে, প্রোডাক্টিভিটি বাড়ে!


এটা টিপস নাম্বার ০১!

তবে, কোন মোমেন্ট গুলো ভাববেন সেটা নিয়েও আপনাকে দেখতে হবে!
স্দ্য প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে ভাবলে আনন্দ পাবেন? নাকি, আপনার গ্র্যাজুয়েশনের দিন নিয়ে ভাবলে আনন্দ পাবেন, নাকি, লাইফে প্রথম কাপ্তাই লেকে গিয়ে কায়াক চালানোর অভিজ্ঞতা কল্পনা করলে খুশি হবেন – সেটা আপনিই ভালো বুঝবেন!
একটা ট্যুরে গেলে দুই ধরনের মানুষ দেখা যায় – কেউ ক্যামেরায় ব্যস্ত, কেউ প্রকৃতিকে দেখায়! এদিকে দুটো জিনিস আছে, যারা প্রকৃতিকে যত আপন করে নিতে পারে, তাদের মনও ততদিন সেটাকে মনে রাখে। আপনি যদি ক্যামেরার মাঝেও নিজেকে প্রকৃতিতে ডুবিয়ে রাখতে পারেন, তাহলে আরো ভালো।
আবার, কোনো ট্যুরে যাবার আগেও আমাদের মধ্যে অনেক আনন্দ-উত্তেজনা কাজ করে। শেষেও করে। এভাবে আমরা যদি পুরো সময়টা উপভোগ করি, তাহলে আমরা ৩-৪ মাস পরেও চোখ বন্ধ করে সেদিনটা অনুভব করতে পারবো। সেদিনটা আমাদের জীবনে দেয়ার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ হবো। আর, এভাবেই, একটা ট্যুর আমাদেরকে ১ বছর খুশি রাখবে। দুমাস পরেই “আবার কবে ট্যুর দিবো!” বলে চিল্লাবোনা!
রেস্টুরেস্টে গেলেই চেক-ইন দিতে হয়না। খাবার আসলেই ছবি তুলতে হয়না। সেটা তোলা যে ভুল, তাও না; উত্তেজনাটা যেন খাবার খাওয়ার আনন্দটাকে ছাড়িয়ে না যায়। আমি বার্গার নিলাম, বন্ধু চকলেট কেক নিলো – বন্ধুর চকলেট কেক খাওয়ার আনন্দ/অনুভূতি দেখে আমার যেন এমন মনে না হয়, যে, “ইশ! আমি কেন নিলাম না। আমি কেন বার্গার নিলাম!” এমন হলে বার্গার খাবার আনন্দটাও আপনি হারিয়ে ফেলবেন। এবং, আমাদের অবচেতন মনে এটা খুব সাধারণ। তাই, আমরা আমাদের ফোকাস আমাদের নিজের উপর রাখবো। নিজে উপভোগ করায় মন দিবো।
তাহলে এ পার্টে আমাদের শিক্ষা কি? আমরা কোনো কাজ করার সময় তা মন দিয়ে করবো। ট্যুরে গেলে প্রকৃতিকে আপন করে নিবো! কোথাও খেতে গেলে গেলে খাবারের স্বাদ-দেখার সৌন্দর্য্য এসব উপভোগ করবো। সবকিছু হবে নিজের জন্য, ইন্সটাগ্রাম আর ফেসবুকের জন্য না!


এটা টিপস নাম্বার ০২!

তারপর, আসে- ফাইটিং নেগেটিভিটি। নিজের মনে আসা নেগেটিভ ইমোশনের সাথে ফাইট করা। আমরা অনেক সময়ই ভালোকে হারানোর ভয়ে এমনভাবে ভীত থাকি যে, আমরা ভালোটা ঠিকভাবে এনজয়ই করতে পারিনা! সুখ কিভাবে ধরে রাখি? ভার্সিটির গ্রাজুয়েশন, ট্যুরের লাস্ট দিন, বন্ধের শেষদিন – আমরা পাওার আনন্দের চেয়ে হারানোর ভয়ে বেশি থাকি।


এ নিয়ে একটা গবেষণা করা হয়, ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায় গবেষক কার্টজ এর অধীনে ১ম বর্ষ, ৩য় বর্ষ, ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে। তাদেরকে বলা হয়, তারা গ্র্যাজুয়েশনের পর তাদের মনের অবস্থা নিয়ে লিখতে। ১ম বর্ষ ও ৩য় বর্ষের বেলায় তেমন পার্থক্য পাওয়া না গেলেও , গ্র্যাজুয়েশনের শিক্ষার্থীদেরকে বেশ মন খারাপ করতে দেখা যায়, যে এতোদিনের বন্ধু-ক্যাম্পাস অনেক মিস করবে – এসব। তাদের অর্ধেককে নিয়ে একটা সেশন করা যায়, যেখানে তাদেরকে কৃজ্ঞতাবোধ বিষয়টি বুঝানো হয়, বরং, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে ১ ঘন্টা লিখতে দেয়া হয়। তারপর, আবার তাদের হ্যাপিনেস মার্কিং করা হয়। যেখানে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উন্নতি দেখা যায় হ্যাপিনেস সূচকে, যেটা অনুমিত। কিন্তু, গ্র্যাজুয়েশনের ৩ মাস পর, যখন তাদের আবার হ্যাপিনেস সূচক মাপা হয়, তখন মিরাকলটা দেখা যায়। যারা অই সেশনে ছিলো, তাদের জীবন অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি সুখী ও সফল। তারা তাদের বন্ধুদের হারিয়েছিল বলে দুঃখী হয়নি, বরং, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে যে, এমন একটা জায়গায় আমি পড়তে পেরেছি, এতো ভালো বন্ধু ও শিক্ষক পেয়েছি! তাহলে আমরা কি শিখলাম? ছোট দেড় ঘন্টায় হওয়া কৃতজ্ঞতাবোধের অভিজ্ঞতা ৩ মাস পরেও আপনাকে সুখি রাখতে পারে!
কোথাও ট্যুরে গেলেও এমন হতে পারে। আমরা অনেকে এমন ভাবি যে, “ইশ! কদিন পরই আবার প্যারা!” বা “আজ রাতেই চলে যাবো!!! আবার কবে যে আসবো!”— এমন নেগেটিভ বিষয়গুলো আমাদের সেখানের আনন্দ তো নস্ট করেই, বরঞ্চ, আমাদেরকে আনন্দটা দ্রুত ভুলিয়ে দেয়। ফলে, বাসায় ফিরে দ্রুতই আমরা আবার তাড়াতাড়ি বিস্বাদ রেগুলার জীবনে চলে যাই। মনের সে আনন্দ, উচ্ছ্বলতাটা হারিয়ে যায়। নিজেকে আবার অসুখী মনে হয়।


একটা গাড়ি কিনলাম। আস্তে আস্তে প্রতিদিন চালাতে চালাতে নতুনের ফিল টা চলে যায়! এভাবে চলতে চলতে, একসময়, আমরা গাড়ি থাকা আর না থাকার পার্থক্যটা ধরতে পারিনা।
এরকম পরিস্থিতিতে আমরা কি করতে পারি? কীভাবে আমরা এ নেতিবাচক ইমোশনটাকে দূরে ঠেলে আরো বেশি আনন্দ নিতে পারি, একইসাথে সে আনন্দটাকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করতে পারি?
এখানের মজার বিষয়টা হলো – আমরা চাইলেই কাটা দিয়েই কাটা তুলতে পারি।
কীভাবে??
আমরা তখন মনকে বলবো – যদি না আসতাম? তাহলে, কি করতাম? বাসায় বসে ঘাস কাটতাম? নাকি, বন্ধুদের ঘুরাঘুরির পোস্টে রিএক্ট দিতাম বসে বসে? এখানে নিজে আনন্দ করতে পারছি। এতো সুন্দর জায়গায় এতো সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে আমার! তাহলে, আমার কি আরো এনজয় করা উচিত না? এমন সুযোগ ক’বার পাবো আমি লাইফে?
নতুন ফোন কিনেছি? সেটার বেলায়ও। আগে যখন ফোন ছিলোনা, তখন কি করতাম? বাটন ফোনে কাজ করা যায় কিছু??সুখ কিভাবে ধরে রাখি? আগের চেয়ে তো ভালো আছি, তাইনা? আইফোন নেই আমার। ঠিক আছে, জাদুঘরে রাখা নোকিয়া তো চালাই না! মোটামুটি ভালো ফোন-ই চালাই!


আরেকটা উদাহরন দেই। বিজ্ঞানী কো এট আল ২০০৮ সালে এ নিয়ে পরীক্ষা করেন, যেখানে তিনি একদল শিক্ষার্থীকে দু’ভাগ করে একটা পছন্দের জিনিস “না পেলে কি হতো” আর “পাওয়ার পর কী হয়েছে” এটা লিখতে দেন। ফলাফলে দেখা যায়, না পেলে কি হতো – যারা লিখেছিলো, তাদের হ্যাপিনেস ২য় গ্রুপের চেয়ে ১.৫ লেভেল বেশি ছিলো!
এভাবে নিজেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। নেগেটিভ ইমোশোনকেই পজেটিভভাবে ব্যবহার করতে হবে। তাহলে যেমন আনন্দ বাড়বে, মনেও তার রেশ থাকবে অনেকদিন।


এটা টিপস নাম্বার ০৩!

এখানে বর্ণিত সবগুলো ট্রিকস মিলেই একটা সুন্দর অবস্থায় আসবো। লাইফে আসা নতুন কিছুর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো, সেটা হারানোর ভয়কে জয় করবো ও তা হতে পাওয়া সুখের স্মৃতিগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে ভাববো।


এভাবে আমরা আমাদেরকে আরেকটু সুখি করতে পারি ও জীবনে সুখকে স্থায়ী করতে পারি। বর্ণিত ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই আমাদের অবচেতন মনে ঘটে। তাই, সবকিছু খেয়াল রাখা একটু কঠিন। কিন্তু, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে আমাদেরই। তাহলেই সুখ নামক অধরা বস্তুর (পড়ুন অনুভুতির) দেখা পাবো ও তাকে নিজের জালে বন্দি করতে পারবো। আর, সুখের নেশায়ই তো আমাদের এতো পরিশ্রম, তাইনা? তাহলে, সামান্য কাজের ও মানসিকতার পরিবর্তনের অভাবে এ পরিশ্রমকে কেন পণ্ডশ্রমে রূপ দিবো আমরা?
আজকের পর্বে এ পর্যন্তই!
ধন্যবাদ!
আজমাইন তৌসিক ওয়াসি,
CEO, Xioxostic Creations
Junior Executive of Digital and Creative Team, BAHRN

wordpress.org login wordpress tutorial theme free download wordpress themes for business wordpress themes zip download best wordpress blog sites news wordpress sites wordpress tutorial is wordpress free wordpress vs wix wordpress pricing wardprees wordpress company what is wordpress used for wordpress wiki is wordpress software easy to use wordpress blogs is wordpress easy to learn what is wordpress hosting what operating system does wordpress run on themeforest it company theme wordpress professional business theme company portfolio themeforest themeforest wordpress professional website themes wordpress for dummies pdf wordpress tutorial pdf 2020 how to use wordpress youtube wordpress website examples wpbeginner free blog setup free wordpress setup service divi vs elementor divi theme price divi login divi sale divi child theme

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট? ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন

বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেকোনো তথ্য পেতেই আমরা সে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারি। ওয়েবসাইট বলতে বোঝায় ডোমেইন এর মাধ্যমে দর্শন যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। আর বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৩৫% ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি।নেটক্র্যাফটের জরিপমতে সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪৫৫ মিলিয়ন।

সেলফহোস্ট করা ওয়েবসাইটের ২০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করছে। ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেস শুরুর দিকে বিনা মূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, যা পরবর্তী সময়ে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনা মূল্যে তা ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কোনো ধরনের পিএইচপি, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি সম্ভব।সহজভাবে বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS)ওয়েবসাইটে ছবি,লেখা,যাবতীয় তথ্য দেখায় সবই কনটেন্ট। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়।ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭ শে মে সর্বপ্রথম ওয়ার্ডপ্রেস প্রকাশ করেন।সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে।

২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৫.৩ সাত মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে।এ সংস্করণটি বাংলা সহ ৫২ টি ভাষায় লেখা যায়।এতে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায় দেখে বর্তমানে ১২০ টির ও বেশি ভাষাভাষীর মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে দুই ধরনের সেবা প্রদান করে।১।হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.com )২।সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.org)wordpress.com ফ্রি সাবডোমেইন,নির্দিষ্ট কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম,প্রায় ২ জিবির মতো হোস্টিং সুবিধা পাওয়া যায়।এতে খোলা ওয়েবসাইট বা ব্লগের ঠিকানা হয় www.####.wordpress.com ফরম্যাটে।

wordpress.org এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়।এভাবে তৈরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হয় www.#####.com ফরম্যাটে।সারা পৃথিবীতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।কোডিং দক্ষতা ছাড়াই এতে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।বর্তমানে কোনো ব্র্যান্ড বা প্রচারের জন্য ওয়েবসাইট খুবই কার্যকরী মাধ্যম। এসইওবান্ধব হওয়াতে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বেশিরভাগ ওয়েবডেভ্লেপআর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।- ইসরাত হক জেরিনজুনিয়র এক্সিকিউটিভ,কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম

20201019_213655

মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রয়োজনীয়তা

মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রয়োজনীয়তা বর্তমান অটোমেশনের যুগে আমাদের প্রায় সবারই মাইক্রোসফট এক্সেলের ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। মাইক্রোসফট এক্সেলে দক্ষতা এখন আর কোনো বিশেষ স্কিল হিসেবে বিবেচনা না করে ব্যাসিক স্কিল হিসেবে আয়ত্বে আনার সময় চলে এসেছে।


আভিধানিক ভাবে এক্সেল শব্দের অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া।মাইক্রোসফট এর এ স্প্রেডশীট প্রোগ্রামটি একই সাথে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে নামকরণের যথার্থতার প্রমাণ দিয়েছে।এ প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল হিসাব নিকাশ,তথ্য ব্যবস্থাপনা, চার্ট-গ্রাফের মাধ্যমে আকর্ষণীয়রূপে তথ্যের উপস্থাপনাসহ দ্রুতসময়ে নানা কাজ করা যায়


মাইক্রোসফট এক্সেল ১৯৮৭ সালে প্রাথমিক সংস্করণের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৩ সালে পঞ্চম সংস্করণ তৎকালীন লোটাস সফটওয়ারের লোটাস১-২-৩ প্রোগ্রামকে টপকে শীর্ষে জায়গা করে নেয়।শুরুর দিকে ম্যাকওএস ও উইন্ডোজভিত্তিক এপ্লিকেশন হিসেবে থাকলেও বর্তমানে এক্সেলের মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ও এন্ড্রয়েড সংস্করণ রয়েছে।


কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত এক্সেলের উইন্ডোতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে ‘স্প্রেডশীট এনালাইসিস প্রোগ্রাম’ বলা হয়।অন্যসব স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে সাথে বিভিন্ন পরিসংখ্যানিক, প্রকৌশলগত এবং অর্থায়ন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য এক্সেলের নিজস্ব ফাংশন রয়েছে। এক্সেলই প্রথম স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম,যাতে ব্যবহারকারীরা চাইলেই স্প্রেডশিটের ফন্ট, ক্যারেক্টার অ্যাট্রিবিউট, সেলের রঙসহ বিভিন্ন কিছু পরিবর্তন করতে পারে।চার্ট,হিস্ট্রোগ্রাম,গ্রাফের মাধ্যমে তথ্যের উপস্থাপনের জন্য এতে বিভিন্ন টুলস ও রয়েছে। মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রয়োজনীয়তা এক্সেলের নিজস্ব প্রোগ্রামিং ভাষা “ভিজুয়াল বেসিক ফর অ্যাপলিকেশন” ব্যবহার করে সাধারণভাবে করতে কঠিন কাজও সহজেই করা যায়


আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সরল-জটিল হিসাব,বেতনবিল,স্যালারি শীট,রেজাল্ট শীট, আয়কর হিসাব তৈরি করা বা চার্ট গ্রাফের মধ্যে পরিসংখ্যান করা কিংবা এসব ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার যাবতীয় কাজ এক্সেলের মাধ্যমে করা যায়।

পড়াশোনা,চাকরি ব্যবসা সকলক্ষেত্রেই এক্সেলের ব্যবহার প্রয়োজন বিধায় আমাদের সবারই ধৈর্য ধরে এক্সেলে দক্ষতা অর্জন করা উচিত। এক্সেল খুবই সহজ এপ্লিকেশ হওয়ায় এটি শিখতে বিশেষ কোনো দক্ষতার প্রয়োজন নেই।কিন্তু এটি অনেক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হওয়ায় কাজ করে অনুশীলনের মাধ্যমে শিখতে হবে।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সকিউটিভ,
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম,BAHRN

এইচ আর এডমিন এর কাজ কি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

এইচ আর প্রফেশনালকে কিছু সমস্যা প্রায়ই ফেস করতে হয়?

এইচ আর প্রফেশনাল কে কিছু সমস্যা প্রায়ই ফেস করতে হয় যেমন সংগঠন “ক” এর কন্টেন্ট টিম এবং গ্রাফিক্স টিম বেশ কিছু দিন হলো কাজে তাল মেলাতে পারছে না, যার প্রভাব গিয়ে পড়ছে ব্র‍্যান্ডিং এন্ড প্রমোশনের উপর।

ঠিক এমনই কিছু সমস্যা একজন এইচ আর প্রফেশনালকে প্রায়ই ফেস করতে হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং কর্মপরিবেশ কেমন হবে তা অনেকটাই প্রতিষ্ঠানের এইচ আর ডিপার্টমেন্টের উপর নির্ভর করে। তো চলুন আজ একজন এইচ আর প্রফেশনাল এর চ্যালেঞ্জ গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

 

ডাইন্যামিক বিজনেস ওয়ার্ল্ডঃ

OneDrive, GoTo Meeting, Google Calendar, Evernote ইত্যাদি, বেশ কিছু বছর আগেও কিন্তু এই অফিস টুল গুলোর এত ব্যাবহার ছিল না। আবার এমন অনেক পন্য যা কয়েক বছর আগে ছিলো কিন্তু এখন নেই। এর কারণ কি?

গ্লোবালাইজেশনের কারণে বিজনেস ওয়ার্ল্ডে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন হচ্ছে এবং তার সাথে তাল মিলিয়ে একজন এইচ আর প্রফেশনালকে চলতে হয়। সময়ের সাথে সাথে বিজনেসে অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যেমন- টেকনোলজি, প্রডাক্ট, কম্পিটিশন এই সব কিছুর সাথেই একজন এইচ আরকে কোপ আপ করতে হয়। এই জন্য একজন দক্ষ এইচ আরকে সব সময় এ্যাডাপটিবল এবং প্রোএ্যাকটিভ হতে হয়।

 

ভিশনারিঃ

আজকের দিনে বসে ৫ বছর পরের বিজনেস ওয়ার্ল্ড কেমন হবে, তখন মার্কেটের পরিস্থিতি কেমন হবে এবং এমপ্লয়িদের কেমন দক্ষতার প্রয়োজন হবে এটা বুঝতে পারা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ আর এর জন্য তাদের প্রচুর স্টাডি করতে হয় মার্কেট এনভায়রনমেন্ট নিয়ে।

 

দক্ষ কর্মী নিয়োগঃ

একটা কোম্পানির সুনাম যেমন তাদের কাজের উপর নির্ভর করে, ঠিক তেমনি কোম্পানির কাজের ধরন, মান নির্ভর করে কোম্পানির এমপ্লয়িদের উপর আর এই এমপ্লয়ি কে কোম্পানিতে নিয়ে আসার গুরু দায়িত্ব পালন করেন এইচ আর প্রফেশনালস। হাজার হাজার এপ্লিকেন্টস এর মধ্যে থেকে কোম্পানির জন্য ডেডিকেটেড এবং দক্ষ এমপ্লয়ি বাছাই করা অবশ্যই সহজ কাজ নয়।

 

এমপ্লয়ি নিয়োগে বৈচিত্র্য রাখাঃ

একজন এইচ আর প্রফেশনাল কে লক্ষ রাখতে হয় যেন কোম্পানির এমপ্লয়িদের মধ্যে ডাইভার্সিটি থাকে। বিভিন্ন জাতি, ধর্ম এবং সংস্কৃতির মানুষ তাদের নিজস্বতার মাধ্যমে কোম্পানির কাজগুলোকেও বৈচিত্রময় করে। কিন্তু অনেক সময় এই বৈচিত্র্যময় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এইচ আর প্রফেশনালদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে যদি এমপ্লয়িরা নিজেদের মধ্যে খাপ খাইয়ে না চলতে পারে।

 

লেজিস্লেশন মেইন্টেনেন্সঃ

কোম্পানি আইনের বেশ কিছু রুলস আছে যেগুলো এইচ আর ডিপার্টমেন্টকে ফলো করতে হয়। আবার এই নিয়ম কানুন গুলো অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে সেই দিকেও একজন এইচ আরকে খেয়াল রাখতে হয়। এটা এইচ আর দের কন্ট্রোলের বাহিরের একটা বিষয়।

 

ব্যয় নিয়ন্ত্রণঃ

কোম্পানি যে সেক্টরগুলো তে সবথেকে বেশি কস্ট কনজিউম করে তার মধ্যে একটা হলো হিউম্যান রিসোর্স। একটা কোম্পানির যখন লস হওয়া শুরু হয় তখন কোম্পানি তার কর্মীদের আগে ছাঁটাই করা শুরু করে। তাই এইচ আর টিমকে সব সময় বুঝে শুনে কর্মী নিতে হয়। কারণ কর্মী সংখ্যা বেশি হয়ে গেলে তা কোম্পানির জন্য ব্যয়বহুল আবার কম হয়ে গেলে তা কোম্পানির কাজকে ব্যাহত করবে।

 

এক্সপার্টস নিয়োগঃ

এখানে এক্সপার্ট বলতে বোঝানো হচ্ছে স্বতন্ত্র দক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদের বিন্যাস ঘটানো। যেমন ইম্পলয়িদের মধ্যে কাউকে মার্কেটিং এ, কাউকে ফাইন্যান্স এ, কাউকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে ইত্যাদি সেক্টর গুলোতে এক্সপার্ট হতে হবে। একটা কোম্পানিতে অবশ্যই সবাই সম স্কিল সম্পন্ন মানুষ থাকতে পারে না। এই পুরো ব্যপারটা এইচ আর টিমের উপর নির্ভরশীল।

 

কর্মীদের মোটিভেটেড রাখাঃ

ক্যাম্পাসের একজন সিনিয়র ভাইয়া বেশ কিছু দিন হলো জবে জয়েন করেছেন। উনার মাইডেতে একবার দেখলাম কোম্পানি থেকে ফোন গিফট করেছে, আবার দেখলাম ইয়ার বাটস গিফট করেছে। আমি ভাবতাম কোম্পানির কি টাকা বেশি হয়ে গেলো নাকি! আসোলে এগুলো ইম্পলয়িদের মোটিভেট করার এক একটা পন্থা। ইম্পলয়িরা কোম্পানির প্রতি যত ডেডিকেটেড থাকবে ততো কোম্পানির লাভ আর এই ইম্পয়িদের চাঙ্গা রাখা, মোটিভেটেড রাখা, ডেডিকেটেড রাখা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ

 

কাউন্টার প্রোডাক্টিভিটি কন্ট্রোলঃ

কোম্পানিতে সময়ের সাথে সাথে এমন কিছু মানুষের উৎপাত শুরু হয় যারা নিজেরাও প্রোডাক্টিভ না আবার অন্যদের ও প্রোডাক্টিভ হওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে। এইচ আর টিমকে এই ব্যপারগুলো খেয়াল রাখতে হয় যাতে কোম্পানিতে কাউন্টার প্রোডাক্টিভ বিহেভিয়ার চর্চা কোনো ভাবেই না হয়।

একজন এইচ আর এর লাইফে চ্যালেঞ্জেস এর শেষ নাই। কোম্পানিতে কর্মী নিয়োগের প্লান থেকে শুরু করে, নিয়ন্ত্রণ এবং ছাঁটাই সবই ঐ কোম্পানির এইচ আর টিম নির্ধারণ করেন। তবুও বলার অপেক্ষা রাখে না যে যেখানে কষ্ট বেশি সেখানে মূল্যায়নও বেশি।

একজন এইচ আর প্রফেশনালের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি নেতৃত্বগুণ, ধৈর্য্য, সদালাপ, সমস্যা সমাধানে পারদর্শিতা এবং দেশের শ্রম আইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হয়

আপনি এইচ আরে ক্যারিয়ার গড়তে চান? এই চ্যালেঞ্জগুলো নিতে প্রস্তুত তো?

মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক্সিকিউটিভ অব কন্টেন্ট রাইটিং টিম