ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট
প্রাচীন গ্রীসের একটি ঘটনা। একদিন একজন লোক বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিসের কাছে এসে বললো, “সক্রেটিস, এই মাত্র তোমার এক বন্ধু তোমাকে নিয়ে কিছু কথা বলেছে। আমার খুব খারাপ লেগেছে। এখন আমি তোমাকে সেগুলো বলতে চাই।” সক্রেটিস বললো, “এক মিনিট দাঁড়াও, তুমি ঘটনাটি বলার আগে আমি তোমাকে তিনটি প্রশ্ন করবো। আমি এর নাম দিয়েছি ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট।” সেই লোকটি বলল, “ঠিক আছে।”

প্রথম প্রশ্নটি সত্য মিথ্যা নিয়ে.. ‘তুমি কি শিওর তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা নির্ভেজাল সত্য?’ লোকটি উত্তর দিল, ‘না, আমি জানি না এটা সত্য কিনা, আসলে আমি শুধু শুনেছি এটা।

সক্রেটিস আবার বললো,’ তাহলে তুমি শিওর না যে তুমি যা বলবে তা সত্য। এখন আমার দ্বিতীয় ফিল্টার। “তুমি যা বলবে সেটা কি ভালো কিছু?” লোকটা “উম, নাহ, খারাপ কিছু…!” সক্রেটিস বললো, “তাহলে তুমি যা বলতে চাইছো সেটি সত্য না, আবার ভালো কিছুও না।”

এখনো তৃতীয় প্রশ্ন বাকি, “তুমি তৃতীয় পরীক্ষায় পাশ করলে আমাকে কথাটি বলতে পারো।’ তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা কি আমার জন্য উপকারী বা আমার কোনো কাজে লাগবে?” সেই লোকটি বলল, “না,আসলে তোমার জন্য তা উপকারী নয়।”

এবার সক্রেটিস শেষ কথাটি বললো, “তুমি আমাকে যা বলতে চাইছো সেটা সত্য নয়, ভালো কিছু নয়, এমনকি আমার কোনো উপকারে লাগবে না, তাহলে এসব শুনে আমার লাভ কী? আর এসব বলে তোমারই বা কী লাভ?

এই গল্প থেকে আমরা কী কী শিখতে পারি এবং আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি?

১. কখনও কিছু শুনে বিশ্বাস করাটা উচিত নয়। আগে যাচাই করা উচিত যে ঘটনা বা কথাটি সত্য কিনা

২. যার সম্পর্কে সে কথাগুলো বলবে তার কাছে অবশ্যই নেতিবাচক হিসেবে নয়,বরং ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করতে হবে। যদি রা না পারে তবে পারতঃপক্ষে যেন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

৩. কখনও কেউ যদি অভিযোগমূলক কিছু বলতে আসে তবে ধরে নিতে হবে যে সে নেতিবাচক কিছু উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে তার সেই উপস্থাপনা করার আগে থেমে দেয়া উচিত যেন তা নিতে কোন বিতর্ক বা ঝগড়া সৃষ্টি না হয়।

এ.এস.এম.জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম
পড়ার সময় ঘুম লাগা এবং তার প্রতিকার

66

ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে

আমরা অনেকেই খেয়াল করব, যখন আমরা পড়তে বসি তখন আমাদের ঘুম ঘুম অনুভব হয়। আমরা অনেক সময় এই ঘুম কাটানোর জন্য তখন পড়া বাদ দিয়ে লিখতে বসি। কারণ ছোটবেলায় আমাদেরকে বাবা-মা বলেন যে পড়ার সময় ঘুম ধরলে লিখতে বসতে হয়।কারণ লিখতে লিখতে নাকি একসময় ঘুম ছেড়ে যায়। ঘুম ছাড়ুক বা না ছাড়ুক,আমাদের ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কারণ গুলো হলো-

১. শারীরিক পরিশ্রম
২. ভারী বা তেলজাতীয় খাবার
৩. আগ্রহের কমতি( কোন বিষয় পড়তে ভাল না লাগলে যদি তা বাধ্য হয়ে পড়তে হয় তখন ঘুম লাগে)
৪. পড়ার সময় আমাদের মস্তিস্কের কোষগুলোর অলস হয়ে থাকা

অনেক ক্ষেত্রে লিখার চর্চার মাধ্যমে ঘুম তাড়ানো গেলেও কিছু কিছু কাজের মাধ্যমে আমরা ঘুম বা নিদ্রাচ্ছন্ন ভাব কাটাতে পারি-

১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের “ওয়াটার ট্রিটমেন্ট”। অর্থাত চোখে ঘুম লাগলে আমরা চোখে,মুখে পানি দিয়ে, হাত-পা ধুয়ে এসে পড়তে বসলে ঘুম চলে যায়।

২.পড়ার সময় যদি আমরা হাটতে হাটতে পড়ি তখন ঘুম কেটে যায়

৩. জোরে জোরে পড়া

৪. পড়ার সময় সাথে সাথে নোটস করা।

৫. কখনও একটানা পড়তে পড়তে ঘুম লাগতে পারে,তখন ১৫-২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিয়ে আবার পড়া শুরু করা।

এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

64

টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট

জনাব সিবলি এইচ আহমেদ, WinTech এর প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর কোম্পানি ছাড়ার পর থেকেই, কোম্পানিতে নানান ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। সদ্য জয়েন করা তরুণ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর শত চেষ্টায় পরও সমস্যাগুলোর অন্তরায় না পেয়ে বি. বিজনেস কন্সাল্টেন্সি ফার্মের স্মরনাপন্য হন।

সেখানে B. Business Consultancy Farm এর Founder & CEO, মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সব বিশদভাবে জানান। মিস. বিজয়ী সব ঘটনা শোনার পর বুঝতে পারেন, আসল সমস্যা কোথায়! কেনো গ্রাহকদের সারা দিন দিন কমে যাচ্ছে, কেনো তারা অন্য কোম্পানির পন্যের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন, কেনো কোম্পানির ডক্যুমেন্টস ঠিক থাকছে না এবং কেনো documents গুলো সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না!!

মিস্ বিজয়ী, মিস্টার মাহতাব কে অবগত করলেন যে উনার কোম্পানির TQM ঠিক নেই বা নিয়ন্ত্রিত নেই ।

মাহতাব একটু অবাক হলেন যে এত প্রচেষ্টার পরও উনার TQM ঠিক নেই!

তারপর উনি মিস্ বিজয়ীর কাছে এই সমস্যার সমাধান চাইলেন।

সমাধান সম্পর্কে বলার আগে সমস্যা সম্পর্কে একটু বলে নি।

TQM আসলে কোনো সমস্যা না তবে এটি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়, অপরপক্ষে সুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠানের উন্নতিকে ব্যাপকভাবে তরান্বিত করে।

সাধারণভাবে বলতে গেলে TQM বা Total Quality Management মূলত গ্রাহক সন্তুষ্টির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের একটি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, গ্রাহকসন্তুষ্টি এবং মুনাফা অর্জনের দিক থেকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার জন্য সংস্থাগুলো TQM বাস্তবায়ন করে। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ পদ্ধতি যা একটি নিরবিচ্ছিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া সৃষ্টি ও বাস্তবায়ন করে।

যাইহোক আবার মূল কথায় ফিরে যাই। মিস বিজয়ী, মিস্টার মাহতাবের সাথে TQM নিয়ে কিছু আলোচনা করলেন এবং TQM tools গুলোর সাথেও উনাকে আরেকটু ভালো করে পরিচয় করিয়ে দিলেন।

একটি প্রতিষ্ঠানের Total Quality Management ঠিক না থাকলে তা কোম্পানির উন্নয়ন প্রক্রিয়া কে ধীরগতি করে দেয়।

▪TQM এর অভাবে পন্যের মান, কার্যক্ষমতা এবং ব্যবহার হ্রাস পায়।

TQM একটি পন্য উৎপাদনে বিদ্যমান ঘাটতি আবিষ্কার এবং ভোক্তাদের কাছে ত্রুটিপূর্ণ পন্য সরবারহ হ্রাস করে। একটি নিরবিচ্ছিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ত্রুটিপূর্ণ পন্য হ্রাস করার মাধ্যমে উৎপাদন খরচ হ্রাস করতে পারে।

▪কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় কোম্পানিতে TQM নিয়ন্ত্রিত না থাকলে।

এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কর্মীদের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে নিয়োজিত থাকতে হবে।

▪ডকুমেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অভাব একটি ব্যবসাকে তার কার্য পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে বাধা দেবে, কারণ এর কোন আনুষ্ঠানিক সূচনা বিন্দু নেই। TQM একটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন পদ্ধতির উন্নয়ন, অনুমোদন এবং পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে।

এখন আমরা জেনে নিই TQM tools সম্পর্কে –

TQM tools ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলিকে তাদের ব্যবসায়ের সাথে প্রাসঙ্গিক গুণগত এবং পরিমাণগত তথ্য সনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে। এই সরঞ্জামগুলি তাদের সংস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রক্রিয়া, ধারণা, পরিসংখ্যান, কারণ এবং প্রভাব উদ্বেগ এবং প্রভাব সনাক্ত করতে পারে।

বর্তমানে বহুলপ্রচলিত কিন্তু TQM tools হলো-

Focus Field Analysis, Brainstorming and Affinity Diagrams, Tree Diagrams, Scatter Diagram, Relationship Diagram ইত্যাদি

মিস্ মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর সাহেবকে সব বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে দিলেন এবং এগুলো সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের কৌশলগুলোও সেয়ার করলেন।

মিস্টার মাহতাব এখন অনেকটা নিশ্চিন্ত এবং আত্নবিশ্বাসীযে তিনি এখন তার কোম্পানির পরিস্থিতি অনেক সহজ ভাবেই সামাল দিতে পারবেন।

-Moriom Binta Azad Bijoyee
কোয়ারান্টাইন vs নিজের দক্ষতা উন্নয়ন …(প্রথম পর্ব)

1

দীর্ঘসূত্রীতা বা গড়িমসি থেকে মুক্তি পেতে চাও?

আমি গত কয়েক দিন ধরে একটা কাজ করবো বলে ভাবছি।কিন্তু কাজটা কোনোভাবে করাই হচ্ছেনা।কী এক যন্ত্রনা! শেষে খাতা-

কলম নিয়ে বসে পড়লাম।মাথায় কিছু আইডিয়া আসছে।কীভাবে এই গড়িমসি ভাবটা দূর করা যায় খাতায় লিখে ফেললাম সেগুলো।

আমার আইডিয়াগুলো ছিলো-

১.যে কাজটা করছি সেটাকে বিশ্লেষণ করবো।আগে বুঝতে হবে কাজটা আমি কেন করছি,কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে করছি আর আমার জীবনে এর প্রভাব কী। যেমনঃ আমি পড়ছি কারণ আমি বড় একটা চাকরি পেতে চাই।এক চাকরি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে।

২.খেয়াল করবো যে কাজে গড়িমসি করছি তা আমার জীবন আর সন্তুষ্টির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?সেটার প্রতি কি আমার

আবেগ জড়িত?

সেটাকে কি সত্যিই আমি মনেপ্রাণে চাই?

সেটা কি আমার মূল্যবোধের সাথে যায়?

এই বড় চাকরি এই সবগুলো প্রশ্নেরই পজিটিভ উত্তর দেয়।তাই বড় চাকরি পেতে আমি পড়াশোনা করছি।

৩. আমাকে মাঝমধ্যেই বিমর্ষতা আর অনাগ্রহীতা ঘিরে ধরে।সেক্ষেত্রে আমি তা দূর করার জন্যে যা যা লাগে সব করবো।

যেমনঃব্যায়াম,ঘুম বা শখের কাজ করবো তাতে আমার মন ভালো হবে আর সঙ্গে সঙ্গেই কাজের কাজটা করা শুরু করে দেবো।

৪.অপ্রয়োজনীয় ও মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসগুলো দূরে রাখবো।যেমনঃ মোবাইল। আর যা পড়ছি তার বাইরে চোখের সামনে আর কোনো বই রাখবো না।

৫.যে কাজ বা পড়া করবো তার একটা সামগ্রিক আউটলাইন তৈরি করবো।সিলেবাস যাকে বলে। আর পড়তে বসে আগামী ৩-৪ ঘন্টায় কী কী পড়বো তার একটা তালিকা করবো।

৬.টু-ডু লিস্ট তৈরী করবো এবং এই লিস্টকে ৩ টা করে কাজে ভাগ করে নেব।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ টা কাজ সবার আগে,তারপর পরের ৩ টা এভাবে রাখুন। ৭.প্রোমোডোমো কৌশলে কাজ করবো।এ কৌশলে একটানা ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট রেস্ট আবার ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট বিশ্রাম নেবো।তাতে মনোযোগও থাকবে আবার কাজের মানও বাড়বে।

আর কোনো কাজ শেষ করতে পারলে নিজকে পুরস্কৃত করবো আমার প্রিয় খাবার চকোলেট দিয়ে।

৮.গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি অনুসরণ করবো।এ পদ্ধতিতে একটা কাজ পুরোপুরি শেষ না করে অন্য কাজ করা নিষেধ। এই পদ্ধতি মনোযোগ বাড়ায়।

৯. সব কাজে পারফেক্ট হওয়ার চিন্তা করবোনা।কারণ এটা অতিরিক্ত চাপের সৃস্টি করে। আর কাজে অনীহা আর ভীতির সৃস্টিকরে।

১০. কাউকে আমার উপর নজর রাখতে বলবো।এটা খুবই কার্যকরী একটা পদ্ধতি।কারণ অনেক সময় আমার কাজ করতে ইচ্ছা

করবেনা।এক্ষেত্রে কেউ আমার কাজে নজর রাখলে জোর করে হলেও কাজটা আমাকে করতে হবে।

১১.নিজকে অতীতের জন্যে ক্ষমা করে দেবো।কারণ আমার অতীত আমাকে দুঃখ দেবে আর তা নতুন উদ্যম সৃস্টির অন্তরায়।

১২. দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে সময় ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দেবো। একটা বেঁধে দেওয়া সময়ের পর ঐ কাজটা আর করবো না।

১৩. আউটসাইড দ্যা বক্সে চিন্তা করবো।আত্মবিশ্বাস থাকলে কাজ অনেক দ্রুত করা যায়।তাই সবকিছুতে জেতার মানসিকতা

তৈরি করতে হবে।

এভাবে ৩ সপ্তাহ কাজ করার পর দেখা গেলো আমার আর প্রক্রাস্টিনেশনের সমস্যা হচ্ছেনা।তাই শেয়ার করে ফেললাম আপনাদেরসাথে। আপনারাও কিন্তু এগুলো জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন।পজিটিভ রেজাল্ট পাবেন;সে গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি। শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি,

Being A Thought Leader.

The only way to do that is to bring new ideas and thought leadership to the organization. One of my favorite ways to do this is a concept called “finding the bright spots” from the book by Chip and Dan Heath. The idea is to take big problems and solve them with small solutions. If Learning and Development can identify big organizations problems and look for individuals or solving or achieving them, there is an opportunity to be a thought leader and bring these small bright spots to the masses.
Being An Innovator. Innovation and thought leadership go hand in hand. If you are looking for bright spots and bringing new ideas to the organization, you will then have the ability to introduce innovation that aligns with learner demand. Things such as learning platforms, social learning, microlearning, etc.: There has never been a time in my lifetime with more innovative ideas happening around learning.
Flawless Execution. One simple way to do the opposite of being valuable is taking months, if not years, to bring new programs or new technology to bear. I hear it all too often; “Training isn’t relevant” or “That would have been useful last month”. Being able to identify and execute on a learning opportunity in a timely manner is vital if you want to make Learning and Development the center of your organization. Speed, speed, speed! It’s time to get programs and technology to 80% and perfect it over time. Trying to be perfect prior to an initial roll-out will cause paralysis by analysis and ultimately will drag out timelines and effectiveness.
The world around us is causing your Learning and Development department to be more important than ever. You don’t have to sell anyone on it, but you do have to have the vision and ability to execute it. Make these 3 elements a core part of your daily work life and you will make your Learning and Development department more valuable.

-Mohaiminul Sadat

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ১

এবার আমাদের সামনে নিজের সম্পর্কে বলবেন মি. শুভ।(হাততালি)।সবাই তো হাততালি দিচ্ছে কিন্তু আপনার তো ভেতরে ভেতরে বারোটা বেজে যাচ্ছে।এখন আপনাকে অনেকগুলো লোকের সামনে কথা বলতে হবে।আপনি নিশ্চয়ই জানেন এটাকেই পাবলিক স্পিকিং বলে।দশজন লোকের সামনে তাদের মন মানসিকতা বুঝে তাদের সাথে কথা বলাই পাবলিক স্পিকিং।
মি. শুভ কথা বলতে পারলো না।আমতা-আমতা করতেই করতেই তার সময় শেষ। বাসায় ফিরে সে ভাবলো “আজ থেকে যে করেই হোক পাবলিক স্পিকিংটা শিখেই ছাড়বো”!বিকেলে আসলো আমার কাছে।
পাবলিক স্পিকিংয়ে পারদর্শী হতে হলে কয়েকটা কথা মনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে আওড়াতে হবে।সেগুলো হলোঃ
১.সবাই আমাকে শুনছে,আমাকে ভয় পেলে চলবে না।
২.আমিই এই স্টেজের রাজা।এখানে আমার কথামতো সব হবে।আর রাজারা ভয় পায় না।
৩.আমার প্রস্তুতি আছে কিনা তা দর্শকেরা জানেনা।তাদের একথা বলবো না বরং তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করবো।
৪.দর্শককে আমার সাথে যুক্ত করবো,তাকে কাজে লাগাবো,প্রশ্ন করবো,তাতে আমার কাজ সহজ হয়ে যাবে।
৫.আমার পা কাঁপতে পারে,হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে কিন্তু আমি তা কাউকে বুঝতে দেবোনা।
শুভ মাথা নাড়লো,মানে সে বুঝেছে।সে পাল্টা প্রশ্ন করলো ” আচ্ছা,পাবলিক স্পিকিংটা শুরু করতে আমার ঝামেলা লেগে যায়,কি থেকে কি বলবো জট পাকিয়ে যায়। কি করা যায় বলতো?
অহ আচ্ছা,এই কথা।শোন তাহলে-
বক্তব্য শুরু করার অনেক চমৎকার চমৎকার পদ্ধতি আছে।আর প্রথম ত্রিশ সেকেন্ড কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারণ এই সময়ের মধ্যেই দর্শক সিদ্ধান্ত নেবে বাকি সময়টা সে তোর কথা শুনবে কিনা।তাই শুরুটা করতে হবে যতোটা পারা যায় চমৎকারভাবে।
সেটা কিরকম,শুভর চোখে কৌতুহল।
আচ্ছা শোন,সব স্পিচের খুব সাধারণ শুরু হলো নিজের পরিচয় বলে শুরু করা।এক্ষেত্রে তুই অন্যকিছু দিয়ে শুরু করতে পারিস।আচ্ছা,তোর গ্রামের বাড়ি যেনো কোথায়?
-বাগেরহাট
আচ্ছা,ধর তুই স্টেজে উঠেই প্রশ্ন করলি,”আপনারা বলেন তো ষাট গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত””?
সবাই বলবে “বাগেরহাট”।তখনই তুই বলবি আচ্ছা,আপনারা জানেন ষাট গম্বুজ মসজিদের আসলে গম্বুজ কিন্তু একাশিটা।আমি বাগেরহাট নিয়ে এতো কথা কেন বললাম জানেন?কারণ আমার বাড়ি বাগেরহাট।
এই যে দেখ এই স্টার্টিং কি সাধারণ শুরুর চেয়ে মজার না?
আবার ধর তুই শুরু করলি একটা মজার কথা দিয়ে।এভাবে ”আপনারা জানেন কি, পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ মানুষ পাবলিক স্পিকিংকে ভয় পায়-আমি ছাড়া!আমি মি.শুভ…..
অথবা,এভাবে….একটা মানুষ পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল ও চিন্তাভাবনা করে কাজ করে।সে সবসময় স্বপ্ন দেখে ভালো মানুষ হবার।যে মানুষটার কথা বলছিলাম সে হচ্ছে আমি নিজে,শুভ…..
এভাবে কোনো প্রশ্ন,ফ্যাক্ট বা তথ্য কিংবা মজার কিছু দিয়ে শুরু করতে পারলে সবাই তোর প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠবে।
আর এক্ষেত্রে এবিসিডি মেথড মনে রাখতে পারিস।
A-Attention
B-Benefit
C-credibility
D-direction
আর কি করা যায় পাবলিক স্পিকিংয়ের শুরুতে?
আচ্ছা,শোন,তুই যদি শুরুতেই সবার মধ্যে একটা ভাইবস আনতে পারিস তাহলে তোর কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।এক্ষেত্রে তুই কোরাস/স্লোগান দিয়ে শুরু করতে পারিস যেটা সবাইকে উজ্জীবিত করবে।যেমনঃ
“আমরা সবাই একসাথে
জেগে উঠবো একনিমিষে”।
কিন্তু একটা কথা।প্রোগ্রামের দর্শক কারা সে বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে আর কথা বলার কন্টেন্ট আগে থেকে গুছিয়ে রাখা ভালো।
দর্শকদের এনগেজমেন্ট ধরে রাখবো কিভাবে?
-সে কথা পরের পর্বে বলব।সেই পর্যন্ত এভাবেই প্র‍্যাকটিস করতে থাক।
-ধন্যবাদ বন্ধু
-শুভকামনা

-Mahtab Abdullah Monjur

15

International business: Cover in Ins

International business is a vast term in today’s world. The basis of change and connect the world is international trade or business. It has so many perspective values. International business is important in economical, geopolitical, social perspectives.
International business:
International business refers to the trade of goods, services, technology, capital and/or knowledge across national borders and at a global or transnational scale. It involves cross-border transactions of goods and services between two or more countries. Transactions of economic resources include capital, skills, and people for the purpose of the international production of physical goods and services such as finance, banking, insurance, and construction. International business is also known as “globalization”.
“International business” is also defined as the study of the internationalization process of multinational enterprises. A multinational enterprise (MNE) is a company that has a worldwide approach to markets, production and/or operations in several countries.
Factors:
Multinational enterprises range from any kind of business activity or market, from consumer goods to machinery manufacture. To conduct business overseas, companies should be aware of all the factors that might affect any business activities, including: difference in legal systems, political systems, economic policy, language, accounting standards, labor standards, living standards, environmental standards, local cultures, corporate cultures, foreign-exchange markets, tariffs, import and export regulations, trade agreements, climate, and education. Each of these factors may require changes in how companies operate from one country to another. Each factor makes a difference and a connection.
Operations:
All firms that want to go international have one goal in common; the desire to increase their respective economic values when engaging in international trade transactions. To accomplish this goal, each firm must develop its individual strategy and approach to maximize value, lower costs, and increase profits. A firm’s value creation is the difference between V (the value of the product being sold) and C (the cost of production per each product sold).
Once a firm decides to enter a foreign market, it must decide on a mode of entry. There are six different modes to enter a foreign market. The firm must decide which mode is most appropriately aligned with the company’s goals and objectives. The six different modes of entry are exporting, turnkey projects, licensing, franchising, establishing joint ventures with a host-country firm, or setting up a new wholly owned subsidiary in the host country.
Types of operations:
There are two types of operations. They are-

  1. Export: An export in international trade is a good or service produced in one country that is sold into another country. The seller of such goods and services is an exporter; the foreign buyer is an importer.
  2. Import: An import is a good or service produced in one country that is bought by another country. In international trade, the importation and exportation of goods are limited by import quotas and mandates from the customs authority.
    Merchandise export-import: Merchandise export-import means to export or import physical goods and products. No service is included in merchandise exports-imports.
    Service export-import: Service export-import means to export or import goods and products with service. The majority of the companies create a product that requires services such as installation, repairs, and troubleshooting.

Md. Jawad Uddin
Content Writing Team

14

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্নওয়ার্ডপ্রেসঃকি ও কেন???
বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেকোনো তথ্য পেতেই আমরা সে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারি। ওয়েবসাইট বলতে বোঝায় ডোমেইন এর মাধ্যমে দর্শন যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। আর বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৩৫% ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি।নেটক্র্যাফটের জরিপমতে সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪৫৫ মিলিয়ন।সেলফহোস্ট করা ওয়েবসাইটের ২০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করছে। ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেস শুরুর দিকে বিনা মূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, যা পরবর্তী সময়ে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনা মূল্যে তা ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কোনো ধরনের পিএইচপি, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি সম্ভব।সহজভাবে বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS)ওয়েবসাইটে ছবি,লেখা,যাবতীয় তথ্য দেখায় সবই কনটেন্ট। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়।
ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭ শে মে সর্বপ্রথম ওয়ার্ডপ্রেস প্রকাশ করেন।সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৫.৩ সাত মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে।এ সংস্করণটি বাংলা সহ ৫২ টি ভাষায় লেখা যায়।এতে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায় দেখে বর্তমানে ১২০ টির ও বেশি ভাষাভাষীর মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।
ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে দুই ধরনের সেবা প্রদান করে।
১।হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.com )
২।সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.org)
wordpress.com ফ্রি সাবডোমেইন,নির্দিষ্ট কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম,প্রায় ২ জিবির মতো হোস্টিং সুবিধা পাওয়া যায়।এতে খোলা ওয়েবসাইট বা ব্লগের ঠিকানা হয় www.####.wordpress.com ফরম্যাটে। wordpress.org এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়।এভাবে তৈরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হয় www.#####.com ফরম্যাটে।
সারা পৃথিবীতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।কোডিং দক্ষতা ছাড়াই এতে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।বর্তমানে কোনো ব্র্যান্ড বা প্রচারের জন্য ওয়েবসাইট খুবই কার্যকরী মাধ্যম। এসইওবান্ধব হওয়াতে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বেশিরভাগ ওয়েবডেভ্লেপআর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
12

একজন স্টিফেন হকিং ও তার বিখ্যাত কিছু উক্তি-

স্টিফেন হকিং বিশ্বের সেরা পদার্থবিজ্ঞানীদের একজন। বলা যায় কালোজয়ী বিজ্ঞানী। ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও এই পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন অনেক কিছু। জীবনের ২১ বছরে “মোটর নিউরন” নামক এক জটিল রোগে যখন তার জীবন খুব সন্ধিক্ষণে তখন চিকিৎসক বলেছিলেন, মাত্র ২ বছর তিনি বাঁচবেন। অথচ চিকিৎসকদের ভবিষ্যতবাণীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে,সারা বিশ্বকে অবাক করে ৫৫ বছর পৃথিবীর আলো বাতাস উপভোগ করেছেন তিনি। হয়তো স্বাভাবিক চলাফেরার শক্তি তার ছিল না,তবে ছিল প্রচন্ড মানসিক শক্তি আর যার জোরে তিনি এতটা বছর লড়াই করেছিলেন সেই রোগটির সাথে। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বাকি জীবন কাটে হুইল চেয়ারে বসে,কথা বলেছেন যন্ত্রের সহায়তায় কম্পিউটার স্পিক সিন্থসাই জার অবস্থায়। মনের অফুরন্ত শক্তির জোরে নিজের গবেষণা কাজ চালিয়ে গেছেন আর বাকি সকল বিজ্ঞানীদের মতই। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে একবার তিনি বলেছিলেন, আমার কোন রোগ আছে তা আমি কখনও ভাবি না। চেষ্টা করি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে। আমার কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কোন কিছুকে আমি কখনও পাত্তাই দেই না।আমার যখন ২১ বছর বয়স তখনই আমার প্রত্যাশার সমাপ্তি। বাকি সবকিছুই আমার জন্য বোনাসস্বরূপ। যারা বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গৌরব করেন তারাই জীবনে হেরে গেছেন। গত ৪৯ বছর আমার মৃত্যু নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলেছে। তাই আমি আর মরতে ভয় অয়াই না। তবে এখনই মরতে চাই না। এখনও অনেক কাজ বাকি আমার।

১৯৯৮ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত বই “A Brief History of Time : From the Big Bang to Black Holes” এ তিনি কিছু বিখ্যাত কথা বলে গেছেন-

১. জীবন এমন এক শক্তি যা আপনাকে পরিবর্তন করতে শেখায়

২. আপনার শারীরিক বাধা কখনও ভাল কাজে আপনার বাধা হতে পারে না।শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য কখনও অনুতাপ করবেন না।

৩. মানুষ কথা বলেই সব থেকে বেশি সাফল্য অর্জন করে। তবে মানুষের ব্যর্থতার কারণও এই আলাপ-চারিতা।তাই কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়া উচিত

৪. ক্রোধ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। তাই সফল হতে হলে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী বা নির্মুল করতে হবে।

৫. যদি আপনি সব সময় রাগান্বিত থাকেন এবং অভিযোগ করতে থাকেন, কেউ আপনার জন্য নিজের মূল্যবান সময়টুকু দিতে চাইবে না।

লিখাঃ
এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

9

মাইক্রোসফট এক্সেলঃ কিছু কথা

বর্তমান অটোমেশনের যুগে আমাদের প্রায় সবারই মাইক্রোসফট এক্সেলের ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। মাইক্রোসফট এক্সেলে দক্ষতা এখন আর কোনো বিশেষ স্কিল হিসেবে বিবেচনা না করে ব্যাসিক স্কিল হিসেবে আয়ত্বে আনার সময় চলে এসেছে।

আভিধানিক ভাবে এক্সেল শব্দের অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া।মাইক্রোসফট এর এ স্প্রেডশীট প্রোগ্রামটি একই সাথে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে নামকরণের যথার্থতার প্রমাণ দিয়েছে।এ প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল হিসাব নিকাশ,তথ্য ব্যবস্থাপনা, চার্ট-গ্রাফের মাধ্যমে আকর্ষণীয়রূপে তথ্যের উপস্থাপনাসহ দ্রুতসময়ে নানা কাজ করা যায়।
মাইক্রোসফট এক্সেল ১৯৮৭ সালে প্রাথমিক সংস্করণের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৩ সালে পঞ্চম সংস্করণ তৎকালীন লোটাস সফটওয়ারের লোটাস১-২-৩ প্রোগ্রামকে টপকে শীর্ষে জায়গা করে নেয়।শুরুর দিকে ম্যাকওএস ও উইন্ডোজভিত্তিক এপ্লিকেশন হিসেবে থাকলেও বর্তমানে এক্সেলের মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ও এন্ড্রয়েড সংস্করণ রয়েছে।

কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত এক্সেলের উইন্ডোতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে ‘স্প্রেডশীট এনালাইসিস প্রোগ্রাম’ বলা হয়।অন্যসব স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে সাথে বিভিন্ন পরিসংখ্যানিক, প্রকৌশলগত এবং অর্থায়ন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য এক্সেলের নিজস্ব ফাংশন রয়েছে। এক্সেলই প্রথম স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম,যাতে ব্যবহারকারীরা চাইলেই স্প্রেডশিটের ফন্ট, ক্যারেক্টার অ্যাট্রিবিউট, সেলের রঙসহ বিভিন্ন কিছু পরিবর্তন করতে পারে।চার্ট,হিস্ট্রোগ্রাম,গ্রাফের মাধ্যমে তথ্যের উপস্থাপনের জন্য এতে বিভিন্ন টুলস ও রয়েছে।এক্সেলের নিজস্ব প্রোগ্রামিং ভাষা “ভিজুয়াল বেসিক ফর অ্যাপলিকেশন” ব্যবহার করে সাধারণভাবে করতে কঠিন কাজও সহজেই করা যায়।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সরল-জটিল হিসাব,বেতনবিল,স্যালারি শীট,রেজাল্ট শীট, আয়কর হিসাব তৈরি করা বা চার্ট গ্রাফের মধ্যে পরিসংখ্যান করা কিংবা এসব ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার যাবতীয় কাজ এক্সেলের মাধ্যমে করা যায়।পড়াশোনা,চাকরি ব্যবসা সকলক্ষেত্রেই এক্সেলের ব্যবহার প্রয়োজন বিধায় আমাদের সবারই ধৈর্য ধরে এক্সেলে দক্ষতা অর্জন করা উচিত। এক্সেল খুবই সহজ এপ্লিকেশ হওয়ায় এটি শিখতে বিশেষ কোনো দক্ষতার প্রয়োজন নেই।কিন্তু এটি অনেক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হওয়ায় কাজ করে অনুশীলনের মাধ্যমে শিখতে হবে।

-ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সকিউটিভ,
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম