78

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ
প্রথমবার শুনলে মনে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আবার নেটওয়ার্কিং লাগবে কেন?প্রথমবার শুনলে এটাকে সময় নষ্টই মনে হবে। কিন্তু আজকের এ বিশ্বায়নের যুগে নেটওয়ার্কিয়ের কোনো বিকল্প নেই।বলা হয়,”আজকের সময়ে একজন ছাত্র দিনের অর্ধেক সময় পড়াশোনা করবে আর অর্ধেক সময় নেটওয়ার্কিং করবে”।আসুন এর সত্যতা যাচাই করি।
আজকের যুগের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সমাজসেবামূলক ভলান্টারি কাজ করা ম্যান্ডেটরি হয়ে গেছে।বিভিন্ন কাজের খাতিরে অনেক জায়গায় যেতে হয়,অনেক রকম কাজ করতে হয়। এসব কাজে পূর্ব-পরিচিত লোক থাকলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
ভলান্টারি কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারলে বড় বড় মানুষজনের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে।তাতে ভবিষ্যতে নানা ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।ইন্টারনির সুযোগও পাওয়া যায় চেনা-জানা থাকলে।মজার বিষয় হচ্ছে নেটওয়ার্কিং ভালো থাকলে অনেক সময় ইন্টারভিউ বোর্ডেও খুব পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়ে যায়। তাতে ভীতি কেটে যায় এবং জব পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে প্রফেশনাল ওয়ার্ল্ডে আগে থেকেই কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায় আর অভিজ্ঞতাও অর্জন করা যায়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের জীবনে একজন গাইড বা মেন্টর থাকা খুব জরুরি। নেটওয়ার্কিং করলে পছন্দমতো মেন্টর পাওয়া এবং তার কাছ থেকে সব ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়। এসব পরামর্শ জীবনে অনেক বেশি কাজে দেয় এবং ভুল পথে এগোনো থেকে রক্ষা করে।
নেটওয়ার্কিং শক্ত থাকলে এবং কমিউনিকেশন কন্টিনিউ করলে প্রত্যক্ষভাবে অনেক কাজের সুযোগ পাওয়া যায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জব পেতে প্রসিডিওর ও ফলো করার দরকার পড়েনা।
এছাড়া নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে একজন হয়ে আরেকজন এই চেইনে নতুন নতুন মুখের সাথে পরিচিতি ঘটে যা জীবনের অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
নেটওয়ার্কিংয়ে ভাব এবং ধারণার বিনিময় হয়।তাতে অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি মানুষের মনস্তত্ব বোঝা যায়।এটি কমিউনিকেশন স্কিল কে সরাসরি ব্রাশ-আপ করে।পেশাজীবনে এগুলো খুবই দরকার।
তাছাড়া এর মাধ্যমে আগ্রহের জায়গা এবং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে জানা যায় এবং ঐ ক্ষেত্রগুলোতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।
নেটওয়ার্কিং উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি করে যার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় যা ব্যবসায় কে গতিশীল করে।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হলে ব্যবসায়ে গ্রাহক এবং বিক্রয় একক সহজেই বাড়ানো যায়।
সেল্ফ ব্রান্ডিং করা অনেক সহজ হয়ে যায় যাতে আপনি সহজেই বড় জায়গায় রিচ করতে পারেন। নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে আপনার কোনো ভালো কাজ সহজেই বড় বড় মানুষের দৃস্টি আকর্ষণ করবে।একটা শক্তির নেটওয়ার্ক আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার চয়েসে এবং গঠনে সব দিক থেকে হেল্প করবে।
সর্বোপরি নেটওয়ার্কিং আপনার জন্য এমন এক সার্কেল তৈরি করবে যার সাহায্য নিয়ে আপনি অনেক বড় কাজও দ্রুততম সময়ে সুন্দরভাবে করে ফেলতে পারবেন।এছাড়া ক্যারিয়ারের বিষয়গুলো তো আছেই।তাই,শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এক চমৎকার পন্থা যা দিয়ে সে পৌছতে পারবে উন্নতির চরম শিখরে।
নেটওয়ার্কিয়ের পদ্ধতি আরেকদিন আলোচনা করব ইংশা আল্লাহ।সে পর্যন্ত ভালো থেকো সবাই।
-Mahtab Abdullah Monjur

Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (1)

Want to be successful?

Are you motivated enough to achieve something?
There are some certain factors to motivate yourselves.

1) Surround yourself with positivity-
If you stay positive you can certainly achieve whatever you want. By getting your mind in the right mindset it becomes very easy for you to choose the appropriate. We live in such a society where very few people will be
appreciating you rather than criticising you. You will be a winner if you can take all the criticisms in a positive way to motivate yourself to be a better version of you.

2) Celebrate every small achievement of yours-
Appreciation for any kind of work or achievement is a must to be motivated, and that should be self appreciation. Celebrating your small achievements will help you stay motivated through your journey. Otherwise the long trip towards something big will be very tiring for you. Big goals don’t get achieved right away. Instead, you need to create mini goals to help excite you along the way. This way you can be more goal-orientated and build a habit of being more effective.

3) Be with motivated people –
You need to be around those people who are just ambitious as you. Those ambitious people will help you to grow. If you’re surrounded by ones who tell you that your goals are stupid and tell you to change them, you need to avoid them or avoid taking advice from them. The person who is motivated to achieve something in life will also include you in his/her journey of achievement and motivate you.

wordpress.org login wordpress tutorial theme free download wordpress themes for business wordpress themes zip download best wordpress blog sites news wordpress sites wordpress tutorial is wordpress free wordpress vs wix wordpress pricing wardprees wordpress company what is wordpress used for wordpress wiki is wordpress software easy to use wordpress blogs is wordpress easy to learn what is wordpress hosting what operating system does wordpress run on themeforest it company theme wordpress professional business theme company portfolio themeforest themeforest wordpress professional website themes wordpress for dummies pdf wordpress tutorial pdf 2020 how to use wordpress youtube wordpress website examples wpbeginner free blog setup free wordpress setup service divi vs elementor divi theme price divi login divi sale divi child theme

গ্রীন এইচ.আর.এম দু-চার কথাঃ

পর্ব ২
গ্রীন এইচ.আর.এম এর ফাংশন গুলো কি কি হতে পারে? গ্রীন এইচ.আর.এম এর কাজ গুলো এমনভাবে নির্ধারণ করা হয় যেন তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। যেমন —
গ্রীন রিক্রুটমেন্টঃ আমরা সবাই জানি কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্টের একটি মূখ্য কাজ থাকে যোগ্য ও দক্ষ কর্মী নিয়োগ। এক্ষেত্রে গ্রীন রিক্রুটমেন্ট প্রসেসের অধীনে এইচ.আর. গণ এমন কর্মী নিয়োগের চেষ্টা করেন যারা যোগ্য এবং দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ব্যাপারেও সচেতন।অর্থাৎ যারা রিসাইকেলিং, এনার্জি কমভার্জান ইত্যাদি বিষয়গুলোর সাথে ইতিমধ্যে পরিচিত।
বিশ্বের বেশ কিছু কোম্পানি আছে যেমন-সিমেনস,
বি.এ.এস.এফ. পরিবেশ বান্ধব কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেদের একটা ভালো ইমেজ তৈরি করেছে এবং যা উচ্চ মানসম্পন্ন কর্মীদের আকর্ষণ করে।

গ্রীন পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্টঃ একটা নির্দিষ্ট সময় পর কর্মীদের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হয় যতে কর্মীদের পেশাদারী দক্ষতা এবং লক্ষ্য অর্জনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কর্মীদের কার্যক্রম মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কতটুকু ভূমিকা পালন করলো, কি কি কর্ম পদক্ষেপ গ্রহণ করলো এবং বাস্তবায়ন করলো সেটা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
গ্রীন ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টঃ প্রতিটি কোম্পানিই তার কর্মী উন্নয়নের জন্য কিছু ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করে থাকে। গ্রীন ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টের অধীনে কর্মীদের নিজস্ব কর্ম সম্বন্ধীয় ট্রেনিং এর পাশাপাশি, পরিবেশ সম্বন্ধীয় জ্ঞান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ বান্ধব মানসিকতা তৈরিরও ট্রেনিং দেয়া হয়। যেমন- পণ্যের অপব্যয় কমানো, অযথা শক্তি(বিদ্যুৎ,জ্বালানি ইত্যাদি) ব্যয় না করা, পন্যের পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করা ইত্যাদি। মূলত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ব্যপারে কর্মীদের সচেতন করে তোলার একটা প্রয়াস এটি।
গ্রীন কম্পেনসেশনঃ কর্মীদের অনুপ্রাণিত কারার জন্য এবং কাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য কোম্পানি তাদের কার্যক্রম এর উপর ভিত্তি করে পুরষ্কার এবং সম্মানীর ব্যবস্থা করে থাকে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি অংশ যোগ করা হয় ঐসকল কর্মী জন্য যারা কোম্পানির এবং সর্বোপরি পরিবেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন, ইকো ফ্রেন্ডলি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন তাদের জন্য । এতে করে কোম্পানির সকল কর্মীই পরিবেশের প্রতি একটু বেশি সচেতন হয়।
গ্রীন এমপ্লয়ি রিলেশনঃ কোম্পানির কর্মীদের, কোম্পানির কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহন এবং সমস্যা সমাধানে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ একটি সুষ্ঠ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে। কর্মীদের এই মনোভাব যখন পরিবেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান থাকে তখন তাদের গ্রীন ম্যানেজমেন্ট আরো ভালো হয় এবং কর্মীরা সতর্ক থাকে, তাদের কাজের দ্বারা যেন পরিবেশ যতটা সম্ভব কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
গ্রীন বিল্ডিংঃ কোম্পানির কাঠামো উন্নয়নে এমন দ্রব্যাদি ব্যবহার করতে হবে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং এতে করে কর্মপরিবেশ সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর হবে। আবার কোম্পানিতে সবুজের সমারোহ থাকলে তা কর্মীদের মনকেও পুলকিত করে।
কাগজ বিহীন অফিসঃ আজকাল ই-বিজনেসের ব্যপকতা বাড়ছে, মানুষজন অনেক বেশি অনলাইন বেইজ কাজ করা শুরু করেছেন যার ফলে কাগজ বিহীন অফিস তৈরি হচ্ছে। কাগজ তৈরির জন্য প্রতিবছর ব্যাপক পরিসরে বৃক্ষ নিধন হয়, বন উজাড় হয় যা আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কাগজ বিহীন অফিস পরিচলনার প্রবনতা যখন মানুষের মধ্যে বৃষ্টি পাবে তখন বৃষ্টি নিধন অনেকাংশেই কমে যাবে।
এমনি আরো বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে যেমন প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করে কৃত্রিম শক্তির ব্যবহার কমানো। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের কথা। আবার পন্যের পুনরায় ব্যবহার বৃদ্ধি করা যাতে কাঁচামালের ব্যবহার এবং অপচয় হ্রাস পায় ইত্যাদি।
গ্রীন এইচ.আর. পলিসি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এর অনেক ভালো দিক এবং সুবিধা থাকলেও কোম্পানিতে গ্রীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বজায় রাখা মোটেও সহজ ব্যপার নয়, এক্ষেত্রে যেমন মানুষের মন মানসিকতা একটা বড় ব্যপার ঠিক তেমনি প্রাথমিক পর্যায়ে খরচও অনেক বেশি হয়।
মালেশিয়ায় পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে সাংগঠনিক পর্যায়ে গ্রীন এইচ.আর.এম ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং বক্তিগত পর্যায়েও এটি কর্মীদের কাজের সন্তুষ্টিকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
আপনি নিজেই চিন্তা করুন না আপনি এমপ্লয়ি হিসেবে আপনি আপনার অফিসের পরিবেশ কেমন পছন্দ করবেন?

মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
কন্টেন্ট রাইটিং টিম

7

এওয়ার্ড উইনিং কন্টেন্টঃ প্রথম পর্ব

দীর্ঘসূত্রীতা বা গড়িমসি থেকে মুক্তি পেতে চান?
আমি গত কয়েক দিন ধরে একটা কাজ করবো বলে ভাবছি।কিন্তু কাজটা কোনোভাবে করাই হচ্ছেনা।কী এক যন্ত্রনা!

শেষে খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়লাম।মাথায় কিছু আইডিয়া আসছে।কীভাবে এই গড়িমসি ভাবটা দূর করা যায় খাতায় লিখে ফেললাম সেগুলো।

আমার আইডিয়াগুলো ছিলো-
১.যে কাজটা করছি সেটাকে বিশ্লেষণ করবো।আগে বুঝতে হবে কাজটা আমি কেন করছি,কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে করছি আর আমার জীবনে এর প্রভাব কী।
যেমনঃ আমি পড়ছি কারণ আমি বড় একটা চাকরি পেতে চাই।এক চাকরি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে।

২.খেয়াল করবো যে কাজে গড়িমসি করছি তা আমার জীবন আর সন্তুষ্টির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?সেটার প্রতি কি আমার আবেগ জড়িত?
সেটাকে কি সত্যিই আমি মনেপ্রাণে চাই?
সেটা কি আমার মূল্যবোধের সাথে যায়?
এই বড় চাকরি এই সবগুলো প্রশ্নেরই পজিটিভ উত্তর দেয়।তাই বড় চাকরি পেতে আমি পড়াশোনা করছি।

৩. আমাকে মাঝমধ্যেই বিমর্ষতা আর অনাগ্রহীতা ঘিরে ধরে।সেক্ষেত্রে আমি তা দূর করার জন্যে যা যা লাগে সব করবো।
যেমনঃব্যায়াম,ঘুম বা শখের কাজ করবো তাতে আমার মন ভালো হবে আর সঙ্গে সঙ্গেই কাজের কাজটা করা শুরু করে দেবো।

৪.অপ্রয়োজনীয় ও মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসগুলো দূরে রাখবো।যেমনঃ মোবাইল।
আর যা পড়ছি তার বাইরে চোখের সামনে আর কোনো বই রাখবো না।

আর এভাবে ৩ সপ্তাহ কাজ করার পর দেখা গেলো আমার আর প্রক্রাস্টিনেশনের সমস্যা হচ্ছেনা।তাই শেয়ার করে ফেললাম আপনাদের সাথে।

শুভকামনা।

মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

11

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ শেষ পর্ব

সকাল হতেই শুভ বাসায় এসে হাজির।

-আচ্ছা,মঞ্চে উঠে আমি কিভাবে নিজকে দর্শকের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারি সেই বিষয়ে একটু বল।জিজ্ঞাসার দৃস্টি শুভর চোখে।

এক কথায় স্টেজে সবসময় পজিটিভ থাকতে হবে।দর্শকদের তোমার প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ভাবতে উৎসাহিত করতে হবে।মাঝেমধ্যে প্রশ্ন করতে হবে।সেন্স অফ হিউমার ব্যবহার করতে হবে।নিজকে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।আই-কন্টাক্ট,বডি ল্যাংগুয়েজ আর ভয়েস টোন পারফেক্ট রাখতে হবে। তোমার বলিষ্ঠ কণ্ঠই সবাইকে উজ্জীবিত করবে।এসো,কিছু উদাহরণ দিই।
কনফিডেন্ট থাকবেন যেভাবেঃ যখন তুমি কথা বলছো তখন নিজকে শিক্ষক আর সবাইকে ছাত্র ভাবো।তাতে তোমার আত্মবিশ্বাস অন্য পর্যায়ে চলে যাবে। অথবা ভাবো তুমি এখন স্টেজে।তুমি প্রস্তুত থাকো আর না থাকো সবাইকে সন্তুষ্ট করতে হবে।তাহলে তোমার মনোবল বাড়বে।

হাউ টু ডেলিভার ইউর স্পিচঃ প্রত্যেকের কথা বলার নিজস্ব ধরন আছে।সে দিক থেকে তুমি একান্ত নিজস্ব একটা স্টাইল তৈরি করতে পারো। কথা বলার আগে স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা আর প্রস্তুতি অবশ্যই থাকতে হবে।আর হ্যা,দর্শকের লেভেল আর পরিস্থিতি বুঝে কথা বলার ক্ষমতাই তোমাকে সবার থেকে আলাদা করে দেবে।

ভয়েস টোনঃ কখন কোন মেসেজ দিতে চাইছো এবং কখন কোন অনুভূতি প্রকাশ করতে চাইছো তার সাথে মিল রেখে কণ্ঠ ওঠানামা করাও।তাতে তোমার কথাগুলো শ্রুতিমধুর হবে।

আই কন্টাক্টঃ অডিটোরিয়ামের চারপাশের দর্শকদের দিকে তাকাও।আর তাতে নার্ভাস লাগলে একেকবার একেকদিকের দেয়ালে তাকাও।তাতেই তোমার আই কন্টাক হয়ে যাবে।

প্রাসঙ্গিকতাঃ তোমার কন্টেন্ট প্রাসঙ্গিক ও সাজানো হলে তা দর্শক অনেকদিন মনে রাখবে।স্পিচ কন্টেন্টের ভেতর সেন্স অফ হিউমার,প্রশ্ন,উক্তি এগুলো রাখলে প্রেজেন্টেশন প্রাণবন্ত হবে।
বডি ল্যাংগুয়েজ : কখনোই আক্রমণাত্বক হওয়া যাবেনা বরং হাতের নাড়াচাড়া প্রাসঙ্গিক হতে হবে।খুব বেশিও না আবার খুব কমও না।জেশ্চার – পশ্চারে পেশাদার আচরণ করতে হবে।
আর যেগুলো ভুলেও করা যাবেনা সেগুলো হলোঃ এক জায়গায় স্থির হয়ে দাড়িয়ে কথা বলা যাবেনা।এটা দর্শককে বিরক্ত করবে। কিছুতেই আত্মপ্রদর্শন(শো-অফ) মূলক কিছু করা যাবেনা। আর শোন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটা অধিকাংশ সময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয় তা হচ্ছে সময় ব্যবস্থাপনা।তোমার জন্যে কতটা সময় বরাদ্দ তা আগেই জেনে নাও এবং চেষ্টা করো তার আগেই শেষ করতে।অন্যথায় তা লেকচারের মতো শোনাবে।

-ঠিক আছে ভাই।আমি বাসায় গিয়ে আজ থেকেই প্র‍্যাকটিস শুরু করবো।ধন্যবাদ দোস্ত।
-তোমাকেও ধন্যবাদ।

হ্যাপি স্পিকিং।
আর হ্যা,সবকিছুর ভেতরেও পাবলিক স্পিকিং এর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখিনি।কি মনে হয়?
কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলুন আপনার ভাবনা!

–মাহতাব আবদুল্লাহ মঞ্জুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

6

নেগেটিভ ইমোশন থেকে পালাতে চান?

ইমোশনাল হলে চলবে না!
কী? লেখাটা দেখে ভড়কে গেলেন?দেখতে হালকা মেজাজের হলেও এই লেখার কিন্তু একটা গূঢ় অর্থ আছে।
ইমোশন দুই প্রকার হয়।মা-বা,ভাই-বোন আত্মিয়-স্বজনদের প্রতি ভালোবাসা,মানুষের উপকার করার ইচ্ছা বা মানুষের পাশে দাড়ানোর ইচ্ছা কিংবা সুন্দর ব্যবহার পজিটিভ ইমোশনের উদাহরণ।
আর হঠাৎ রেগে যাওয়া, হতাশ হওয়া,নিজেকে সামলাতে না পারা নেগেটিভ ইমোশন বা নেতিবাচক আবেগের উদাহরণ। “ইমোশনাল হলে চলবে না” কথাটায় এ ধরনের ইমোশন থেকেই দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নেগেটিভ ইমোশন থেকে আমরা কেন দূরে থাকবো?
কারণ,
১।হঠাৎ রেগে যাওয়ার মতো বিষয়গুলো আমাদের মানসিক শান্তি নষ্ট করে,পারস্পরিক বোঝাপড়া আর সম্পর্ক নষ্ট করে। নিজকে আর নিজের আচরণকে সামলে রাখতে না পারার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।
২।ভয়ের মতো নেগেটিভ ইমোশন গুলো জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট বাঁধার সৃষ্টি করে।এটা হতে পারে কোনো কাজের ক্ষেত্রে ভয় বা কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ভয়।
৩।এছাড়া কারো প্রতি বিরক্তি বা একাকীত্ব আপনাকে মানসিকভাবে চাপে রাখে।তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে আপনি মানসিক ট্রমার সম্মুখীনও হতে পারেন।
এসব কারণে নেগেটিভ ইমোশন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর চর্চা করতে হবে আর যেকোনো অপ্রত্যাশিত বিষয়কে সহজভাবে নেয়ার অভ্যাস করতে হবে।
নেগেটিভ ইমোশনকে দূরে রাখতে আর পজিটিভ ইমোশন চর্চা করতে কিছু ট্রিকসও প্রয়োগ করতে পারেন।সেক্ষেত্রে রুশদিনা খানের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বইটি বেশ কার্যকর হবে।
শুভকামনা।
জীবন সুন্দর হোক।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

WhatsApp Image 2020-07-24 at 1.36.43 PM

***রুশদিনা খানের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বই অনুসরণে ***

Why do you need LICENSE in order to start a BUSINESS?
To know more, first we need to learn what is the term meant by Business License.Businesses are required to apply for a business license because it provides a way for the government to keep track of enterprises operating in the area and keep track of tax revenue. When you operate a business without the proper licenses, you risk heavy fines.
When you’re caught up in the excitement of starting a new business, it’s easy to ignore the need for licenses and permits.
However, licenses and permits are mandatory, and before you can legally begin to operate your business, you need to have all of them in place.
Additionally, if your business has employees or sells taxable goods or services, you need to register with the taxing authorities. Requirements vary by industry and depend on how and where you conduct business.
Now, if you don’t own a licence what will be happened then? An example can answer you. Suppose you own a reputed company. People have so many good wishes for the company. Your products are obe of the most demanding items in the market. You are quite hard to be defeated by your competitors. Now, someone, for any personal welfare, took your institution’s name as you don’t have licence. Then s/he has started imitating your products and supply in the market by your company’s name. If that person makes any fake thing that harm the customers, you’ll go down. Because public is thinking you to be the culprit. Slightly, you’ll be thrown out of the market.
Licences are so important in business lines that it’s become mandatory now before you get started. It’s because, these legal papers ensure your and your company’s, and you products’ security. And its all about securing your business from every legal punishments.

Metaphor of business solution support coaching insurance innovation and another helping business themes. Wide banner composition with bokeh background.

How can a leader be balanced!

Being a balanced leader means that you are presenting yourself to your team in a consistent manner. There are two key components to this approach.
The first is taking the time to care personally about your team.
The second is to learn how to challenge them directly towards the organisational aim.
By finding the right balance and implementing these two concepts, leaders will find that they’re in a position to get the most out of their teams.
Let’s dig through an example. Suppose, you are a CEO of your company, let’s call it company A. You are owning a progressive thought in handling your company. Now, it’s been a matter, as it’s the second decade of twenty-first century, you need to co-operate with your managers and non-managers too. How can I co-operate with them? There are many ways to go and make them feel good. For example, I can promote my institution towards new changes. As such the team will become modernized. Then, I can help them to get away with the trendy sufferings. It may also help them to be more influenced. And it’ll result a stronger bonding in the whole team.

4

করোনায় যোগাযোগ মাধ্যমঃ অনলাইন প্রেক্ষিত

করোনার এই সময়টা সবার জন্যেই বিরক্তিকর।হোম কোয়ারেন্টিনের গৃহবন্দী অবস্থা আর কয়দিনই বা ভালো লাগে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছেনা খুব তাড়াতাড়ি পরিস্থিতির উন্নতি হবে।আর এদিকে অফিস-আদালত সব বন্ধ।খুব বেশিদিন বন্ধ রাখলে তো সমস্যা।তাহলে উপায়?
এই সময়ে অফিসে যেতে না পারলে,জরুরি মিটিং উপস্থিত থাকতে না পারলে কিংবা কারো সাথে সশরীরে দেখা করতে না পারলেও খুব একটা সমস্যা নেই। প্রযুক্তি এই সমস্যাটাকে সমাধান করেছে খুব সুন্দর ও সাশ্রয়ীভাবে।
এক্ষেত্রে বেশ কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের মাধ্যমে যখন খুশি তখন অনেক মানুষেকে নিয়ে একসাথে মিটিং ও যোগাযোগ করা যায়।তাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজও ঠিক থাকে আবার উৎপাদনশীলতাও কমেনা খুব একটা। নিচে পরিচয় করিয়ে দেবো তেমনই কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের সাথে
*Gotomeeting: পেশাদার ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট বলতে যা বোঝায় এটা তেমনই।এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানে মিটিং করতে কোনো পিন বা কোড লাগেনা।সরাসরি কলেই যুক্ত হওয়া যায়। এটা এপ হিসেবে ফোনেও ব্যবহার করা যায়।
লিংকঃ https://www.gotomeeting.com/
*Join me : এই সাইটের মজার বিষয় হচ্ছে এখানকার একটা ফিচার ভিডিও বাবলস।এটা ব্যবহার করে আড্ডাকে আরো আনন্দদায়ক করা যায়।
লিংকঃ https://www.join.me/
*Webex : এই সাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও ও অডিও কল করা যায়।এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানকার কলে ফোন নম্বরের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া যায় এবং অপর কাউকেও কলে আমন্ত্রন জানানো যায়।
লিংকঃ https://www.webex.com/
*Skype : স্কাইপি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট।এখানে নিজস্ব ইউয়ারএল এড্রেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।এখানে ক্রপ এবং মিউট করার সুবিধাও আছে। এছাড়া মিটিং রেকর্ড করা,পোল তৈরী করার মতো কাজও করা যায় এখানে।সর্বোচ্চ ২৫০ জন লোক একসাথে মিটিং করতে পারে স্কাইপি তে।
লিংকঃ https://www.skype.com/en/
*Ringcentral :রিংসেন্ট্রাল সাইটের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, বার্তা প্রদান,কোলাবরেশন করা যায়।এ দিক থেকে একে একের ভেতর সব বলা যেতে পারে। এখানে একইসাথে ২০০ মানুষ ট্রেইনিং ও মিটিং করতে পারে।এছাড়া এখানে সব ধরনের ফাইল,এপ শেয়ারও করা যায়।চ্যাট করার সুবিধাও আছে এখানে।
লিংকঃ https://www.ringcentral.com/
*Bluejeans, Lifesize : ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য এই সাইটগুলোও চমৎকার। সহজ ও উচ্চমানের ভিডিও-অডিও ব্যবহার করা যায় এই সাইটগুলোয়।বিশেষ করে ভার্চুয়াল ট্রেনিং বা সেমিনার আয়োজনে এই সাইটগুলোর জুড়ি নেই।
লিংকঃ https://www.bluejeans.com/
https://www.lifesize.com/
*Zoom : জুমে একাধারে ভিডিও-অডিও কনফারেন্সিং ও চ্যাটিং করা যায়।এই সাইটের সেবা খুবই উচ্চমানের।
লিংক: https://zoom.us/
*Visiple : এই ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটটিতে এক ক্লিকেই মিটিংয়ে যোগদান, আমন্ত্রণ সহ অনেক কাজ করা যায়। লিংকঃ https://visiplevc.com/
আপনি যখন-যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন এই সাইটগুলোর মাধ্যমে সেরে ফেলতে পারবেন যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং,ট্রেইনিং বা সেমিনার।ভেন্যুতে না গিয়েই আপনি উপকৃত হতে পারবেন শতভাগ,শুধু দরকার হবে একটা ইন্টারনেট সহ ডিভাইস।ব্যাস! আর দেরি কেন।আপনার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং কিংবা অন্যান্য যোগাযোগ করে ফেলুন আরো সহজে।উপায় তো উপরেই আছে!
শুভকামনা।

-Mahtab Abdullah Monjur
Team Leader
Content Development Team

Presentation slide, Presentation software, Presentation speech, How to start a presentation, Presentation topics, প্রেজেন্টেশন কিভাবে শুরু করতে হয়, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কি, প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে কি বলে, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার এর গুরুত্ব, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডাউনলোড, Prezi, Canva,

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারঃমাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কর্মক্ষেত্রে নিজের ভাবনা, গবেষণা বা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করি।বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত প্রেজেন্টেশন সফটওয়ারের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ।প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করেন। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশনমূলক স্লাইড তৈরি করা যায়।যা পরবর্তীতে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্দায় প্রদর্শন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।


১৯৮৭ সালে ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য Presenter নামক একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম তৈরি করেন।ট্রেডমার্কজনিত কারণে রবার্ট গাস্কিন্স এর পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় Powerpoint. সে বছরেই মাইক্রোসফট এটিকে কিনে নেয়। ১৯৯০ সালের ২২ মে মাইক্রোসফট পাওয়াপয়েন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয়ে ১২ টিরও বেশি সংস্করণ এসেছে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। উইন্ডোজ,এপলের সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্টের এন্ড্রয়েড ভার্সনও বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে চাইলে অফিস 365 থেকে নেওয়া যেতে পারে অথবা মাইক্রোসফট স্টোর থেকে সরাসরি মাইক্রোসফট অফিস স্যুট কিনে ব্যবহার করা যায়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোনো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।স্টাডি অনুসারে প্রতিটি প্রেজেন্টেশন তৈরিতে গড়ে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রির্পোট স্লাইডের মাধ্যমে উপস্থাপন করে অতি সহজে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, কর্মীদের প্রোগ্রেস রিপোর্ট বা কোনো প্রজেক্ট আইডিয়া বোঝানো সম্ভব হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য আকর্ষণীয় স্লাইডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী করা যায়। এ করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকের অনলাইনে ক্লাসের কোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে পারছেন সহজেই।পাওয়ার পয়েন্টের বিশেষত্ব হলো- এর মাধ্যমে টেক্সটের সাথে যে কোন ধরনের চলমান ছবি, শব্দ যুক্ত করা যায়।পরবর্তীতে উক্ত ছবি বা শব্দসমূদ্ধ টেক্সটগুলোকে এনিমেশন আকারে দেখানো যায়।পাওয়ার পয়েন্টে দেড়শর অধিক টেমপ্লেট বা ছাঁচ রয়েছে যার সাহায্যে দৃশ্যগত উপস্থাপনা বা স্লাইড নির্মাণ করা হয়।স্লাইডের উপস্থাপনা সুন্দর করার জন্য এতে থাকা। বহু রঙের প্যালেট ব্যবহার করা যায়।পাওয়ার পয়েন্টে একই সঙ্গে লেখা, সারণি, নকশা ও ছবির ব্যবহার করা যায়।পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন পরিমার্জন,সংশোধন ও সংরক্ষণ করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্টও করা যায়। প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব থেকে সরাসরি যেকোনো ভিডিও ওয়েবসাইট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উপাস্থাপন করা যায় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম