th

রিয়েলিটি টু ইমাজিনেশন

সকলের থেকে একটু সময় চেয়ে নিবো।
ভাবছেন কোন কাজ করাবো আপনাকে দিয়ে?? না না কোন কাজই করাবো না। আমি আসলে সময় চাচ্ছি আপনার জন্যেই। শুনে বেশ অবাক হলেন তাইনা। আসলে অবাক হওয়ার মতো তেমন কিছুই না। আগে বিষয়টা বলি তাহলে বুঝতে পারবেন।

আপনার কাছে সময় চেয়েছি যাতে আপনি নিজেকে নিয়ে একটু ভাবতে পারেন। এই যে কল্পনা বা ইমাজিনেশন এটি কিন্তু মানুষের একটি দারুণ শক্তি। যেকোন কাজের আগে ঐ কাজ টা সম্পর্কে একটু ইমাজিনেশন করবেন এবং সবসময়ের জন্য ইমাজিনেশন করার সময় পজিটিভ চিন্তা করবেন। দেখবেন আপনি যেই কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেটা ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সাফল্যের সাথে শেষ করে বেশ আনন্দিত৷ এটা কেন বললাম? আসলে ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সফল হয়ে ঐ কাজের প্রক্রিয়া একবার রিভাইজ করলেন এবং সফল হওয়ার দরুন নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করলেন। হ্যাঁ! আপনি ঐ কাজটা এভাবে করলেই সফলভাবে করতে পারবেন। তবে অবশ্যই পজিটিভ চিন্তার অধিকারী হতে হবে আপনাকে। আর যদি প্রশ্ন করেন আমি তো কাজ এ ব্যর্থও হতে পারি?? হ্যাঁ, হতেই পারেন!! দুর্ঘটনা কিন্তু বলে আসে না। সাময়িক কোন কাজ এ ব্যর্থ হতেই পারেন। এটা নিয়ে আফসোস করার কিছু নাই। ঐ যে কাজে ব্যার্থ হলেন, ঐ কাজটাকে পুনরায় ইমাজিনেশন করেন!! কি কি করেছিলেন? কি কি ভুল ছিলো??

এর সমাধান আপনি নিজেই! এখন বলবেন নিজেই নিজের ভুলের সমাধান কিভাবে হলাম? আচ্ছা এটাও যৌক্তিক প্রশ্ন। আচ্ছা তাহলে এই প্রশ্নের সমাধান খোজাঁ যাক! আপনি যে কাজটাতে ব্যর্থ হলেন ঐ টা পুনরায় ইমাজিনেশন করেন এবং পয়েন্ট দাড় করান কি কি করলে সফল হতেন এবং কি কি ভুলের কারণে ব্যর্থ হলেন?
এখন নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করুন কেন?? এই প্রশ্নের উত্তরও আপনি নিজেই দিতে পারবেন। কিভাবে? আপনার দুর্বলতা আপনি নিজেই ভালো জানেন!! ঐ দুবর্ল জায়গাটাকে বা ঐ ক্ষত জায়গাটে কতটুকু ভরাট করলে আপনি সফল হবেন সেটা আপনি নিজেই কাজ শেষ এ অনুধাবন করতে পারবেন।

এগুলো কেন বললাম? এক্ষেত্রে আমরা কি করি! আমরা ব্যর্থ হয় বা সফল, সেই বিষয়টা কখনো ভেবেই দেখি না কিভাবে আমরা এটা সম্ভব করলাম বা আমার দ্বারা কেন এটা সম্ভব হলো না। সবসময়ের জন্য আমরা ভেবে থাকি ঐ কাজটা আমার জন্য না। এখানে আমার হয়তো কোন দোষ নাই। অন্যের কোন ভুল বা দোষ এর কারণেই আমাকে পিছিয়ে পরতে হয়েছে। কিন্তু এখানে আমি বলবো অন্য কেউ কি করেছে? কেন করেছে? অন্যের ভুল না ধরে নিজের ভুলটা ধরে নিজেকেই প্রশ্ন করি। আশা করি আরও বেটার এবং ভালো উত্তর পেয়ে যাবো আমরা। আবার এক্ষেত্রে আপনার সেই ইমাজিনেশন শক্তিই কিন্তু সবথেকে ভালো বন্ধু হতে পারে। আবার কোন কিছু না পাওয়া বা কোন ব্যর্থতাই সহজেই ডিপ্রেশন এ পরে যায়। তবে কেন যে সেটা হলো? এটার উত্তর খুজতেঁ ভুলে যায় আমরা।

তবে এমন ভাবে বাস্তবতার সাথে ডিপ্রেশন টা গুলিয়ে ফেলেছি আমরা যে ডিপ্রেশনটা সস্তা হয়ে গেছে। ডিপ্রেশন এর ও যে একসময় অধিক ডিমান্ড ছিলো সেটিও নষ্ট হয়ে গেছে।

শেষ মূহুর্তে পৌছিয়ে সারসংক্ষেপ শেষ করবো কল্পনা এবং বাস্তবতার মিলবন্ধন ঘটিয়ে। নইলে আপনারা আবার উপরের বিষয় গুলোকেই মিথ্যা বানিয়ে দিবেন। কেমন করে এটাই তো মাথায় প্রশ্ন জাগছে? আসলে বাস্তবতার সাথে কল্পনার মিল বন্ধন যদি না রাখেন তবে ভেবে দেখেন তো আপনি তো কাজ না করে ভেবেই বসে থাকবেন কাজ শেষ! বিন্দাস! হয়তো কল্পনাতেই আপণ করে বাস্তবতাকে ভুলে এমন কোন কিছুতে হারিয়ে যাবেন যে যেটা কখনোই ঘটা সম্ভব নয়। যেমন কল্পনায় ভাবলেন মানুষের ৫ পা হয়েছে। মানুষ এখন ৫ পা নিয়ে চলে। তবে এটার কোন যৌক্তিকতা বা বাস্তবতা নাই। তাই বাস্তবতার সাথে কল্পনার কঠোর মিলবন্ধনে যেকোন কিছুকে আকড়ে ধরতে হবে। যদিও বাস্তবতা এবং কল্পনা দুটোই ভিন্নধর্মী বিষয়। তবুও আমি এটার মিলবন্ধন আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।

নিচের ছবিতে আপনি কি ভিন্নকিছু দেখতে পাচ্ছেন? নাকি সবাই মতই জিনিস দেখছেন? আপনার মতামত কি?
১। বেশির ভাগ মানুষ যেটা দেখবে সেটা হল, একটি পচা ফলের সংস্পর্শে অন্য আরও একটি ফল পচে যাচ্ছে। তার অর্থ হল, আপনি খারাপ মানুষের সাথে থাকলে খারাপই হবেন।

২। অথবা, কিছু মানুষ এটা দেখবেন যে, একটি পচা ফলের কিছু অংশ ভালো আছে। আমরা যদি নতুন ফলকে ভালো পাশের অংশে রাখতাম তাহলে আর সেটি নষ্ট হত না। ঠিক এভাবে, সমাজে যেসব খারাপ মানুষ আছে, তাদেরও ভালো দিক আছে। ভালো গুণ আছে। তাদের সাথে মিশলে আমাদের ভালো গুণ গুলো নিতে পারি।
এবার আসি মজার বিষয়ে, প্রায় ৭০% লোক প্রথম ভাগে পরবে। কিন্তু এতে মন খারাপের কিছুই নেই। কেন? আসুন দেখি। ভাবুন, আপনি যেভাবে চিন্তা করেন ৭০ ভাগ মানুষ সেভাবে চিন্তা করে। আপনি যদি কোনো মার্কেটিং strategy পছন্দ করেন তবে ৭০% ভাগ মানুষ সেটা গ্রহণ করবে।

২য় ভাগে পরে প্রায় ১০-১৫ ভাগ লোক। তাদের কোনো কিছু ভিন্নভাবে দেখার ক্ষমতা আসলেই অসাধারণ। তারা একটা কাজ ভিন্নভাবে করতে পারে। তারা নতুন কিছু বানাতেও পছন্দ করে।

এবার আসি বাকি ১৫%-২০% লোক করা যারা এই ৭৫%বা ৮০% এ নেই। এই দুইটি ভাবে দেখা বাদেও যারা ভিন্ন ভাবে দেখবেন তারাই বাকি অংশের অধিকারী। আপনি যদি উপরের ২ ভাগে থেকে আলাদা হয়ে থাকেন তাহলে জানান। আপনি কোন ভাগে পড়েছেন সেটাও জানতে পারেন। আর নতুন কি দেখতে পাচ্ছেন সেটাও জানতে পারেন।
বি. দ্র. : আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে উপরের দুইটি ভাগই থাকে। তাহলে পার্থক্য কেন? কারণ কম আর বেশি পরিমাণে থাকে তাই ভাগ করা সম্ভব হচ্ছে।

Rezoan Ahmed Sazid
Junior Executive of Content Writing Team

1-112.png

A piece of the reason of planning for career.

How often do you sit down and think about your professional development other than during your annual review? A good career plan considers your strengths, weaknesses, values, and what you like and need out of a career. So, this is your opportunity to reflect on what you have to offer to the world (and potential employers), how your career plan fits your life, and identify ways that you can grow (personally and professionally). It is essential to develop your career planning as it gives you the much-needed direction and makes it clear there where you see yourself in the future. It makes you aware of your strengths and weaknesses and the skills and knowledge required to achieve your future goals. A large proportion of our life is spent achieving our career goals. Thus, it is very important to make sure that the right steps were taken and correct planning was done in your life’s early years. There are very few lucky ones who are born with a clear mind and who knows what they want to do and where they see themselves in life ahead. But the majority of us are not sure what we want from life, and so it is very important to plan out things. Thus career planning is what gives your career and in some way your life, true meaning, and purpose. As much as you may want it to, your career path will not likely follow a straight line. Having a career plan will help you stay motivated during all the twists and turns your career path throws at you. And most importantly, it will guide you during times when you are considering a career or industry changes by helping you figure out whether your choice truly fits the plan. So, where do you begin? The easiest way is to start writing everything down. Whether you use our career planning guide or you create your own, it is essential to document your thoughts. And before you go, please remember a few things. Your career plan does not have to be set in stone. While it’s important to set goals, make it a habit to review your plan every few months to make sure it still matches what you want out of a career. Also, following your career plan won’t be a perfect process. Try not to be discouraged by the possible obstacles along the way. No matter what may change, your career plan is there to ground you and guide you on your path to success!

Bangladesh Alliance of Human Resources Networks (1)

Want to be successful?

Are you motivated enough to achieve something?
There are some certain factors to motivate yourselves.

1) Surround yourself with positivity-
If you stay positive you can certainly achieve whatever you want. By getting your mind in the right mindset it becomes very easy for you to choose the appropriate. We live in such a society where very few people will be
appreciating you rather than criticising you. You will be a winner if you can take all the criticisms in a positive way to motivate yourself to be a better version of you.

2) Celebrate every small achievement of yours-
Appreciation for any kind of work or achievement is a must to be motivated, and that should be self appreciation. Celebrating your small achievements will help you stay motivated through your journey. Otherwise the long trip towards something big will be very tiring for you. Big goals don’t get achieved right away. Instead, you need to create mini goals to help excite you along the way. This way you can be more goal-orientated and build a habit of being more effective.

3) Be with motivated people –
You need to be around those people who are just ambitious as you. Those ambitious people will help you to grow. If you’re surrounded by ones who tell you that your goals are stupid and tell you to change them, you need to avoid them or avoid taking advice from them. The person who is motivated to achieve something in life will also include you in his/her journey of achievement and motivate you.

Shibli-H.-Ahmad-vai

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্ন ও ইচ্ছা।
মানুষের ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতে দেখতে বেড়ে ওঠে। কিভাবে স্বপ্ন মানুষের জীবনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত তার বাস্তব উদাহরণ আমাদের ছোটবেলায় থাকা পড়াশুনার ক্ষেত্র থেকে পেতে পারি আমরা। পরিবার থেকে যখন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিকে ধাবিত হই,তখন আমাদের সবার স্বপ্ন থাকে পরীক্ষাগুলোতে ভাল করার মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে বা শ্রেণিতে ভাল একটা পজিশন দখল করা। অনেকে অবশ্য প্রথম,দ্বিতীয়,তৃতীয় হওয়ার স্বপ্ন নিয়েও পড়াশুনা শুরু করে। স্বপ্ন কিন্তু অনেকেই দেখে কিন্তু দেখা যায় যারা সেই স্বপ্ন পূরণে ঠিকমত পরিশ্রম করে,পড়াশুনা করে তারাই কিন্তু স্বপ্নে পৌছাতে পারে।

বড় হতে হতে মানুষের মাঝে ভাল কিছু করার,উজ্জ্বল একটা ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আগাতে থাকে। আর সেই স্বপ্ন অনেকের থাকে অনেক আকাশচুম্বী। অনেকেই সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারে,কেউ ব্যর্থ হয়।

এতক্ষণ পূরণ আর ব্যর্থের যে কথাগুলো বললাম তার পিছনে যে কারণ সেটা হলো ইচ্ছা। আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণে ও সফল হতে কতটুকু ইচ্ছা পোষণ করছি আর কতটুকু তার বাস্তবে রূপ দিতে পারছি এটাই এখানে প্রধান৷ আপনার হয়ত স্বপ্ন অনেক বড় থাকতে পারে কিন্তু ইচ্ছা নেই,আপনি আপনার স্বপ্নে যেতে পারবেন না। আপনার পাহাড়সম ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সামনে যদি আগাতে পারেন তবেই আপনি হতে পারবেন সফল। সফল একজন মানুষ।

জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

wordpress.org login wordpress tutorial theme free download wordpress themes for business wordpress themes zip download best wordpress blog sites news wordpress sites wordpress tutorial is wordpress free wordpress vs wix wordpress pricing wardprees wordpress company what is wordpress used for wordpress wiki is wordpress software easy to use wordpress blogs is wordpress easy to learn what is wordpress hosting what operating system does wordpress run on themeforest it company theme wordpress professional business theme company portfolio themeforest themeforest wordpress professional website themes wordpress for dummies pdf wordpress tutorial pdf 2020 how to use wordpress youtube wordpress website examples wpbeginner free blog setup free wordpress setup service divi vs elementor divi theme price divi login divi sale divi child theme

গ্রীন এইচ.আর.এম দু-চার কথাঃ

পর্ব ২
গ্রীন এইচ.আর.এম এর ফাংশন গুলো কি কি হতে পারে? গ্রীন এইচ.আর.এম এর কাজ গুলো এমনভাবে নির্ধারণ করা হয় যেন তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। যেমন —
গ্রীন রিক্রুটমেন্টঃ আমরা সবাই জানি কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্টের একটি মূখ্য কাজ থাকে যোগ্য ও দক্ষ কর্মী নিয়োগ। এক্ষেত্রে গ্রীন রিক্রুটমেন্ট প্রসেসের অধীনে এইচ.আর. গণ এমন কর্মী নিয়োগের চেষ্টা করেন যারা যোগ্য এবং দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ব্যাপারেও সচেতন।অর্থাৎ যারা রিসাইকেলিং, এনার্জি কমভার্জান ইত্যাদি বিষয়গুলোর সাথে ইতিমধ্যে পরিচিত।
বিশ্বের বেশ কিছু কোম্পানি আছে যেমন-সিমেনস,
বি.এ.এস.এফ. পরিবেশ বান্ধব কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেদের একটা ভালো ইমেজ তৈরি করেছে এবং যা উচ্চ মানসম্পন্ন কর্মীদের আকর্ষণ করে।

গ্রীন পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্টঃ একটা নির্দিষ্ট সময় পর কর্মীদের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হয় যতে কর্মীদের পেশাদারী দক্ষতা এবং লক্ষ্য অর্জনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কর্মীদের কার্যক্রম মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কতটুকু ভূমিকা পালন করলো, কি কি কর্ম পদক্ষেপ গ্রহণ করলো এবং বাস্তবায়ন করলো সেটা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
গ্রীন ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টঃ প্রতিটি কোম্পানিই তার কর্মী উন্নয়নের জন্য কিছু ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করে থাকে। গ্রীন ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টের অধীনে কর্মীদের নিজস্ব কর্ম সম্বন্ধীয় ট্রেনিং এর পাশাপাশি, পরিবেশ সম্বন্ধীয় জ্ঞান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ বান্ধব মানসিকতা তৈরিরও ট্রেনিং দেয়া হয়। যেমন- পণ্যের অপব্যয় কমানো, অযথা শক্তি(বিদ্যুৎ,জ্বালানি ইত্যাদি) ব্যয় না করা, পন্যের পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করা ইত্যাদি। মূলত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ব্যপারে কর্মীদের সচেতন করে তোলার একটা প্রয়াস এটি।
গ্রীন কম্পেনসেশনঃ কর্মীদের অনুপ্রাণিত কারার জন্য এবং কাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য কোম্পানি তাদের কার্যক্রম এর উপর ভিত্তি করে পুরষ্কার এবং সম্মানীর ব্যবস্থা করে থাকে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি অংশ যোগ করা হয় ঐসকল কর্মী জন্য যারা কোম্পানির এবং সর্বোপরি পরিবেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন, ইকো ফ্রেন্ডলি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন তাদের জন্য । এতে করে কোম্পানির সকল কর্মীই পরিবেশের প্রতি একটু বেশি সচেতন হয়।
গ্রীন এমপ্লয়ি রিলেশনঃ কোম্পানির কর্মীদের, কোম্পানির কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহন এবং সমস্যা সমাধানে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ একটি সুষ্ঠ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে। কর্মীদের এই মনোভাব যখন পরিবেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান থাকে তখন তাদের গ্রীন ম্যানেজমেন্ট আরো ভালো হয় এবং কর্মীরা সতর্ক থাকে, তাদের কাজের দ্বারা যেন পরিবেশ যতটা সম্ভব কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
গ্রীন বিল্ডিংঃ কোম্পানির কাঠামো উন্নয়নে এমন দ্রব্যাদি ব্যবহার করতে হবে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং এতে করে কর্মপরিবেশ সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর হবে। আবার কোম্পানিতে সবুজের সমারোহ থাকলে তা কর্মীদের মনকেও পুলকিত করে।
কাগজ বিহীন অফিসঃ আজকাল ই-বিজনেসের ব্যপকতা বাড়ছে, মানুষজন অনেক বেশি অনলাইন বেইজ কাজ করা শুরু করেছেন যার ফলে কাগজ বিহীন অফিস তৈরি হচ্ছে। কাগজ তৈরির জন্য প্রতিবছর ব্যাপক পরিসরে বৃক্ষ নিধন হয়, বন উজাড় হয় যা আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কাগজ বিহীন অফিস পরিচলনার প্রবনতা যখন মানুষের মধ্যে বৃষ্টি পাবে তখন বৃষ্টি নিধন অনেকাংশেই কমে যাবে।
এমনি আরো বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে যেমন প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করে কৃত্রিম শক্তির ব্যবহার কমানো। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের কথা। আবার পন্যের পুনরায় ব্যবহার বৃদ্ধি করা যাতে কাঁচামালের ব্যবহার এবং অপচয় হ্রাস পায় ইত্যাদি।
গ্রীন এইচ.আর. পলিসি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এর অনেক ভালো দিক এবং সুবিধা থাকলেও কোম্পানিতে গ্রীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বজায় রাখা মোটেও সহজ ব্যপার নয়, এক্ষেত্রে যেমন মানুষের মন মানসিকতা একটা বড় ব্যপার ঠিক তেমনি প্রাথমিক পর্যায়ে খরচও অনেক বেশি হয়।
মালেশিয়ায় পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে সাংগঠনিক পর্যায়ে গ্রীন এইচ.আর.এম ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং বক্তিগত পর্যায়েও এটি কর্মীদের কাজের সন্তুষ্টিকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
আপনি নিজেই চিন্তা করুন না আপনি এমপ্লয়ি হিসেবে আপনি আপনার অফিসের পরিবেশ কেমন পছন্দ করবেন?

মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
কন্টেন্ট রাইটিং টিম

7

এওয়ার্ড উইনিং কন্টেন্টঃ প্রথম পর্ব

দীর্ঘসূত্রীতা বা গড়িমসি থেকে মুক্তি পেতে চান?
আমি গত কয়েক দিন ধরে একটা কাজ করবো বলে ভাবছি।কিন্তু কাজটা কোনোভাবে করাই হচ্ছেনা।কী এক যন্ত্রনা!

শেষে খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়লাম।মাথায় কিছু আইডিয়া আসছে।কীভাবে এই গড়িমসি ভাবটা দূর করা যায় খাতায় লিখে ফেললাম সেগুলো।

আমার আইডিয়াগুলো ছিলো-
১.যে কাজটা করছি সেটাকে বিশ্লেষণ করবো।আগে বুঝতে হবে কাজটা আমি কেন করছি,কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে করছি আর আমার জীবনে এর প্রভাব কী।
যেমনঃ আমি পড়ছি কারণ আমি বড় একটা চাকরি পেতে চাই।এক চাকরি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে।

২.খেয়াল করবো যে কাজে গড়িমসি করছি তা আমার জীবন আর সন্তুষ্টির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?সেটার প্রতি কি আমার আবেগ জড়িত?
সেটাকে কি সত্যিই আমি মনেপ্রাণে চাই?
সেটা কি আমার মূল্যবোধের সাথে যায়?
এই বড় চাকরি এই সবগুলো প্রশ্নেরই পজিটিভ উত্তর দেয়।তাই বড় চাকরি পেতে আমি পড়াশোনা করছি।

৩. আমাকে মাঝমধ্যেই বিমর্ষতা আর অনাগ্রহীতা ঘিরে ধরে।সেক্ষেত্রে আমি তা দূর করার জন্যে যা যা লাগে সব করবো।
যেমনঃব্যায়াম,ঘুম বা শখের কাজ করবো তাতে আমার মন ভালো হবে আর সঙ্গে সঙ্গেই কাজের কাজটা করা শুরু করে দেবো।

৪.অপ্রয়োজনীয় ও মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসগুলো দূরে রাখবো।যেমনঃ মোবাইল।
আর যা পড়ছি তার বাইরে চোখের সামনে আর কোনো বই রাখবো না।

আর এভাবে ৩ সপ্তাহ কাজ করার পর দেখা গেলো আমার আর প্রক্রাস্টিনেশনের সমস্যা হচ্ছেনা।তাই শেয়ার করে ফেললাম আপনাদের সাথে।

শুভকামনা।

মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

54

কী খোজেন নিয়োগকর্তা আপনার ভেতরঃচলুন জেনে আসি

রিজ্যুমেতে নিয়োগকারীরা হার্ড স্কিল ও সফট স্কিল দুই ধরনের দক্ষতাই খোঁজেন। এ দুই ধরনের দক্ষতার মিলে যে কোনো ব্যক্তিই কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।কর্মক্ষেত্রের ধরনভেদে হার্ডস্কিল ও সফটস্কিলের চাহিদা নির্ধারিত হয়।রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন হার্ডস্কিল হলো ব্লকচেইন।এবং সফট স্কিলের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে সৃজনশীলতা।
সফট স্কিল বলতে বোঝায় মানুষের এমন কিছু চারিত্রিক ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, যা অন্যের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ভালোভাবে কাজ করতে শেখায়। এ দক্ষতাগুলোর সাহায্যে ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে, আস্থা বাড়াতে এবং দলগতভাবে কাজ করতে পারদর্শী হয়ে ওঠে।
হার্ড স্কিল বলতে বোঝায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ যা ব্যক্তি তার কর্মজীবন বা শিক্ষাসহ যে কোনও জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করেন।এ ধরনের দক্ষতা কোনো সুনির্দিষ্টকাজে প্রয়োগ করা যায় এবং মূল্যায়নও করা যায়।
নিয়োগকারীরা কর্মীদের কাছে কি ধরনের দক্ষতা প্রত্যাশা করেন সারা বিশ্বেস প্রেক্ষিতে লিঙ্কডইন তালিকা তৈরি করে। ২০২০ এর এ তালিকায় দেখা যায়ঃ
হার্ডস্কিলঃ
১। ব্লকচেইন
২। ক্লাউড কম্পিউটিং
৩। বিশ্লেষণী দক্ষতা
৪।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
৫। UX (ইউজার এক্সপেরিয়েন্স) ডিজাইন
৬।ব্যাবসায়িক বিশ্লেষণ
৭। অ্যাফিলিয়েট বিপণন
৮। সেলস
৯। সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং
১০। ভিডিও প্রযোজনা
সফটস্কিলঃ
১।সৃজনশীলতা
২।প্রত্যয়ী
৩। সহযোগিতা
৪। অভিযোজনযোগ্যতা
৫। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স
সর্বাধিক চাহিদায় থাকা দক্ষতার তালিকা তাদের সরবরাহের তুলনায় উচ্চচাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।তাই আমাদের ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকতে হলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ারে \ প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে জেনে তাতে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। হার্ড স্কিল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শেখা গেলেও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন ও অনুশীলনের মাধ্যমে সফট স্কিলে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ, কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
11

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ শেষ পর্ব

সকাল হতেই শুভ বাসায় এসে হাজির।

-আচ্ছা,মঞ্চে উঠে আমি কিভাবে নিজকে দর্শকের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারি সেই বিষয়ে একটু বল।জিজ্ঞাসার দৃস্টি শুভর চোখে।

এক কথায় স্টেজে সবসময় পজিটিভ থাকতে হবে।দর্শকদের তোমার প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ভাবতে উৎসাহিত করতে হবে।মাঝেমধ্যে প্রশ্ন করতে হবে।সেন্স অফ হিউমার ব্যবহার করতে হবে।নিজকে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।আই-কন্টাক্ট,বডি ল্যাংগুয়েজ আর ভয়েস টোন পারফেক্ট রাখতে হবে। তোমার বলিষ্ঠ কণ্ঠই সবাইকে উজ্জীবিত করবে।এসো,কিছু উদাহরণ দিই।
কনফিডেন্ট থাকবেন যেভাবেঃ যখন তুমি কথা বলছো তখন নিজকে শিক্ষক আর সবাইকে ছাত্র ভাবো।তাতে তোমার আত্মবিশ্বাস অন্য পর্যায়ে চলে যাবে। অথবা ভাবো তুমি এখন স্টেজে।তুমি প্রস্তুত থাকো আর না থাকো সবাইকে সন্তুষ্ট করতে হবে।তাহলে তোমার মনোবল বাড়বে।

হাউ টু ডেলিভার ইউর স্পিচঃ প্রত্যেকের কথা বলার নিজস্ব ধরন আছে।সে দিক থেকে তুমি একান্ত নিজস্ব একটা স্টাইল তৈরি করতে পারো। কথা বলার আগে স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা আর প্রস্তুতি অবশ্যই থাকতে হবে।আর হ্যা,দর্শকের লেভেল আর পরিস্থিতি বুঝে কথা বলার ক্ষমতাই তোমাকে সবার থেকে আলাদা করে দেবে।

ভয়েস টোনঃ কখন কোন মেসেজ দিতে চাইছো এবং কখন কোন অনুভূতি প্রকাশ করতে চাইছো তার সাথে মিল রেখে কণ্ঠ ওঠানামা করাও।তাতে তোমার কথাগুলো শ্রুতিমধুর হবে।

আই কন্টাক্টঃ অডিটোরিয়ামের চারপাশের দর্শকদের দিকে তাকাও।আর তাতে নার্ভাস লাগলে একেকবার একেকদিকের দেয়ালে তাকাও।তাতেই তোমার আই কন্টাক হয়ে যাবে।

প্রাসঙ্গিকতাঃ তোমার কন্টেন্ট প্রাসঙ্গিক ও সাজানো হলে তা দর্শক অনেকদিন মনে রাখবে।স্পিচ কন্টেন্টের ভেতর সেন্স অফ হিউমার,প্রশ্ন,উক্তি এগুলো রাখলে প্রেজেন্টেশন প্রাণবন্ত হবে।
বডি ল্যাংগুয়েজ : কখনোই আক্রমণাত্বক হওয়া যাবেনা বরং হাতের নাড়াচাড়া প্রাসঙ্গিক হতে হবে।খুব বেশিও না আবার খুব কমও না।জেশ্চার – পশ্চারে পেশাদার আচরণ করতে হবে।
আর যেগুলো ভুলেও করা যাবেনা সেগুলো হলোঃ এক জায়গায় স্থির হয়ে দাড়িয়ে কথা বলা যাবেনা।এটা দর্শককে বিরক্ত করবে। কিছুতেই আত্মপ্রদর্শন(শো-অফ) মূলক কিছু করা যাবেনা। আর শোন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটা অধিকাংশ সময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয় তা হচ্ছে সময় ব্যবস্থাপনা।তোমার জন্যে কতটা সময় বরাদ্দ তা আগেই জেনে নাও এবং চেষ্টা করো তার আগেই শেষ করতে।অন্যথায় তা লেকচারের মতো শোনাবে।

-ঠিক আছে ভাই।আমি বাসায় গিয়ে আজ থেকেই প্র‍্যাকটিস শুরু করবো।ধন্যবাদ দোস্ত।
-তোমাকেও ধন্যবাদ।

হ্যাপি স্পিকিং।
আর হ্যা,সবকিছুর ভেতরেও পাবলিক স্পিকিং এর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখিনি।কি মনে হয়?
কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলুন আপনার ভাবনা!

–মাহতাব আবদুল্লাহ মঞ্জুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টিম

12

কেন হবেন ভলান্টিয়ার

গতিশীল জীবনে আমাদের অনেকেরই ভলান্টিয়ার হিসেবে যুক্ত হওয়ার ফুসরত মিলে না। জীবনের ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা থেকে বেরিয়ে এসে ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারলে আমরা অনেকভাবেই উপকৃত হতে পারি।ভলান্টারিংয়ের মাধ্যমে আমরা যেমনকে অন্যকে সহায়তা করতে পারি সেভাবে নিজেকেও আরও উন্নত করে গড়ে তোলার সুযোগ পায়।

ভলায়ান্টরিংএর মাধ্যমে আমরা অন্যদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি। ভলান্টিয়ারদের নানা ধরনের, নানা পেশার, নানা বয়সের মানুষের সাথে মেশার সুযোগ হয়। এতে করে আমরা নতুন নেটওয়ার্ক, নতুন বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি।একসাথে কাজ করার মাধ্যমে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলোও আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে। যারা অন্তর্মুখী স্বভাবের তারা সামাজিক হয়ে উঠতে ভলান্টিয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে।

ভলান্টারিয়ারিং আমাদের শারিরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।স্টাডি মতে যারা ভলান্টারিয়ারিং এর সাথে যুক্ত থাকেন তাদের মৃত্যুহার তুলনামুলকভাবে কম।ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে আমাদের প্রায়ই সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হয়।যা আমাদের ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়াতেও সাহায্য করে।ভলান্টিয়ারিং আমাদের দুশ্চিন্তা,মানসিক চাপ,বিষণ্ণতা এসব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে ব্যস্ততা, বিভিন্ন ধরনের কাজ, বিভিন্ন মানুষের সাথে মেশার মাধ্যমে আমরা বিষণ্ণতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।ভলান্টারিয়ারিং এর মূল উদ্দেশ্য থাকে অন্যের সেবা করা। অন্যের উপকার করতে পারলে আমরা সবাইই মানসিকভাবে তৃপ্ত হই ।
ভলান্টিয়ারিং আমাদের ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।ভলন্টিয়ারিং এর মাধ্যমে আমাদের কমিউনিকেশন স্কিলের সাথে সাথে আরও নানা ধরনের স্কিল ডেভ্লপ হয়।নানা কাজ করতে গিয়ে আমরা আমাদের দক্ষতা অনুশীলনের মাধ্যমে আরও দক্ষ হয়ে উঠতে পারি।এছাড়াও ভলান্টিয়ারিং অরগানাইজেশনগুলো বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিংও প্রদান করে থাকে।ভলান্টিয়ারিংএর মাধ্যমে আমরা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারি যা আমাদের অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।ভলান্টিয়ারিং এর অভিজ্ঞতা সিভিতেও যুক্ত করা যায়।সামাজিক সংগঠনে ভলান্টিয়ারিং এর অভিজ্ঞতা চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।

ভলান্টিয়ারিংএর অভিজ্ঞতা আমাদের জীবনের পরিপূর্ণতা আনতে সাহায্য করে।ভলান্টিয়ারিং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের আগ্রহ এবং প্যাশনের ক্ষেত্র সম্পর্কে জানতে পারি।ভলান্টিরিয়ারিং এর মাধ্যমে আমরা নতুন মানুষের সাথে মেশার মাধ্যমে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারি।রুটিনবাঁধা জীবনের একঘেয়ে কাজ থেকে মুক্তির সুযোগ পাওয়া যায় ভলান্টিয়ারিং এর মাধ্যমে। তাই অনেকেই শখের বসে ভলান্টিয়ারিং কাজের সাথে যুক্ত হয়।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,
    কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম
2

A Day in The Life of an Entrepreneur

Many of us want to be an entrepreneur. Many of us dream to get success in this way. But It may be arisen about a huge number of people who do not know about how an entrepreneur passes a day? It is important to chase this topic in order to fulfill the dream up!

Not all entrepreneur days are the same, everybody’s perspective of how they utilize their day is different. Not everyone gets up at 6.00 am, goes for a jog before meditating and then record a vlog while drinking a wheatgrass smoothie, all by 8:00 am when it is time to head to the office. Some entrepreneurs have children and spend the morning getting them ready for school and others wake with their laptop on their lap responding to emails with one hand and holding a large cup of coffee in the other. Either way, their day is started with a ritual for getting motivated for what the day may bring.

Each day in the life of an entrepreneur is structured to maximize all of the 24 hours of a day. Uttering the words “It has been a long day” is a common occurrence, more toward the amount done and not the hours worked. A day comprises of an early start and a late finish, with a planned routine in the middle for a jam-packed day. When running a company not one day is the same and not always as glamorous as some may think. An entrepreneur is required to wear many different hats, from human resources to sales and from marketing to spokesperson. One day might be spent meeting with clients from one end of the country to the other and the next could be stuck in the office interviewing for new staff, conducting meetings, on calls and responding to emails.

For example, Jeff Bezos starts his day with the most critical meetings so when his energy is depleting by the end of the day, he can try to avoid making decisions. Mark Twain said, “Eat a live frog first thing in the morning and nothing worse will happen to you the rest of the day.” If the day is started with the worst or most taxing task, when the motivation from the morning activities is fresh, then the rest will seem easy in comparison. It is said that intellectual work is better done in the morning and more creative work when tiredness starts settifamily.
The day is not just about the company but also finding time to spend with family and friends, as well as on themselves. Most early starters spend the early hours on themselves or business before the rest of the house awakes so they can devote breakfast with their family. Most successful entrepreneurs set aside time for reading, “knowledge is power” as it expands the mind, this could be reading the daily papers and business pages, scrolling through social media or reading an Isaac Asimov novel. Evenings are sometimes reserved for family and friends, though a hand may continuously be on the smartphone ready to pounce on any message that comes through. Mark Zuckerberg goes straight to his phone to scroll through social media and his morning updates before getting up to start his day and ends it with tucking his children into bed. Richard Branson wakes at 5 am every day to get on top of things before eating breakfast with his family.