65

One drop of Creativity Mentality-

One drop of Creativity Mentality-

Are we all creative? Can our mind calculate the surroundings? Which kind of mentality we have?

Now, let’s get digged into an example. During this Corona, some of my friends have started trading with dresses. Is it creativity? No, it is not. It is just a flow! Again, if someone opens a business of extra virgin oil or least processed food, we all will praise that person. But when it is about creativity, we cannot add that business person in our list. Then the question what is creativity?

When we first opened our facebook account, how did we feel? Now-a-days, we all have become facebook lovers, Aren’t we? But do we know that today’s facebook was yesterday’s creativity. Yes, of course, we all know. The way of getting it’s popularity was easier. But still, ot is a part of Mr. Zukerberg’s talent. This is a creativity mentality.

We may got through another example. One of the earliest forms of trade conducted online was IBM’s online transaction processing (OLTP) developed in the 1960s and allowed the processing of financial transactions in real time (collected from Wikipedia). So this is how the journey of online business started. It is another creative idea.

So we have come to know that creativity mentality means something which is very initiative. It means the idea which is very new and in mint condition. When a very new product comes to the market, it gets related to the creativity.
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ দ্বিতীয় পর্ব
বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো তাহলে কেমন হতে পারে!
বেশিরভাগ সফল ব্রান্ডের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি, কন্ঠ এবং শৈলি আছে।আর তারা তাদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা এবং গ্রাহকদের মুগ্ধ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। আপনার ব্রান্ড আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে।
তিন ধরনের সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়া অনেক কাজের।
📷অথেন্টিক ইমেজারি
📷ইমোশনাল মার্কেটিং
📷স্টোরিটেলিং
অথেন্টিক ইমেজারিঃ আমরা সবাই এমন একটি জগতে বাস করি যেখানে সবাই সরাসরি দেখার ব্যপারগুলোর প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। যেমন – টিভি, ইউটিউব, ম্যগাজিন, নিউজপেপার ইত্যাদি মিডিয়া। সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়ার কৌশলে হিসেবে এই মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে ইমেজ ভিত্তিক ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং করা গেলে তা বেশ ফলপ্রসূ হয় যেহেতু ছবি যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
এখন প্রশ্ন হলো ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত? এক্ষেত্রে অবশ্যই এটা জানতে হবে যে আমরা মার্কেটিংটা কাদের উদ্দেশ্য করছি এবং অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন ছবি এবং ভিডিও হতে হবে যা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
ইমোশনাল মার্কেটিংঃ ইমোশনাল মার্কেটিং গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং পন্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খুবই জরুরি। ইমোশন বা আবেগের কারণেই মানুষ সাধারণত একটা নির্দিষ্ট ব্যান্ডের পন্য বারবার ব্যাবহার করতে পছন্দ করে। Pultchik’s Wheel of Emotion অনুযায়ী আটটি প্রাইমারি ইমোশন আছে এবং এগুলো ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর সময় ইমোশনাল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিক আবেগ গুলো হলো- প্রত্যাশা, বিজয় লাভ, বিশ্বাস, সারপ্রাইজ, ভয়, রাগ, বিষন্নতা এবং ঘৃণা। আপনারা যদি একটু খেয়াল করলেই বর্তমানে বিভিন্ন প্রডাক্টের বিজ্ঞাপনে এগুলোই ইমোশনাল ট্রিগার। সিম্পল একটা উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ইউনিলিভারের প্রডাক্ট ভ্যাসলিন পেট্রোলিয়াম জেলির বিজ্ঞাপন গুলোর কথা। কখনো তারা বিজ্ঞাপনের মধ্যমে তুলে এনেছে পরিবারের সুরক্ষার কথা আবার কখনো ফোকাস করেছে নারী শক্তিকে, যে ব্যপারগুলো সমাজের বিশাল একটা অংশকে প্রভাবিত করে।
স্টোরিটেলিংঃ ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে স্টোরিটেলিং কোনো কাল্পনিক গল্প তৈরি করার বিষয় নয়। গল্পটির মাধ্যমে অবশ্যই ঐ ব্রান্ডের সাথে জড়িত সত্যি ঘটনাে গুলোর প্রতিফলন ঘাটানো উচিত। Blogging এই ধরনের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ভালো একটা উদাহরণ।
এখন এই ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং প্রোসেস টা সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মনে করুন একদল মার্কেটার একদল ভোক্তা সম্পর্কে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ বিশ্লেষণ করছে,দলের একজন বিশেষজ্ঞ জনসংখ্যার উপর মেটাডাটা স্ক্র্যাপ করছে, দলের আরেকজন সদস্য জরিপের ফলাফল পড়ছেন এবং ব্যখ্যা করছেন, একজন বিশ্লেষক স্রেডাশীট নিয়ে গবেষণা করছেন। এই তথ্যগুলো মার্কেটিং প্রসেসর ভিত্তি। কিন্তু এর পরের প্রসেস গুলো কি হবে?
এরপর আসে ক্রিয়েটিভরা, উনারা সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়াটাকে একটা বাস্তবিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। ভিত্তিমূলক উপাত্ত দিয়ে বিপনন প্রক্রিয়া শুরু করেন এবং একটি নকশা তৈরি করেন- কেনো পন্য বাজারের সাথে খাপ খাবে না বা মানানসই হবে না, কেনো বাজার অনুন্নত, কেনই বা পন্যগুলো বেশি সম্ভাবনাময় না ইত্যাদি বিষয়াবলি মাথায় রেখে কাজ শুরু করবেন।
এই সবকিছুর তত্বাবধানে থাকেন একজন সৃজনশীল পরিচালক। তিনি প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা এবং গতি নির্ধারণ করেন আর যত্ন ও দক্ষতার সাথে পুরো প্রক্রিয়ার ভারসাম্য নিশ্চিত করেন। প্রকল্পটিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তোলা এবং ফানেল(বিক্রয় প্রক্রিয়া) রক্ষা করাই হলো তাদের কাজ।
মোটাকথা, একটি ক্রিয়েটিভ টিম গঠনের সময়, বিপনন বিভাগকে গবেষণা এবং সৃজনশীল অভিব্যক্তির মধ্যেমে একটি সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর জগৎটা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সাধনার ব্যপার। তবুও এই ছোট্ট লেখেনির মাধ্যমে আপনাদের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিলো এটি।
-মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ প্রথম পর্ব
এক সকালে ফিলিপিন্সের একটি রাস্তায় একটা ব্যাপার সব পথচারীদের নজর কাড়লো, যখন কিছু লোক বিশাল একটি Kit Kat এর প্যাকেট পিকআপ গাড়ি থেকে নামালো। ততক্ষণে আশেপাশে লোকসমাগম ঘটে গেছে। প্যাকেটটি খুলতেই কি দেখা গেলো বলুন তো!প্যাকেটের মধ্যে ছিল হুবহু Kit Kat chocolate এর মত দেখতে একটি বেঞ্চ!
As a chocolate lover আপনি হয়তো কামড় দিয়ে দেখতে চাইবেন যে বেঞ্চটা আসলেও খাওয়া যায় কি না!
এতক্ষণ যে গল্পটা বললাম এটা ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর একটা উদাহরণ।
Creative Marketing হলো গতানুগতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে চিন্তা করা এবং পণ্য বা সেবার প্রমোশন করা।
মার্কেটিং এ মেইন ফোকাস থাকে মূলত ভোক্তারা। আজকাল ভোক্তারা স্বচ্ছতা এবং হাস্যরসাত্নক ব্যাপারে বেশি আকৃষ্ট হয়।

-Moriom Binta Azad Bijoyee

12

ভিডিও কনফারেন্সিং টুল কথনঃ

করোনার এই সময়টা সবার জন্যেই বিরক্তিকর। হোম কোয়ারেন্টিনের গৃহবন্দী অবস্থা আর কয়দিনই বা ভালো লাগে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছেনা খুব তাড়াতাড়ি পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আর এদিকে অফিস-আদালত সব বন্ধ। খুব বেশিদিন বন্ধ রাখলে তো সমস্যা। তাহলে উপায়?

এই সময়ে অফিসে যেতে না পারলে, জরুরি মিটিং উপস্থিত থাকতে না পারলে কিংবা কারো সাথে সশরীরে দেখা করতে না পারলেও খুব একটা সমস্যা নেই। প্রযুক্তি এই সমস্যাটাকে সমাধান করেছে খুব সুন্দর ও সাশ্রয়ীভাবে।

এক্ষেত্রে বেশ কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের মাধ্যমে যখন খুশি তখন অনেক মানুষেকে নিয়ে একসাথে মিটিং ও যোগাযোগ করা যায়।তাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজও ঠিক থাকে আবার উৎপাদনশীলতাও কমেনা খুব একটা। নিচে পরিচয় করিয়ে দেবো তেমনই কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের সাথে

Gotomeeting : পেশাদার ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট বলতে যা বোঝায় এটা তেমনই। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানে মিটিং করতে কোনো পিন বা কোড লাগেনা। সরাসরি কলেই যুক্ত হওয়া যায়। এটা এপ হিসেবে ফোনেও ব্যবহার করা যায়।

Join me : এই সাইটের মজার বিষয় হচ্ছে এখানকার একটা ফিচার ভিডিও বাবলস। এটা ব্যবহার করে আড্ডাকে আরো আনন্দদায়ক করা যায়।

Webex : এই সাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও ও অডিও কল করা যায়। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানকার কলে ফোন নম্বরের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া যায় এবং অপর কাউকেও কলে আমন্ত্রন জানানো যায়।

Skype : স্কাইপি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট।এখানে নিজস্ব ইউয়ারএল এড্রেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।এখানে ক্রপ এবং মিউট করার সুবিধাও আছে। এছাড়া মিটিং রেকর্ড করা, পোল তৈরী করার মতো কাজও করা যায় এখানে। সর্বোচ্চ ২৫০ জন লোক একসাথে মিটিং করতে পারে স্কাইপি তে।

Ringcentral : রিংসেন্ট্রাল সাইটের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, বার্তা প্রদান, কোলাবরেশন করা যায়। এ দিক থেকে একে একের ভেতর সব বলা যেতে পারে। এখানে একইসাথে ২০০ মানুষ ট্রেইনিং ও মিটিং করতে পারে। এছাড়া এখানে সব ধরনের ফাইল, এপ শেয়ারও করা যায়। চ্যাট করার সুবিধাও আছে এখানে।

Bluejeans, Lifesize : ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য এই সাইটগুলোও চমৎকার। সহজ ও উচ্চমানের ভিডিও-অডিও ব্যবহার করা যায় এই সাইটগুলোয়।বিশেষ করে ভার্চুয়াল ট্রেনিং বা সেমিনার আয়োজনে এই সাইটগুলোর জুড়ি নেই।

Zoom : জুমে একাধারে ভিডিও-অডিও কনফারেন্সিং ও চ্যাটিং করা যায়। এই সাইটের সেবা খুবই উচ্চমানের।

Visiple : এই ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটটিতে এক ক্লিকেই মিটিংয়ে যোগদান, আমন্ত্রণ সহ অনেক কাজ করা যায়।

আপনি যখন-যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন এই সাইটগুলোর মাধ্যমে সেরে ফেলতে পারবেন যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, ট্রেইনিং বা সেমিনার।ভেন্যুতে না গিয়েই আপনি উপকৃত হতে পারবেন শতভাগ, শুধু দরকার হবে একটা ইন্টারনেট সহ ডিভাইস। ব্যাস! আর দেরি কেন। আপনার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং কিংবা অন্যান্য যোগাযোগ করে ফেলুন আরো সহজে। উপায় তো উপরেই আছে!

শুভকামনা।

-Mahtab Abdullah Monjur

Shibli-H.-Ahmad-speech-1

A glance at personal excellence.

Do you have any dream which is of fame, success, and growth? Do you struggle in your life to live to your highest potential? Doesn’t personal excellence come first?

Personal excellence is the journey of positive development beyond oneself and is a step-by-step process of improving oneself in every aspect of life. (Collected from Google). Personal excellence works great to improve our performance to improve each and every aspect of life like family, education, career, finance, etc. It is a process of being a better form of oneself. Here we need ten beliefs for personal Excellence—

☞There are no mistakes in life.
☞I am responsible for my present situation.
☞I will never stop learning.
☞I only need to be focused on the action I am taking at this moment.
☞It is okay to ask for support.
☞I am dedicated to pushing myself beyond my existing boundaries.
☞I am willing to adapt to changing circumstances.
☞All knowledge I acquire has the potential to serve me.
I permit myself to say no.
☞By authentically expressing myself, I bring my unique signature to every person and thing I touch.

Confused? Okay, here I am, a student of Honors; I can determine to get CGPA 4.00 out of 4.00. For this first, I have to find out my weak points, like where I made mistakes in scripts before, I have to correct myself. Second, I have to read more and more, focusing the books and online platforms. For this requirement, I need to make sure of adequate support. All the time of doing this task, at the early time, I will face so many boundaries, but I have to make myself to overcome. At this point, I will be found changing my own self. Next, but it is one of the most important for each and every person, which is “Saying NO.” Last but not least, I need to make ‘Notes,’ which will bear my own signature. This can be the process of my graduating from university with a 4.0.

But you can question – ” How can it be related to Personal Excellence?” Look, I am getting 4.0, which is a better form of myself. When I am taking as my target, I will keep in mind that I have to perform my best in any given situation.

এইচ আর এডমিন এর কাজ কি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

🔹গ্রীন এইচ.আর.এম দু-চার কথাঃ 🌿পর্ব ১

গ্রীন হাউজ, গ্রীন এনভায়রনমেন্ট, গ্রীন ভেজিটেবলস, গ্রীন টি, আমরা দৈনন্দিন জীবনে সচরাচর এই শব্দ গুলো শুনে থাকি। কিন্তু আমরা কি “গ্রীন এইচ.আর.এম” কথাটা কখনো শুনেছি?

গ্রীন এইচ. আর.এম বা গ্রীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী বিজনেস স্ট্রাটেজি যা বর্তমান সময়ে অনেক কোম্পানি নিজেদের জন্য ব্যবহার করছে। মূলত পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব হ্রাস করে ব্যবসায় পরিচালনা করা এবং কোম্পানিতে সুষ্ঠ সুন্দর কর্ম পরিবেশ বিদ্যমান রাখা গ্রীন এইচ.আর.এম এর প্রাকটিসের মূল লক্ষ্য।

কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট এক্ষেত্রে এমনভাবে হিউম্যান রিসোর্স পলিসি সাজায় যেটা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং অফিসের পরিবেশ সাবলীল রাখতে সহায়তা করে। গ্রীন এইচ. আর এম পলিসি নির্ধারনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

🌱 প্রথমত, পরিবেশ বান্ধব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ।
🌱 দ্বিতীয়ত, কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা

আমরা হয়তো এই দুটো বিষয় থেকে গ্রীন এইচ. আর এম এর কাজগুলো সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা করতে পারছি। একটু বিস্তারিত জানা যাক!

গ্রীন এইচ. আর. এম প্রাকটিসের মূল লক্ষ্যই থাকে কর্মীদের পরিবেশের ব্যপারে সচেতন করে তোলা যাতে করে তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকে যা তাদের আশেপাশের পরিবেশকে দূষিত করে ফেলে। ফলশ্রুতিতে কোম্পানির সব থেকে বড় সম্পদ, তার কর্মীদের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যবিধির উন্নতি হয়। এখানে দ্বিতীয় পয়েন্টে বলা হয়েছে কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা, এর অর্থ হচ্ছে একজন কর্মী যখন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবেন তখন তিনি দীর্ঘায়ু হবেন, এবং কোম্পানির তাকে প্রদত্ত ট্রেনিং এবং তার জ্ঞানের মাধ্যমে কোম্পানি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সুবিধা নিতে পারবে। ধারণাটা একটু স্বার্থবাদী হলেও লাভ কিন্তু দুই পক্ষেরই!

মাহতাব আবদুল্লাহ মনজুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট রাইটিং টিম

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ২

পরদিন শুভ বাসায় এসে হাজির।বললো,দোস্ত,শুরু কীভাবে করতে হয় তাতো সেদিন শিখলাম।এরপর একটা কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করলাম।শুরু ভালোই ছিলো আমার।কিন্তু মাঝে আর দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে পারিনি।কী করা যায় বলতো?
-আচ্ছা,বুঝতে পেরেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের কিছু মৌলিক নীতি আছে।এগুলো মেনে চললে তোর পুরো পারফরম্যান্স হবে দেখার মত।
শোন তাহলেঃ
১.রিসার্চ ইউর অডিয়েন্স:
পাবলিক স্পিকিংয়ে যাওয়ার আগে অথবা শুরু করার আগে কাদের সামনে কথা বলবে সে বিষয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলে খুবই ভালো হয়।এর মাধ্যমে দর্শকদের মানসিকতা আর চাওয়া বোঝা যায়।কী করলে তারা খুশি হবেন,কোন স্টাইলে কথা বললে ভালো আর কোন গল্প তাদেরকে ফিল দেবে এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে তাদের রুচির উপর।তাই,অডিয়েন্সকে বোঝার কোনো বিকল্প নেই।
২.স্টার্টিং স্পিচঃ
এই বিষয়ে আগের পর্বেও বলেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের প্রথম কিছু সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাই শুরুটা একটু ইন্টারেস্টিংভাবে করা গেলে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করা সহজ হবে।এক্ষেত্রে শুরু হতে পারে টপিক রিলেটেড কোনো উক্তির মাধ্যমে কিংবা হতে পারে গল্প বা মজার কোনো তথ্য দিয়ে।সম্ভব হলে কোনো স্লোগান কিংবা হাতিতালি দেওয়ানোর মধ্যে দিয়েও শুরু করতে পারেন স্পিচ।
৩.হাউ টু এংগেজ ইউর অডিয়েন্স :
আপনি যখন কথা বলবেন তখন দর্শককে আপনার সাথে ধরে রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে যা করতে পারেন-
*খুব পরিচিত গল্প কিংবা অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।প্রয়োজনে দর্শকদের মঞ্চে আহবান করতে পারেন।ছোট ছোট খেলা খেলতে পারেন।তাতে রিক্রিয়েশনও হবে আবার দর্শকপ্রিয়তাও পাবেন।পাওয়ার অফ স্টোরি টেলিংকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগান।
*কোনো একটা রিসেন্ট ঘটনা বিশ্লেষণ করে তার উপর আপনার টপিক টা রিলেট করুন।দর্শকদের মানসিকতা বুঝে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন।
*সৃজনশীল প্রশ্ন করুন যা দর্শককে ভাবতে বাধ্য করবে।কুইজ করুন।ছোট পরিসরে পুরস্কৃত করতে পারেন।এটা দর্শককে উৎসাহী করবে।
*প্রতিটা কথায় চমৎকার উদাহরণ দেয়ার চেষ্টা করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।মনে রাখবেন দর্শকই আপনার প্রাণ।
৪.নোয়িং ইউর ভেন্যুঃ
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।আপনি যেখানে বা যে ভেন্যুতে কথা বলবেন ঐ ভেন্যু সম্পর্কে আগে থেকে খোজ-খবর নেয়ার চেষ্টা করবেন।পারলে আগে থেকে মঞ্চটা দেখে আসবেন।স্টেজের উপরে হাটবেন।তাতে সাহস বাড়বে,জড়তা কমবে।
৫.রিসার্চ ইউর টপিক:
আপনি যে বিষয়ে কথা বলবেন ঐ বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণ পড়াশোনা করে যান।পরিসংখ্যানিক তথ্যগুলো ভালো মত মনে রাখুন।আর মনে রাখবেন,যত পড়বেন,যত প্র‍্যাকটিস করবেন ততই ভালো হবে আপনার পারফরম্যান্স।
৬.যোগাযোগঃ
পাবলিক স্পিকিংকে দ্বিমুখী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করুন।দর্শকের সাথে সার্বক্ষণিক ফলো আপ বজায় রাখবেন।এটা কিন্তু আপনার জন্যে বড় একটা সুযোগ অনেকগুলো মানুষের সাথে একবারে নেটওয়ার্কিং করার।
৭.স্টেজে রাজত্ব করুন,নিজের করে নিনঃ
যতক্ষণ মঞ্চে আছেন,আত্নবিশ্বাসী হোন।আপনার প্রস্তুতি আছে কি নেই এটা কোনো ব্যাপারই না।ব্যাপার হচ্ছে আপনি তাৎক্ষণিক ভাবে পরিস্থিতি কতটুকু হাতে রাখতে পারছেন।দিনশেষে যতক্ষণ মঞ্চে আছেন ততক্ষণ আপনিই রাজা এটা মনে রাখবেন।
৯.হাসিঃ
হাসি আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। মুচকি হাসি দিন।সবার সাথে সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করুন। আপনার সম্মান বাড়বে আর পাবলিক স্পিকিংয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।
বুঝলি শুভ, এই জিনিসগুলো খেয়াল রাখবে পাবলিক স্পিকিংয়ের সময়।এর মাধ্যমে সহজেই দর্শকের মন জয় করা সম্ভব।আর স্পিচ কিভাবে শেষ করতে হয় সেটা পরদিন(আগামি পর্ব) বলবো।কেমন?
-ঠিকাছে।ধন্যবাদ ভাই।
আর হ্যা,রেগুলার প্র্যাকটিস করো কিন্তু।এগুলোকে আয়ত্তে আনতে রেগুলার প্র্যাকটিসের বিকল্প নেই।
শুভকামনা।
হ্যাপি রিডিং।
-Mahtab Abdullah Monjur

v

বায়োডাটা, সিভি নাকি রেজ্যুম

কোথাও আবেদন করতে গেলে আমরা অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যাই, আমাদের সম্পর্কিত তথ্য আমরা কি উপায়ে উপস্থাপন করবো! সিভি,রেজুমে নাকি বায়োডাটা কখন কিসের ব্যবহার করবো বা এদের মধ্যে পার্থক্যই বা কি তা অনেকেরেই জানা নেই। আপাতভাবে এদের এক মনে করলেও উদ্দেশ্য ও গঠনে এদের রয়েছে পার্থক্য।
কারিকুলাম ভিটা (সিভি) শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে।সময়ানুক্রমিকভাবে শিক্ষা এবং জীবন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সিভিতে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে থাকে ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাক্তির লক্ষ্য, শিক্ষা, অর্জন, দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা, সম্মাননা ইত্যাদি।অভিজ্ঞতার ওপর দৈর্ঘ্য নির্ভর করে দেখে সিভি বেশ দীর্ঘ হয়।সাধারণত অ্যাকাডেমিক, ফেলোশিপ জাতীয় কোথাও আবেদনের ক্ষেত্রে সিভি ব্যবহৃত হয়।
ফরাসি শব্দ রেজ্যুমের অর্থ সংক্ষিপ্ত বিবরণী।,কাজ বা আবেদনের ক্ষেত্রের ওপর ভিত্তি করে এটি লেখা হয়। আবেদনের ক্ষেত্রভেদে রেজ্যুমেতে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা,শিক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকে ।রেজ্যুমের ক্ষেত্রে দক্ষতার উপর জোর দেওয়া হয়।ইন্ডাস্ট্রি, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারিখাতে চাকরীর ক্ষেত্রে রেজিউম ব্যবহৃত হয়।সিভিতে ব্যক্তির দক্ষতা সম্পর্কিত সকল তথ্য উল্লেখ করা হলেও রেজ্যুমে ব্যক্তির বিশেষ দক্ষতার কথা উল্লেখ করা হয়। একটি রিজুমে দেখতে ইন্টারভিউয়ার সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করেন তাই আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ মানব সম্পদ বিভাগের প্রধানরা শুন্য থেকে দশ বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুই পেইজের এবং দশ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা থাকলে সর্বোচ্চ তিন পেইজের রিজুমে তৈরির ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।রেজ্যুমের সাথে কভারলেটার পাঠানো হয়।এতে ব্যক্তির যোগ্যতা সম্পর্কিত সারসংক্ষেপ থাকে।
বায়োগ্রাফিকাল ডাটার সংক্ষিপ্ত রূপ বায়োডাটা।আগে ক্যারিয়ার সম্পর্কিত ক্ষেত্রে বায়োডাটা ব্যবহৃত হলেও এখন আর তা হয় না। এখন সাধারণত বিয়ের জন্য বায়োডাটা ব্যবহৃত হয়।এতে ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনসম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।বায়োডাটাতে পারিবারিক অবস্থান,বৈবাহিক অবস্থা,জাতি,ধর্ম, লিঙ্গ এসকল তথ্যের উল্লেখ থাকে।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,
    কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম
th

রিয়েলিটি টু ইমাজিনেশন

সকলের থেকে একটু সময় চেয়ে নিবো।
ভাবছেন কোন কাজ করাবো আপনাকে দিয়ে?? না না কোন কাজই করাবো না। আমি আসলে সময় চাচ্ছি আপনার জন্যেই। শুনে বেশ অবাক হলেন তাইনা। আসলে অবাক হওয়ার মতো তেমন কিছুই না। আগে বিষয়টা বলি তাহলে বুঝতে পারবেন।

আপনার কাছে সময় চেয়েছি যাতে আপনি নিজেকে নিয়ে একটু ভাবতে পারেন। এই যে কল্পনা বা ইমাজিনেশন এটি কিন্তু মানুষের একটি দারুণ শক্তি। যেকোন কাজের আগে ঐ কাজ টা সম্পর্কে একটু ইমাজিনেশন করবেন এবং সবসময়ের জন্য ইমাজিনেশন করার সময় পজিটিভ চিন্তা করবেন। দেখবেন আপনি যেই কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেটা ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সাফল্যের সাথে শেষ করে বেশ আনন্দিত৷ এটা কেন বললাম? আসলে ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সফল হয়ে ঐ কাজের প্রক্রিয়া একবার রিভাইজ করলেন এবং সফল হওয়ার দরুন নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করলেন। হ্যাঁ! আপনি ঐ কাজটা এভাবে করলেই সফলভাবে করতে পারবেন। তবে অবশ্যই পজিটিভ চিন্তার অধিকারী হতে হবে আপনাকে। আর যদি প্রশ্ন করেন আমি তো কাজ এ ব্যর্থও হতে পারি?? হ্যাঁ, হতেই পারেন!! দুর্ঘটনা কিন্তু বলে আসে না। সাময়িক কোন কাজ এ ব্যর্থ হতেই পারেন। এটা নিয়ে আফসোস করার কিছু নাই। ঐ যে কাজে ব্যার্থ হলেন, ঐ কাজটাকে পুনরায় ইমাজিনেশন করেন!! কি কি করেছিলেন? কি কি ভুল ছিলো??

এর সমাধান আপনি নিজেই! এখন বলবেন নিজেই নিজের ভুলের সমাধান কিভাবে হলাম? আচ্ছা এটাও যৌক্তিক প্রশ্ন। আচ্ছা তাহলে এই প্রশ্নের সমাধান খোজাঁ যাক! আপনি যে কাজটাতে ব্যর্থ হলেন ঐ টা পুনরায় ইমাজিনেশন করেন এবং পয়েন্ট দাড় করান কি কি করলে সফল হতেন এবং কি কি ভুলের কারণে ব্যর্থ হলেন?
এখন নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করুন কেন?? এই প্রশ্নের উত্তরও আপনি নিজেই দিতে পারবেন। কিভাবে? আপনার দুর্বলতা আপনি নিজেই ভালো জানেন!! ঐ দুবর্ল জায়গাটাকে বা ঐ ক্ষত জায়গাটে কতটুকু ভরাট করলে আপনি সফল হবেন সেটা আপনি নিজেই কাজ শেষ এ অনুধাবন করতে পারবেন।

এগুলো কেন বললাম? এক্ষেত্রে আমরা কি করি! আমরা ব্যর্থ হয় বা সফল, সেই বিষয়টা কখনো ভেবেই দেখি না কিভাবে আমরা এটা সম্ভব করলাম বা আমার দ্বারা কেন এটা সম্ভব হলো না। সবসময়ের জন্য আমরা ভেবে থাকি ঐ কাজটা আমার জন্য না। এখানে আমার হয়তো কোন দোষ নাই। অন্যের কোন ভুল বা দোষ এর কারণেই আমাকে পিছিয়ে পরতে হয়েছে। কিন্তু এখানে আমি বলবো অন্য কেউ কি করেছে? কেন করেছে? অন্যের ভুল না ধরে নিজের ভুলটা ধরে নিজেকেই প্রশ্ন করি। আশা করি আরও বেটার এবং ভালো উত্তর পেয়ে যাবো আমরা। আবার এক্ষেত্রে আপনার সেই ইমাজিনেশন শক্তিই কিন্তু সবথেকে ভালো বন্ধু হতে পারে। আবার কোন কিছু না পাওয়া বা কোন ব্যর্থতাই সহজেই ডিপ্রেশন এ পরে যায়। তবে কেন যে সেটা হলো? এটার উত্তর খুজতেঁ ভুলে যায় আমরা।

তবে এমন ভাবে বাস্তবতার সাথে ডিপ্রেশন টা গুলিয়ে ফেলেছি আমরা যে ডিপ্রেশনটা সস্তা হয়ে গেছে। ডিপ্রেশন এর ও যে একসময় অধিক ডিমান্ড ছিলো সেটিও নষ্ট হয়ে গেছে।

শেষ মূহুর্তে পৌছিয়ে সারসংক্ষেপ শেষ করবো কল্পনা এবং বাস্তবতার মিলবন্ধন ঘটিয়ে। নইলে আপনারা আবার উপরের বিষয় গুলোকেই মিথ্যা বানিয়ে দিবেন। কেমন করে এটাই তো মাথায় প্রশ্ন জাগছে? আসলে বাস্তবতার সাথে কল্পনার মিল বন্ধন যদি না রাখেন তবে ভেবে দেখেন তো আপনি তো কাজ না করে ভেবেই বসে থাকবেন কাজ শেষ! বিন্দাস! হয়তো কল্পনাতেই আপণ করে বাস্তবতাকে ভুলে এমন কোন কিছুতে হারিয়ে যাবেন যে যেটা কখনোই ঘটা সম্ভব নয়। যেমন কল্পনায় ভাবলেন মানুষের ৫ পা হয়েছে। মানুষ এখন ৫ পা নিয়ে চলে। তবে এটার কোন যৌক্তিকতা বা বাস্তবতা নাই। তাই বাস্তবতার সাথে কল্পনার কঠোর মিলবন্ধনে যেকোন কিছুকে আকড়ে ধরতে হবে। যদিও বাস্তবতা এবং কল্পনা দুটোই ভিন্নধর্মী বিষয়। তবুও আমি এটার মিলবন্ধন আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।

নিচের ছবিতে আপনি কি ভিন্নকিছু দেখতে পাচ্ছেন? নাকি সবাই মতই জিনিস দেখছেন? আপনার মতামত কি?
১। বেশির ভাগ মানুষ যেটা দেখবে সেটা হল, একটি পচা ফলের সংস্পর্শে অন্য আরও একটি ফল পচে যাচ্ছে। তার অর্থ হল, আপনি খারাপ মানুষের সাথে থাকলে খারাপই হবেন।

২। অথবা, কিছু মানুষ এটা দেখবেন যে, একটি পচা ফলের কিছু অংশ ভালো আছে। আমরা যদি নতুন ফলকে ভালো পাশের অংশে রাখতাম তাহলে আর সেটি নষ্ট হত না। ঠিক এভাবে, সমাজে যেসব খারাপ মানুষ আছে, তাদেরও ভালো দিক আছে। ভালো গুণ আছে। তাদের সাথে মিশলে আমাদের ভালো গুণ গুলো নিতে পারি।
এবার আসি মজার বিষয়ে, প্রায় ৭০% লোক প্রথম ভাগে পরবে। কিন্তু এতে মন খারাপের কিছুই নেই। কেন? আসুন দেখি। ভাবুন, আপনি যেভাবে চিন্তা করেন ৭০ ভাগ মানুষ সেভাবে চিন্তা করে। আপনি যদি কোনো মার্কেটিং strategy পছন্দ করেন তবে ৭০% ভাগ মানুষ সেটা গ্রহণ করবে।

২য় ভাগে পরে প্রায় ১০-১৫ ভাগ লোক। তাদের কোনো কিছু ভিন্নভাবে দেখার ক্ষমতা আসলেই অসাধারণ। তারা একটা কাজ ভিন্নভাবে করতে পারে। তারা নতুন কিছু বানাতেও পছন্দ করে।

এবার আসি বাকি ১৫%-২০% লোক করা যারা এই ৭৫%বা ৮০% এ নেই। এই দুইটি ভাবে দেখা বাদেও যারা ভিন্ন ভাবে দেখবেন তারাই বাকি অংশের অধিকারী। আপনি যদি উপরের ২ ভাগে থেকে আলাদা হয়ে থাকেন তাহলে জানান। আপনি কোন ভাগে পড়েছেন সেটাও জানতে পারেন। আর নতুন কি দেখতে পাচ্ছেন সেটাও জানতে পারেন।
বি. দ্র. : আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে উপরের দুইটি ভাগই থাকে। তাহলে পার্থক্য কেন? কারণ কম আর বেশি পরিমাণে থাকে তাই ভাগ করা সম্ভব হচ্ছে।

Rezoan Ahmed Sazid
Junior Executive of Content Writing Team

1-112.png

A piece of the reason of planning for career.

How often do you sit down and think about your professional development other than during your annual review? A good career plan considers your strengths, weaknesses, values, and what you like and need out of a career. So, this is your opportunity to reflect on what you have to offer to the world (and potential employers), how your career plan fits your life, and identify ways that you can grow (personally and professionally). It is essential to develop your career planning as it gives you the much-needed direction and makes it clear there where you see yourself in the future. It makes you aware of your strengths and weaknesses and the skills and knowledge required to achieve your future goals. A large proportion of our life is spent achieving our career goals. Thus, it is very important to make sure that the right steps were taken and correct planning was done in your life’s early years. There are very few lucky ones who are born with a clear mind and who knows what they want to do and where they see themselves in life ahead. But the majority of us are not sure what we want from life, and so it is very important to plan out things. Thus career planning is what gives your career and in some way your life, true meaning, and purpose. As much as you may want it to, your career path will not likely follow a straight line. Having a career plan will help you stay motivated during all the twists and turns your career path throws at you. And most importantly, it will guide you during times when you are considering a career or industry changes by helping you figure out whether your choice truly fits the plan. So, where do you begin? The easiest way is to start writing everything down. Whether you use our career planning guide or you create your own, it is essential to document your thoughts. And before you go, please remember a few things. Your career plan does not have to be set in stone. While it’s important to set goals, make it a habit to review your plan every few months to make sure it still matches what you want out of a career. Also, following your career plan won’t be a perfect process. Try not to be discouraged by the possible obstacles along the way. No matter what may change, your career plan is there to ground you and guide you on your path to success!

Shibli-H.-Ahmad-vai

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্ন ও ইচ্ছা।
মানুষের ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতে দেখতে বেড়ে ওঠে। কিভাবে স্বপ্ন মানুষের জীবনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত তার বাস্তব উদাহরণ আমাদের ছোটবেলায় থাকা পড়াশুনার ক্ষেত্র থেকে পেতে পারি আমরা। পরিবার থেকে যখন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিকে ধাবিত হই,তখন আমাদের সবার স্বপ্ন থাকে পরীক্ষাগুলোতে ভাল করার মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে বা শ্রেণিতে ভাল একটা পজিশন দখল করা। অনেকে অবশ্য প্রথম,দ্বিতীয়,তৃতীয় হওয়ার স্বপ্ন নিয়েও পড়াশুনা শুরু করে। স্বপ্ন কিন্তু অনেকেই দেখে কিন্তু দেখা যায় যারা সেই স্বপ্ন পূরণে ঠিকমত পরিশ্রম করে,পড়াশুনা করে তারাই কিন্তু স্বপ্নে পৌছাতে পারে।

বড় হতে হতে মানুষের মাঝে ভাল কিছু করার,উজ্জ্বল একটা ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আগাতে থাকে। আর সেই স্বপ্ন অনেকের থাকে অনেক আকাশচুম্বী। অনেকেই সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারে,কেউ ব্যর্থ হয়।

এতক্ষণ পূরণ আর ব্যর্থের যে কথাগুলো বললাম তার পিছনে যে কারণ সেটা হলো ইচ্ছা। আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণে ও সফল হতে কতটুকু ইচ্ছা পোষণ করছি আর কতটুকু তার বাস্তবে রূপ দিতে পারছি এটাই এখানে প্রধান৷ আপনার হয়ত স্বপ্ন অনেক বড় থাকতে পারে কিন্তু ইচ্ছা নেই,আপনি আপনার স্বপ্নে যেতে পারবেন না। আপনার পাহাড়সম ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সামনে যদি আগাতে পারেন তবেই আপনি হতে পারবেন সফল। সফল একজন মানুষ।

জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

54

কী খোজেন নিয়োগকর্তা আপনার ভেতরঃচলুন জেনে আসি

রিজ্যুমেতে নিয়োগকারীরা হার্ড স্কিল ও সফট স্কিল দুই ধরনের দক্ষতাই খোঁজেন। এ দুই ধরনের দক্ষতার মিলে যে কোনো ব্যক্তিই কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।কর্মক্ষেত্রের ধরনভেদে হার্ডস্কিল ও সফটস্কিলের চাহিদা নির্ধারিত হয়।রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন হার্ডস্কিল হলো ব্লকচেইন।এবং সফট স্কিলের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে সৃজনশীলতা।
সফট স্কিল বলতে বোঝায় মানুষের এমন কিছু চারিত্রিক ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, যা অন্যের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ভালোভাবে কাজ করতে শেখায়। এ দক্ষতাগুলোর সাহায্যে ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে, আস্থা বাড়াতে এবং দলগতভাবে কাজ করতে পারদর্শী হয়ে ওঠে।
হার্ড স্কিল বলতে বোঝায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ যা ব্যক্তি তার কর্মজীবন বা শিক্ষাসহ যে কোনও জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করেন।এ ধরনের দক্ষতা কোনো সুনির্দিষ্টকাজে প্রয়োগ করা যায় এবং মূল্যায়নও করা যায়।
নিয়োগকারীরা কর্মীদের কাছে কি ধরনের দক্ষতা প্রত্যাশা করেন সারা বিশ্বেস প্রেক্ষিতে লিঙ্কডইন তালিকা তৈরি করে। ২০২০ এর এ তালিকায় দেখা যায়ঃ
হার্ডস্কিলঃ
১। ব্লকচেইন
২। ক্লাউড কম্পিউটিং
৩। বিশ্লেষণী দক্ষতা
৪।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
৫। UX (ইউজার এক্সপেরিয়েন্স) ডিজাইন
৬।ব্যাবসায়িক বিশ্লেষণ
৭। অ্যাফিলিয়েট বিপণন
৮। সেলস
৯। সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং
১০। ভিডিও প্রযোজনা
সফটস্কিলঃ
১।সৃজনশীলতা
২।প্রত্যয়ী
৩। সহযোগিতা
৪। অভিযোজনযোগ্যতা
৫। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স
সর্বাধিক চাহিদায় থাকা দক্ষতার তালিকা তাদের সরবরাহের তুলনায় উচ্চচাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।তাই আমাদের ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকতে হলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ারে \ প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে জেনে তাতে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। হার্ড স্কিল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শেখা গেলেও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন ও অনুশীলনের মাধ্যমে সফট স্কিলে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ, কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম