78

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ
প্রথমবার শুনলে মনে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আবার নেটওয়ার্কিং লাগবে কেন?প্রথমবার শুনলে এটাকে সময় নষ্টই মনে হবে। কিন্তু আজকের এ বিশ্বায়নের যুগে নেটওয়ার্কিয়ের কোনো বিকল্প নেই।বলা হয়,”আজকের সময়ে একজন ছাত্র দিনের অর্ধেক সময় পড়াশোনা করবে আর অর্ধেক সময় নেটওয়ার্কিং করবে”।আসুন এর সত্যতা যাচাই করি।
আজকের যুগের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সমাজসেবামূলক ভলান্টারি কাজ করা ম্যান্ডেটরি হয়ে গেছে।বিভিন্ন কাজের খাতিরে অনেক জায়গায় যেতে হয়,অনেক রকম কাজ করতে হয়। এসব কাজে পূর্ব-পরিচিত লোক থাকলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
ভলান্টারি কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারলে বড় বড় মানুষজনের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে।তাতে ভবিষ্যতে নানা ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।ইন্টারনির সুযোগও পাওয়া যায় চেনা-জানা থাকলে।মজার বিষয় হচ্ছে নেটওয়ার্কিং ভালো থাকলে অনেক সময় ইন্টারভিউ বোর্ডেও খুব পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়ে যায়। তাতে ভীতি কেটে যায় এবং জব পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে প্রফেশনাল ওয়ার্ল্ডে আগে থেকেই কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায় আর অভিজ্ঞতাও অর্জন করা যায়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের জীবনে একজন গাইড বা মেন্টর থাকা খুব জরুরি। নেটওয়ার্কিং করলে পছন্দমতো মেন্টর পাওয়া এবং তার কাছ থেকে সব ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়। এসব পরামর্শ জীবনে অনেক বেশি কাজে দেয় এবং ভুল পথে এগোনো থেকে রক্ষা করে।
নেটওয়ার্কিং শক্ত থাকলে এবং কমিউনিকেশন কন্টিনিউ করলে প্রত্যক্ষভাবে অনেক কাজের সুযোগ পাওয়া যায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জব পেতে প্রসিডিওর ও ফলো করার দরকার পড়েনা।
এছাড়া নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে একজন হয়ে আরেকজন এই চেইনে নতুন নতুন মুখের সাথে পরিচিতি ঘটে যা জীবনের অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
নেটওয়ার্কিংয়ে ভাব এবং ধারণার বিনিময় হয়।তাতে অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি মানুষের মনস্তত্ব বোঝা যায়।এটি কমিউনিকেশন স্কিল কে সরাসরি ব্রাশ-আপ করে।পেশাজীবনে এগুলো খুবই দরকার।
তাছাড়া এর মাধ্যমে আগ্রহের জায়গা এবং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে জানা যায় এবং ঐ ক্ষেত্রগুলোতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।
নেটওয়ার্কিং উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি করে যার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় যা ব্যবসায় কে গতিশীল করে।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হলে ব্যবসায়ে গ্রাহক এবং বিক্রয় একক সহজেই বাড়ানো যায়।
সেল্ফ ব্রান্ডিং করা অনেক সহজ হয়ে যায় যাতে আপনি সহজেই বড় জায়গায় রিচ করতে পারেন। নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে আপনার কোনো ভালো কাজ সহজেই বড় বড় মানুষের দৃস্টি আকর্ষণ করবে।একটা শক্তির নেটওয়ার্ক আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার চয়েসে এবং গঠনে সব দিক থেকে হেল্প করবে।
সর্বোপরি নেটওয়ার্কিং আপনার জন্য এমন এক সার্কেল তৈরি করবে যার সাহায্য নিয়ে আপনি অনেক বড় কাজও দ্রুততম সময়ে সুন্দরভাবে করে ফেলতে পারবেন।এছাড়া ক্যারিয়ারের বিষয়গুলো তো আছেই।তাই,শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এক চমৎকার পন্থা যা দিয়ে সে পৌছতে পারবে উন্নতির চরম শিখরে।
নেটওয়ার্কিয়ের পদ্ধতি আরেকদিন আলোচনা করব ইংশা আল্লাহ।সে পর্যন্ত ভালো থেকো সবাই।
-Mahtab Abdullah Monjur

12

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

আমরা সবাই চাই আমাদের কর্মদক্ষতা যেনো সবার থেকে বেশি হয়।তাহলে চলুন জেনে নিই কৌশলগুলি।

১.সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখুনঃ

প্রতিটি কাজ সময় বেঁধে করুন এবং একটা নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজটা শেষ করার চেষ্টা করুন।

২.কাজের ডেডলাইন সেট করুন

৩.বিরতি নিন।

দুই ঘন্টা কাজের পর ১০ মিনিটের ছোট্ট বিরতিও নেয়া যেতে পারে।এতে মনোযোগ বাড়ে আর ক্লান্তিবোধ কমে যায়।

৫.মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করুন

৬.ডিসটার্বেন্স সরিয়ে ফেলুনঃ

কাজের সময় সামনে থেকে মোবাইল আর অহেতুক প্রযুক্তিপণ্য দূরে রাখতে হবে।

৭.কথা বলুন,মতবিনিময় করুনঃ

কাজের ভেতর হঠাৎ ছন্দপতন হতেই পারে।এমন হলে একটু হেটে আসুন,চা খেয়ে আসুন অথবা কারো সাথে ৫ মিনিট কথাও বলতে পারেন।এতে আপনার এঁকঘেয়েমি কাটবে।

৮.প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে কাজ করুন।

৯.কাজের প্রায়োরিটি সেট করুন আর সবকিছু গুছিয়ে রাখুন

১০.শ্রোতা হোন

যদি অফিসের ডেইলি কাজগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় তাহলে কাজ করা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

১১.পরামর্শ নিনঃ

কোনো কাজে আটকে গেলে বা সমস্যায় পড়লে মেনটপরের পরামর্শ নিন।তাতে আপনার ঝুঁকি কমবে আর কাজের মানও বাড়বে।

১২.কাজের জটিলতা পরিহার করুন

কোনো কাজ শেষ করার সবচেয়ে সহজ উপায়টা খুজে বের করুন আর কাজটা শেষ করুন।

১৩।ব্যক্তিগত জীবনকে পেশাগত জীবনের সাথে সম্পৃক্ত করবেন না

১৩.লিডারশীপ প্র‍্যাকটিস করুন

১৫.অফিস এনভায়রনমেন্ট(কর্ম পরিবেশ) সুন্দর করে তুলুন

হ্যাপি রিডিং

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

67

অনলাইনে শিক্ষাঃসহজে শেখার সহজ উপায়

অনেকেই জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা,ইন্টারনেটে কোন কোন সাইট ক্যারিয়ার নলেজের জন্যে পড়া যায় বলোতো?”
চিন্তা করে দেখলাম এই ক্যারিয়ার ও স্কিল লার্নিং সাইটগুলোর একটা তালিকা বানালে কেমন হয় যাতে সবাই একসাথে শিখতে পারি?

নিচে তেমনই কিছু সাইটের নামসহ লিংক দিলাম।চাইলে ঘুরে আসতে পারেন,শিখে আসতে পারেন,পড়ে আসতে পারেন।

প্রথমেই আসি প্রোগ্রামারদের কথায়।তারা Code Academy বা Treehouse সাইট থেকে প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন।
স্কিল বা বিভিন্ন দক্ষতা বিষয়ক কোর্সগুলো করা যাবে
Lynda
Skillshare
Coursera
Udacity
Udemy ইত্যাদি সাইট থেকে।

এছাড়াও আছে
Class Central
Dabble
Mentormob এর মতো চমৎকার সব সাইট।

বিভিন্ন ধরনের পড়াশোনা করা যাবে
EDX.com
Khan Academy থেকে।
ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা আছে
Couch.me
The muse এর মতো সাইটগুলোয়।

নতুন কোনো ভাষা শিখতে চাইলে ভিজিট করতে পারেন
Babbel
Doulingo এর ওয়েবসাইটে।

আর সবশেষে জীবনের বিভিন্ন বিষয় যেমন সৃজনশীলতা,সুখ,স্বাস্থ,অর্থনীতি ইত্যাদি বিষয় পেয়ে যাবেন
Daily Burn
Highbrow
Insight Timer এর মতো ওয়েবসাইট গুলোয়।

আর দেরি কেন? ফেসবুকে সময় না কাটিয়ে এখুনি শুরু করে দিন ই-লার্নিং।

এই সাইটগুলোর মধ্যে আপনার প্রিয় সাইট কোনটি, কমেন্ট সেকশনে শেয়ার করুন আমাদের সাথে।
শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

65

One drop of Creativity Mentality-

One drop of Creativity Mentality-

Are we all creative? Can our mind calculate the surroundings? Which kind of mentality we have?

Now, let’s get digged into an example. During this Corona, some of my friends have started trading with dresses. Is it creativity? No, it is not. It is just a flow! Again, if someone opens a business of extra virgin oil or least processed food, we all will praise that person. But when it is about creativity, we cannot add that business person in our list. Then the question what is creativity?

When we first opened our facebook account, how did we feel? Now-a-days, we all have become facebook lovers, Aren’t we? But do we know that today’s facebook was yesterday’s creativity. Yes, of course, we all know. The way of getting it’s popularity was easier. But still, ot is a part of Mr. Zukerberg’s talent. This is a creativity mentality.

We may got through another example. One of the earliest forms of trade conducted online was IBM’s online transaction processing (OLTP) developed in the 1960s and allowed the processing of financial transactions in real time (collected from Wikipedia). So this is how the journey of online business started. It is another creative idea.

So we have come to know that creativity mentality means something which is very initiative. It means the idea which is very new and in mint condition. When a very new product comes to the market, it gets related to the creativity.
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ দ্বিতীয় পর্ব
বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো তাহলে কেমন হতে পারে!
বেশিরভাগ সফল ব্রান্ডের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি, কন্ঠ এবং শৈলি আছে।আর তারা তাদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা এবং গ্রাহকদের মুগ্ধ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। আপনার ব্রান্ড আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে।
তিন ধরনের সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়া অনেক কাজের।
📷অথেন্টিক ইমেজারি
📷ইমোশনাল মার্কেটিং
📷স্টোরিটেলিং
অথেন্টিক ইমেজারিঃ আমরা সবাই এমন একটি জগতে বাস করি যেখানে সবাই সরাসরি দেখার ব্যপারগুলোর প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। যেমন – টিভি, ইউটিউব, ম্যগাজিন, নিউজপেপার ইত্যাদি মিডিয়া। সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়ার কৌশলে হিসেবে এই মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে ইমেজ ভিত্তিক ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং করা গেলে তা বেশ ফলপ্রসূ হয় যেহেতু ছবি যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
এখন প্রশ্ন হলো ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত? এক্ষেত্রে অবশ্যই এটা জানতে হবে যে আমরা মার্কেটিংটা কাদের উদ্দেশ্য করছি এবং অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন ছবি এবং ভিডিও হতে হবে যা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
ইমোশনাল মার্কেটিংঃ ইমোশনাল মার্কেটিং গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং পন্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খুবই জরুরি। ইমোশন বা আবেগের কারণেই মানুষ সাধারণত একটা নির্দিষ্ট ব্যান্ডের পন্য বারবার ব্যাবহার করতে পছন্দ করে। Pultchik’s Wheel of Emotion অনুযায়ী আটটি প্রাইমারি ইমোশন আছে এবং এগুলো ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর সময় ইমোশনাল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিক আবেগ গুলো হলো- প্রত্যাশা, বিজয় লাভ, বিশ্বাস, সারপ্রাইজ, ভয়, রাগ, বিষন্নতা এবং ঘৃণা। আপনারা যদি একটু খেয়াল করলেই বর্তমানে বিভিন্ন প্রডাক্টের বিজ্ঞাপনে এগুলোই ইমোশনাল ট্রিগার। সিম্পল একটা উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ইউনিলিভারের প্রডাক্ট ভ্যাসলিন পেট্রোলিয়াম জেলির বিজ্ঞাপন গুলোর কথা। কখনো তারা বিজ্ঞাপনের মধ্যমে তুলে এনেছে পরিবারের সুরক্ষার কথা আবার কখনো ফোকাস করেছে নারী শক্তিকে, যে ব্যপারগুলো সমাজের বিশাল একটা অংশকে প্রভাবিত করে।
স্টোরিটেলিংঃ ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে স্টোরিটেলিং কোনো কাল্পনিক গল্প তৈরি করার বিষয় নয়। গল্পটির মাধ্যমে অবশ্যই ঐ ব্রান্ডের সাথে জড়িত সত্যি ঘটনাে গুলোর প্রতিফলন ঘাটানো উচিত। Blogging এই ধরনের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ভালো একটা উদাহরণ।
এখন এই ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং প্রোসেস টা সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মনে করুন একদল মার্কেটার একদল ভোক্তা সম্পর্কে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ বিশ্লেষণ করছে,দলের একজন বিশেষজ্ঞ জনসংখ্যার উপর মেটাডাটা স্ক্র্যাপ করছে, দলের আরেকজন সদস্য জরিপের ফলাফল পড়ছেন এবং ব্যখ্যা করছেন, একজন বিশ্লেষক স্রেডাশীট নিয়ে গবেষণা করছেন। এই তথ্যগুলো মার্কেটিং প্রসেসর ভিত্তি। কিন্তু এর পরের প্রসেস গুলো কি হবে?
এরপর আসে ক্রিয়েটিভরা, উনারা সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়াটাকে একটা বাস্তবিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। ভিত্তিমূলক উপাত্ত দিয়ে বিপনন প্রক্রিয়া শুরু করেন এবং একটি নকশা তৈরি করেন- কেনো পন্য বাজারের সাথে খাপ খাবে না বা মানানসই হবে না, কেনো বাজার অনুন্নত, কেনই বা পন্যগুলো বেশি সম্ভাবনাময় না ইত্যাদি বিষয়াবলি মাথায় রেখে কাজ শুরু করবেন।
এই সবকিছুর তত্বাবধানে থাকেন একজন সৃজনশীল পরিচালক। তিনি প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা এবং গতি নির্ধারণ করেন আর যত্ন ও দক্ষতার সাথে পুরো প্রক্রিয়ার ভারসাম্য নিশ্চিত করেন। প্রকল্পটিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তোলা এবং ফানেল(বিক্রয় প্রক্রিয়া) রক্ষা করাই হলো তাদের কাজ।
মোটাকথা, একটি ক্রিয়েটিভ টিম গঠনের সময়, বিপনন বিভাগকে গবেষণা এবং সৃজনশীল অভিব্যক্তির মধ্যেমে একটি সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর জগৎটা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সাধনার ব্যপার। তবুও এই ছোট্ট লেখেনির মাধ্যমে আপনাদের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিলো এটি।
-মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ প্রথম পর্ব
এক সকালে ফিলিপিন্সের একটি রাস্তায় একটা ব্যাপার সব পথচারীদের নজর কাড়লো, যখন কিছু লোক বিশাল একটি Kit Kat এর প্যাকেট পিকআপ গাড়ি থেকে নামালো। ততক্ষণে আশেপাশে লোকসমাগম ঘটে গেছে। প্যাকেটটি খুলতেই কি দেখা গেলো বলুন তো!প্যাকেটের মধ্যে ছিল হুবহু Kit Kat chocolate এর মত দেখতে একটি বেঞ্চ!
As a chocolate lover আপনি হয়তো কামড় দিয়ে দেখতে চাইবেন যে বেঞ্চটা আসলেও খাওয়া যায় কি না!
এতক্ষণ যে গল্পটা বললাম এটা ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর একটা উদাহরণ।
Creative Marketing হলো গতানুগতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে চিন্তা করা এবং পণ্য বা সেবার প্রমোশন করা।
মার্কেটিং এ মেইন ফোকাস থাকে মূলত ভোক্তারা। আজকাল ভোক্তারা স্বচ্ছতা এবং হাস্যরসাত্নক ব্যাপারে বেশি আকৃষ্ট হয়।

-Moriom Binta Azad Bijoyee

45

ভাবছেন কীভাবে সময়টাকে সুন্দর, আনন্দময় আর প্রোডাকটিভ করে কাটানো যায়?

বাসায় বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত? ভাবছেন কীভাবে সময়টাকে সুন্দর, আনন্দময় আর প্রোডাকটিভ করে কাটানো যায়? তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্যেই!

করোনার এই সময়ে পড়তে পারেন বই। নিচে একটা লিংক দিচ্ছি।এই লিংকে গেলে প্রচুর বইয়ের ফ্রি পিডিএফ পাবেন।এক এক করে পড়ে ফেলুন সব।আপনার প্রিয় লেখকেরাও আছেন এখানে!

পিডিএফ লাইব্রেরি :

https://www.pdfdrive.com/category/112

shorturl.at/rtzI8

shorturl.at/bjpNS

বিভিন্ন ধরনের স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারেন ঘরে বসেই।শিখতে পারেন মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট-এক্সেল-ওয়ার্ড, টাইপিং কিংবা গ্রাফিকস ডিজাইন।আবার কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের উপর করে ফেলতে পারেন অনলাইন কোর্স।ঘরের কাজ করে তাতে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন। বলা তো যায়না কখন কোন দক্ষতা ক্লিক করে যায়।হাহাহা। রান্নাবান্না শিখতে পারেন।আবৃত্তি শিখতে পারেন।ইবাদাতের মদজ্যে দিয়েও সময় কাটাতে পারেন।শিখতে পারেন কুরআন তেলাওয়াত।

নিচে কিছু লিংক দিয়ে দিলাম যেখানে আছে বিভিন্ন কোর্স আর ইউটিউব টিউটোরিয়াল। এখনি শুরু করে দিন কাজ।

এমএস ওয়ার্ড ,এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ারপয়েন্ট : https://www.youtube.com/channel/UCL89KKkLs0tZKld-iIS3NGw

আবৃত্তি : https://www.youtube.com/watch?v=kYqmWKDzLyY

রান্নাবান্না : https://www.youtube.com/watch?v=9vVoTTfXoTQ , https://www.youtube.com/watch?v=R-2SAtv9AAo

কুরআন তেলাওয়াত : https://www.youtube.com/channel/UC_FkTgeTJoo7zgjjebC2ElQ

প্রোগ্রামিং : https://www.youtube.com/user/ANIS3730

গ্রাফিকস ডিজাইন : https://www.youtube.com/channel/UCsrkDdGhTrEpjMReOPYMizw

টাইপিং : https://www.youtube.com/channel/UCzGH7UQZUKnKZXWzA8qr-8w

বাসায় বসে কাজ করতে করতে টায়ার্ড হয়ে গেলে বিভিন্ন ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন। তাতে শরীর চাঙ্গা হবে।বিরক্তিভাবও কাটবে। নিচে কিছু ব্যায়াম শেখার লিংকও দিয়ে দিলাম।

https://www.youtube.com/channel/UCLeX_nbbodPPbATysOqfXtg

করতে পারেন বিভিন্ন অনলাইন কোর্সও।কোর্সের পর পেয়ে যাবেন নিবন্ধিত সনদ।আর দেরি কীসের।দেখুন নিচে দেয়া লিংকগুলো।

• Covid19 Training: শুরুতেই যে কেও নিজের সেফটি বা পরিবারের সেফটি এর কথা চিন্তা করে WHO দ্বারা পরিচালিত ছোট্ট এই ট্রেইনিং

  • https://www.who.int/…/novel-corona…/training/online-training

-Mahtab Abdullah Monjur

12

ভিডিও কনফারেন্সিং টুল কথনঃ

করোনার এই সময়টা সবার জন্যেই বিরক্তিকর। হোম কোয়ারেন্টিনের গৃহবন্দী অবস্থা আর কয়দিনই বা ভালো লাগে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছেনা খুব তাড়াতাড়ি পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আর এদিকে অফিস-আদালত সব বন্ধ। খুব বেশিদিন বন্ধ রাখলে তো সমস্যা। তাহলে উপায়?

এই সময়ে অফিসে যেতে না পারলে, জরুরি মিটিং উপস্থিত থাকতে না পারলে কিংবা কারো সাথে সশরীরে দেখা করতে না পারলেও খুব একটা সমস্যা নেই। প্রযুক্তি এই সমস্যাটাকে সমাধান করেছে খুব সুন্দর ও সাশ্রয়ীভাবে।

এক্ষেত্রে বেশ কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের মাধ্যমে যখন খুশি তখন অনেক মানুষেকে নিয়ে একসাথে মিটিং ও যোগাযোগ করা যায়।তাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজও ঠিক থাকে আবার উৎপাদনশীলতাও কমেনা খুব একটা। নিচে পরিচয় করিয়ে দেবো তেমনই কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের সাথে

Gotomeeting : পেশাদার ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট বলতে যা বোঝায় এটা তেমনই। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানে মিটিং করতে কোনো পিন বা কোড লাগেনা। সরাসরি কলেই যুক্ত হওয়া যায়। এটা এপ হিসেবে ফোনেও ব্যবহার করা যায়।

Join me : এই সাইটের মজার বিষয় হচ্ছে এখানকার একটা ফিচার ভিডিও বাবলস। এটা ব্যবহার করে আড্ডাকে আরো আনন্দদায়ক করা যায়।

Webex : এই সাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও ও অডিও কল করা যায়। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানকার কলে ফোন নম্বরের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া যায় এবং অপর কাউকেও কলে আমন্ত্রন জানানো যায়।

Skype : স্কাইপি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট।এখানে নিজস্ব ইউয়ারএল এড্রেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।এখানে ক্রপ এবং মিউট করার সুবিধাও আছে। এছাড়া মিটিং রেকর্ড করা, পোল তৈরী করার মতো কাজও করা যায় এখানে। সর্বোচ্চ ২৫০ জন লোক একসাথে মিটিং করতে পারে স্কাইপি তে।

Ringcentral : রিংসেন্ট্রাল সাইটের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, বার্তা প্রদান, কোলাবরেশন করা যায়। এ দিক থেকে একে একের ভেতর সব বলা যেতে পারে। এখানে একইসাথে ২০০ মানুষ ট্রেইনিং ও মিটিং করতে পারে। এছাড়া এখানে সব ধরনের ফাইল, এপ শেয়ারও করা যায়। চ্যাট করার সুবিধাও আছে এখানে।

Bluejeans, Lifesize : ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য এই সাইটগুলোও চমৎকার। সহজ ও উচ্চমানের ভিডিও-অডিও ব্যবহার করা যায় এই সাইটগুলোয়।বিশেষ করে ভার্চুয়াল ট্রেনিং বা সেমিনার আয়োজনে এই সাইটগুলোর জুড়ি নেই।

Zoom : জুমে একাধারে ভিডিও-অডিও কনফারেন্সিং ও চ্যাটিং করা যায়। এই সাইটের সেবা খুবই উচ্চমানের।

Visiple : এই ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটটিতে এক ক্লিকেই মিটিংয়ে যোগদান, আমন্ত্রণ সহ অনেক কাজ করা যায়।

আপনি যখন-যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন এই সাইটগুলোর মাধ্যমে সেরে ফেলতে পারবেন যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, ট্রেইনিং বা সেমিনার।ভেন্যুতে না গিয়েই আপনি উপকৃত হতে পারবেন শতভাগ, শুধু দরকার হবে একটা ইন্টারনেট সহ ডিভাইস। ব্যাস! আর দেরি কেন। আপনার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং কিংবা অন্যান্য যোগাযোগ করে ফেলুন আরো সহজে। উপায় তো উপরেই আছে!

শুভকামনা।

-Mahtab Abdullah Monjur

Shibli-H.-Ahmad-speech-1

A glance at personal excellence.

Do you have any dream which is of fame, success, and growth? Do you struggle in your life to live to your highest potential? Doesn’t personal excellence come first?

Personal excellence is the journey of positive development beyond oneself and is a step-by-step process of improving oneself in every aspect of life. (Collected from Google). Personal excellence works great to improve our performance to improve each and every aspect of life like family, education, career, finance, etc. It is a process of being a better form of oneself. Here we need ten beliefs for personal Excellence—

☞There are no mistakes in life.
☞I am responsible for my present situation.
☞I will never stop learning.
☞I only need to be focused on the action I am taking at this moment.
☞It is okay to ask for support.
☞I am dedicated to pushing myself beyond my existing boundaries.
☞I am willing to adapt to changing circumstances.
☞All knowledge I acquire has the potential to serve me.
I permit myself to say no.
☞By authentically expressing myself, I bring my unique signature to every person and thing I touch.

Confused? Okay, here I am, a student of Honors; I can determine to get CGPA 4.00 out of 4.00. For this first, I have to find out my weak points, like where I made mistakes in scripts before, I have to correct myself. Second, I have to read more and more, focusing the books and online platforms. For this requirement, I need to make sure of adequate support. All the time of doing this task, at the early time, I will face so many boundaries, but I have to make myself to overcome. At this point, I will be found changing my own self. Next, but it is one of the most important for each and every person, which is “Saying NO.” Last but not least, I need to make ‘Notes,’ which will bear my own signature. This can be the process of my graduating from university with a 4.0.

But you can question – ” How can it be related to Personal Excellence?” Look, I am getting 4.0, which is a better form of myself. When I am taking as my target, I will keep in mind that I have to perform my best in any given situation.

এইচ আর এডমিন এর কাজ কি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

🔹গ্রীন এইচ.আর.এম দু-চার কথাঃ 🌿পর্ব ১

গ্রীন হাউজ, গ্রীন এনভায়রনমেন্ট, গ্রীন ভেজিটেবলস, গ্রীন টি, আমরা দৈনন্দিন জীবনে সচরাচর এই শব্দ গুলো শুনে থাকি। কিন্তু আমরা কি “গ্রীন এইচ.আর.এম” কথাটা কখনো শুনেছি?

গ্রীন এইচ. আর.এম বা গ্রীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী বিজনেস স্ট্রাটেজি যা বর্তমান সময়ে অনেক কোম্পানি নিজেদের জন্য ব্যবহার করছে। মূলত পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব হ্রাস করে ব্যবসায় পরিচালনা করা এবং কোম্পানিতে সুষ্ঠ সুন্দর কর্ম পরিবেশ বিদ্যমান রাখা গ্রীন এইচ.আর.এম এর প্রাকটিসের মূল লক্ষ্য।

কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট এক্ষেত্রে এমনভাবে হিউম্যান রিসোর্স পলিসি সাজায় যেটা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং অফিসের পরিবেশ সাবলীল রাখতে সহায়তা করে। গ্রীন এইচ. আর এম পলিসি নির্ধারনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

🌱 প্রথমত, পরিবেশ বান্ধব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ।
🌱 দ্বিতীয়ত, কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা

আমরা হয়তো এই দুটো বিষয় থেকে গ্রীন এইচ. আর এম এর কাজগুলো সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা করতে পারছি। একটু বিস্তারিত জানা যাক!

গ্রীন এইচ. আর. এম প্রাকটিসের মূল লক্ষ্যই থাকে কর্মীদের পরিবেশের ব্যপারে সচেতন করে তোলা যাতে করে তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকে যা তাদের আশেপাশের পরিবেশকে দূষিত করে ফেলে। ফলশ্রুতিতে কোম্পানির সব থেকে বড় সম্পদ, তার কর্মীদের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যবিধির উন্নতি হয়। এখানে দ্বিতীয় পয়েন্টে বলা হয়েছে কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা, এর অর্থ হচ্ছে একজন কর্মী যখন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবেন তখন তিনি দীর্ঘায়ু হবেন, এবং কোম্পানির তাকে প্রদত্ত ট্রেনিং এবং তার জ্ঞানের মাধ্যমে কোম্পানি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সুবিধা নিতে পারবে। ধারণাটা একটু স্বার্থবাদী হলেও লাভ কিন্তু দুই পক্ষেরই!

মাহতাব আবদুল্লাহ মনজুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট রাইটিং টিম

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ২

পরদিন শুভ বাসায় এসে হাজির।বললো,দোস্ত,শুরু কীভাবে করতে হয় তাতো সেদিন শিখলাম।এরপর একটা কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করলাম।শুরু ভালোই ছিলো আমার।কিন্তু মাঝে আর দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে পারিনি।কী করা যায় বলতো?
-আচ্ছা,বুঝতে পেরেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের কিছু মৌলিক নীতি আছে।এগুলো মেনে চললে তোর পুরো পারফরম্যান্স হবে দেখার মত।
শোন তাহলেঃ
১.রিসার্চ ইউর অডিয়েন্স:
পাবলিক স্পিকিংয়ে যাওয়ার আগে অথবা শুরু করার আগে কাদের সামনে কথা বলবে সে বিষয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলে খুবই ভালো হয়।এর মাধ্যমে দর্শকদের মানসিকতা আর চাওয়া বোঝা যায়।কী করলে তারা খুশি হবেন,কোন স্টাইলে কথা বললে ভালো আর কোন গল্প তাদেরকে ফিল দেবে এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে তাদের রুচির উপর।তাই,অডিয়েন্সকে বোঝার কোনো বিকল্প নেই।
২.স্টার্টিং স্পিচঃ
এই বিষয়ে আগের পর্বেও বলেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের প্রথম কিছু সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাই শুরুটা একটু ইন্টারেস্টিংভাবে করা গেলে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করা সহজ হবে।এক্ষেত্রে শুরু হতে পারে টপিক রিলেটেড কোনো উক্তির মাধ্যমে কিংবা হতে পারে গল্প বা মজার কোনো তথ্য দিয়ে।সম্ভব হলে কোনো স্লোগান কিংবা হাতিতালি দেওয়ানোর মধ্যে দিয়েও শুরু করতে পারেন স্পিচ।
৩.হাউ টু এংগেজ ইউর অডিয়েন্স :
আপনি যখন কথা বলবেন তখন দর্শককে আপনার সাথে ধরে রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে যা করতে পারেন-
*খুব পরিচিত গল্প কিংবা অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।প্রয়োজনে দর্শকদের মঞ্চে আহবান করতে পারেন।ছোট ছোট খেলা খেলতে পারেন।তাতে রিক্রিয়েশনও হবে আবার দর্শকপ্রিয়তাও পাবেন।পাওয়ার অফ স্টোরি টেলিংকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগান।
*কোনো একটা রিসেন্ট ঘটনা বিশ্লেষণ করে তার উপর আপনার টপিক টা রিলেট করুন।দর্শকদের মানসিকতা বুঝে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন।
*সৃজনশীল প্রশ্ন করুন যা দর্শককে ভাবতে বাধ্য করবে।কুইজ করুন।ছোট পরিসরে পুরস্কৃত করতে পারেন।এটা দর্শককে উৎসাহী করবে।
*প্রতিটা কথায় চমৎকার উদাহরণ দেয়ার চেষ্টা করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।মনে রাখবেন দর্শকই আপনার প্রাণ।
৪.নোয়িং ইউর ভেন্যুঃ
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।আপনি যেখানে বা যে ভেন্যুতে কথা বলবেন ঐ ভেন্যু সম্পর্কে আগে থেকে খোজ-খবর নেয়ার চেষ্টা করবেন।পারলে আগে থেকে মঞ্চটা দেখে আসবেন।স্টেজের উপরে হাটবেন।তাতে সাহস বাড়বে,জড়তা কমবে।
৫.রিসার্চ ইউর টপিক:
আপনি যে বিষয়ে কথা বলবেন ঐ বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণ পড়াশোনা করে যান।পরিসংখ্যানিক তথ্যগুলো ভালো মত মনে রাখুন।আর মনে রাখবেন,যত পড়বেন,যত প্র‍্যাকটিস করবেন ততই ভালো হবে আপনার পারফরম্যান্স।
৬.যোগাযোগঃ
পাবলিক স্পিকিংকে দ্বিমুখী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করুন।দর্শকের সাথে সার্বক্ষণিক ফলো আপ বজায় রাখবেন।এটা কিন্তু আপনার জন্যে বড় একটা সুযোগ অনেকগুলো মানুষের সাথে একবারে নেটওয়ার্কিং করার।
৭.স্টেজে রাজত্ব করুন,নিজের করে নিনঃ
যতক্ষণ মঞ্চে আছেন,আত্নবিশ্বাসী হোন।আপনার প্রস্তুতি আছে কি নেই এটা কোনো ব্যাপারই না।ব্যাপার হচ্ছে আপনি তাৎক্ষণিক ভাবে পরিস্থিতি কতটুকু হাতে রাখতে পারছেন।দিনশেষে যতক্ষণ মঞ্চে আছেন ততক্ষণ আপনিই রাজা এটা মনে রাখবেন।
৯.হাসিঃ
হাসি আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। মুচকি হাসি দিন।সবার সাথে সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করুন। আপনার সম্মান বাড়বে আর পাবলিক স্পিকিংয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।
বুঝলি শুভ, এই জিনিসগুলো খেয়াল রাখবে পাবলিক স্পিকিংয়ের সময়।এর মাধ্যমে সহজেই দর্শকের মন জয় করা সম্ভব।আর স্পিচ কিভাবে শেষ করতে হয় সেটা পরদিন(আগামি পর্ব) বলবো।কেমন?
-ঠিকাছে।ধন্যবাদ ভাই।
আর হ্যা,রেগুলার প্র্যাকটিস করো কিন্তু।এগুলোকে আয়ত্তে আনতে রেগুলার প্র্যাকটিসের বিকল্প নেই।
শুভকামনা।
হ্যাপি রিডিং।
-Mahtab Abdullah Monjur

v

বায়োডাটা, সিভি নাকি রেজ্যুম

কোথাও আবেদন করতে গেলে আমরা অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যাই, আমাদের সম্পর্কিত তথ্য আমরা কি উপায়ে উপস্থাপন করবো! সিভি,রেজুমে নাকি বায়োডাটা কখন কিসের ব্যবহার করবো বা এদের মধ্যে পার্থক্যই বা কি তা অনেকেরেই জানা নেই। আপাতভাবে এদের এক মনে করলেও উদ্দেশ্য ও গঠনে এদের রয়েছে পার্থক্য।
কারিকুলাম ভিটা (সিভি) শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে।সময়ানুক্রমিকভাবে শিক্ষা এবং জীবন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সিভিতে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে থাকে ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাক্তির লক্ষ্য, শিক্ষা, অর্জন, দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা, সম্মাননা ইত্যাদি।অভিজ্ঞতার ওপর দৈর্ঘ্য নির্ভর করে দেখে সিভি বেশ দীর্ঘ হয়।সাধারণত অ্যাকাডেমিক, ফেলোশিপ জাতীয় কোথাও আবেদনের ক্ষেত্রে সিভি ব্যবহৃত হয়।
ফরাসি শব্দ রেজ্যুমের অর্থ সংক্ষিপ্ত বিবরণী।,কাজ বা আবেদনের ক্ষেত্রের ওপর ভিত্তি করে এটি লেখা হয়। আবেদনের ক্ষেত্রভেদে রেজ্যুমেতে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা,শিক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকে ।রেজ্যুমের ক্ষেত্রে দক্ষতার উপর জোর দেওয়া হয়।ইন্ডাস্ট্রি, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারিখাতে চাকরীর ক্ষেত্রে রেজিউম ব্যবহৃত হয়।সিভিতে ব্যক্তির দক্ষতা সম্পর্কিত সকল তথ্য উল্লেখ করা হলেও রেজ্যুমে ব্যক্তির বিশেষ দক্ষতার কথা উল্লেখ করা হয়। একটি রিজুমে দেখতে ইন্টারভিউয়ার সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করেন তাই আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ মানব সম্পদ বিভাগের প্রধানরা শুন্য থেকে দশ বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুই পেইজের এবং দশ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা থাকলে সর্বোচ্চ তিন পেইজের রিজুমে তৈরির ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।রেজ্যুমের সাথে কভারলেটার পাঠানো হয়।এতে ব্যক্তির যোগ্যতা সম্পর্কিত সারসংক্ষেপ থাকে।
বায়োগ্রাফিকাল ডাটার সংক্ষিপ্ত রূপ বায়োডাটা।আগে ক্যারিয়ার সম্পর্কিত ক্ষেত্রে বায়োডাটা ব্যবহৃত হলেও এখন আর তা হয় না। এখন সাধারণত বিয়ের জন্য বায়োডাটা ব্যবহৃত হয়।এতে ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনসম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।বায়োডাটাতে পারিবারিক অবস্থান,বৈবাহিক অবস্থা,জাতি,ধর্ম, লিঙ্গ এসকল তথ্যের উল্লেখ থাকে।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,
    কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম