9

মাইক্রোসফট এক্সেলঃ কিছু কথা

বর্তমান অটোমেশনের যুগে আমাদের প্রায় সবারই মাইক্রোসফট এক্সেলের ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। মাইক্রোসফট এক্সেলে দক্ষতা এখন আর কোনো বিশেষ স্কিল হিসেবে বিবেচনা না করে ব্যাসিক স্কিল হিসেবে আয়ত্বে আনার সময় চলে এসেছে।

আভিধানিক ভাবে এক্সেল শব্দের অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া।মাইক্রোসফট এর এ স্প্রেডশীট প্রোগ্রামটি একই সাথে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে নামকরণের যথার্থতার প্রমাণ দিয়েছে।এ প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল হিসাব নিকাশ,তথ্য ব্যবস্থাপনা, চার্ট-গ্রাফের মাধ্যমে আকর্ষণীয়রূপে তথ্যের উপস্থাপনাসহ দ্রুতসময়ে নানা কাজ করা যায়।
মাইক্রোসফট এক্সেল ১৯৮৭ সালে প্রাথমিক সংস্করণের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৩ সালে পঞ্চম সংস্করণ তৎকালীন লোটাস সফটওয়ারের লোটাস১-২-৩ প্রোগ্রামকে টপকে শীর্ষে জায়গা করে নেয়।শুরুর দিকে ম্যাকওএস ও উইন্ডোজভিত্তিক এপ্লিকেশন হিসেবে থাকলেও বর্তমানে এক্সেলের মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ও এন্ড্রয়েড সংস্করণ রয়েছে।

কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত এক্সেলের উইন্ডোতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে ‘স্প্রেডশীট এনালাইসিস প্রোগ্রাম’ বলা হয়।অন্যসব স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে সাথে বিভিন্ন পরিসংখ্যানিক, প্রকৌশলগত এবং অর্থায়ন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য এক্সেলের নিজস্ব ফাংশন রয়েছে। এক্সেলই প্রথম স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম,যাতে ব্যবহারকারীরা চাইলেই স্প্রেডশিটের ফন্ট, ক্যারেক্টার অ্যাট্রিবিউট, সেলের রঙসহ বিভিন্ন কিছু পরিবর্তন করতে পারে।চার্ট,হিস্ট্রোগ্রাম,গ্রাফের মাধ্যমে তথ্যের উপস্থাপনের জন্য এতে বিভিন্ন টুলস ও রয়েছে।এক্সেলের নিজস্ব প্রোগ্রামিং ভাষা “ভিজুয়াল বেসিক ফর অ্যাপলিকেশন” ব্যবহার করে সাধারণভাবে করতে কঠিন কাজও সহজেই করা যায়।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সরল-জটিল হিসাব,বেতনবিল,স্যালারি শীট,রেজাল্ট শীট, আয়কর হিসাব তৈরি করা বা চার্ট গ্রাফের মধ্যে পরিসংখ্যান করা কিংবা এসব ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার যাবতীয় কাজ এক্সেলের মাধ্যমে করা যায়।পড়াশোনা,চাকরি ব্যবসা সকলক্ষেত্রেই এক্সেলের ব্যবহার প্রয়োজন বিধায় আমাদের সবারই ধৈর্য ধরে এক্সেলে দক্ষতা অর্জন করা উচিত। এক্সেল খুবই সহজ এপ্লিকেশ হওয়ায় এটি শিখতে বিশেষ কোনো দক্ষতার প্রয়োজন নেই।কিন্তু এটি অনেক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হওয়ায় কাজ করে অনুশীলনের মাধ্যমে শিখতে হবে।

-ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সকিউটিভ,
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম

nickey-kolev-544018-unsplash.jpg

যার প্রভাব গিয়ে পড়ছে ব্র‍্যান্ডিং এন্ড প্রমোশনের উপর

সংগঠন “ক” এর কন্টেন্ট টিম এবং গ্রাফিক্স টিম বেশ কিছু দিন হলো কাজে তাল মেলাতে পারছে না, ।

ঠিক এমনই কিছু সমস্যা একজন এইচ আর প্রফেশনালকে প্রায়ই ফেস করতে হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং কর্মপরিবেশ কেমন হবে তা অনেকটাই প্রতিষ্ঠানের এইচ আর ডিপার্টমেন্টের উপর নির্ভর করে। তো চলুন আজ একজন এইচ আর প্রফেশনাল এর চ্যালেঞ্জ গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

▪ডাইন্যামিক বিজনেস ওয়ার্ল্ডঃ OneDrive, GoTo Meeting, Google Calendar, Evernote ইত্যাদি, বেশ কিছু বছর আগেও কিন্তু এই অফিস টুল গুলোর এত ব্যাবহার ছিল না। আবার এমন অনেক পন্য যা কয়েক বছর আগে ছিলো কিন্তু এখন নেই। এর কারণ কি?

গ্লোবালাইজেশনের কারণে বিজনেস ওয়ার্ল্ডে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন হচ্ছে এবং তার সাথে তাল মিলিয়ে একজন এইচ আর প্রফেশনালকে চলতে হয়। সময়ের সাথে সাথে বিজনেসে অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যেমন- টেকনোলজি, প্রডাক্ট, কম্পিটিশন এই সব কিছুর সাথেই একজন এইচ আরকে কোপ আপ করতে হয়। এই জন্য একজন দক্ষ এইচ আরকে সব সময় এ্যাডাপটিবল এবং প্রোএ্যাকটিভ হতে হয়।

▪ভিশনারিঃ আজকের দিনে বসে ৫ বছর পরের বিজনেস ওয়ার্ল্ড কেমন হবে, তখন মার্কেটের পরিস্থিতি কেমন হবে এবং এমপ্লয়িদের কেমন দক্ষতার প্রয়োজন হবে এটা বুঝতে পারা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ আর এর জন্য তাদের প্রচুর স্টাডি করতে হয় মার্কেট এনভায়রনমেন্ট নিয়ে।

▪দক্ষ কর্মী নিয়োগঃ একটা কোম্পানির সুনাম যেমন তাদের কাজের উপর নির্ভর করে, ঠিক তেমনি কোম্পানির কাজের ধরন, মান নির্ভর করে কোম্পানির এমপ্লয়িদের উপর আর এই এমপ্লয়ি কে কোম্পানিতে নিয়ে আসার গুরু দায়িত্ব পালন করেন এইচ আর প্রফেশনালস। হাজার হাজার এপ্লিকেন্টস এর মধ্যে থেকে কোম্পানির জন্য ডেডিকেটেড এবং দক্ষ এমপ্লয়ি বাছাই করা অবশ্যই সহজ কাজ নয়।

▪এমপ্লয়ি নিয়োগে বৈচিত্র্য রাখাঃ একজন এইচ আর প্রফেশনাল কে লক্ষ রাখতে হয় যেন কোম্পানির এমপ্লয়িদের মধ্যে ডাইভার্সিটি থাকে। বিভিন্ন জাতি, ধর্ম এবং সংস্কৃতির মানুষ তাদের নিজস্বতার মাধ্যমে কোম্পানির কাজগুলোকেও বৈচিত্রময় করে। কিন্তু অনেক সময় এই বৈচিত্র্যময় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এইচ আর প্রফেশনালদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে যদি এমপ্লয়িরা নিজেদের মধ্যে খাপ খাইয়ে না চলতে পারে।

▪লেজিস্লেশন মেইন্টেনেন্সঃ কোম্পানি আইনের বেশ কিছু রুলস আছে যেগুলো এইচ আর ডিপার্টমেন্টকে ফলো করতে হয়। আবার এই নিয়ম কানুন গুলো অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে সেই দিকেও একজন এইচ আরকে খেয়াল রাখতে হয়। এটা এইচ আর দের কন্ট্রোলের বাহিরের একটা বিষয়।

▪ব্যয় নিয়ন্ত্রণঃ কোম্পানি যে সেক্টরগুলো তে সবথেকে বেশি কস্ট কনজিউম করে তার মধ্যে একটা হলো হিউম্যান রিসোর্স। একটা কোম্পানির যখন লস হওয়া শুরু হয় তখন কোম্পানি তার কর্মীদের আগে ছাঁটাই করা শুরু করে। তাই এইচ আর টিমকে সব সময় বুঝে শুনে কর্মী নিতে হয়। কারণ কর্মী সংখ্যা বেশি হয়ে গেলে তা কোম্পানির জন্য ব্যয়বহুল আবার কম হয়ে গেলে তা কোম্পানির কাজকে ব্যাহত করবে।

▪এক্সপার্টস নিয়োগঃ এখানে এক্সপার্ট বলতে বোঝানো হচ্ছে স্বতন্ত্র দক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদের বিন্যাস ঘটানো। যেমন ইম্পলয়িদের মধ্যে কাউকে মার্কেটিং এ, কাউকে ফাইন্যান্স এ, কাউকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে ইত্যাদি সেক্টর গুলোতে এক্সপার্ট হতে হবে। একটা কোম্পানিতে অবশ্যই সবাই সম স্কিল সম্পন্ন মানুষ থাকতে পারে না। এই পুরো ব্যপারটা এইচ আর টিমের উপর নির্ভরশীল।

▪কর্মীদের মোটিভেটেড রাখাঃ ক্যাম্পাসের একজন সিনিয়র ভাইয়া বেশ কিছু দিন হলো জবে জয়েন করেছেন। উনার মাইডেতে একবার দেখলাম কোম্পানি থেকে ফোন গিফট করেছে, আবার দেখলাম ইয়ার বাটস গিফট করেছে। আমি ভাবতাম কোম্পানির কি টাকা বেশি হয়ে গেলো নাকি! আসোলে এগুলো ইম্পলয়িদের মোটিভেট করার এক একটা পন্থা। ইম্পলয়িরা কোম্পানির প্রতি যত ডেডিকেটেড থাকবে ততো কোম্পানির লাভ আর এই ইম্পয়িদের চাঙ্গা রাখা, মোটিভেটেড রাখা, ডেডিকেটেড রাখা এইচ আর প্রফেশনালদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ।

▪কাউন্টার প্রোডাক্টিভিটি কন্ট্রোলঃ কোম্পানিতে সময়ের সাথে সাথে এমন কিছু মানুষের উৎপাত শুরু হয় যারা নিজেরাও প্রোডাক্টিভ না আবার অন্যদের ও প্রোডাক্টিভ হওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে। এইচ আর টিমকে এই ব্যপারগুলো খেয়াল রাখতে হয় যাতে কোম্পানিতে কাউন্টার প্রোডাক্টিভ বিহেভিয়ার চর্চা কোনো ভাবেই না হয়।

একজন এইচ আর এর লাইফে চ্যালেঞ্জেস এর শেষ নাই। কোম্পানিতে কর্মী নিয়োগের প্লান থেকে শুরু করে, নিয়ন্ত্রণ এবং ছাঁটাই সবই ঐ কোম্পানির এইচ আর টিম নির্ধারণ করেন। তবুও বলার অপেক্ষা রাখে না যে যেখানে কষ্ট বেশি সেখানে মূল্যায়নও বেশি।

একজন এইচ আর প্রফেশনালের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি নেতৃত্বগুণ, ধৈর্য্য, সদালাপ, সমস্যা সমাধানে পারদর্শিতা এবং দেশের শ্রম আইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হয়।

আপনি এইচ আরে ক্যারিয়ার গড়তে চান? এই চ্যালেঞ্জগুলো নিতে প্রস্তুত তো?

মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক্সিকিউটিভ অব কন্টেন্ট রাইটিং টিম

যৌথব্যাবসার পরিকল্পনা ২০১৯-২০২০ | Joint business plan 2019 -2020

কন্টেন্ট মারকেটিংঃ আজকের ব্যবসায়ের অস্ত্র

ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি টার্ম হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। কন্টেন্ট মার্কেটিং বলতে মূলত বোঝায় আপনার পণ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে তাকে সম্পৃক্ত করা।এক্ষেত্রে কন্টেন্ট পরিবেশনের ক্ষেত্রে অডিও,ভিডিও,ছবি ,আর্টিকেল যেকোনো মাধ্যমকেই বেছে নেওয়া যেতে পারে।
কন্টেন্ট মার্কেটিং শতবছর ধরে চলে আসলেও প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এতে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।শুরুর দিকে শুধু গল্প বলার মাধ্যমেই পাঠকের সাথে সংযোগ স্থাপন করা হলেও এখন অডিও, ভিডিও,ইমেজ সকল মাধ্যম ব্যবহার করেই কন্টেন্ট পাঠকের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে ব্রান্ডকে আকর্ষণীয়রূপে উপস্থাপন করা হয়।এভাবে ক্রেতা তার প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়ার মাধ্যমে ক্রেতা ও ব্র্যান্ডের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠে।

আগে মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের ব্যাবহার খুবই জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু বর্তমানে ওয়েব দুনিয়া টিভি রেডিওর জায়গাটা দখল করে নিয়েছে।অনলাইনেও এডব্লকিং সফটওয়ারের ব্যবহার বাড়ছে দিনে দিনে।বিজ্ঞাপন কাজের মধ্যেই চলে আসে দেখে অনেকক্ষেত্রেই বিরক্তির উদ্রেক ঘটায়।কিন্তু কনটেন্টের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সব একসাথে পাওয়া যায় দেখে ক্রেতা আগ্রহী হন।কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো পণ্য কেনার কথা বলা হয় না।গ্রাহকের চাহিদা বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার চাওয়া সম্পর্কে তাকে সচেতন করবেন।কোন ধরনের পণ্য সে চাওয়া পূরণ করতে সক্ষম তা তাকে জানাবেন।আপনার পণ্য সেসব চাওয়া পূরণ করতে কতটা উপযুক্ত তা উপস্থাপন করবেন।এরপর গ্রাহক নিজ সিদ্ধান্তগুনে আপনার পণ্য বা সেবা নিতে উৎসাহী হবে।একারণেই কন্টেন্ট তথ্যসমৃদ্ধ, মানসম্পন্ন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কন্টেন্ট ভালো হলে সে ব্র্যান্ডের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ব্লেন্ডটেক কোম্পানির কথা।তাদের ব্লেন্ডার খুবই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ছিল।কিন্তু তবু তাদের ব্যবসা যখন লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছিল তখন তারা তাদের প্রচারের জন্য ভিন্ন কৌশলে নিজেদের হাজির করেন। তারা ইউটিউবে ‘উইল ইট ব্লেন্ড?’ নামে একটি সিরিজ ভিডিও আপলোড করা শুরু করেন। এতে তারা দেখান তাদের ব্লেন্ডারে তারা গলফ বল, মার্বেল,আইফোন যেকোনোকিছুই ব্লেন্ড করে ফেলতে সক্ষম।এতে করে গ্রাহক বুঝতে পারেন তাদের ব্লেন্ডারের মান সম্পর্কে।অন্য ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের চেয়ে ব্লেন্ডটেকের ব্লেন্ডার কেন এগিয়ে তা তাদের আর বলে বোঝানোর প্রয়োজন হয় নি। গ্রাহক নিজেই তা বিচার করতে পেরেছেন।এ প্রচারণার ফলে তাদের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

বহুআগে থেকেই গল্পের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির কৌশল চলে আসলেও তা আজও বেশ জনপ্রিয়।গল্প সহজেই মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম।মানুষ তার নিজের আবেগের মাধ্যমে গল্পকে অনুভব করতে পারেন। কন্টেন্ট মার্কেটিং এর এ গুরুত্বপূর্ণ কৌশল কাজে লাগাতে দেখা যায় ইকমার্স কোম্পানি ফ্লিপকারট কে। তাদের ওয়েবসাইটে ‘Flipkart Stories’ সেকশনে ক্রেতা বিক্রেতা দুজনেই পণ্য নিয়ে তাদের গল্প,অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।এতে করে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এছাড়া ওয়েবসাইটে নানান ব্লগে ফ্লিপকারট সম্পর্কিত নানা প্রশ্নোত্তর,শপিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা,তাদের উদ্যোগ সম্পর্কিত সকল তথ্য সাজানো আছে।এটি গ্রাহককে তাদের পণ্য কিনতে আগ্রহী করে তোলে।

ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হওয়া যেহেতু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।এ মার্কেটিং কৌশলও বেশ সময়সাপেক্ষ। তাই সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে আমাদের সৃষ্টিশীল ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্পন্ন কন্টেন্ট বানাতে হবে।

6

A glance at Digital Marketing Strategy

Do you know what a digital marketing strategy is? How are you connected to it?

According to Google, a digital marketing strategy is a plan that helps your business achieve specific digital goals through carefully selected online marketing channels such as paid, earned, and owned media. now, you may question, ‘What are digital goals?’ Well, some digital goals are given below:

  • Increasing problem and solution awareness
  • Acquiring new leads and customers
  • Activating leads and customers
  • Monetizing existing leads and customers
  • Onboarding new leads and customers
  • Building community and advocacy

Are you confused? Let us get dug into an example. Suppose company A and Company B are renowned organizations in a society. Both are harming the environment at the time of their production. Company A has started investing in the ground for awareness, but company B is not doing anything. Here, when company A is supporting its assets on the environment, not reducing its responsibility. As we know, being a company, A’s responsibility and duty are earning profit and enhancing assets. You may question, ‘How will it work for digital marketing?’
As you can see, at a time, A is making two objectives – earning profit and performing towards the environment. So, here A is marketing itself more efficiently. When A’s logo is being posted in every place, more and more people are getting attached to A’s contribution. Thus A is involved in digital marketing.

Not enough? Want another example? Okay! Being a student at the Faculty of Business Studies, University of Dhaka, I am directly connected to E-library. Robi established this library. There is a logo of Robi at the entrance of the gate. And also, there is written “Robi E-Library.” How does it work? The students of this faculty will be influenced by Robi, and many of them may want to set robi as their future goal. Thus, more and more leadership will be grown up, which will benefit Robi. This is how digital marketing turns a contribution to profit.
জোহারি উইন্ডো

কোনো ব্যক্তির মধ্যে আত্নসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম স্বীকৃত কৌশল হলো জোহারি উইন্ডো।এ মডেল ব্যক্তির নিজের সাথে নিজের এবং অন্যদের সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে। ১৯৫৫ সালে মনোবিজ্ঞানী জোসেফ লাফ্ট ও হেরিংটন ইংঘাম মানুষের সচেতনতা ও জ্ঞানের স্তরবিন্যাস করতে এ মডেল প্রবর্তন করেন। তাঁদের দুজনের নামের প্রথমঅংশ মিলিয়ে এ মডেলের নামকরণ করা হয় জোহারি উইন্ডো। জোহারি উইন্ডো মডেল দুটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়- নিজের সম্পর্কিত তথ্য অন্যদের জানানো এবং তাঁদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে নিজের লুকায়িত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারা। এবং এর ফলে পারস্পরিক বিশ্বাস গভীর হয়ে উঠে। কমিউনিকেশন স্কিল বাড়াতে চাইলে এটি বেশ কার্যকরী কৌশল।
এ মডেলে ৫৬ টি বিশেষণের একটি তালিকা দেওয়া হয় যা থেকে ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিত্বকে প্রতিনিধিত্ব করে এমন ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন।একইভাবে অন্যরাও তাকে নিয়ে যে ধারণা পোষণ করে তার ভিত্তিতে ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন। উভয়ের বেছে নেওয়া বিশেষণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এদের ৪ টি এলাকায় ভাগ করে রাখা হয়।
মুক্ত এলাকাঃ(Open Area) ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে এবং অন্যরা জানে তা এ এলাকায় থাকবে।এ এলাকায় সকল যোগাযোগ দ্বিমুখী প্রক্রিয়ায় হয় অর্থাৎ ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে অন্যদের জানান এবং অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পান। ফলস্বরূপ এ এলাকা ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য বেশ কার্যকর এবং এতে সম্পর্কগুলো গতিশীল হয়ে উঠে।
গোপন এলাকাঃ (Hidden Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে জানে কিন্তু অন্যদের কাছে গোপন করতে চায় সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। এ এলাকাকে ছোট করতে চাইলে ব্যক্তির নিজে উদ্যোগী হয়ে তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে সেসব তথ্যকে মুক্ত এলাকায় নিয়ে যেতে হবে। এতে ব্যক্তি নিজের ভয়,সংকোচ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
অন্ধ এলাকাঃ (Blind Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে না জানা স্বত্বেও অন্যরা জানেন সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা যায়। কার্যকরী যোগাযোগের জন্য এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা জরুরী। নাহয় অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাবছে তা সে বুঝতে পারবে না।
অজ্ঞাত এলাকাঃ (Unknown area)ব্যক্তির যেসব তথ্য যা তার নিজের কাছে এবং একই সাথে অন্যের কাছেও অজানা সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়।উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমেই এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা সম্ভব।এর ফলে ব্যক্তি তার সম্পর্কিত গোপন অনুভূতি বা তার নিজের গোপন প্রতিভা সম্পর্কে জানতে পারেন।
ব্যক্তি জীবনে সফল হয়ে উঠতে হলে নিজের গুণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তাই আমাদের উদ্দেশ্য হবে কার্যকরী যোগাযোগের মাধ্যমে মুক্ত এলাকার পরিধি বৃদ্ধি করা।
এলিভেটর পিচঃকি কেন কিভাবেঃ

ধরুন আপনাকে নিজের সম্পর্কে, আপনার অর্জন আর প্যাশন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো।সময় দেয়া হলো ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট।কল্পনা করুন আপনি কীভাবে বলবেন।

আমার এক বন্ধুর গল্প বলি।ওর নাম রাকিব।একদিন সে বসুন্ধরা সিটির লিফটে উঠছে।উঠেই দেখে ইগলুর সিইও স্যার ওর সামনে দাড়ানো।ওনাকে আগেও রাকিব ভার্সিটির কনফারেন্সে দেখেছে।লিফট উপরে উঠতে শুরু করেছে।রাকিব ভাবছিলো কীভাবে পরিচিত হওয়া যায় তার সাথে……

এই যে লিফটের ভেতরে অল্প সময়ে কারো সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য নিজের যে ভাষণ,এটাই এলিভেটর পিচ।ইন্ট্রোডাকশন এর সাথে এর মূল পার্থক্য হলো এলিভেটর পিচ শেষ করতে হয় খুবই কম সময়ের ভেতর, ত্রিশ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট এবং এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটা ইম্প্রেশন তৈরি করতে হয়।

রাকিবের মাথায় একটা আইডিয়া খেলে গেল।সে বলতে শুরু করলো,
“আসসালামু আলাইকুম, স্যার।আমি রাকিব আল হাসান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি ইউনিটে ৩য় বর্ষে পড়ছি স্যার।আমি আন্তর্জাতিক ব্যবসায় ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্টাডি করছি স্যার।আমার মনে হয় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর অনেক বেশি সম্ভাবনা আছে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে যাওয়ার।

স্যার,আমার মনে হয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আরো কাজ হতে পারে।আমাদের যেভাবে দেশ ও জাতিকে দেওয়া উচিত আমরা সেভাবে দিতে পারছিনা স্যার।

স্যার,কেস কম্পিটিশন করছি আর কিছু পুরস্কারও পেয়েছি।তার পাশাপাশি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সংগঠনে কাজ করছি আর আমার শক্তির দিক হচ্ছে লেখালেখি।স্যার বেশ কয়েকটা ক্লাব আমি লিটারেচার,বিজনেস কন্টেন্ট আর দক্ষতা বিষয়ক লেখালেখি করি স্যার।

স্যার,আপনাকে আমার ক্যাম্পাসে গত অনুষ্টানে দেখেছি স্যার।আপনার কথাগুলো খুব ভালো লেগেছে আমার।ভবিষ্যতেও এভাবেই অনুপ্রানিত করবেন স্যার।

স্যার,আপনার একটা কার্ড পেতে পারি?”””

এলিভেটর পিচ দেওয়ার সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখবেন।আপনি যার সাথে পরিচিত হচ্ছেন সে আপনাকে নাও চিনতে পারে অথবা পাত্তা নাও দিতে পারে।তবে আপনাকে থেমে গেলে চলবে না।নিজের পরিচয়,প্যাশন আর অর্জনগুলো চমৎকারভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে পাত্তা আদায় করে নিতে হবে।

এই এলিভেটর পিচে কিছু জিনিস আমি মাথায় রেখেছিলাম।সেগুলো হলোঃ
১.আই কন্টাক:যার সাথে কথা বলছেন।
২.বডি ল্যাংগুয়েজ:ইতিবাচক।
৩.পজিটিভিটি:প্যাশন বর্ণনায় পজিটিভ থাকতে হবে।
৪.হাসিমুখ:আপনার হাসিমুখ আপনার আত্মবিশ্বাস ফুটিয়ে তোলে।
৫.আগ্রহ:পরিচিত হওয়ার ক্ষেত্রে আপনার আগ্রহ অপর ব্যক্তিকে মুগ্ধ করবে।

আর দেরি কেন,বিষয়গুলো মাথায় রেখে আজই বানিয়ে ফেলুন নিজের এলিভেটর পিচ।প্র‍্যাকটিস করুন এবং তৈরি করুন নিজের শক্ত একটা জায়গা।
শুভকামনা।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর
▪▪এইচ আর ট্রাবলস্▪▪

5

A split of Strategic Situation Analysis

Are we all connected to strategic situation analysis? Do we make ourselves a doll of it? Or, do we make it our doll?

To know about the concept, first we need to go through what is it?. Let us go through a simple example. Suppose, you have bought a water bottle. Now, it is a matter for the company that whether you are satisfied or not after drinking it. Do you know why? Because if we become satisfied, we will want to buy that bottle again.

But you may have a question – How it is connected to the strategic situation analysis, Isn’t it?This mentality of buying is related to making more profit. It will help that organization :
1)To defeat the competitors in the market.
2) To increase the Earning Per Share (EPS)
3)To have fund for new investments to meet up the weakness that will further help in generating profit.
4)To contribute in Corporate Social Responsibility (CSR)

So,you can see in aforementioned issues,they can satisfy their both stockholders and stakeholders.

Now we have learnt that we all are related to strategic situation analysis sometime as a buyer, sometime as a stockholder, sometime as a worker, sometime as a consumer or sometime as a well-wisher.

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ২

পরদিন শুভ বাসায় এসে হাজির।বললো,দোস্ত,শুরু কীভাবে করতে হয় তাতো সেদিন শিখলাম।এরপর একটা কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করলাম।শুরু ভালোই ছিলো আমার।কিন্তু মাঝে আর দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে পারিনি।কী করা যায় বলতো?
-আচ্ছা,বুঝতে পেরেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের কিছু মৌলিক নীতি আছে।এগুলো মেনে চললে তোর পুরো পারফরম্যান্স হবে দেখার মত।
শোন তাহলেঃ
১.রিসার্চ ইউর অডিয়েন্স:
পাবলিক স্পিকিংয়ে যাওয়ার আগে অথবা শুরু করার আগে কাদের সামনে কথা বলবে সে বিষয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলে খুবই ভালো হয়।এর মাধ্যমে দর্শকদের মানসিকতা আর চাওয়া বোঝা যায়।কী করলে তারা খুশি হবেন,কোন স্টাইলে কথা বললে ভালো আর কোন গল্প তাদেরকে ফিল দেবে এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে তাদের রুচির উপর।তাই,অডিয়েন্সকে বোঝার কোনো বিকল্প নেই।
২.স্টার্টিং স্পিচঃ
এই বিষয়ে আগের পর্বেও বলেছি।পাবলিক স্পিকিংয়ের প্রথম কিছু সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাই শুরুটা একটু ইন্টারেস্টিংভাবে করা গেলে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করা সহজ হবে।এক্ষেত্রে শুরু হতে পারে টপিক রিলেটেড কোনো উক্তির মাধ্যমে কিংবা হতে পারে গল্প বা মজার কোনো তথ্য দিয়ে।সম্ভব হলে কোনো স্লোগান কিংবা হাতিতালি দেওয়ানোর মধ্যে দিয়েও শুরু করতে পারেন স্পিচ।
৩.হাউ টু এংগেজ ইউর অডিয়েন্স :
আপনি যখন কথা বলবেন তখন দর্শককে আপনার সাথে ধরে রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে যা করতে পারেন-
*খুব পরিচিত গল্প কিংবা অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।প্রয়োজনে দর্শকদের মঞ্চে আহবান করতে পারেন।ছোট ছোট খেলা খেলতে পারেন।তাতে রিক্রিয়েশনও হবে আবার দর্শকপ্রিয়তাও পাবেন।পাওয়ার অফ স্টোরি টেলিংকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগান।
*কোনো একটা রিসেন্ট ঘটনা বিশ্লেষণ করে তার উপর আপনার টপিক টা রিলেট করুন।দর্শকদের মানসিকতা বুঝে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন।
*সৃজনশীল প্রশ্ন করুন যা দর্শককে ভাবতে বাধ্য করবে।কুইজ করুন।ছোট পরিসরে পুরস্কৃত করতে পারেন।এটা দর্শককে উৎসাহী করবে।
*প্রতিটা কথায় চমৎকার উদাহরণ দেয়ার চেষ্টা করুন।দর্শকের ফিডব্যাক নেন।মনে রাখবেন দর্শকই আপনার প্রাণ।
৪.নোয়িং ইউর ভেন্যুঃ
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।আপনি যেখানে বা যে ভেন্যুতে কথা বলবেন ঐ ভেন্যু সম্পর্কে আগে থেকে খোজ-খবর নেয়ার চেষ্টা করবেন।পারলে আগে থেকে মঞ্চটা দেখে আসবেন।স্টেজের উপরে হাটবেন।তাতে সাহস বাড়বে,জড়তা কমবে।
৫.রিসার্চ ইউর টপিক:
আপনি যে বিষয়ে কথা বলবেন ঐ বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণ পড়াশোনা করে যান।পরিসংখ্যানিক তথ্যগুলো ভালো মত মনে রাখুন।আর মনে রাখবেন,যত পড়বেন,যত প্র‍্যাকটিস করবেন ততই ভালো হবে আপনার পারফরম্যান্স।
৬.যোগাযোগঃ
পাবলিক স্পিকিংকে দ্বিমুখী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করুন।দর্শকের সাথে সার্বক্ষণিক ফলো আপ বজায় রাখবেন।এটা কিন্তু আপনার জন্যে বড় একটা সুযোগ অনেকগুলো মানুষের সাথে একবারে নেটওয়ার্কিং করার।
৭.স্টেজে রাজত্ব করুন,নিজের করে নিনঃ
যতক্ষণ মঞ্চে আছেন,আত্নবিশ্বাসী হোন।আপনার প্রস্তুতি আছে কি নেই এটা কোনো ব্যাপারই না।ব্যাপার হচ্ছে আপনি তাৎক্ষণিক ভাবে পরিস্থিতি কতটুকু হাতে রাখতে পারছেন।দিনশেষে যতক্ষণ মঞ্চে আছেন ততক্ষণ আপনিই রাজা এটা মনে রাখবেন।
৯.হাসিঃ
হাসি আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। মুচকি হাসি দিন।সবার সাথে সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করুন। আপনার সম্মান বাড়বে আর পাবলিক স্পিকিংয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।
বুঝলি শুভ, এই জিনিসগুলো খেয়াল রাখবে পাবলিক স্পিকিংয়ের সময়।এর মাধ্যমে সহজেই দর্শকের মন জয় করা সম্ভব।আর স্পিচ কিভাবে শেষ করতে হয় সেটা পরদিন(আগামি পর্ব) বলবো।কেমন?
-ঠিকাছে।ধন্যবাদ ভাই।
আর হ্যা,রেগুলার প্র্যাকটিস করো কিন্তু।এগুলোকে আয়ত্তে আনতে রেগুলার প্র্যাকটিসের বিকল্প নেই।
শুভকামনা।
হ্যাপি রিডিং।
-Mahtab Abdullah Monjur

1

5 A’s in Tourism:


The tourism industry as a whole survives because of various tourism products and services. The tourism industry is flexible. The products of tourism cannot be easily standardized as they are created for the customers of varied interests and demands. That’s making the marketing strategy of companies very difficult, but the tourism products very strong. As tourism products are mainly the tourists’ experience, they can be stored only in the tourists’ memories. Yet, souvenir products can keep some parts of the memories in them! Shaping the value offerings for tourism, we need to consider -apart from the marketing strategy- the 5 A’s of tourism: These are: Attraction: It includes all those factors which attract a tourist. It could be a place, nature, lakes, beaches, monuments, etc. Accessibility: It is how to access or reach that place of attraction. Ways to reach. Accommodation: Place to stay or accommodate while traveling for rest or overnight stays. Amenities: All the other services which we require while traveling for good and comfortable living while traveling, such as food, drinking water, sanitary, etc. Activities: It includes actions which a place or attraction holds such as nature walks, history & architecture, boating, views, health, etc. All the above are significant components that are taken into account in setting the branding strategy for the services and products of tourism

আমরা কোন কিছুকে যতটা সহজ ভাবি সেটা যেমন অতটা সহজ নয়,তেমনি কোন কিছুকে যতটা কঠিন ভাবি সেটা অতটা কঠিনও নয়।
.
আসলে সবকিছুই মনের ব্যাপার।
.
চেষ্টা আর কৌশলে কঠিনকে যেমন সহজ করা যায় তেমনি ভয় ও চিন্তা সহজকে কঠিন করে দেয়।

জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

affiliate_marketing

“Touch of Affiliate Marketing”

If Opportunity doesn’t knock, build a door.
Affiliate marketing is like a door for companies to promote their products.
Let’s start with an example, suppose I have a fashion house. I have pursued general marketing strategies but it’s not reaching a large scale. On the other hand, you have a popular YouTube channel.
The affiliation will occur when I will contact you to promote my products through your YouTube channel and in exchange for I will pay you a percentage of my sale revenue, as simple as that.
Now the question is if only YouTubers can do affiliate marketing and earn money? The answer is ‘no’. You might be a blogger and earn through affiliate marketing.

Some e-commerce websites in Bangladesh offers affiliate marketing. For example, I can name Daraz, BDSHOP, BAGDOOM.com, etc.

Affiliate Marketing is a popular tactic to drive sales and generate online revenue. It’s highly beneficial for both brands and affiliate marketers. Many of us are aware that, in Bangladesh YouTube channels generally make money via Google add scenes, which doesn’t borrow in a good amount. In contrast to that, in most countries, Affiliate marketing is the main income stream for YouTubers.
“Affiliate marketing has made business millions and ordinary people millionaires.”

  • Bo Bennet

There is a 10.1% increase in affiliate marketing spending in the United States each year, meaning that by 2020, that number will reach $6.8 billion. But in Bangladesh, we can’t observe that much focus on this incredible marketing approach.
Special note:
Hope you have a basic understanding of Affiliate marketing now. If want to know further please let me know.

-Moriom Binta Azad Bijoyee
Executive
Content Development Team

Presentation slide, Presentation software, Presentation speech, How to start a presentation, Presentation topics, প্রেজেন্টেশন কিভাবে শুরু করতে হয়, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কি, প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে কি বলে, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার এর গুরুত্ব, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডাউনলোড, Prezi, Canva,

প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার হিসেবে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কর্মক্ষেত্রে নিজের ভাবনা, গবেষণা বা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করি।বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত প্রেজেন্টেশন সফটওয়ারের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ।প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করেন। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশনমূলক স্লাইড তৈরি করা যায়।যা পরবর্তীতে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্দায় প্রদর্শন করা যায়।
১৯৮৭ সালে ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য Presenter নামক একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম তৈরি করেন।ট্রেডমার্কজনিত কারণে রবার্ট গাস্কিন্স এর পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় Powerpoint. সে বছরেই মাইক্রোসফট এটিকে কিনে নেয়। ১৯৯০ সালের ২২ মে মাইক্রোসফট পাওয়াপয়েন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয়ে ১২ টিরও বেশি সংস্করণ এসেছে। উইন্ডোজ,এপলের সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্টের এন্ড্রয়েড ভার্সনও বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে চাইলে অফিস 365 থেকে নেওয়া যেতে পারে অথবা মাইক্রোসফট স্টোর থেকে সরাসরি মাইক্রোসফট অফিস স্যুট কিনে ব্যবহার করা যায়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোনো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।স্টাডি অনুসারে প্রতিটি প্রেজেন্টেশন তৈরিতে গড়ে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রির্পোট স্লাইডের মাধ্যমে উপস্থাপন করে অতি সহজে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, কর্মীদের প্রোগ্রেস রিপোর্ট বা কোনো প্রজেক্ট আইডিয়া বোঝানো সম্ভব হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য আকর্ষণীয় স্লাইডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী করা যায়। এ করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকের অনলাইনে ক্লাসের কোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে পারছেন সহজেই।পাওয়ার পয়েন্টের বিশেষত্ব হলো- এর মাধ্যমে টেক্সটের সাথে যে কোন ধরনের চলমান ছবি, শব্দ যুক্ত করা যায়।পরবর্তীতে উক্ত ছবি বা শব্দসমূদ্ধ টেক্সটগুলোকে এনিমেশন আকারে দেখানো যায়।পাওয়ার পয়েন্টে দেড়শর অধিক টেমপ্লেট বা ছাঁচ রয়েছে যার সাহায্যে দৃশ্যগত উপস্থাপনা বা স্লাইড নির্মাণ করা হয়।স্লাইডের উপস্থাপনা সুন্দর করার জন্য এতে থাকা। বহু রঙের প্যালেট ব্যবহার করা যায়।পাওয়ার পয়েন্টে একই সঙ্গে লেখা, সারণি, নকশা ও ছবির ব্যবহার করা যায়।পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন পরিমার্জন,সংশোধন ও সংরক্ষণ করা যায়।প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্টও করা যায়। প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব থেকে সরাসরি যেকোনো ভিডিও ওয়েবসাইট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উপাস্থাপন করা যায়।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
    কন্টেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
e

E-commerce industry in Bangladesh

Future of E-commerce in Bangladesh E-commerce is nowadays a trendy growing sector. Still, the stability and expansion of the business or industry is just a matter of time. After some years, the existing companies will grow bigger than now. Seeing the success, more will be encouraged to start in the future. So there will be a decent number of companies in a certain amount of period. This type of company is now going through the embryonic stage; they create and expand the target market and be familiar with the market. Precisely, people will accept it more willingly after some years for the mobility of the entire process. This can be the panacea considering the situation of high traffic jams in Dhaka city. This will also penetrate the global platform and compete with international companies by expanding the international market. So the growth of the E-commerce sector in Bangladesh is expected to increase exponentially in the next following years. The blessing of technology has created a buzzword called “E-commerce,” which recently inspired people to be self-employed in the e-commerce sector.

Some types of e-commerce businesses as “online shopping”, “online cosmetics”, “online electronics” have been favored to start their business. According to research, “electronics and groceries will reach 25% growth in online sales”. The food business is also the most popular in Dhaka city, with a 25% growth. In this sector, “Foodpanda” “Hungrynaki,” has become prominent by their service. Even in Quarantine, people are getting more connected to e-commerce. For example, many people are losing jobs, along with getting locked in the house. In this situation, they, to earn money, get attached to social business. They use social platforms for disturbing their products. It is quite an easy way to do business and gain profit.