14

জীবনে যদি শৃঙখলা আনতে চান তবে….

মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু শক্তির জায়গা আছে,প্রতিভা আছে।যে কেউ চাইলেই করতে পারে অনেক বড় কিছু যা হয়তো আপাতদৃষ্টিতে ভাবাই কঠিন।কিন্তু এসব অর্জন কিন্তু কখনোই সহজ নয়।এর জন্য প্রয়োজন একাগ্রতা,অধ্যবসায় আর কঠিন শৃঙখলা।সময়কে কাজে লাগানোকে শৃঙখলার অন্তর্ভুক্ত করা গেলে সফলতা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে আসি জীবনে শৃঙখলা অর্জনের কিছু পন্থা!

প্রথমেই আপনার সবচেয়ে বড় দূর্বলতাগুলো খুজে বের করুন। মানসিক প্রস্তুতি নিন দুর্বল জায়গাগুলোতে সময় দেয়ার।দুর্বলতা হতে পারে অধিক পরিমাণে প্রযুক্তিপণ্যে সময় দেয়া কিংবা পড়াশোনার অভ্যাস না থাকা কিংবা কোনো নির্দিস্ট বিষয়ে দখল কম থাকা। দুর্বলতা হতে পারে মানসিক বা বৈষয়িক, খুজে বের করুন এবং লিখে রাখুন।

এবার আগের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে সহজ কিছু অভ্যাস তৈরি করুন।উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবে।ধরুন আপনি এখনকার দিনে রাতে ১০ ঘন্টা ঘুমান।এটাকে একবারে ৬ ঘন্টায় নামিয়ে না এনে প্রাথমিকভাবে ৯ ঘন্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন।এক্ষেত্রে দৃড় থাকতে হবে।মনে রাখতে হবে “যেভাবেই হোক আমি ৯ ঘন্টার বেশি ঘুমাবো না।এ অভ্যাস হয়ে গেলে ঘুম ৮ ঘন্টায় নামিয়ে আনুন।প্রযুক্তি পণ্যে বেশি সময় দেয়ার অভ্যাস থাকলে তাও ধীরে ধীরে কমান।একবারে চাপ নিলে সহজেই হতাশ হয়ে যাবেন।আরেকটা কথা বলে রাখি, কাজের সময় মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসপত্র দূরে রাখুন।

এখন যার কথা বলবো সেই জিনিসটা আমাদের খুব পরিচিত।সেটা হলো নিজকে পুরস্কৃত করুন।কোনো কাজ আগের দিনের চেয়ে ভালোমতো করতে পারলে অথবা কম সময়ে অথবা কোনো কাজ শেষ করতে পারলে নিজকে পুরস্কৃত করুন।বিজ্ঞান বলে এ ধরনের পুরস্কার মস্তিষ্ককে সফল হতে এবং পুরস্কৃত হতে উদ্দীপ্ত করে।তাই হাতের কাছেই রাখুন প্রিয় কোনো খাবার বা চকোলেট।কাজ শেষে বলুন “আমি পেরেছি এবং এটা তার পুরস্কার”।

একটা নিজস্ব মানদণ্ড নির্ধারণ করুন।একটা তালিকা তৈরি করুন যে আপনি প্রতিদিন এই কাজগুলো এতো সময় ধরে করবেনই।যেমন আপনি মাঝেমধ্যেই ৬ ঘন্টা পড়াশোনা করতে পারেন কিন্তু আপনি মানদণ্ড রাখলেন দৈনিক ৪ ঘন্টা পড়াশোনা। এই পর্যায়টা আপনার যথেষ্ট ধৈর্যপরীক্ষা নেবে।নানারকম বাঁধা আসবে।দৃঢ় থাকতে হবে আল্টিমেট গোলের কথা ভেবে।

প্রত্যেকটা কাজের সময় বেঁধে এলার্ম দিয়ে রাখুন।অনেক কাজেই আমরা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় দিয়ে ফেলি।এজন্যই মূলত টাইম ম্যানেজমেন্টে সমস্যা হয়।আপনি ফোন নিয়ে বসলেও এলার্ম দিয়ে রাখুন। আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এলার্ম ঘড়িটা রাখবেন একটু দূরে যাতে আপনার জায়গা ছেড়ে উঠতে হয়।এলার্ম বন্ধ করতে গিয়ে আপনার অনুভূতি ফিরে আসবে।

সব পরিস্থিতিতে নিজকে মানিয়ে নেয়া শিখুন।একদিন পড়া কম হতেই পারে।তাই বলে হতাশ হলে চলবেনা।আর সিদ্ধান্ত নিন আপনার নিজের সামর্থ,ভালোলাগা খারাপ লাগা, ক্যারিয়ার বিবেচনা করে।তাহলে আপনাকে হতাশ হতে হবেনা,মনে জোর পাবেন।

সবসময় সামনে তাকান। অতীতের ভুলগুলো ভুলে যান।শুধু সেখান থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাটাকে কাজে লাগান।শৃঙখলা এমনিতেই চলে আসবে জীবনে।

শুভকামনা রইল সবার জন্য।

-Mahtab Abdullah Monjur

12

ভিডিও কনফারেন্সিং টুল কথনঃ

করোনার এই সময়টা সবার জন্যেই বিরক্তিকর। হোম কোয়ারেন্টিনের গৃহবন্দী অবস্থা আর কয়দিনই বা ভালো লাগে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছেনা খুব তাড়াতাড়ি পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আর এদিকে অফিস-আদালত সব বন্ধ। খুব বেশিদিন বন্ধ রাখলে তো সমস্যা। তাহলে উপায়?

এই সময়ে অফিসে যেতে না পারলে, জরুরি মিটিং উপস্থিত থাকতে না পারলে কিংবা কারো সাথে সশরীরে দেখা করতে না পারলেও খুব একটা সমস্যা নেই। প্রযুক্তি এই সমস্যাটাকে সমাধান করেছে খুব সুন্দর ও সাশ্রয়ীভাবে।

এক্ষেত্রে বেশ কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের মাধ্যমে যখন খুশি তখন অনেক মানুষেকে নিয়ে একসাথে মিটিং ও যোগাযোগ করা যায়।তাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজও ঠিক থাকে আবার উৎপাদনশীলতাও কমেনা খুব একটা। নিচে পরিচয় করিয়ে দেবো তেমনই কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটের সাথে

Gotomeeting : পেশাদার ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট বলতে যা বোঝায় এটা তেমনই। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানে মিটিং করতে কোনো পিন বা কোড লাগেনা। সরাসরি কলেই যুক্ত হওয়া যায়। এটা এপ হিসেবে ফোনেও ব্যবহার করা যায়।

Join me : এই সাইটের মজার বিষয় হচ্ছে এখানকার একটা ফিচার ভিডিও বাবলস। এটা ব্যবহার করে আড্ডাকে আরো আনন্দদায়ক করা যায়।

Webex : এই সাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও ও অডিও কল করা যায়। এই সাইটের একটা বিশেষত্ব হলো এখানকার কলে ফোন নম্বরের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া যায় এবং অপর কাউকেও কলে আমন্ত্রন জানানো যায়।

Skype : স্কাইপি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও কনফারেন্সিং সাইট।এখানে নিজস্ব ইউয়ারএল এড্রেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।এখানে ক্রপ এবং মিউট করার সুবিধাও আছে। এছাড়া মিটিং রেকর্ড করা, পোল তৈরী করার মতো কাজও করা যায় এখানে। সর্বোচ্চ ২৫০ জন লোক একসাথে মিটিং করতে পারে স্কাইপি তে।

Ringcentral : রিংসেন্ট্রাল সাইটের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, বার্তা প্রদান, কোলাবরেশন করা যায়। এ দিক থেকে একে একের ভেতর সব বলা যেতে পারে। এখানে একইসাথে ২০০ মানুষ ট্রেইনিং ও মিটিং করতে পারে। এছাড়া এখানে সব ধরনের ফাইল, এপ শেয়ারও করা যায়। চ্যাট করার সুবিধাও আছে এখানে।

Bluejeans, Lifesize : ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য এই সাইটগুলোও চমৎকার। সহজ ও উচ্চমানের ভিডিও-অডিও ব্যবহার করা যায় এই সাইটগুলোয়।বিশেষ করে ভার্চুয়াল ট্রেনিং বা সেমিনার আয়োজনে এই সাইটগুলোর জুড়ি নেই।

Zoom : জুমে একাধারে ভিডিও-অডিও কনফারেন্সিং ও চ্যাটিং করা যায়। এই সাইটের সেবা খুবই উচ্চমানের।

Visiple : এই ভিডিও কনফারেন্সিং সাইটটিতে এক ক্লিকেই মিটিংয়ে যোগদান, আমন্ত্রণ সহ অনেক কাজ করা যায়।

আপনি যখন-যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন এই সাইটগুলোর মাধ্যমে সেরে ফেলতে পারবেন যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, ট্রেইনিং বা সেমিনার।ভেন্যুতে না গিয়েই আপনি উপকৃত হতে পারবেন শতভাগ, শুধু দরকার হবে একটা ইন্টারনেট সহ ডিভাইস। ব্যাস! আর দেরি কেন। আপনার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং কিংবা অন্যান্য যোগাযোগ করে ফেলুন আরো সহজে। উপায় তো উপরেই আছে!

শুভকামনা।

-Mahtab Abdullah Monjur

1

দীর্ঘসূত্রীতা বা গড়িমসি থেকে মুক্তি পেতে চাও?

আমি গত কয়েক দিন ধরে একটা কাজ করবো বলে ভাবছি।কিন্তু কাজটা কোনোভাবে করাই হচ্ছেনা।কী এক যন্ত্রনা! শেষে খাতা-

কলম নিয়ে বসে পড়লাম।মাথায় কিছু আইডিয়া আসছে।কীভাবে এই গড়িমসি ভাবটা দূর করা যায় খাতায় লিখে ফেললাম সেগুলো।

আমার আইডিয়াগুলো ছিলো-

১.যে কাজটা করছি সেটাকে বিশ্লেষণ করবো।আগে বুঝতে হবে কাজটা আমি কেন করছি,কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে করছি আর আমার জীবনে এর প্রভাব কী। যেমনঃ আমি পড়ছি কারণ আমি বড় একটা চাকরি পেতে চাই।এক চাকরি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে।

২.খেয়াল করবো যে কাজে গড়িমসি করছি তা আমার জীবন আর সন্তুষ্টির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?সেটার প্রতি কি আমার

আবেগ জড়িত?

সেটাকে কি সত্যিই আমি মনেপ্রাণে চাই?

সেটা কি আমার মূল্যবোধের সাথে যায়?

এই বড় চাকরি এই সবগুলো প্রশ্নেরই পজিটিভ উত্তর দেয়।তাই বড় চাকরি পেতে আমি পড়াশোনা করছি।

৩. আমাকে মাঝমধ্যেই বিমর্ষতা আর অনাগ্রহীতা ঘিরে ধরে।সেক্ষেত্রে আমি তা দূর করার জন্যে যা যা লাগে সব করবো।

যেমনঃব্যায়াম,ঘুম বা শখের কাজ করবো তাতে আমার মন ভালো হবে আর সঙ্গে সঙ্গেই কাজের কাজটা করা শুরু করে দেবো।

৪.অপ্রয়োজনীয় ও মনোযোগ ছিন্নকারী জিনিসগুলো দূরে রাখবো।যেমনঃ মোবাইল। আর যা পড়ছি তার বাইরে চোখের সামনে আর কোনো বই রাখবো না।

৫.যে কাজ বা পড়া করবো তার একটা সামগ্রিক আউটলাইন তৈরি করবো।সিলেবাস যাকে বলে। আর পড়তে বসে আগামী ৩-৪ ঘন্টায় কী কী পড়বো তার একটা তালিকা করবো।

৬.টু-ডু লিস্ট তৈরী করবো এবং এই লিস্টকে ৩ টা করে কাজে ভাগ করে নেব।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ টা কাজ সবার আগে,তারপর পরের ৩ টা এভাবে রাখুন। ৭.প্রোমোডোমো কৌশলে কাজ করবো।এ কৌশলে একটানা ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট রেস্ট আবার ২৫ মিনিট কাজ করে ৫ মিনিট বিশ্রাম নেবো।তাতে মনোযোগও থাকবে আবার কাজের মানও বাড়বে।

আর কোনো কাজ শেষ করতে পারলে নিজকে পুরস্কৃত করবো আমার প্রিয় খাবার চকোলেট দিয়ে।

৮.গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি অনুসরণ করবো।এ পদ্ধতিতে একটা কাজ পুরোপুরি শেষ না করে অন্য কাজ করা নিষেধ। এই পদ্ধতি মনোযোগ বাড়ায়।

৯. সব কাজে পারফেক্ট হওয়ার চিন্তা করবোনা।কারণ এটা অতিরিক্ত চাপের সৃস্টি করে। আর কাজে অনীহা আর ভীতির সৃস্টিকরে।

১০. কাউকে আমার উপর নজর রাখতে বলবো।এটা খুবই কার্যকরী একটা পদ্ধতি।কারণ অনেক সময় আমার কাজ করতে ইচ্ছা

করবেনা।এক্ষেত্রে কেউ আমার কাজে নজর রাখলে জোর করে হলেও কাজটা আমাকে করতে হবে।

১১.নিজকে অতীতের জন্যে ক্ষমা করে দেবো।কারণ আমার অতীত আমাকে দুঃখ দেবে আর তা নতুন উদ্যম সৃস্টির অন্তরায়।

১২. দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে সময় ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দেবো। একটা বেঁধে দেওয়া সময়ের পর ঐ কাজটা আর করবো না।

১৩. আউটসাইড দ্যা বক্সে চিন্তা করবো।আত্মবিশ্বাস থাকলে কাজ অনেক দ্রুত করা যায়।তাই সবকিছুতে জেতার মানসিকতা

তৈরি করতে হবে।

এভাবে ৩ সপ্তাহ কাজ করার পর দেখা গেলো আমার আর প্রক্রাস্টিনেশনের সমস্যা হচ্ছেনা।তাই শেয়ার করে ফেললাম আপনাদেরসাথে। আপনারাও কিন্তু এগুলো জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন।পজিটিভ রেজাল্ট পাবেন;সে গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি। শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি, জীবনের কঠিন বাস্তবতা, জীবনটা অনেক কঠিন, খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস, আজ টাকা নেই বলে, নিজেকে সময় দেওয়া, খারাপ সময় নিয়ে কবিতা, খারাপ সময় নিয়ে হাদিস, মন খারাপ স্ট্যাটাস, জীবন খুব কষ্টের, সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে english translation, প্রকৃত সুখ কোথায়, সুখ কি কবিতা, সুখের, সুখ নিয়ে উক্তি, বুলেটের চেয়ে ব্যালট বেশি শক্তিশালী, না বলা ভালবাসা, না পাওয়ার কিছু কথা, কিছু না বলা কথা কবিতা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি কবিতা, আমার ভাবনায় শুধু তুমি, সারাক্ষণ তোমাকে মনে পড়ে, জীবনে চলার পথে বাধা আসবেই, জীবনের কঠিন সময় নিয়ে উক্তি, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপায়, জীবনের ডায়েরি,

Being A Thought Leader.

The only way to do that is to bring new ideas and thought leadership to the organization. One of my favorite ways to do this is a concept called “finding the bright spots” from the book by Chip and Dan Heath. The idea is to take big problems and solve them with small solutions. If Learning and Development can identify big organizations problems and look for individuals or solving or achieving them, there is an opportunity to be a thought leader and bring these small bright spots to the masses.
Being An Innovator. Innovation and thought leadership go hand in hand. If you are looking for bright spots and bringing new ideas to the organization, you will then have the ability to introduce innovation that aligns with learner demand. Things such as learning platforms, social learning, microlearning, etc.: There has never been a time in my lifetime with more innovative ideas happening around learning.
Flawless Execution. One simple way to do the opposite of being valuable is taking months, if not years, to bring new programs or new technology to bear. I hear it all too often; “Training isn’t relevant” or “That would have been useful last month”. Being able to identify and execute on a learning opportunity in a timely manner is vital if you want to make Learning and Development the center of your organization. Speed, speed, speed! It’s time to get programs and technology to 80% and perfect it over time. Trying to be perfect prior to an initial roll-out will cause paralysis by analysis and ultimately will drag out timelines and effectiveness.
The world around us is causing your Learning and Development department to be more important than ever. You don’t have to sell anyone on it, but you do have to have the vision and ability to execute it. Make these 3 elements a core part of your daily work life and you will make your Learning and Development department more valuable.

-Mohaiminul Sadat

2

পাবলিক স্পিকিংয়ের রহস্যভেদঃ পর্ব ১

এবার আমাদের সামনে নিজের সম্পর্কে বলবেন মি. শুভ।(হাততালি)।সবাই তো হাততালি দিচ্ছে কিন্তু আপনার তো ভেতরে ভেতরে বারোটা বেজে যাচ্ছে।এখন আপনাকে অনেকগুলো লোকের সামনে কথা বলতে হবে।আপনি নিশ্চয়ই জানেন এটাকেই পাবলিক স্পিকিং বলে।দশজন লোকের সামনে তাদের মন মানসিকতা বুঝে তাদের সাথে কথা বলাই পাবলিক স্পিকিং।
মি. শুভ কথা বলতে পারলো না।আমতা-আমতা করতেই করতেই তার সময় শেষ। বাসায় ফিরে সে ভাবলো “আজ থেকে যে করেই হোক পাবলিক স্পিকিংটা শিখেই ছাড়বো”!বিকেলে আসলো আমার কাছে।
পাবলিক স্পিকিংয়ে পারদর্শী হতে হলে কয়েকটা কথা মনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে আওড়াতে হবে।সেগুলো হলোঃ
১.সবাই আমাকে শুনছে,আমাকে ভয় পেলে চলবে না।
২.আমিই এই স্টেজের রাজা।এখানে আমার কথামতো সব হবে।আর রাজারা ভয় পায় না।
৩.আমার প্রস্তুতি আছে কিনা তা দর্শকেরা জানেনা।তাদের একথা বলবো না বরং তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করবো।
৪.দর্শককে আমার সাথে যুক্ত করবো,তাকে কাজে লাগাবো,প্রশ্ন করবো,তাতে আমার কাজ সহজ হয়ে যাবে।
৫.আমার পা কাঁপতে পারে,হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে কিন্তু আমি তা কাউকে বুঝতে দেবোনা।
শুভ মাথা নাড়লো,মানে সে বুঝেছে।সে পাল্টা প্রশ্ন করলো ” আচ্ছা,পাবলিক স্পিকিংটা শুরু করতে আমার ঝামেলা লেগে যায়,কি থেকে কি বলবো জট পাকিয়ে যায়। কি করা যায় বলতো?
অহ আচ্ছা,এই কথা।শোন তাহলে-
বক্তব্য শুরু করার অনেক চমৎকার চমৎকার পদ্ধতি আছে।আর প্রথম ত্রিশ সেকেন্ড কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারণ এই সময়ের মধ্যেই দর্শক সিদ্ধান্ত নেবে বাকি সময়টা সে তোর কথা শুনবে কিনা।তাই শুরুটা করতে হবে যতোটা পারা যায় চমৎকারভাবে।
সেটা কিরকম,শুভর চোখে কৌতুহল।
আচ্ছা শোন,সব স্পিচের খুব সাধারণ শুরু হলো নিজের পরিচয় বলে শুরু করা।এক্ষেত্রে তুই অন্যকিছু দিয়ে শুরু করতে পারিস।আচ্ছা,তোর গ্রামের বাড়ি যেনো কোথায়?
-বাগেরহাট
আচ্ছা,ধর তুই স্টেজে উঠেই প্রশ্ন করলি,”আপনারা বলেন তো ষাট গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত””?
সবাই বলবে “বাগেরহাট”।তখনই তুই বলবি আচ্ছা,আপনারা জানেন ষাট গম্বুজ মসজিদের আসলে গম্বুজ কিন্তু একাশিটা।আমি বাগেরহাট নিয়ে এতো কথা কেন বললাম জানেন?কারণ আমার বাড়ি বাগেরহাট।
এই যে দেখ এই স্টার্টিং কি সাধারণ শুরুর চেয়ে মজার না?
আবার ধর তুই শুরু করলি একটা মজার কথা দিয়ে।এভাবে ”আপনারা জানেন কি, পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ মানুষ পাবলিক স্পিকিংকে ভয় পায়-আমি ছাড়া!আমি মি.শুভ…..
অথবা,এভাবে….একটা মানুষ পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল ও চিন্তাভাবনা করে কাজ করে।সে সবসময় স্বপ্ন দেখে ভালো মানুষ হবার।যে মানুষটার কথা বলছিলাম সে হচ্ছে আমি নিজে,শুভ…..
এভাবে কোনো প্রশ্ন,ফ্যাক্ট বা তথ্য কিংবা মজার কিছু দিয়ে শুরু করতে পারলে সবাই তোর প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠবে।
আর এক্ষেত্রে এবিসিডি মেথড মনে রাখতে পারিস।
A-Attention
B-Benefit
C-credibility
D-direction
আর কি করা যায় পাবলিক স্পিকিংয়ের শুরুতে?
আচ্ছা,শোন,তুই যদি শুরুতেই সবার মধ্যে একটা ভাইবস আনতে পারিস তাহলে তোর কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।এক্ষেত্রে তুই কোরাস/স্লোগান দিয়ে শুরু করতে পারিস যেটা সবাইকে উজ্জীবিত করবে।যেমনঃ
“আমরা সবাই একসাথে
জেগে উঠবো একনিমিষে”।
কিন্তু একটা কথা।প্রোগ্রামের দর্শক কারা সে বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে আর কথা বলার কন্টেন্ট আগে থেকে গুছিয়ে রাখা ভালো।
দর্শকদের এনগেজমেন্ট ধরে রাখবো কিভাবে?
-সে কথা পরের পর্বে বলব।সেই পর্যন্ত এভাবেই প্র‍্যাকটিস করতে থাক।
-ধন্যবাদ বন্ধু
-শুভকামনা

-Mahtab Abdullah Monjur

15

International business: Cover in Ins

International business is a vast term in today’s world. The basis of change and connect the world is international trade or business. It has so many perspective values. International business is important in economical, geopolitical, social perspectives.
International business:
International business refers to the trade of goods, services, technology, capital and/or knowledge across national borders and at a global or transnational scale. It involves cross-border transactions of goods and services between two or more countries. Transactions of economic resources include capital, skills, and people for the purpose of the international production of physical goods and services such as finance, banking, insurance, and construction. International business is also known as “globalization”.
“International business” is also defined as the study of the internationalization process of multinational enterprises. A multinational enterprise (MNE) is a company that has a worldwide approach to markets, production and/or operations in several countries.
Factors:
Multinational enterprises range from any kind of business activity or market, from consumer goods to machinery manufacture. To conduct business overseas, companies should be aware of all the factors that might affect any business activities, including: difference in legal systems, political systems, economic policy, language, accounting standards, labor standards, living standards, environmental standards, local cultures, corporate cultures, foreign-exchange markets, tariffs, import and export regulations, trade agreements, climate, and education. Each of these factors may require changes in how companies operate from one country to another. Each factor makes a difference and a connection.
Operations:
All firms that want to go international have one goal in common; the desire to increase their respective economic values when engaging in international trade transactions. To accomplish this goal, each firm must develop its individual strategy and approach to maximize value, lower costs, and increase profits. A firm’s value creation is the difference between V (the value of the product being sold) and C (the cost of production per each product sold).
Once a firm decides to enter a foreign market, it must decide on a mode of entry. There are six different modes to enter a foreign market. The firm must decide which mode is most appropriately aligned with the company’s goals and objectives. The six different modes of entry are exporting, turnkey projects, licensing, franchising, establishing joint ventures with a host-country firm, or setting up a new wholly owned subsidiary in the host country.
Types of operations:
There are two types of operations. They are-

  1. Export: An export in international trade is a good or service produced in one country that is sold into another country. The seller of such goods and services is an exporter; the foreign buyer is an importer.
  2. Import: An import is a good or service produced in one country that is bought by another country. In international trade, the importation and exportation of goods are limited by import quotas and mandates from the customs authority.
    Merchandise export-import: Merchandise export-import means to export or import physical goods and products. No service is included in merchandise exports-imports.
    Service export-import: Service export-import means to export or import goods and products with service. The majority of the companies create a product that requires services such as installation, repairs, and troubleshooting.

Md. Jawad Uddin
Content Writing Team

14

সফলতার জন্য স্বপ্নের পাশাপাশি দরকার ইচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন

আমরা মোটামুটি সবাই সফলতার গল্প খুব ছোট থেকে শুনে আসছি। আর গল্প শুনতে শুনতে আমাদের নিজেদের মাঝেও সফল হওয়ার ইচ্ছা জাগতে শুরু করে। আর সফলতা মানুষকে খুশি করে। প্রত্যেক মানুষই তাই জন্মগতভাবে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেই বড় হয়। বড় হতে হতে আস্তে আস্তে তার ভিতর সফল হওয়ার কিছু ফ্যাক্টর সামনে চলে আসে এবং তা হলো স্বপ্নওয়ার্ডপ্রেসঃকি ও কেন???
বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেকোনো তথ্য পেতেই আমরা সে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারি। ওয়েবসাইট বলতে বোঝায় ডোমেইন এর মাধ্যমে দর্শন যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। আর বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৩৫% ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি।নেটক্র্যাফটের জরিপমতে সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪৫৫ মিলিয়ন।সেলফহোস্ট করা ওয়েবসাইটের ২০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করছে। ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেস শুরুর দিকে বিনা মূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, যা পরবর্তী সময়ে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনা মূল্যে তা ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কোনো ধরনের পিএইচপি, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি সম্ভব।সহজভাবে বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS)ওয়েবসাইটে ছবি,লেখা,যাবতীয় তথ্য দেখায় সবই কনটেন্ট। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়।
ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭ শে মে সর্বপ্রথম ওয়ার্ডপ্রেস প্রকাশ করেন।সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৫.৩ সাত মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে।এ সংস্করণটি বাংলা সহ ৫২ টি ভাষায় লেখা যায়।এতে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায় দেখে বর্তমানে ১২০ টির ও বেশি ভাষাভাষীর মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।
ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে দুই ধরনের সেবা প্রদান করে।
১।হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.com )
২।সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress.org)
wordpress.com ফ্রি সাবডোমেইন,নির্দিষ্ট কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম,প্রায় ২ জিবির মতো হোস্টিং সুবিধা পাওয়া যায়।এতে খোলা ওয়েবসাইট বা ব্লগের ঠিকানা হয় www.####.wordpress.com ফরম্যাটে। wordpress.org এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়।এভাবে তৈরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হয় www.#####.com ফরম্যাটে।
সারা পৃথিবীতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।কোডিং দক্ষতা ছাড়াই এতে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।বর্তমানে কোনো ব্র্যান্ড বা প্রচারের জন্য ওয়েবসাইট খুবই কার্যকরী মাধ্যম। এসইওবান্ধব হওয়াতে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বেশিরভাগ ওয়েবডেভ্লেপআর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।

  • ইসরাত হক জেরিন
    জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,কনটেন্ট ডেভ্লপমেন্ট টীম
Shibli-H.-Ahmad-speech-1

A glance at personal excellence.

Do you have any dream which is of fame, success, and growth? Do you struggle in your life to live to your highest potential? Doesn’t personal excellence come first?

Personal excellence is the journey of positive development beyond oneself and is a step-by-step process of improving oneself in every aspect of life. (Collected from Google). Personal excellence works great to improve our performance to improve each and every aspect of life like family, education, career, finance, etc. It is a process of being a better form of oneself. Here we need ten beliefs for personal Excellence—

☞There are no mistakes in life.
☞I am responsible for my present situation.
☞I will never stop learning.
☞I only need to be focused on the action I am taking at this moment.
☞It is okay to ask for support.
☞I am dedicated to pushing myself beyond my existing boundaries.
☞I am willing to adapt to changing circumstances.
☞All knowledge I acquire has the potential to serve me.
I permit myself to say no.
☞By authentically expressing myself, I bring my unique signature to every person and thing I touch.

Confused? Okay, here I am, a student of Honors; I can determine to get CGPA 4.00 out of 4.00. For this first, I have to find out my weak points, like where I made mistakes in scripts before, I have to correct myself. Second, I have to read more and more, focusing the books and online platforms. For this requirement, I need to make sure of adequate support. All the time of doing this task, at the early time, I will face so many boundaries, but I have to make myself to overcome. At this point, I will be found changing my own self. Next, but it is one of the most important for each and every person, which is “Saying NO.” Last but not least, I need to make ‘Notes,’ which will bear my own signature. This can be the process of my graduating from university with a 4.0.

But you can question – ” How can it be related to Personal Excellence?” Look, I am getting 4.0, which is a better form of myself. When I am taking as my target, I will keep in mind that I have to perform my best in any given situation.

এইচ আর এডমিন এর কাজ কি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

🔹গ্রীন এইচ.আর.এম দু-চার কথাঃ 🌿পর্ব ১

গ্রীন হাউজ, গ্রীন এনভায়রনমেন্ট, গ্রীন ভেজিটেবলস, গ্রীন টি, আমরা দৈনন্দিন জীবনে সচরাচর এই শব্দ গুলো শুনে থাকি। কিন্তু আমরা কি “গ্রীন এইচ.আর.এম” কথাটা কখনো শুনেছি?

গ্রীন এইচ. আর.এম বা গ্রীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী বিজনেস স্ট্রাটেজি যা বর্তমান সময়ে অনেক কোম্পানি নিজেদের জন্য ব্যবহার করছে। মূলত পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব হ্রাস করে ব্যবসায় পরিচালনা করা এবং কোম্পানিতে সুষ্ঠ সুন্দর কর্ম পরিবেশ বিদ্যমান রাখা গ্রীন এইচ.আর.এম এর প্রাকটিসের মূল লক্ষ্য।

কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট এক্ষেত্রে এমনভাবে হিউম্যান রিসোর্স পলিসি সাজায় যেটা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং অফিসের পরিবেশ সাবলীল রাখতে সহায়তা করে। গ্রীন এইচ. আর এম পলিসি নির্ধারনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

🌱 প্রথমত, পরিবেশ বান্ধব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ।
🌱 দ্বিতীয়ত, কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা

আমরা হয়তো এই দুটো বিষয় থেকে গ্রীন এইচ. আর এম এর কাজগুলো সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা করতে পারছি। একটু বিস্তারিত জানা যাক!

গ্রীন এইচ. আর. এম প্রাকটিসের মূল লক্ষ্যই থাকে কর্মীদের পরিবেশের ব্যপারে সচেতন করে তোলা যাতে করে তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকে যা তাদের আশেপাশের পরিবেশকে দূষিত করে ফেলে। ফলশ্রুতিতে কোম্পানির সব থেকে বড় সম্পদ, তার কর্মীদের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যবিধির উন্নতি হয়। এখানে দ্বিতীয় পয়েন্টে বলা হয়েছে কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা, এর অর্থ হচ্ছে একজন কর্মী যখন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবেন তখন তিনি দীর্ঘায়ু হবেন, এবং কোম্পানির তাকে প্রদত্ত ট্রেনিং এবং তার জ্ঞানের মাধ্যমে কোম্পানি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সুবিধা নিতে পারবে। ধারণাটা একটু স্বার্থবাদী হলেও লাভ কিন্তু দুই পক্ষেরই!

মাহতাব আবদুল্লাহ মনজুর
টিম লিডার
কন্টেন্ট রাইটিং টিম

12

একজন স্টিফেন হকিং ও তার বিখ্যাত কিছু উক্তি-

স্টিফেন হকিং বিশ্বের সেরা পদার্থবিজ্ঞানীদের একজন। বলা যায় কালোজয়ী বিজ্ঞানী। ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও এই পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন অনেক কিছু। জীবনের ২১ বছরে “মোটর নিউরন” নামক এক জটিল রোগে যখন তার জীবন খুব সন্ধিক্ষণে তখন চিকিৎসক বলেছিলেন, মাত্র ২ বছর তিনি বাঁচবেন। অথচ চিকিৎসকদের ভবিষ্যতবাণীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে,সারা বিশ্বকে অবাক করে ৫৫ বছর পৃথিবীর আলো বাতাস উপভোগ করেছেন তিনি। হয়তো স্বাভাবিক চলাফেরার শক্তি তার ছিল না,তবে ছিল প্রচন্ড মানসিক শক্তি আর যার জোরে তিনি এতটা বছর লড়াই করেছিলেন সেই রোগটির সাথে। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বাকি জীবন কাটে হুইল চেয়ারে বসে,কথা বলেছেন যন্ত্রের সহায়তায় কম্পিউটার স্পিক সিন্থসাই জার অবস্থায়। মনের অফুরন্ত শক্তির জোরে নিজের গবেষণা কাজ চালিয়ে গেছেন আর বাকি সকল বিজ্ঞানীদের মতই। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে একবার তিনি বলেছিলেন, আমার কোন রোগ আছে তা আমি কখনও ভাবি না। চেষ্টা করি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে। আমার কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কোন কিছুকে আমি কখনও পাত্তাই দেই না।আমার যখন ২১ বছর বয়স তখনই আমার প্রত্যাশার সমাপ্তি। বাকি সবকিছুই আমার জন্য বোনাসস্বরূপ। যারা বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গৌরব করেন তারাই জীবনে হেরে গেছেন। গত ৪৯ বছর আমার মৃত্যু নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলেছে। তাই আমি আর মরতে ভয় অয়াই না। তবে এখনই মরতে চাই না। এখনও অনেক কাজ বাকি আমার।

১৯৯৮ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত বই “A Brief History of Time : From the Big Bang to Black Holes” এ তিনি কিছু বিখ্যাত কথা বলে গেছেন-

১. জীবন এমন এক শক্তি যা আপনাকে পরিবর্তন করতে শেখায়

২. আপনার শারীরিক বাধা কখনও ভাল কাজে আপনার বাধা হতে পারে না।শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য কখনও অনুতাপ করবেন না।

৩. মানুষ কথা বলেই সব থেকে বেশি সাফল্য অর্জন করে। তবে মানুষের ব্যর্থতার কারণও এই আলাপ-চারিতা।তাই কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়া উচিত

৪. ক্রোধ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। তাই সফল হতে হলে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী বা নির্মুল করতে হবে।

৫. যদি আপনি সব সময় রাগান্বিত থাকেন এবং অভিযোগ করতে থাকেন, কেউ আপনার জন্য নিজের মূল্যবান সময়টুকু দিতে চাইবে না।

লিখাঃ
এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম