78

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ
প্রথমবার শুনলে মনে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আবার নেটওয়ার্কিং লাগবে কেন?প্রথমবার শুনলে এটাকে সময় নষ্টই মনে হবে। কিন্তু আজকের এ বিশ্বায়নের যুগে নেটওয়ার্কিয়ের কোনো বিকল্প নেই।বলা হয়,”আজকের সময়ে একজন ছাত্র দিনের অর্ধেক সময় পড়াশোনা করবে আর অর্ধেক সময় নেটওয়ার্কিং করবে”।আসুন এর সত্যতা যাচাই করি।
আজকের যুগের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সমাজসেবামূলক ভলান্টারি কাজ করা ম্যান্ডেটরি হয়ে গেছে।বিভিন্ন কাজের খাতিরে অনেক জায়গায় যেতে হয়,অনেক রকম কাজ করতে হয়। এসব কাজে পূর্ব-পরিচিত লোক থাকলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
ভলান্টারি কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারলে বড় বড় মানুষজনের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে।তাতে ভবিষ্যতে নানা ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।ইন্টারনির সুযোগও পাওয়া যায় চেনা-জানা থাকলে।মজার বিষয় হচ্ছে নেটওয়ার্কিং ভালো থাকলে অনেক সময় ইন্টারভিউ বোর্ডেও খুব পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়ে যায়। তাতে ভীতি কেটে যায় এবং জব পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে প্রফেশনাল ওয়ার্ল্ডে আগে থেকেই কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায় আর অভিজ্ঞতাও অর্জন করা যায়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের জীবনে একজন গাইড বা মেন্টর থাকা খুব জরুরি। নেটওয়ার্কিং করলে পছন্দমতো মেন্টর পাওয়া এবং তার কাছ থেকে সব ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়। এসব পরামর্শ জীবনে অনেক বেশি কাজে দেয় এবং ভুল পথে এগোনো থেকে রক্ষা করে।
নেটওয়ার্কিং শক্ত থাকলে এবং কমিউনিকেশন কন্টিনিউ করলে প্রত্যক্ষভাবে অনেক কাজের সুযোগ পাওয়া যায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জব পেতে প্রসিডিওর ও ফলো করার দরকার পড়েনা।
এছাড়া নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে একজন হয়ে আরেকজন এই চেইনে নতুন নতুন মুখের সাথে পরিচিতি ঘটে যা জীবনের অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
নেটওয়ার্কিংয়ে ভাব এবং ধারণার বিনিময় হয়।তাতে অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি মানুষের মনস্তত্ব বোঝা যায়।এটি কমিউনিকেশন স্কিল কে সরাসরি ব্রাশ-আপ করে।পেশাজীবনে এগুলো খুবই দরকার।
তাছাড়া এর মাধ্যমে আগ্রহের জায়গা এবং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে জানা যায় এবং ঐ ক্ষেত্রগুলোতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।
নেটওয়ার্কিং উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি করে যার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় যা ব্যবসায় কে গতিশীল করে।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হলে ব্যবসায়ে গ্রাহক এবং বিক্রয় একক সহজেই বাড়ানো যায়।
সেল্ফ ব্রান্ডিং করা অনেক সহজ হয়ে যায় যাতে আপনি সহজেই বড় জায়গায় রিচ করতে পারেন। নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে আপনার কোনো ভালো কাজ সহজেই বড় বড় মানুষের দৃস্টি আকর্ষণ করবে।একটা শক্তির নেটওয়ার্ক আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার চয়েসে এবং গঠনে সব দিক থেকে হেল্প করবে।
সর্বোপরি নেটওয়ার্কিং আপনার জন্য এমন এক সার্কেল তৈরি করবে যার সাহায্য নিয়ে আপনি অনেক বড় কাজও দ্রুততম সময়ে সুন্দরভাবে করে ফেলতে পারবেন।এছাড়া ক্যারিয়ারের বিষয়গুলো তো আছেই।তাই,শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এক চমৎকার পন্থা যা দিয়ে সে পৌছতে পারবে উন্নতির চরম শিখরে।
নেটওয়ার্কিয়ের পদ্ধতি আরেকদিন আলোচনা করব ইংশা আল্লাহ।সে পর্যন্ত ভালো থেকো সবাই।
-Mahtab Abdullah Monjur

12

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

আমরা সবাই চাই আমাদের কর্মদক্ষতা যেনো সবার থেকে বেশি হয়।তাহলে চলুন জেনে নিই কৌশলগুলি।

১.সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখুনঃ

প্রতিটি কাজ সময় বেঁধে করুন এবং একটা নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজটা শেষ করার চেষ্টা করুন।

২.কাজের ডেডলাইন সেট করুন

৩.বিরতি নিন।

দুই ঘন্টা কাজের পর ১০ মিনিটের ছোট্ট বিরতিও নেয়া যেতে পারে।এতে মনোযোগ বাড়ে আর ক্লান্তিবোধ কমে যায়।

৫.মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করুন

৬.ডিসটার্বেন্স সরিয়ে ফেলুনঃ

কাজের সময় সামনে থেকে মোবাইল আর অহেতুক প্রযুক্তিপণ্য দূরে রাখতে হবে।

৭.কথা বলুন,মতবিনিময় করুনঃ

কাজের ভেতর হঠাৎ ছন্দপতন হতেই পারে।এমন হলে একটু হেটে আসুন,চা খেয়ে আসুন অথবা কারো সাথে ৫ মিনিট কথাও বলতে পারেন।এতে আপনার এঁকঘেয়েমি কাটবে।

৮.প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে কাজ করুন।

৯.কাজের প্রায়োরিটি সেট করুন আর সবকিছু গুছিয়ে রাখুন

১০.শ্রোতা হোন

যদি অফিসের ডেইলি কাজগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় তাহলে কাজ করা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

১১.পরামর্শ নিনঃ

কোনো কাজে আটকে গেলে বা সমস্যায় পড়লে মেনটপরের পরামর্শ নিন।তাতে আপনার ঝুঁকি কমবে আর কাজের মানও বাড়বে।

১২.কাজের জটিলতা পরিহার করুন

কোনো কাজ শেষ করার সবচেয়ে সহজ উপায়টা খুজে বের করুন আর কাজটা শেষ করুন।

১৩।ব্যক্তিগত জীবনকে পেশাগত জীবনের সাথে সম্পৃক্ত করবেন না

১৩.লিডারশীপ প্র‍্যাকটিস করুন

১৫.অফিস এনভায়রনমেন্ট(কর্ম পরিবেশ) সুন্দর করে তুলুন

হ্যাপি রিডিং

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

67

অনলাইনে শিক্ষাঃসহজে শেখার সহজ উপায়

অনেকেই জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা,ইন্টারনেটে কোন কোন সাইট ক্যারিয়ার নলেজের জন্যে পড়া যায় বলোতো?”
চিন্তা করে দেখলাম এই ক্যারিয়ার ও স্কিল লার্নিং সাইটগুলোর একটা তালিকা বানালে কেমন হয় যাতে সবাই একসাথে শিখতে পারি?

নিচে তেমনই কিছু সাইটের নামসহ লিংক দিলাম।চাইলে ঘুরে আসতে পারেন,শিখে আসতে পারেন,পড়ে আসতে পারেন।

প্রথমেই আসি প্রোগ্রামারদের কথায়।তারা Code Academy বা Treehouse সাইট থেকে প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন।
স্কিল বা বিভিন্ন দক্ষতা বিষয়ক কোর্সগুলো করা যাবে
Lynda
Skillshare
Coursera
Udacity
Udemy ইত্যাদি সাইট থেকে।

এছাড়াও আছে
Class Central
Dabble
Mentormob এর মতো চমৎকার সব সাইট।

বিভিন্ন ধরনের পড়াশোনা করা যাবে
EDX.com
Khan Academy থেকে।
ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা আছে
Couch.me
The muse এর মতো সাইটগুলোয়।

নতুন কোনো ভাষা শিখতে চাইলে ভিজিট করতে পারেন
Babbel
Doulingo এর ওয়েবসাইটে।

আর সবশেষে জীবনের বিভিন্ন বিষয় যেমন সৃজনশীলতা,সুখ,স্বাস্থ,অর্থনীতি ইত্যাদি বিষয় পেয়ে যাবেন
Daily Burn
Highbrow
Insight Timer এর মতো ওয়েবসাইট গুলোয়।

আর দেরি কেন? ফেসবুকে সময় না কাটিয়ে এখুনি শুরু করে দিন ই-লার্নিং।

এই সাইটগুলোর মধ্যে আপনার প্রিয় সাইট কোনটি, কমেন্ট সেকশনে শেয়ার করুন আমাদের সাথে।
শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট
প্রাচীন গ্রীসের একটি ঘটনা। একদিন একজন লোক বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিসের কাছে এসে বললো, “সক্রেটিস, এই মাত্র তোমার এক বন্ধু তোমাকে নিয়ে কিছু কথা বলেছে। আমার খুব খারাপ লেগেছে। এখন আমি তোমাকে সেগুলো বলতে চাই।” সক্রেটিস বললো, “এক মিনিট দাঁড়াও, তুমি ঘটনাটি বলার আগে আমি তোমাকে তিনটি প্রশ্ন করবো। আমি এর নাম দিয়েছি ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট।” সেই লোকটি বলল, “ঠিক আছে।”

প্রথম প্রশ্নটি সত্য মিথ্যা নিয়ে.. ‘তুমি কি শিওর তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা নির্ভেজাল সত্য?’ লোকটি উত্তর দিল, ‘না, আমি জানি না এটা সত্য কিনা, আসলে আমি শুধু শুনেছি এটা।

সক্রেটিস আবার বললো,’ তাহলে তুমি শিওর না যে তুমি যা বলবে তা সত্য। এখন আমার দ্বিতীয় ফিল্টার। “তুমি যা বলবে সেটা কি ভালো কিছু?” লোকটা “উম, নাহ, খারাপ কিছু…!” সক্রেটিস বললো, “তাহলে তুমি যা বলতে চাইছো সেটি সত্য না, আবার ভালো কিছুও না।”

এখনো তৃতীয় প্রশ্ন বাকি, “তুমি তৃতীয় পরীক্ষায় পাশ করলে আমাকে কথাটি বলতে পারো।’ তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা কি আমার জন্য উপকারী বা আমার কোনো কাজে লাগবে?” সেই লোকটি বলল, “না,আসলে তোমার জন্য তা উপকারী নয়।”

এবার সক্রেটিস শেষ কথাটি বললো, “তুমি আমাকে যা বলতে চাইছো সেটা সত্য নয়, ভালো কিছু নয়, এমনকি আমার কোনো উপকারে লাগবে না, তাহলে এসব শুনে আমার লাভ কী? আর এসব বলে তোমারই বা কী লাভ?

এই গল্প থেকে আমরা কী কী শিখতে পারি এবং আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি?

১. কখনও কিছু শুনে বিশ্বাস করাটা উচিত নয়। আগে যাচাই করা উচিত যে ঘটনা বা কথাটি সত্য কিনা

২. যার সম্পর্কে সে কথাগুলো বলবে তার কাছে অবশ্যই নেতিবাচক হিসেবে নয়,বরং ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করতে হবে। যদি রা না পারে তবে পারতঃপক্ষে যেন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

৩. কখনও কেউ যদি অভিযোগমূলক কিছু বলতে আসে তবে ধরে নিতে হবে যে সে নেতিবাচক কিছু উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে তার সেই উপস্থাপনা করার আগে থেমে দেয়া উচিত যেন তা নিতে কোন বিতর্ক বা ঝগড়া সৃষ্টি না হয়।

এ.এস.এম.জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম
পড়ার সময় ঘুম লাগা এবং তার প্রতিকার

66

ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে

আমরা অনেকেই খেয়াল করব, যখন আমরা পড়তে বসি তখন আমাদের ঘুম ঘুম অনুভব হয়। আমরা অনেক সময় এই ঘুম কাটানোর জন্য তখন পড়া বাদ দিয়ে লিখতে বসি। কারণ ছোটবেলায় আমাদেরকে বাবা-মা বলেন যে পড়ার সময় ঘুম ধরলে লিখতে বসতে হয়।কারণ লিখতে লিখতে নাকি একসময় ঘুম ছেড়ে যায়। ঘুম ছাড়ুক বা না ছাড়ুক,আমাদের ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কারণ গুলো হলো-

১. শারীরিক পরিশ্রম
২. ভারী বা তেলজাতীয় খাবার
৩. আগ্রহের কমতি( কোন বিষয় পড়তে ভাল না লাগলে যদি তা বাধ্য হয়ে পড়তে হয় তখন ঘুম লাগে)
৪. পড়ার সময় আমাদের মস্তিস্কের কোষগুলোর অলস হয়ে থাকা

অনেক ক্ষেত্রে লিখার চর্চার মাধ্যমে ঘুম তাড়ানো গেলেও কিছু কিছু কাজের মাধ্যমে আমরা ঘুম বা নিদ্রাচ্ছন্ন ভাব কাটাতে পারি-

১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের “ওয়াটার ট্রিটমেন্ট”। অর্থাত চোখে ঘুম লাগলে আমরা চোখে,মুখে পানি দিয়ে, হাত-পা ধুয়ে এসে পড়তে বসলে ঘুম চলে যায়।

২.পড়ার সময় যদি আমরা হাটতে হাটতে পড়ি তখন ঘুম কেটে যায়

৩. জোরে জোরে পড়া

৪. পড়ার সময় সাথে সাথে নোটস করা।

৫. কখনও একটানা পড়তে পড়তে ঘুম লাগতে পারে,তখন ১৫-২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিয়ে আবার পড়া শুরু করা।

এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

65

One drop of Creativity Mentality-

One drop of Creativity Mentality-

Are we all creative? Can our mind calculate the surroundings? Which kind of mentality we have?

Now, let’s get digged into an example. During this Corona, some of my friends have started trading with dresses. Is it creativity? No, it is not. It is just a flow! Again, if someone opens a business of extra virgin oil or least processed food, we all will praise that person. But when it is about creativity, we cannot add that business person in our list. Then the question what is creativity?

When we first opened our facebook account, how did we feel? Now-a-days, we all have become facebook lovers, Aren’t we? But do we know that today’s facebook was yesterday’s creativity. Yes, of course, we all know. The way of getting it’s popularity was easier. But still, ot is a part of Mr. Zukerberg’s talent. This is a creativity mentality.

We may got through another example. One of the earliest forms of trade conducted online was IBM’s online transaction processing (OLTP) developed in the 1960s and allowed the processing of financial transactions in real time (collected from Wikipedia). So this is how the journey of online business started. It is another creative idea.

So we have come to know that creativity mentality means something which is very initiative. It means the idea which is very new and in mint condition. When a very new product comes to the market, it gets related to the creativity.
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ দ্বিতীয় পর্ব
বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো তাহলে কেমন হতে পারে!
বেশিরভাগ সফল ব্রান্ডের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি, কন্ঠ এবং শৈলি আছে।আর তারা তাদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা এবং গ্রাহকদের মুগ্ধ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। আপনার ব্রান্ড আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে।
তিন ধরনের সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়া অনেক কাজের।
📷অথেন্টিক ইমেজারি
📷ইমোশনাল মার্কেটিং
📷স্টোরিটেলিং
অথেন্টিক ইমেজারিঃ আমরা সবাই এমন একটি জগতে বাস করি যেখানে সবাই সরাসরি দেখার ব্যপারগুলোর প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। যেমন – টিভি, ইউটিউব, ম্যগাজিন, নিউজপেপার ইত্যাদি মিডিয়া। সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়ার কৌশলে হিসেবে এই মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে ইমেজ ভিত্তিক ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং করা গেলে তা বেশ ফলপ্রসূ হয় যেহেতু ছবি যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
এখন প্রশ্ন হলো ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত? এক্ষেত্রে অবশ্যই এটা জানতে হবে যে আমরা মার্কেটিংটা কাদের উদ্দেশ্য করছি এবং অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন ছবি এবং ভিডিও হতে হবে যা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
ইমোশনাল মার্কেটিংঃ ইমোশনাল মার্কেটিং গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং পন্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খুবই জরুরি। ইমোশন বা আবেগের কারণেই মানুষ সাধারণত একটা নির্দিষ্ট ব্যান্ডের পন্য বারবার ব্যাবহার করতে পছন্দ করে। Pultchik’s Wheel of Emotion অনুযায়ী আটটি প্রাইমারি ইমোশন আছে এবং এগুলো ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর সময় ইমোশনাল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিক আবেগ গুলো হলো- প্রত্যাশা, বিজয় লাভ, বিশ্বাস, সারপ্রাইজ, ভয়, রাগ, বিষন্নতা এবং ঘৃণা। আপনারা যদি একটু খেয়াল করলেই বর্তমানে বিভিন্ন প্রডাক্টের বিজ্ঞাপনে এগুলোই ইমোশনাল ট্রিগার। সিম্পল একটা উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ইউনিলিভারের প্রডাক্ট ভ্যাসলিন পেট্রোলিয়াম জেলির বিজ্ঞাপন গুলোর কথা। কখনো তারা বিজ্ঞাপনের মধ্যমে তুলে এনেছে পরিবারের সুরক্ষার কথা আবার কখনো ফোকাস করেছে নারী শক্তিকে, যে ব্যপারগুলো সমাজের বিশাল একটা অংশকে প্রভাবিত করে।
স্টোরিটেলিংঃ ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে স্টোরিটেলিং কোনো কাল্পনিক গল্প তৈরি করার বিষয় নয়। গল্পটির মাধ্যমে অবশ্যই ঐ ব্রান্ডের সাথে জড়িত সত্যি ঘটনাে গুলোর প্রতিফলন ঘাটানো উচিত। Blogging এই ধরনের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ভালো একটা উদাহরণ।
এখন এই ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং প্রোসেস টা সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মনে করুন একদল মার্কেটার একদল ভোক্তা সম্পর্কে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ বিশ্লেষণ করছে,দলের একজন বিশেষজ্ঞ জনসংখ্যার উপর মেটাডাটা স্ক্র্যাপ করছে, দলের আরেকজন সদস্য জরিপের ফলাফল পড়ছেন এবং ব্যখ্যা করছেন, একজন বিশ্লেষক স্রেডাশীট নিয়ে গবেষণা করছেন। এই তথ্যগুলো মার্কেটিং প্রসেসর ভিত্তি। কিন্তু এর পরের প্রসেস গুলো কি হবে?
এরপর আসে ক্রিয়েটিভরা, উনারা সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়াটাকে একটা বাস্তবিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। ভিত্তিমূলক উপাত্ত দিয়ে বিপনন প্রক্রিয়া শুরু করেন এবং একটি নকশা তৈরি করেন- কেনো পন্য বাজারের সাথে খাপ খাবে না বা মানানসই হবে না, কেনো বাজার অনুন্নত, কেনই বা পন্যগুলো বেশি সম্ভাবনাময় না ইত্যাদি বিষয়াবলি মাথায় রেখে কাজ শুরু করবেন।
এই সবকিছুর তত্বাবধানে থাকেন একজন সৃজনশীল পরিচালক। তিনি প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা এবং গতি নির্ধারণ করেন আর যত্ন ও দক্ষতার সাথে পুরো প্রক্রিয়ার ভারসাম্য নিশ্চিত করেন। প্রকল্পটিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তোলা এবং ফানেল(বিক্রয় প্রক্রিয়া) রক্ষা করাই হলো তাদের কাজ।
মোটাকথা, একটি ক্রিয়েটিভ টিম গঠনের সময়, বিপনন বিভাগকে গবেষণা এবং সৃজনশীল অভিব্যক্তির মধ্যেমে একটি সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর জগৎটা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সাধনার ব্যপার। তবুও এই ছোট্ট লেখেনির মাধ্যমে আপনাদের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিলো এটি।
-মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ প্রথম পর্ব
এক সকালে ফিলিপিন্সের একটি রাস্তায় একটা ব্যাপার সব পথচারীদের নজর কাড়লো, যখন কিছু লোক বিশাল একটি Kit Kat এর প্যাকেট পিকআপ গাড়ি থেকে নামালো। ততক্ষণে আশেপাশে লোকসমাগম ঘটে গেছে। প্যাকেটটি খুলতেই কি দেখা গেলো বলুন তো!প্যাকেটের মধ্যে ছিল হুবহু Kit Kat chocolate এর মত দেখতে একটি বেঞ্চ!
As a chocolate lover আপনি হয়তো কামড় দিয়ে দেখতে চাইবেন যে বেঞ্চটা আসলেও খাওয়া যায় কি না!
এতক্ষণ যে গল্পটা বললাম এটা ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর একটা উদাহরণ।
Creative Marketing হলো গতানুগতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে চিন্তা করা এবং পণ্য বা সেবার প্রমোশন করা।
মার্কেটিং এ মেইন ফোকাস থাকে মূলত ভোক্তারা। আজকাল ভোক্তারা স্বচ্ছতা এবং হাস্যরসাত্নক ব্যাপারে বেশি আকৃষ্ট হয়।

-Moriom Binta Azad Bijoyee

Shibli-H-vai

কিভাবে প্রোডাকটিভ হবেনঃ

আমরা সবাই চাই অনেক কম সময়ে একটা কাজ খুব ভালোভাবে করতে এবং একদিনে অনেক কাজ করতে।অনেক সময়ে এটাও মনে হয় “ইশ!দিন যদি ৩০ ঘন্টার হতো!কত বেশি কাজ করা যেতো!কিন্তু সেটা আপনার ভুল ধারণা। কারণ যার সময় ব্যবহারে কৌশলগত সমস্যা থাকে তার জন্য প্রোডাকটিভ হওয়া আসলেই কঠিন।যাই হোক।আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে আসি কিভাবে আপনিও কাজের প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে পারবেন সহজেই।
আমেরিকার বিখ্যাত প্রোডাকটিভিটি কন্সাল্টেন্ট “আইভি লি” কাজের গুণগতমান ও প্রোডাকটিভিটি বৃদ্ধির ব্যাপারে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।চলুন জেনে নিই সেগুলোঃ
১.আগামীকালের জন্য ৬টি কাজের তালিকা তৈরি করুন ঃ
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর সময় আগামীকাল করতে হবে এমন ৬ টি কাজের লিস্ট তৈরি করুন।কমও না বেশিও না ৬ টি ; এবং কাজগুলোকে প্রায়োরিটি অনুযায়ী ভাগ করে রাখুন।
২.গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি অবলম্বন করুনঃ
আপনার কাজের প্রায়োরিটি অনুযায়ী কাজ শুরু করুন তবে একটা কাজ শেষ না করে আরেকটাতে হাত দেবেন না। যেভাবেই হোক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা সবার আগে শুরু করুন এবং যেভাবেই হোক তা পরিপূর্ণ ভাবে শেষ করুন।এক কাজের ভেতরে আরেক কাজ ঢোকাবেন না।এটা আপনার কাজের ছন্দ আর গতিকেই নস্ট করবে।এই গেট দ্যা থিংস ডান পদ্ধতি নিয়ে আরেকদিন বিস্তারিত বলবো ইংশা আল্লাহ।
৩.শেষ যদি না হয় তবেঃ
এমন হতেই পারে যে তালিকার যেকোনো কাজ করা হয়ে ওঠেনি
অর্থাৎ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।এমন কাজগুলোকে পরের দিনের ৬টি কাজের লিস্টের প্রথম দিকে রাখতে হবে।
৪.পুনরাবৃত্তি ঃ
সবশেষে আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুনরাবৃত্তি। এই প্রক্রিয়াটিকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে সর্বোচ্চ সফলতা আসার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে।এমনকি আমেরিকার কোম্পানিগুলোতে এর প্রয়োগ ঈর্ষণীয় সফলতার কারণ হয়েছে। তাই, প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে চাইলে আইভি লি মেথডটি নিশ্চিন্তে আয়ত্তে আনুন।আপনার কাজের গতি আর মান বাড়বে নিঃসন্দেহে। আর সফলতা তো আসবেই।
Written by: Mahtab Abdullah Monjur

64

টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট

জনাব সিবলি এইচ আহমেদ, WinTech এর প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর কোম্পানি ছাড়ার পর থেকেই, কোম্পানিতে নানান ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। সদ্য জয়েন করা তরুণ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর শত চেষ্টায় পরও সমস্যাগুলোর অন্তরায় না পেয়ে বি. বিজনেস কন্সাল্টেন্সি ফার্মের স্মরনাপন্য হন।

সেখানে B. Business Consultancy Farm এর Founder & CEO, মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সব বিশদভাবে জানান। মিস. বিজয়ী সব ঘটনা শোনার পর বুঝতে পারেন, আসল সমস্যা কোথায়! কেনো গ্রাহকদের সারা দিন দিন কমে যাচ্ছে, কেনো তারা অন্য কোম্পানির পন্যের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন, কেনো কোম্পানির ডক্যুমেন্টস ঠিক থাকছে না এবং কেনো documents গুলো সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না!!

মিস্ বিজয়ী, মিস্টার মাহতাব কে অবগত করলেন যে উনার কোম্পানির TQM ঠিক নেই বা নিয়ন্ত্রিত নেই ।

মাহতাব একটু অবাক হলেন যে এত প্রচেষ্টার পরও উনার TQM ঠিক নেই!

তারপর উনি মিস্ বিজয়ীর কাছে এই সমস্যার সমাধান চাইলেন।

সমাধান সম্পর্কে বলার আগে সমস্যা সম্পর্কে একটু বলে নি।

TQM আসলে কোনো সমস্যা না তবে এটি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়, অপরপক্ষে সুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠানের উন্নতিকে ব্যাপকভাবে তরান্বিত করে।

সাধারণভাবে বলতে গেলে TQM বা Total Quality Management মূলত গ্রাহক সন্তুষ্টির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের একটি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, গ্রাহকসন্তুষ্টি এবং মুনাফা অর্জনের দিক থেকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার জন্য সংস্থাগুলো TQM বাস্তবায়ন করে। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ পদ্ধতি যা একটি নিরবিচ্ছিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া সৃষ্টি ও বাস্তবায়ন করে।

যাইহোক আবার মূল কথায় ফিরে যাই। মিস বিজয়ী, মিস্টার মাহতাবের সাথে TQM নিয়ে কিছু আলোচনা করলেন এবং TQM tools গুলোর সাথেও উনাকে আরেকটু ভালো করে পরিচয় করিয়ে দিলেন।

একটি প্রতিষ্ঠানের Total Quality Management ঠিক না থাকলে তা কোম্পানির উন্নয়ন প্রক্রিয়া কে ধীরগতি করে দেয়।

▪TQM এর অভাবে পন্যের মান, কার্যক্ষমতা এবং ব্যবহার হ্রাস পায়।

TQM একটি পন্য উৎপাদনে বিদ্যমান ঘাটতি আবিষ্কার এবং ভোক্তাদের কাছে ত্রুটিপূর্ণ পন্য সরবারহ হ্রাস করে। একটি নিরবিচ্ছিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ত্রুটিপূর্ণ পন্য হ্রাস করার মাধ্যমে উৎপাদন খরচ হ্রাস করতে পারে।

▪কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় কোম্পানিতে TQM নিয়ন্ত্রিত না থাকলে।

এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কর্মীদের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে নিয়োজিত থাকতে হবে।

▪ডকুমেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অভাব একটি ব্যবসাকে তার কার্য পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে বাধা দেবে, কারণ এর কোন আনুষ্ঠানিক সূচনা বিন্দু নেই। TQM একটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন পদ্ধতির উন্নয়ন, অনুমোদন এবং পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে।

এখন আমরা জেনে নিই TQM tools সম্পর্কে –

TQM tools ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলিকে তাদের ব্যবসায়ের সাথে প্রাসঙ্গিক গুণগত এবং পরিমাণগত তথ্য সনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে। এই সরঞ্জামগুলি তাদের সংস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রক্রিয়া, ধারণা, পরিসংখ্যান, কারণ এবং প্রভাব উদ্বেগ এবং প্রভাব সনাক্ত করতে পারে।

বর্তমানে বহুলপ্রচলিত কিন্তু TQM tools হলো-

Focus Field Analysis, Brainstorming and Affinity Diagrams, Tree Diagrams, Scatter Diagram, Relationship Diagram ইত্যাদি

মিস্ মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর সাহেবকে সব বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে দিলেন এবং এগুলো সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের কৌশলগুলোও সেয়ার করলেন।

মিস্টার মাহতাব এখন অনেকটা নিশ্চিন্ত এবং আত্নবিশ্বাসীযে তিনি এখন তার কোম্পানির পরিস্থিতি অনেক সহজ ভাবেই সামাল দিতে পারবেন।

-Moriom Binta Azad Bijoyee
কোয়ারান্টাইন vs নিজের দক্ষতা উন্নয়ন …(প্রথম পর্ব)

45

ভাবছেন কীভাবে সময়টাকে সুন্দর, আনন্দময় আর প্রোডাকটিভ করে কাটানো যায়?

বাসায় বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত? ভাবছেন কীভাবে সময়টাকে সুন্দর, আনন্দময় আর প্রোডাকটিভ করে কাটানো যায়? তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্যেই!

করোনার এই সময়ে পড়তে পারেন বই। নিচে একটা লিংক দিচ্ছি।এই লিংকে গেলে প্রচুর বইয়ের ফ্রি পিডিএফ পাবেন।এক এক করে পড়ে ফেলুন সব।আপনার প্রিয় লেখকেরাও আছেন এখানে!

পিডিএফ লাইব্রেরি :

https://www.pdfdrive.com/category/112

shorturl.at/rtzI8

shorturl.at/bjpNS

বিভিন্ন ধরনের স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারেন ঘরে বসেই।শিখতে পারেন মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট-এক্সেল-ওয়ার্ড, টাইপিং কিংবা গ্রাফিকস ডিজাইন।আবার কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের উপর করে ফেলতে পারেন অনলাইন কোর্স।ঘরের কাজ করে তাতে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন। বলা তো যায়না কখন কোন দক্ষতা ক্লিক করে যায়।হাহাহা। রান্নাবান্না শিখতে পারেন।আবৃত্তি শিখতে পারেন।ইবাদাতের মদজ্যে দিয়েও সময় কাটাতে পারেন।শিখতে পারেন কুরআন তেলাওয়াত।

নিচে কিছু লিংক দিয়ে দিলাম যেখানে আছে বিভিন্ন কোর্স আর ইউটিউব টিউটোরিয়াল। এখনি শুরু করে দিন কাজ।

এমএস ওয়ার্ড ,এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ারপয়েন্ট : https://www.youtube.com/channel/UCL89KKkLs0tZKld-iIS3NGw

আবৃত্তি : https://www.youtube.com/watch?v=kYqmWKDzLyY

রান্নাবান্না : https://www.youtube.com/watch?v=9vVoTTfXoTQ , https://www.youtube.com/watch?v=R-2SAtv9AAo

কুরআন তেলাওয়াত : https://www.youtube.com/channel/UC_FkTgeTJoo7zgjjebC2ElQ

প্রোগ্রামিং : https://www.youtube.com/user/ANIS3730

গ্রাফিকস ডিজাইন : https://www.youtube.com/channel/UCsrkDdGhTrEpjMReOPYMizw

টাইপিং : https://www.youtube.com/channel/UCzGH7UQZUKnKZXWzA8qr-8w

বাসায় বসে কাজ করতে করতে টায়ার্ড হয়ে গেলে বিভিন্ন ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন। তাতে শরীর চাঙ্গা হবে।বিরক্তিভাবও কাটবে। নিচে কিছু ব্যায়াম শেখার লিংকও দিয়ে দিলাম।

https://www.youtube.com/channel/UCLeX_nbbodPPbATysOqfXtg

করতে পারেন বিভিন্ন অনলাইন কোর্সও।কোর্সের পর পেয়ে যাবেন নিবন্ধিত সনদ।আর দেরি কীসের।দেখুন নিচে দেয়া লিংকগুলো।

• Covid19 Training: শুরুতেই যে কেও নিজের সেফটি বা পরিবারের সেফটি এর কথা চিন্তা করে WHO দ্বারা পরিচালিত ছোট্ট এই ট্রেইনিং

  • https://www.who.int/…/novel-corona…/training/online-training

-Mahtab Abdullah Monjur