PERSONAL BRANDING

পার্সোনাল ব্রান্ডের জন্য করনীয়

  • ৩ থেকে ৫ টি প্রধান সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম জুড়ে সক্রিয় উপস্থিতি- লিঙ্কডিন, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ফেসবুক যা আপনার ইন্ডাস্ট্রি এবং পেশার সাথে প্রাসাঙ্গিক।
  • সমস্ত সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এ সিঙ্ক্রোনাইজড ব্র্যান্ড পরিচয়।
  • স্বচ্ছতা->ধারাবাহিকতা-> স্থিরতা -> বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদর্শন করুন।
  • সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পেশাদার ছবি ব্যবহার করুন।
  • লিঙ্কডিন, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক পেজে আপনার নিজের ব্লগ/ওয়েবসাইট লিংক দিন যাতে অন্যেরা আপনার লেখা আর্টিকেল দেখতে পায়।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের সাথে যোগাযোগ করার সময় আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার বৃত্তগুলিকে অর্থাৎ ইমেজকে আলাদা করুন।
  • লিঙ্কডইনে আপনার স্টার প্রোফাইল ব্র্যান্ড করুন: আপনার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড পজিশনিং এর সাথে আপনার নাম, টাইটেল শিরোনামটি ব্র্যান্ড করুন ১২০ অক্ষর বা তার কম এর মধ্যে।
  • আপনার জ্ঞান শেয়ার করার জন্য একটি ব্লগ তৈরি করুন ও লেখা বজায় রাখুন
  • নিজের ব্র্যান্ড কমিউনিটি বা ইন্ডাস্ট্রির ইন্ট্রা ও ইন্টার) সাথে জড়িত থাকুন।
  • যতবার সম্ভব বিভিন্ন প্রফেশনাল বা সোশ্যাল প্রোগ্রামে অতিথি স্পিকার হন।
  • আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট ব্র্যান্ডের ব্রান্ড এম্বাসেডর হতে চেষ্টা করুন।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার কর্পোরেট ব্র্যান্ডকে যতটা সম্ভব ব্যক্ত করুন
  • একটি ইউনিক ব্র্যান্ডের ভয়েস ডিজাইন করুন এবং এতে স্টাবল থাকুন।
  • নিজের মত হন এবং খাঁটি হন।
  • অনলাইন মাধ্যমের চেয়ে অফলাইন ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতার দিকে বেশি মনোযোগ দিন; সেন্টার স্টেজ নিতে এবং আপনার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড এবং চিন্তার নেতৃত্বকে যথাসম্ভব বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করার সুযোগ তৈরি এবং গ্রহণ করুন।

পার্সোনাল ব্রান্ডের জন্য অকরনীয়

Ö কপি ক্যাট ব্র্যান্ড হওয়া অর্থাৎ একটি কর্পোরেট ক্লোন হওয়া।

Ö অজ্ঞ ব্র্যান্ড হওয়া অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়া উপেক্ষা করা কারণ আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেননা।Ö অলস ব্র্যান্ড হওয়া অর্থাৎ আপনার পেশাদার প্রোফাইল নিয়মিত আপডেট না করা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে।

Ö অদৃশ্য ব্র্যান্ড হোন অর্থাৎ আপনাকে কোথাও খুজে না পাওয়া। Ö কাজের ব্রান্ড না হয়ে শুধু কথার ব্রান্ড হওয়া।

Ö প্রচারক ব্র্যান্ড হওয়া অর্থাৎ খালি নিজের কথা বলা।Ö সমাজবিরোধী ব্র্যান্ড হওয়া অর্থাৎ সামাজিক রীতির সাথে না চলা।

Ö আপনার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডের জন্য একটি লক্ষ্য পরিকল্পনা না করা।

Ö সামাজিক মিডিয়াতে আপনার ধর্মীয়/রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করা।

Ö সোশ্যাল মিডিয়ায় খারাপ পদক্ষেপের ক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা।

Ö বিভিন্ন মিডিয়া জুড়ে নিজস্ব ব্র্যান্ডের বিশৃঙ্খল উপস্থিতি।

Ö আপনার নিজের সহজাত ও খাঁটি ব্র্যান্ড প্রোপজিশন না জেনে নিজেকে ব্র্যান্ড হিসাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা।

লেখকঃ

শিবলি এইচ আহমদ

এইচআর এন্ড ওডি প্রফেশনাল

ট্যালেন্ট ও ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট

আপনি কি ট্যালেন্ট? আপনার প্রতিষ্ঠানের সবাই কি ট্যালেন্ট?

আসুন সংক্ষেপে জানার চেস্টা করি ট্যালেন্ট ও তাদের ম্যানেজমেন্ট নিয়ে।

আমরা সবাই ট্যালেন্ট। কিন্তু বিজনেস অরগানাইজেশন এর ক্ষেত্রে সবাইকে ট্যালেন্ট ধরে এগোনোর সুযোগ থাকেনা। তাই জানতে হবে কাকে ট্যালেন্ট হিসাবে বিবেচনা করবেন এবং ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রসেসে নিয়ে আসবেন প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবার জন্য।

অন্যদের দক্ষতার থেকে যাদের গড়পড়তা ন্যাচারাল দক্ষতা বেশি ও ভিন্ন আঙ্গিকে বড় পরিসরে চিন্তা করার ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পারফর্ম করে বা করতে পারবে আছে তারাই মূলত ট্যালেন্ট। তাই একটি প্রতিষ্ঠানের সবাই এই অর্থে ট্যালেন্ট নয়। তাই প্রতিষ্ঠানে ট্যালেন্ট কারা তাদেরকে প্রথমে খুজে বের করতে হবে। এবং একই সাথে নতুন ট্যালেন্ট রিক্রুট করতে হবে। এই ট্যালেন্টদেরকে আরো ভাল মত পারফর্মেন্স ও পরবর্তী জব রোলের জন্য তৈরি করা এবং তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখাই ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্টের মোদ্দা কথা।

কেন আপনার প্রতিষ্ঠানে ট্যালেন্ট দরকার? 

  • ব্যবসায়িক উন্নতি ও স্থায়িত্বের জন্য
  • প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও উতপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য
  • বাজার প্রতিযোগিতায় ভালভাবে টিকে থাকার জন্য
  • প্রতিষ্ঠানে আগামীর নেতৃত্ব তৈরি করার জন্য
  • প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবার জন্য

অরগানাইজেশনে সাধারনত ৯ ধরনের এমপ্লয়ি থাকেঃ

১। রিস্কি এমপ্লয়ি – পটেশিয়ালিটি ও পারফরমেন্স দুটোই দুর্বল

২। ইনকনসিস্টেন্ট এমপ্লয়ি –মোটামুটি পটেনশিয়াল, কিন্তু পারফরমেন্স দুর্বল

৩। পটেনশিয়াল এমপ্লয়ি –পটেশিয়ালিটি ভাল, কিন্তু পারফরমেন্স দুর্বল

৪। এভারেজ পারফর্মার – পটেশিয়ালিটি কম, কিন্তু পারফরমেন্স এভারেজ

৫। কোর এমপ্লয়ি – পটেশিয়ালিটি ও পারফরমেন্স দুটোই মধ্যম গোছের

৬। হাই-পোটেনশিয়াল এমপ্লয়ি –পটেশিয়ালিটি খুব ভাল, কিন্তু পারফরমেন্স মধ্যম গোছের

৭। সলিড পারফর্মার এমপ্লয়ি – পটেশিয়ালিটি কম, কিন্তু পারফরমেন্স খুব ভাল

৮। হাই-পারফর্মার এমপ্লয়ি – পটেশিয়ালিটি মধ্যম গোছের, কিন্তু পারফরমেন্স খুব ভাল

৯। স্টার এমপ্লয়ি – দারুন পটেনশিয়াল ও দারুন পারফর্মার

 

আপনি কিভাবে বুঝবেন কে ট্যালেন্ট?

  • যিনি কমুনিকেটিভ, সেলফ ডিপেন্ডেবল ও সেলফ স্টাটার
  • যার দৃষ্টিভঙ্গি প্রফেশনাল ও প্রতিষ্ঠানের বিগ পিকচার দেখার ক্ষমতা আছে
  • যে গতানুগতিক ধারার বাইরে চিন্তা করতে পারে
  • যার কাজের সিগনিফিকেন্ট পজেটিভ ইম্প্যাক্ট আছে প্রতিষ্ঠানে
  • যে নতুন দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায়না
  • যে শুধুই সমাধান নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে
  • যে নিজেই ডিসিশন নিয়ে কাজ করতে পারে
  • যে তার কাজ জানে ও প্রতিষ্ঠানে তার কাজের গুরুত্বও জানে
  • যার মাথায় নিয়মিত নতুন আইডিয়া খেলা করে কাজে ভাল ফলাফল আনার জন্য
  • যার উপর দায়িত্ব দিয়ে নির্ভার থাকা যায়
  • যে টিমওয়ার্ক পছন্দ করে
  • যার নেতৃত্ব দেবার বা নেবার আগ্রহ আছে
  • যার ভিতর পার্সোনাল ড্রাইভ আছে উন্নতি করার জন্য
  • যার স্ট্রেসড সিয়েচুশনে রেসিলিয়েন্সি ভাল ও ফোকাসড
  • যার সিচুয়েশনাল এডাপ্টিবিলিটি ভাল
  • আত্মতুষ্টিতে না ভুগে যিনি সবসময় আরো ভাল করতে চান
  • যিনি তার উপর অর্পিত দায়িত্বের সবসময় প্রতি নিষ্ঠাবান
  • যার আইকিউ এর সাথে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও অনেক ভাল
  • নিয়মিত যে নতুন কিছু শিখতে ও করতে চাই
  • যিনি অবশ্যই বিনয়ী, সহনশীল ও সহমর্মী

 

কিভাবে ট্যালেন্টদেরকে ম্যানেজ করবেন?

  • কোম্পানির ভিশন-মিশনের অনুযায়ী লং ও শর্ট টার্ম স্ট্রাটেজিক ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান করুন
  • মিশন ক্রিটিক্যাল পজিশন ও পারসন চিনহিত করুন
  • সেই অনুযায়ী সাক্সেশন প্লানিং ও ম্যাপিং করুন
  • অরগানাইজেশনের বর্তমান ট্যালেন্ট রিভিউ করুন
  • নতুন নিয়োগের সময় ট্যালেন্টপুল নিয়োগ দিন ও সঠিকভাবে অনবোরড করুন
  • প্রত্যেকের জন্য ক্যারিয়ার ম্যাপিং করুন ও তা তাদেরকে শেয়ার করুন
  • পারফরমেন্স ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান করুন ও প্রয়োজনীয় সাপোর্ট নিশ্চিত করুন
  • সেই অনুযায়ী তাদের স্কিল ও এফিসিয়েন্সি ডেভেলপ করুন
  • পরিকল্পিত ও সঠিকভাবে রিওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান করুন
  • বাজার প্রতিযোগিতার সাথে মিল রেখে সলিড কমপেনশন ও বেনেফিট প্ল্যান করুন
  • তাদের জন্য ফাংশনাল ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম তৈরি করুন
  • প্রয়োজনে তাদের জন্য ইনডিভিজুয়াল কোচিং ও মেন্টররিং এর ব্যবস্থা করুন
  • তাদেরকে পরবর্তী ধাপের জন্য রোল প্লেয়িং এর সুযোগ দিন
  • তাদেরকে পার্সোনাল কেয়ার করুন, উৎসাহিত করুন ও কাজের প্রশংসা করুন

লেখকঃ

শিবলি এইচ আহমদ

এইচআর এন্ড ওডি প্রফেশনাল

78

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বঃ
প্রথমবার শুনলে মনে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আবার নেটওয়ার্কিং লাগবে কেন?প্রথমবার শুনলে এটাকে সময় নষ্টই মনে হবে। কিন্তু আজকের এ বিশ্বায়নের যুগে নেটওয়ার্কিয়ের কোনো বিকল্প নেই।বলা হয়,”আজকের সময়ে একজন ছাত্র দিনের অর্ধেক সময় পড়াশোনা করবে আর অর্ধেক সময় নেটওয়ার্কিং করবে”।আসুন এর সত্যতা যাচাই করি।
আজকের যুগের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সমাজসেবামূলক ভলান্টারি কাজ করা ম্যান্ডেটরি হয়ে গেছে।বিভিন্ন কাজের খাতিরে অনেক জায়গায় যেতে হয়,অনেক রকম কাজ করতে হয়। এসব কাজে পূর্ব-পরিচিত লোক থাকলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
ভলান্টারি কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারলে বড় বড় মানুষজনের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে।তাতে ভবিষ্যতে নানা ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।ইন্টারনির সুযোগও পাওয়া যায় চেনা-জানা থাকলে।মজার বিষয় হচ্ছে নেটওয়ার্কিং ভালো থাকলে অনেক সময় ইন্টারভিউ বোর্ডেও খুব পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়ে যায়। তাতে ভীতি কেটে যায় এবং জব পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে প্রফেশনাল ওয়ার্ল্ডে আগে থেকেই কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায় আর অভিজ্ঞতাও অর্জন করা যায়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের জীবনে একজন গাইড বা মেন্টর থাকা খুব জরুরি। নেটওয়ার্কিং করলে পছন্দমতো মেন্টর পাওয়া এবং তার কাছ থেকে সব ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়। এসব পরামর্শ জীবনে অনেক বেশি কাজে দেয় এবং ভুল পথে এগোনো থেকে রক্ষা করে।
নেটওয়ার্কিং শক্ত থাকলে এবং কমিউনিকেশন কন্টিনিউ করলে প্রত্যক্ষভাবে অনেক কাজের সুযোগ পাওয়া যায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জব পেতে প্রসিডিওর ও ফলো করার দরকার পড়েনা।
এছাড়া নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে একজন হয়ে আরেকজন এই চেইনে নতুন নতুন মুখের সাথে পরিচিতি ঘটে যা জীবনের অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
নেটওয়ার্কিংয়ে ভাব এবং ধারণার বিনিময় হয়।তাতে অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি মানুষের মনস্তত্ব বোঝা যায়।এটি কমিউনিকেশন স্কিল কে সরাসরি ব্রাশ-আপ করে।পেশাজীবনে এগুলো খুবই দরকার।
তাছাড়া এর মাধ্যমে আগ্রহের জায়গা এবং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে জানা যায় এবং ঐ ক্ষেত্রগুলোতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।
নেটওয়ার্কিং উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি করে যার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় যা ব্যবসায় কে গতিশীল করে।
নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হলে ব্যবসায়ে গ্রাহক এবং বিক্রয় একক সহজেই বাড়ানো যায়।
সেল্ফ ব্রান্ডিং করা অনেক সহজ হয়ে যায় যাতে আপনি সহজেই বড় জায়গায় রিচ করতে পারেন। নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকলে আপনার কোনো ভালো কাজ সহজেই বড় বড় মানুষের দৃস্টি আকর্ষণ করবে।একটা শক্তির নেটওয়ার্ক আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার চয়েসে এবং গঠনে সব দিক থেকে হেল্প করবে।
সর্বোপরি নেটওয়ার্কিং আপনার জন্য এমন এক সার্কেল তৈরি করবে যার সাহায্য নিয়ে আপনি অনেক বড় কাজও দ্রুততম সময়ে সুন্দরভাবে করে ফেলতে পারবেন।এছাড়া ক্যারিয়ারের বিষয়গুলো তো আছেই।তাই,শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এক চমৎকার পন্থা যা দিয়ে সে পৌছতে পারবে উন্নতির চরম শিখরে।
নেটওয়ার্কিয়ের পদ্ধতি আরেকদিন আলোচনা করব ইংশা আল্লাহ।সে পর্যন্ত ভালো থেকো সবাই।
-Mahtab Abdullah Monjur

12

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

বেস্ট পারফর্মার হতে চান?

আমরা সবাই চাই আমাদের কর্মদক্ষতা যেনো সবার থেকে বেশি হয়।তাহলে চলুন জেনে নিই কৌশলগুলি।

১.সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখুনঃ

প্রতিটি কাজ সময় বেঁধে করুন এবং একটা নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজটা শেষ করার চেষ্টা করুন।

২.কাজের ডেডলাইন সেট করুন

৩.বিরতি নিন।

দুই ঘন্টা কাজের পর ১০ মিনিটের ছোট্ট বিরতিও নেয়া যেতে পারে।এতে মনোযোগ বাড়ে আর ক্লান্তিবোধ কমে যায়।

৫.মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করুন

৬.ডিসটার্বেন্স সরিয়ে ফেলুনঃ

কাজের সময় সামনে থেকে মোবাইল আর অহেতুক প্রযুক্তিপণ্য দূরে রাখতে হবে।

৭.কথা বলুন,মতবিনিময় করুনঃ

কাজের ভেতর হঠাৎ ছন্দপতন হতেই পারে।এমন হলে একটু হেটে আসুন,চা খেয়ে আসুন অথবা কারো সাথে ৫ মিনিট কথাও বলতে পারেন।এতে আপনার এঁকঘেয়েমি কাটবে।

৮.প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে কাজ করুন।

৯.কাজের প্রায়োরিটি সেট করুন আর সবকিছু গুছিয়ে রাখুন

১০.শ্রোতা হোন

যদি অফিসের ডেইলি কাজগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় তাহলে কাজ করা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

১১.পরামর্শ নিনঃ

কোনো কাজে আটকে গেলে বা সমস্যায় পড়লে মেনটপরের পরামর্শ নিন।তাতে আপনার ঝুঁকি কমবে আর কাজের মানও বাড়বে।

১২.কাজের জটিলতা পরিহার করুন

কোনো কাজ শেষ করার সবচেয়ে সহজ উপায়টা খুজে বের করুন আর কাজটা শেষ করুন।

১৩।ব্যক্তিগত জীবনকে পেশাগত জীবনের সাথে সম্পৃক্ত করবেন না

১৩.লিডারশীপ প্র‍্যাকটিস করুন

১৫.অফিস এনভায়রনমেন্ট(কর্ম পরিবেশ) সুন্দর করে তুলুন

হ্যাপি রিডিং

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

67

অনলাইনে শিক্ষাঃসহজে শেখার সহজ উপায়

অনেকেই জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা,ইন্টারনেটে কোন কোন সাইট ক্যারিয়ার নলেজের জন্যে পড়া যায় বলোতো?”
চিন্তা করে দেখলাম এই ক্যারিয়ার ও স্কিল লার্নিং সাইটগুলোর একটা তালিকা বানালে কেমন হয় যাতে সবাই একসাথে শিখতে পারি?

নিচে তেমনই কিছু সাইটের নামসহ লিংক দিলাম।চাইলে ঘুরে আসতে পারেন,শিখে আসতে পারেন,পড়ে আসতে পারেন।

প্রথমেই আসি প্রোগ্রামারদের কথায়।তারা Code Academy বা Treehouse সাইট থেকে প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন।
স্কিল বা বিভিন্ন দক্ষতা বিষয়ক কোর্সগুলো করা যাবে
Lynda
Skillshare
Coursera
Udacity
Udemy ইত্যাদি সাইট থেকে।

এছাড়াও আছে
Class Central
Dabble
Mentormob এর মতো চমৎকার সব সাইট।

বিভিন্ন ধরনের পড়াশোনা করা যাবে
EDX.com
Khan Academy থেকে।
ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা আছে
Couch.me
The muse এর মতো সাইটগুলোয়।

নতুন কোনো ভাষা শিখতে চাইলে ভিজিট করতে পারেন
Babbel
Doulingo এর ওয়েবসাইটে।

আর সবশেষে জীবনের বিভিন্ন বিষয় যেমন সৃজনশীলতা,সুখ,স্বাস্থ,অর্থনীতি ইত্যাদি বিষয় পেয়ে যাবেন
Daily Burn
Highbrow
Insight Timer এর মতো ওয়েবসাইট গুলোয়।

আর দেরি কেন? ফেসবুকে সময় না কাটিয়ে এখুনি শুরু করে দিন ই-লার্নিং।

এই সাইটগুলোর মধ্যে আপনার প্রিয় সাইট কোনটি, কমেন্ট সেকশনে শেয়ার করুন আমাদের সাথে।
শুভকামনা।

© মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট

ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট
প্রাচীন গ্রীসের একটি ঘটনা। একদিন একজন লোক বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিসের কাছে এসে বললো, “সক্রেটিস, এই মাত্র তোমার এক বন্ধু তোমাকে নিয়ে কিছু কথা বলেছে। আমার খুব খারাপ লেগেছে। এখন আমি তোমাকে সেগুলো বলতে চাই।” সক্রেটিস বললো, “এক মিনিট দাঁড়াও, তুমি ঘটনাটি বলার আগে আমি তোমাকে তিনটি প্রশ্ন করবো। আমি এর নাম দিয়েছি ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট।” সেই লোকটি বলল, “ঠিক আছে।”

প্রথম প্রশ্নটি সত্য মিথ্যা নিয়ে.. ‘তুমি কি শিওর তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা নির্ভেজাল সত্য?’ লোকটি উত্তর দিল, ‘না, আমি জানি না এটা সত্য কিনা, আসলে আমি শুধু শুনেছি এটা।

সক্রেটিস আবার বললো,’ তাহলে তুমি শিওর না যে তুমি যা বলবে তা সত্য। এখন আমার দ্বিতীয় ফিল্টার। “তুমি যা বলবে সেটা কি ভালো কিছু?” লোকটা “উম, নাহ, খারাপ কিছু…!” সক্রেটিস বললো, “তাহলে তুমি যা বলতে চাইছো সেটি সত্য না, আবার ভালো কিছুও না।”

এখনো তৃতীয় প্রশ্ন বাকি, “তুমি তৃতীয় পরীক্ষায় পাশ করলে আমাকে কথাটি বলতে পারো।’ তুমি আমাকে যা বলতে যাচ্ছ তা কি আমার জন্য উপকারী বা আমার কোনো কাজে লাগবে?” সেই লোকটি বলল, “না,আসলে তোমার জন্য তা উপকারী নয়।”

এবার সক্রেটিস শেষ কথাটি বললো, “তুমি আমাকে যা বলতে চাইছো সেটা সত্য নয়, ভালো কিছু নয়, এমনকি আমার কোনো উপকারে লাগবে না, তাহলে এসব শুনে আমার লাভ কী? আর এসব বলে তোমারই বা কী লাভ?

এই গল্প থেকে আমরা কী কী শিখতে পারি এবং আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি?

১. কখনও কিছু শুনে বিশ্বাস করাটা উচিত নয়। আগে যাচাই করা উচিত যে ঘটনা বা কথাটি সত্য কিনা

২. যার সম্পর্কে সে কথাগুলো বলবে তার কাছে অবশ্যই নেতিবাচক হিসেবে নয়,বরং ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করতে হবে। যদি রা না পারে তবে পারতঃপক্ষে যেন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

৩. কখনও কেউ যদি অভিযোগমূলক কিছু বলতে আসে তবে ধরে নিতে হবে যে সে নেতিবাচক কিছু উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে তার সেই উপস্থাপনা করার আগে থেমে দেয়া উচিত যেন তা নিতে কোন বিতর্ক বা ঝগড়া সৃষ্টি না হয়।

এ.এস.এম.জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম
পড়ার সময় ঘুম লাগা এবং তার প্রতিকার

66

ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে

আমরা অনেকেই খেয়াল করব, যখন আমরা পড়তে বসি তখন আমাদের ঘুম ঘুম অনুভব হয়। আমরা অনেক সময় এই ঘুম কাটানোর জন্য তখন পড়া বাদ দিয়ে লিখতে বসি। কারণ ছোটবেলায় আমাদেরকে বাবা-মা বলেন যে পড়ার সময় ঘুম ধরলে লিখতে বসতে হয়।কারণ লিখতে লিখতে নাকি একসময় ঘুম ছেড়ে যায়। ঘুম ছাড়ুক বা না ছাড়ুক,আমাদের ঘুম লাগার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কারণ গুলো হলো-

১. শারীরিক পরিশ্রম
২. ভারী বা তেলজাতীয় খাবার
৩. আগ্রহের কমতি( কোন বিষয় পড়তে ভাল না লাগলে যদি তা বাধ্য হয়ে পড়তে হয় তখন ঘুম লাগে)
৪. পড়ার সময় আমাদের মস্তিস্কের কোষগুলোর অলস হয়ে থাকা

অনেক ক্ষেত্রে লিখার চর্চার মাধ্যমে ঘুম তাড়ানো গেলেও কিছু কিছু কাজের মাধ্যমে আমরা ঘুম বা নিদ্রাচ্ছন্ন ভাব কাটাতে পারি-

১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের “ওয়াটার ট্রিটমেন্ট”। অর্থাত চোখে ঘুম লাগলে আমরা চোখে,মুখে পানি দিয়ে, হাত-পা ধুয়ে এসে পড়তে বসলে ঘুম চলে যায়।

২.পড়ার সময় যদি আমরা হাটতে হাটতে পড়ি তখন ঘুম কেটে যায়

৩. জোরে জোরে পড়া

৪. পড়ার সময় সাথে সাথে নোটস করা।

৫. কখনও একটানা পড়তে পড়তে ঘুম লাগতে পারে,তখন ১৫-২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিয়ে আবার পড়া শুরু করা।

এ.এস.এম. জেবিন সাজ্জাদ
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম

65

One drop of Creativity Mentality-

One drop of Creativity Mentality-

Are we all creative? Can our mind calculate the surroundings? Which kind of mentality we have?

Now, let’s get digged into an example. During this Corona, some of my friends have started trading with dresses. Is it creativity? No, it is not. It is just a flow! Again, if someone opens a business of extra virgin oil or least processed food, we all will praise that person. But when it is about creativity, we cannot add that business person in our list. Then the question what is creativity?

When we first opened our facebook account, how did we feel? Now-a-days, we all have become facebook lovers, Aren’t we? But do we know that today’s facebook was yesterday’s creativity. Yes, of course, we all know. The way of getting it’s popularity was easier. But still, ot is a part of Mr. Zukerberg’s talent. This is a creativity mentality.

We may got through another example. One of the earliest forms of trade conducted online was IBM’s online transaction processing (OLTP) developed in the 1960s and allowed the processing of financial transactions in real time (collected from Wikipedia). So this is how the journey of online business started. It is another creative idea.

So we have come to know that creativity mentality means something which is very initiative. It means the idea which is very new and in mint condition. When a very new product comes to the market, it gets related to the creativity.
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ দ্বিতীয় পর্ব
বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো তাহলে কেমন হতে পারে!
বেশিরভাগ সফল ব্রান্ডের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি, কন্ঠ এবং শৈলি আছে।আর তারা তাদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা এবং গ্রাহকদের মুগ্ধ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। আপনার ব্রান্ড আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে।
তিন ধরনের সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়া অনেক কাজের।
📷অথেন্টিক ইমেজারি
📷ইমোশনাল মার্কেটিং
📷স্টোরিটেলিং
অথেন্টিক ইমেজারিঃ আমরা সবাই এমন একটি জগতে বাস করি যেখানে সবাই সরাসরি দেখার ব্যপারগুলোর প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। যেমন – টিভি, ইউটিউব, ম্যগাজিন, নিউজপেপার ইত্যাদি মিডিয়া। সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়ার কৌশলে হিসেবে এই মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে ইমেজ ভিত্তিক ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং করা গেলে তা বেশ ফলপ্রসূ হয় যেহেতু ছবি যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
এখন প্রশ্ন হলো ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত? এক্ষেত্রে অবশ্যই এটা জানতে হবে যে আমরা মার্কেটিংটা কাদের উদ্দেশ্য করছি এবং অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন ছবি এবং ভিডিও হতে হবে যা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
ইমোশনাল মার্কেটিংঃ ইমোশনাল মার্কেটিং গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং পন্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খুবই জরুরি। ইমোশন বা আবেগের কারণেই মানুষ সাধারণত একটা নির্দিষ্ট ব্যান্ডের পন্য বারবার ব্যাবহার করতে পছন্দ করে। Pultchik’s Wheel of Emotion অনুযায়ী আটটি প্রাইমারি ইমোশন আছে এবং এগুলো ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর সময় ইমোশনাল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিক আবেগ গুলো হলো- প্রত্যাশা, বিজয় লাভ, বিশ্বাস, সারপ্রাইজ, ভয়, রাগ, বিষন্নতা এবং ঘৃণা। আপনারা যদি একটু খেয়াল করলেই বর্তমানে বিভিন্ন প্রডাক্টের বিজ্ঞাপনে এগুলোই ইমোশনাল ট্রিগার। সিম্পল একটা উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ইউনিলিভারের প্রডাক্ট ভ্যাসলিন পেট্রোলিয়াম জেলির বিজ্ঞাপন গুলোর কথা। কখনো তারা বিজ্ঞাপনের মধ্যমে তুলে এনেছে পরিবারের সুরক্ষার কথা আবার কখনো ফোকাস করেছে নারী শক্তিকে, যে ব্যপারগুলো সমাজের বিশাল একটা অংশকে প্রভাবিত করে।
স্টোরিটেলিংঃ ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে স্টোরিটেলিং কোনো কাল্পনিক গল্প তৈরি করার বিষয় নয়। গল্পটির মাধ্যমে অবশ্যই ঐ ব্রান্ডের সাথে জড়িত সত্যি ঘটনাে গুলোর প্রতিফলন ঘাটানো উচিত। Blogging এই ধরনের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর ভালো একটা উদাহরণ।
এখন এই ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং প্রোসেস টা সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মনে করুন একদল মার্কেটার একদল ভোক্তা সম্পর্কে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ বিশ্লেষণ করছে,দলের একজন বিশেষজ্ঞ জনসংখ্যার উপর মেটাডাটা স্ক্র্যাপ করছে, দলের আরেকজন সদস্য জরিপের ফলাফল পড়ছেন এবং ব্যখ্যা করছেন, একজন বিশ্লেষক স্রেডাশীট নিয়ে গবেষণা করছেন। এই তথ্যগুলো মার্কেটিং প্রসেসর ভিত্তি। কিন্তু এর পরের প্রসেস গুলো কি হবে?
এরপর আসে ক্রিয়েটিভরা, উনারা সৃজনশীল বিপনন প্রক্রিয়াটাকে একটা বাস্তবিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। ভিত্তিমূলক উপাত্ত দিয়ে বিপনন প্রক্রিয়া শুরু করেন এবং একটি নকশা তৈরি করেন- কেনো পন্য বাজারের সাথে খাপ খাবে না বা মানানসই হবে না, কেনো বাজার অনুন্নত, কেনই বা পন্যগুলো বেশি সম্ভাবনাময় না ইত্যাদি বিষয়াবলি মাথায় রেখে কাজ শুরু করবেন।
এই সবকিছুর তত্বাবধানে থাকেন একজন সৃজনশীল পরিচালক। তিনি প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা এবং গতি নির্ধারণ করেন আর যত্ন ও দক্ষতার সাথে পুরো প্রক্রিয়ার ভারসাম্য নিশ্চিত করেন। প্রকল্পটিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তোলা এবং ফানেল(বিক্রয় প্রক্রিয়া) রক্ষা করাই হলো তাদের কাজ।
মোটাকথা, একটি ক্রিয়েটিভ টিম গঠনের সময়, বিপনন বিভাগকে গবেষণা এবং সৃজনশীল অভিব্যক্তির মধ্যেমে একটি সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর জগৎটা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সাধনার ব্যপার। তবুও এই ছোট্ট লেখেনির মাধ্যমে আপনাদের ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিলো এটি।
-মরিয়ম বিনতে আজাদ বিজয়ী
এক চামচ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ প্রথম পর্ব
এক সকালে ফিলিপিন্সের একটি রাস্তায় একটা ব্যাপার সব পথচারীদের নজর কাড়লো, যখন কিছু লোক বিশাল একটি Kit Kat এর প্যাকেট পিকআপ গাড়ি থেকে নামালো। ততক্ষণে আশেপাশে লোকসমাগম ঘটে গেছে। প্যাকেটটি খুলতেই কি দেখা গেলো বলুন তো!প্যাকেটের মধ্যে ছিল হুবহু Kit Kat chocolate এর মত দেখতে একটি বেঞ্চ!
As a chocolate lover আপনি হয়তো কামড় দিয়ে দেখতে চাইবেন যে বেঞ্চটা আসলেও খাওয়া যায় কি না!
এতক্ষণ যে গল্পটা বললাম এটা ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর একটা উদাহরণ।
Creative Marketing হলো গতানুগতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে চিন্তা করা এবং পণ্য বা সেবার প্রমোশন করা।
মার্কেটিং এ মেইন ফোকাস থাকে মূলত ভোক্তারা। আজকাল ভোক্তারা স্বচ্ছতা এবং হাস্যরসাত্নক ব্যাপারে বেশি আকৃষ্ট হয়।

-Moriom Binta Azad Bijoyee