6

A glance at Digital Marketing Strategy

Do you know what a digital marketing strategy is? How are you connected to it?

According to Google, a digital marketing strategy is a plan that helps your business achieve specific digital goals through carefully selected online marketing channels such as paid, earned, and owned media. now, you may question, ‘What are digital goals?’ Well, some digital goals are given below:

  • Increasing problem and solution awareness
  • Acquiring new leads and customers
  • Activating leads and customers
  • Monetizing existing leads and customers
  • Onboarding new leads and customers
  • Building community and advocacy

Are you confused? Let us get dug into an example. Suppose company A and Company B are renowned organizations in a society. Both are harming the environment at the time of their production. Company A has started investing in the ground for awareness, but company B is not doing anything. Here, when company A is supporting its assets on the environment, not reducing its responsibility. As we know, being a company, A’s responsibility and duty are earning profit and enhancing assets. You may question, ‘How will it work for digital marketing?’
As you can see, at a time, A is making two objectives – earning profit and performing towards the environment. So, here A is marketing itself more efficiently. When A’s logo is being posted in every place, more and more people are getting attached to A’s contribution. Thus A is involved in digital marketing.

Not enough? Want another example? Okay! Being a student at the Faculty of Business Studies, University of Dhaka, I am directly connected to E-library. Robi established this library. There is a logo of Robi at the entrance of the gate. And also, there is written “Robi E-Library.” How does it work? The students of this faculty will be influenced by Robi, and many of them may want to set robi as their future goal. Thus, more and more leadership will be grown up, which will benefit Robi. This is how digital marketing turns a contribution to profit.
জোহারি উইন্ডো

কোনো ব্যক্তির মধ্যে আত্নসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম স্বীকৃত কৌশল হলো জোহারি উইন্ডো।এ মডেল ব্যক্তির নিজের সাথে নিজের এবং অন্যদের সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে। ১৯৫৫ সালে মনোবিজ্ঞানী জোসেফ লাফ্ট ও হেরিংটন ইংঘাম মানুষের সচেতনতা ও জ্ঞানের স্তরবিন্যাস করতে এ মডেল প্রবর্তন করেন। তাঁদের দুজনের নামের প্রথমঅংশ মিলিয়ে এ মডেলের নামকরণ করা হয় জোহারি উইন্ডো। জোহারি উইন্ডো মডেল দুটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়- নিজের সম্পর্কিত তথ্য অন্যদের জানানো এবং তাঁদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে নিজের লুকায়িত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারা। এবং এর ফলে পারস্পরিক বিশ্বাস গভীর হয়ে উঠে। কমিউনিকেশন স্কিল বাড়াতে চাইলে এটি বেশ কার্যকরী কৌশল।
এ মডেলে ৫৬ টি বিশেষণের একটি তালিকা দেওয়া হয় যা থেকে ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিত্বকে প্রতিনিধিত্ব করে এমন ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন।একইভাবে অন্যরাও তাকে নিয়ে যে ধারণা পোষণ করে তার ভিত্তিতে ৫-৬ টি বিশেষণ বেছে নেন। উভয়ের বেছে নেওয়া বিশেষণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এদের ৪ টি এলাকায় ভাগ করে রাখা হয়।
মুক্ত এলাকাঃ(Open Area) ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে এবং অন্যরা জানে তা এ এলাকায় থাকবে।এ এলাকায় সকল যোগাযোগ দ্বিমুখী প্রক্রিয়ায় হয় অর্থাৎ ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে অন্যদের জানান এবং অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পান। ফলস্বরূপ এ এলাকা ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য বেশ কার্যকর এবং এতে সম্পর্কগুলো গতিশীল হয়ে উঠে।
গোপন এলাকাঃ (Hidden Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে জানে কিন্তু অন্যদের কাছে গোপন করতে চায় সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। এ এলাকাকে ছোট করতে চাইলে ব্যক্তির নিজে উদ্যোগী হয়ে তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে সেসব তথ্যকে মুক্ত এলাকায় নিয়ে যেতে হবে। এতে ব্যক্তি নিজের ভয়,সংকোচ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
অন্ধ এলাকাঃ (Blind Area)ব্যক্তির যেসব তথ্য সে নিজে না জানা স্বত্বেও অন্যরা জানেন সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়। অন্যদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মাধ্যমে এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা যায়। কার্যকরী যোগাযোগের জন্য এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা জরুরী। নাহয় অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাবছে তা সে বুঝতে পারবে না।
অজ্ঞাত এলাকাঃ (Unknown area)ব্যক্তির যেসব তথ্য যা তার নিজের কাছে এবং একই সাথে অন্যের কাছেও অজানা সেসব তথ্য থাকবে এ এলাকায়।উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমেই এ এলাকার পরিধি কমিয়ে আনা সম্ভব।এর ফলে ব্যক্তি তার সম্পর্কিত গোপন অনুভূতি বা তার নিজের গোপন প্রতিভা সম্পর্কে জানতে পারেন।
ব্যক্তি জীবনে সফল হয়ে উঠতে হলে নিজের গুণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তাই আমাদের উদ্দেশ্য হবে কার্যকরী যোগাযোগের মাধ্যমে মুক্ত এলাকার পরিধি বৃদ্ধি করা।
এলিভেটর পিচঃকি কেন কিভাবেঃ

ধরুন আপনাকে নিজের সম্পর্কে, আপনার অর্জন আর প্যাশন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো।সময় দেয়া হলো ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট।কল্পনা করুন আপনি কীভাবে বলবেন।

আমার এক বন্ধুর গল্প বলি।ওর নাম রাকিব।একদিন সে বসুন্ধরা সিটির লিফটে উঠছে।উঠেই দেখে ইগলুর সিইও স্যার ওর সামনে দাড়ানো।ওনাকে আগেও রাকিব ভার্সিটির কনফারেন্সে দেখেছে।লিফট উপরে উঠতে শুরু করেছে।রাকিব ভাবছিলো কীভাবে পরিচিত হওয়া যায় তার সাথে……

এই যে লিফটের ভেতরে অল্প সময়ে কারো সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য নিজের যে ভাষণ,এটাই এলিভেটর পিচ।ইন্ট্রোডাকশন এর সাথে এর মূল পার্থক্য হলো এলিভেটর পিচ শেষ করতে হয় খুবই কম সময়ের ভেতর, ত্রিশ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট এবং এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটা ইম্প্রেশন তৈরি করতে হয়।

রাকিবের মাথায় একটা আইডিয়া খেলে গেল।সে বলতে শুরু করলো,
“আসসালামু আলাইকুম, স্যার।আমি রাকিব আল হাসান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি ইউনিটে ৩য় বর্ষে পড়ছি স্যার।আমি আন্তর্জাতিক ব্যবসায় ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্টাডি করছি স্যার।আমার মনে হয় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর অনেক বেশি সম্ভাবনা আছে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে যাওয়ার।

স্যার,আমার মনে হয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আরো কাজ হতে পারে।আমাদের যেভাবে দেশ ও জাতিকে দেওয়া উচিত আমরা সেভাবে দিতে পারছিনা স্যার।

স্যার,কেস কম্পিটিশন করছি আর কিছু পুরস্কারও পেয়েছি।তার পাশাপাশি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সংগঠনে কাজ করছি আর আমার শক্তির দিক হচ্ছে লেখালেখি।স্যার বেশ কয়েকটা ক্লাব আমি লিটারেচার,বিজনেস কন্টেন্ট আর দক্ষতা বিষয়ক লেখালেখি করি স্যার।

স্যার,আপনাকে আমার ক্যাম্পাসে গত অনুষ্টানে দেখেছি স্যার।আপনার কথাগুলো খুব ভালো লেগেছে আমার।ভবিষ্যতেও এভাবেই অনুপ্রানিত করবেন স্যার।

স্যার,আপনার একটা কার্ড পেতে পারি?”””

এলিভেটর পিচ দেওয়ার সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখবেন।আপনি যার সাথে পরিচিত হচ্ছেন সে আপনাকে নাও চিনতে পারে অথবা পাত্তা নাও দিতে পারে।তবে আপনাকে থেমে গেলে চলবে না।নিজের পরিচয়,প্যাশন আর অর্জনগুলো চমৎকারভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে পাত্তা আদায় করে নিতে হবে।

এই এলিভেটর পিচে কিছু জিনিস আমি মাথায় রেখেছিলাম।সেগুলো হলোঃ
১.আই কন্টাক:যার সাথে কথা বলছেন।
২.বডি ল্যাংগুয়েজ:ইতিবাচক।
৩.পজিটিভিটি:প্যাশন বর্ণনায় পজিটিভ থাকতে হবে।
৪.হাসিমুখ:আপনার হাসিমুখ আপনার আত্মবিশ্বাস ফুটিয়ে তোলে।
৫.আগ্রহ:পরিচিত হওয়ার ক্ষেত্রে আপনার আগ্রহ অপর ব্যক্তিকে মুগ্ধ করবে।

আর দেরি কেন,বিষয়গুলো মাথায় রেখে আজই বানিয়ে ফেলুন নিজের এলিভেটর পিচ।প্র‍্যাকটিস করুন এবং তৈরি করুন নিজের শক্ত একটা জায়গা।
শুভকামনা।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর
▪▪এইচ আর ট্রাবলস্▪▪

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *