th

রিয়েলিটি টু ইমাজিনেশন

সকলের থেকে একটু সময় চেয়ে নিবো।
ভাবছেন কোন কাজ করাবো আপনাকে দিয়ে?? না না কোন কাজই করাবো না। আমি আসলে সময় চাচ্ছি আপনার জন্যেই। শুনে বেশ অবাক হলেন তাইনা। আসলে অবাক হওয়ার মতো তেমন কিছুই না। আগে বিষয়টা বলি তাহলে বুঝতে পারবেন।

আপনার কাছে সময় চেয়েছি যাতে আপনি নিজেকে নিয়ে একটু ভাবতে পারেন। এই যে কল্পনা বা ইমাজিনেশন এটি কিন্তু মানুষের একটি দারুণ শক্তি। যেকোন কাজের আগে ঐ কাজ টা সম্পর্কে একটু ইমাজিনেশন করবেন এবং সবসময়ের জন্য ইমাজিনেশন করার সময় পজিটিভ চিন্তা করবেন। দেখবেন আপনি যেই কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেটা ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সাফল্যের সাথে শেষ করে বেশ আনন্দিত৷ এটা কেন বললাম? আসলে ইমাজিনেশন এর মাধ্যমে সফল হয়ে ঐ কাজের প্রক্রিয়া একবার রিভাইজ করলেন এবং সফল হওয়ার দরুন নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করলেন। হ্যাঁ! আপনি ঐ কাজটা এভাবে করলেই সফলভাবে করতে পারবেন। তবে অবশ্যই পজিটিভ চিন্তার অধিকারী হতে হবে আপনাকে। আর যদি প্রশ্ন করেন আমি তো কাজ এ ব্যর্থও হতে পারি?? হ্যাঁ, হতেই পারেন!! দুর্ঘটনা কিন্তু বলে আসে না। সাময়িক কোন কাজ এ ব্যর্থ হতেই পারেন। এটা নিয়ে আফসোস করার কিছু নাই। ঐ যে কাজে ব্যার্থ হলেন, ঐ কাজটাকে পুনরায় ইমাজিনেশন করেন!! কি কি করেছিলেন? কি কি ভুল ছিলো??

এর সমাধান আপনি নিজেই! এখন বলবেন নিজেই নিজের ভুলের সমাধান কিভাবে হলাম? আচ্ছা এটাও যৌক্তিক প্রশ্ন। আচ্ছা তাহলে এই প্রশ্নের সমাধান খোজাঁ যাক! আপনি যে কাজটাতে ব্যর্থ হলেন ঐ টা পুনরায় ইমাজিনেশন করেন এবং পয়েন্ট দাড় করান কি কি করলে সফল হতেন এবং কি কি ভুলের কারণে ব্যর্থ হলেন?
এখন নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করুন কেন?? এই প্রশ্নের উত্তরও আপনি নিজেই দিতে পারবেন। কিভাবে? আপনার দুর্বলতা আপনি নিজেই ভালো জানেন!! ঐ দুবর্ল জায়গাটাকে বা ঐ ক্ষত জায়গাটে কতটুকু ভরাট করলে আপনি সফল হবেন সেটা আপনি নিজেই কাজ শেষ এ অনুধাবন করতে পারবেন।

এগুলো কেন বললাম? এক্ষেত্রে আমরা কি করি! আমরা ব্যর্থ হয় বা সফল, সেই বিষয়টা কখনো ভেবেই দেখি না কিভাবে আমরা এটা সম্ভব করলাম বা আমার দ্বারা কেন এটা সম্ভব হলো না। সবসময়ের জন্য আমরা ভেবে থাকি ঐ কাজটা আমার জন্য না। এখানে আমার হয়তো কোন দোষ নাই। অন্যের কোন ভুল বা দোষ এর কারণেই আমাকে পিছিয়ে পরতে হয়েছে। কিন্তু এখানে আমি বলবো অন্য কেউ কি করেছে? কেন করেছে? অন্যের ভুল না ধরে নিজের ভুলটা ধরে নিজেকেই প্রশ্ন করি। আশা করি আরও বেটার এবং ভালো উত্তর পেয়ে যাবো আমরা। আবার এক্ষেত্রে আপনার সেই ইমাজিনেশন শক্তিই কিন্তু সবথেকে ভালো বন্ধু হতে পারে। আবার কোন কিছু না পাওয়া বা কোন ব্যর্থতাই সহজেই ডিপ্রেশন এ পরে যায়। তবে কেন যে সেটা হলো? এটার উত্তর খুজতেঁ ভুলে যায় আমরা।

তবে এমন ভাবে বাস্তবতার সাথে ডিপ্রেশন টা গুলিয়ে ফেলেছি আমরা যে ডিপ্রেশনটা সস্তা হয়ে গেছে। ডিপ্রেশন এর ও যে একসময় অধিক ডিমান্ড ছিলো সেটিও নষ্ট হয়ে গেছে।

শেষ মূহুর্তে পৌছিয়ে সারসংক্ষেপ শেষ করবো কল্পনা এবং বাস্তবতার মিলবন্ধন ঘটিয়ে। নইলে আপনারা আবার উপরের বিষয় গুলোকেই মিথ্যা বানিয়ে দিবেন। কেমন করে এটাই তো মাথায় প্রশ্ন জাগছে? আসলে বাস্তবতার সাথে কল্পনার মিল বন্ধন যদি না রাখেন তবে ভেবে দেখেন তো আপনি তো কাজ না করে ভেবেই বসে থাকবেন কাজ শেষ! বিন্দাস! হয়তো কল্পনাতেই আপণ করে বাস্তবতাকে ভুলে এমন কোন কিছুতে হারিয়ে যাবেন যে যেটা কখনোই ঘটা সম্ভব নয়। যেমন কল্পনায় ভাবলেন মানুষের ৫ পা হয়েছে। মানুষ এখন ৫ পা নিয়ে চলে। তবে এটার কোন যৌক্তিকতা বা বাস্তবতা নাই। তাই বাস্তবতার সাথে কল্পনার কঠোর মিলবন্ধনে যেকোন কিছুকে আকড়ে ধরতে হবে। যদিও বাস্তবতা এবং কল্পনা দুটোই ভিন্নধর্মী বিষয়। তবুও আমি এটার মিলবন্ধন আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।

নিচের ছবিতে আপনি কি ভিন্নকিছু দেখতে পাচ্ছেন? নাকি সবাই মতই জিনিস দেখছেন? আপনার মতামত কি?
১। বেশির ভাগ মানুষ যেটা দেখবে সেটা হল, একটি পচা ফলের সংস্পর্শে অন্য আরও একটি ফল পচে যাচ্ছে। তার অর্থ হল, আপনি খারাপ মানুষের সাথে থাকলে খারাপই হবেন।

২। অথবা, কিছু মানুষ এটা দেখবেন যে, একটি পচা ফলের কিছু অংশ ভালো আছে। আমরা যদি নতুন ফলকে ভালো পাশের অংশে রাখতাম তাহলে আর সেটি নষ্ট হত না। ঠিক এভাবে, সমাজে যেসব খারাপ মানুষ আছে, তাদেরও ভালো দিক আছে। ভালো গুণ আছে। তাদের সাথে মিশলে আমাদের ভালো গুণ গুলো নিতে পারি।
এবার আসি মজার বিষয়ে, প্রায় ৭০% লোক প্রথম ভাগে পরবে। কিন্তু এতে মন খারাপের কিছুই নেই। কেন? আসুন দেখি। ভাবুন, আপনি যেভাবে চিন্তা করেন ৭০ ভাগ মানুষ সেভাবে চিন্তা করে। আপনি যদি কোনো মার্কেটিং strategy পছন্দ করেন তবে ৭০% ভাগ মানুষ সেটা গ্রহণ করবে।

২য় ভাগে পরে প্রায় ১০-১৫ ভাগ লোক। তাদের কোনো কিছু ভিন্নভাবে দেখার ক্ষমতা আসলেই অসাধারণ। তারা একটা কাজ ভিন্নভাবে করতে পারে। তারা নতুন কিছু বানাতেও পছন্দ করে।

এবার আসি বাকি ১৫%-২০% লোক করা যারা এই ৭৫%বা ৮০% এ নেই। এই দুইটি ভাবে দেখা বাদেও যারা ভিন্ন ভাবে দেখবেন তারাই বাকি অংশের অধিকারী। আপনি যদি উপরের ২ ভাগে থেকে আলাদা হয়ে থাকেন তাহলে জানান। আপনি কোন ভাগে পড়েছেন সেটাও জানতে পারেন। আর নতুন কি দেখতে পাচ্ছেন সেটাও জানতে পারেন।
বি. দ্র. : আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে উপরের দুইটি ভাগই থাকে। তাহলে পার্থক্য কেন? কারণ কম আর বেশি পরিমাণে থাকে তাই ভাগ করা সম্ভব হচ্ছে।

Rezoan Ahmed Sazid
Junior Executive of Content Writing Team

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *