6

নেগেটিভ ইমোশন থেকে পালাতে চান?

ইমোশনাল হলে চলবে না!
কী? লেখাটা দেখে ভড়কে গেলেন?দেখতে হালকা মেজাজের হলেও এই লেখার কিন্তু একটা গূঢ় অর্থ আছে।
ইমোশন দুই প্রকার হয়।মা-বা,ভাই-বোন আত্মিয়-স্বজনদের প্রতি ভালোবাসা,মানুষের উপকার করার ইচ্ছা বা মানুষের পাশে দাড়ানোর ইচ্ছা কিংবা সুন্দর ব্যবহার পজিটিভ ইমোশনের উদাহরণ।
আর হঠাৎ রেগে যাওয়া, হতাশ হওয়া,নিজেকে সামলাতে না পারা নেগেটিভ ইমোশন বা নেতিবাচক আবেগের উদাহরণ। “ইমোশনাল হলে চলবে না” কথাটায় এ ধরনের ইমোশন থেকেই দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নেগেটিভ ইমোশন থেকে আমরা কেন দূরে থাকবো?
কারণ,
১।হঠাৎ রেগে যাওয়ার মতো বিষয়গুলো আমাদের মানসিক শান্তি নষ্ট করে,পারস্পরিক বোঝাপড়া আর সম্পর্ক নষ্ট করে। নিজকে আর নিজের আচরণকে সামলে রাখতে না পারার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।
২।ভয়ের মতো নেগেটিভ ইমোশন গুলো জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট বাঁধার সৃষ্টি করে।এটা হতে পারে কোনো কাজের ক্ষেত্রে ভয় বা কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ভয়।
৩।এছাড়া কারো প্রতি বিরক্তি বা একাকীত্ব আপনাকে মানসিকভাবে চাপে রাখে।তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে আপনি মানসিক ট্রমার সম্মুখীনও হতে পারেন।
এসব কারণে নেগেটিভ ইমোশন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর চর্চা করতে হবে আর যেকোনো অপ্রত্যাশিত বিষয়কে সহজভাবে নেয়ার অভ্যাস করতে হবে।
নেগেটিভ ইমোশনকে দূরে রাখতে আর পজিটিভ ইমোশন চর্চা করতে কিছু ট্রিকসও প্রয়োগ করতে পারেন।সেক্ষেত্রে রুশদিনা খানের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বইটি বেশ কার্যকর হবে।
শুভকামনা।
জীবন সুন্দর হোক।

©মাহতাব আব্দুল্লাহ মঞ্জুর

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *