2

ডিজিটাল মার্কেটিং: বিস্তারিত দেখা

বর্তমানে পৃথিবীর ৫৯ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট প্রযুক্তির সাথে যুক্ত।সংখ্যার হিসেবে তা দাঁড়ায় ৪.৬৬ বিলিয়নে,এ সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।যার ফলশ্রুতিতে যেকোনো পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংএর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বল্পব্যায়ে ,দ্রুত সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো যায় দেখে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন বেশ জনপ্রিয় পদ্ধতি। মার্কেটিংয়ের চ্যানেল ও কন্টেন্টের ধরনের ভিত্তিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর রয়েছে নানা প্রকারভেদ।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হলো কয়েকটি বিষয়ের সমন্বয়ে তৈরি এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি যার মাধ্যমে যেকোনো ই- কমার্স ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় তুলে আনা যায়। অনলাইনে ট্রাফিক বৃদ্ধির এ প্রক্রিয়াকে এসইও বলে। সাধারণত আমরা সার্চ ইঞ্জিনে কোনো কিছু খুঁজতে গেলে প্রথম এক-দুই পেজের রেজাল্টই দেখি। তাই এসইও এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে সামনে নিয়ে আসা গেলে পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধির সম্ভবনা বাড়ে।এজন্য ওয়েব সাইট ডেভলপ করার সময় বেশ কিছু কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনকে পে করার মাধ্যমেও ওয়েবসাইটকে পেজের শুরুর দিকে নিয়ে আসা যায়। প্রচারণার এ পেইড উপায়কে বলে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী এটি স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার হতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষার জন্য আমাদের ব্যবহৃত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের মাধ্যমে যখন কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারণা করা হয় তা হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ ব্যবহার করেন বিধায় এতে অল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে বহু সংখ্যক গ্রাহকের কাছে সহজে পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণা চালানো সম্ভব হয়।
কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ কনটেন্ট মার্কেটিং হলো কোনো পণ্য বা সেবাকে কেন্দ্র করে ব্লগ ,ছবি ,ভিডিওচিত্র ইত্যাদির মাধ্যমে আকর্ষণীয়ভাবে তার প্রচারণা চালানো।কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি চলমান প্রক্রিয়া। গ্রাহকের প্রত্যাশা বুঝে সে অনুযায়ী মানসম্পন্ন কন্টেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে বিক্রি ও গ্রাহকের আস্থা বাড়ানো যায়।প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে সহজেই ব্র্যান্ডের চাহিদা ও পরিচিতি বাড়ানো যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ কোনো পণ্য বা সেবার সরাসরি বিক্রয়ে সাহায্য করে অর্থ উপার্জনের জন্য যে প্রচারণা চালানো হয় তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।যিনি প্রচারণা চালান তাকে অ্যাফিলিয়েট বলা হয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এতে সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়।গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে এটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কার্যকরী উপায়।

-ইসরাত হক জেরিন
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ
কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট টীম

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *